মহালয়া কি ? মহালয়া কি গুরুত্ব ধারন বা পালন করে ?
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
মহালয়া কি? মহালয়া কি গুরুত্ব ধারন বা পালন করে ?
শুভ মহালয়া , শুভ মহালয়া অনেক শুনেছেন। কিন্তু কেন এই মহালয়া! সবাই নিশ্চিত মহালয়া মানে দূর্গাপূজার দিন গােনা, মহালয়ার ছয়দিন পর মহাসপ্তমি, তাই দেবিকে আমত্রন ইত্যাদি। মহালয়ার তার চেয়ে বড় গুরুত্ব আছে।
ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র অকালে দেবিকে আরাধনা করেছিলেন লঙ্কা জয় করে সীতাকে উদ্ধারের জন্য ।
আসল দূর্গা পূজা হলাে বসন্তে, সেটাকে বাসন্তি পূজা বলা হয়। শ্রীরামচন্দ্র অকালে অসময়ে পূজা করেছিলেন বলে এই শরতের পূজাকে দেবির অকাল–বােধন বলা হয়।
আসল দূর্গা পূজা হলাে বসন্তে, সেটাকে বাসন্তি পূজা বলা হয়। শ্রীরামচন্দ্র অকালে অসময়ে পূজা করেছিলেন বলে এই শরতের পূজাকে দেবির অকাল–বােধন বলা হয়।
সনাতন ধর্মে কোন শুভ কাজ করতে গেলে, বিবাহ করতে গেলে প্রয়াত পূর্বরা, যাদের পিতা–মাতা তাদের পিতা–মাতার জন্য, সাথে সমগ্র জীব–জগতের জন্য তর্পণ করতে হয়, কার্যাদি–অঞ্জলিপ্রদান করতে হয়। তর্পণ মানে খুশি করা। ভগবান শ্রীরাম লঙ্কা বিজয়ের আগে এদিনে এমনই করেছিলেন।
সেই অনুসারে এই মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ–মাতৃহীন তারা তাদের পূর্বপূরুষের স্মরন করে, পূর্বপূরুষের আত্নার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্নাদের মত্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়, প্রয়াত আত্নার যে সমাবেশ হয় তাহাকে মহালয় বলা হয়। মহালয় থেকে মহালয়া। পিতৃপক্ষের ও শেষদিন এটি।
সনাতন ধর্ম অনুসারে বছরে একবার। পিতা–মাতার উদ্দেশ্যে পিন্ড দান করতে হয়, সেই তিথিতে করতে হয় যে তিথিতে উনারা প্রয়াত হয়েছেন। সনাতন ধর্মের কার্যাদি কোন তারিখ অনুসারে করা হয় না তিথি অনুসারে হয়।
মহালয়াতে যারা গঙ্গায় অঞ্জলি প্রদান করেন পূর্বদের আত্নার শান্তির জন্য, তাহারা শুধু পূর্বদের নয়, পৃথিবীর সমগ্র কিছুর জন্য প্রার্থনা ও অঞ্জলি প্রদান। করেন যে–অবান্ধবা বান্ধবা বা যেন্যজন্মনি বান্ধবা – অর্থাৎ যারা বন্ধু নন, অথবা আমার বন্ধু ও, যারা জন্ম জন্মাহ্বরে। আমার আত্নীয় বন্ধু ছিলেন, তারা । সকলেই আজ আমার অঞ্জলি গ্রহন করুন।
যাদের পুত্র নেই, যাদের কেউ নেই আজ স্মরন করার তাদের জন্য ও অঞ্জলী প্রদান করতে হয়।
যেযাং, ন মাতা, ন পিতা, ন বন্ধু – অর্থাৎ যাদের মাতা–পিতা–বন্ধুকেউ নেই আজ। স্মরন করার তাদেরকে ও স্মরন করছি। ও প্রার্থনা করছি তাদের আত্না তৃপ্তিলাভ করুক।
এ দিন তর্পন করলে পিতৃপুরুষেরা আমাদের আশীর্বাদ করেন। এ ছাড়াও এদিনে দেবী দুর্গার বােধন করা হয়, বােধন অর্থ জাগরণ। তাই মহালয়ার পর দেবীপক্ষের (শুক্লপক্ষের) প্রতিপদে ঘট বসিয়ে শারদীয়া দুর্গা পুজার সূচনা করা হয়। প্রসঙ্গতঃ যে শ্রাবণ থেকে পৌষ ছয় মাস দক্ষিণায়ন, দক্ষিণায়ন দেবতাদের ঘুমের কাল। তাই বােধন অবশ্যই প্রয়ােজন, আরও বলা দরকার যে মহালয়ার পর প্রতিপদে যে বােধন হয়। সে সময়ও সংকল্প করে দুর্গা পূজা করা যায়। একে বলে প্রতিপদ কল্পরম্ভা, তবে সাধারণত আমরা ষষ্ঠি থেকে পূজার প্রধান কার্যক্রম শুরু হতে দেখি যাকে বলা হয় ষষ্ঠাদিকল্পরম্ভা। কিছু প্রাচীন বনেদী বাড়ি এবং কিছু মঠ মন্দিরে প্রতিপদ কল্পরম্ভা থেকে পুজো হয়। যদিও প্রতিপদ কল্পরম্ভা থেকে শুরু পুজোতেও মূল আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। শুরু হয় ষষ্ঠি থেকেই এবং সপ্তমী থেকে বিগ্রহতে। প্রতিপদ থেকে শুধু ঘটে পূজো ও চণ্ডী পাঠ চলে।
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
সংগৃহীত


