Just like the milk(or water) streaming (or leaking) out from a pot that is leaking

ब्राम्हण: सम_क् शान्तो दीनानां समुपेक्षक: ।

स्त्रवते ब्रम्ह तस्यापि भिन्नभाण्डात् पयो यथा ॥

In the event that a brahmin with even (same) frame of mind towards all (Samadrsti) does not represent offering alleviation to the frail (and mistreated),it may be considered that, that brahmin has lost his Brahma lusture (energy), just like the milk(or water) streaming (or leaking) out from a pot that is leaking.
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

समदॄष्टी के अभाव के कारण यदि ब्राम्हण किसी पिडीत व्यक्ति की सहायता नही करता तो उसका ब्रम्हत्व समाप्त हो गया ऐसा समझना चाहिए ।

Mentioned in the Hindu religion, "Vishnu dasabatara ‘natural evolution and Darwin II হিন্দু ধর্মে উল্লিখিত ‘বিষ্ণুর দশাবতার’ ও ডারউইনের প্রাকৃতিক বিবর্তনতত্ত্ব

হিন্দু ধর্মে উল্লিখিত ‘বিষ্ণুর দশাবতার’ ও ডারউইনের প্রাকৃতিক বিবর্তনতত্ত্ব
=======================================
আধুনিক দৃষ্টিকোন থেকে যদি এই ‘দশাবতার’ তত্ত্বকে দেখি তো কি উপসংহার পেতে পারি। প্রাচীন কালে মুনি ঋষিদের ধারণা ছিল পৃথিবীতে জীবের বিবর্তন ধারায় মানুষের আবির্ভাব ঘটে। উদাহরণ স্বরুপ, পৃথিবীতে জীবনের প্রথম অভিব্যক্তি ঘটে জলচর প্রাণী রূপে। তারপর এক ধরণের প্রাণী জন্মায় যারা জল ও স্থল উভয় স্থানেই বাস করতে পারে। পরবর্তী কালে স্থলচর প্রাণীর উদ্ভব হলো। তার পর মনুষ্যেতর প্রাণী সৃষ্টি হলো। তারপর এল মানুষ। ক্রম বিবর্তনের ধারায় অনুন্নত জীব থেকে উন্নততর মানুষের আবির্ভাব ঘটলো। তাই হিন্দু ধর্মে বিষ্ণুর দশাবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ জনপ্রিয় ধর্মীয় বিষয়। অতি সহজ কথায়, হিন্দু ধর্মে জগৎ সংসারের পালন-কর্তা ভগবান শ্রী বিষ্ণু, যুগে যুগে (সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর, কলি) বিবিধ অশুভ শক্তি ও বিপদ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে দশবার বিভিন্ন অবতার রূপে জন্মগ্রহন করেছেন (বা করবেন)। এই দশ অবতারই, বিষ্ণুর দশাবতার নামে পরিচিত। মধ্য যুগের এক কবি এইটাই রুপকের মাধ্যমে দশাবতারের নামে সুললিত কাব্যিক ভাষায় সুন্দর ভাবে প্রকাশ করেছেন।
বিষ্ণুর দশাবতার —- মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নরসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, গৌতম বুদ্ধ, কল্কি।
(আঞ্চলিক তারতম্যে, এই তালিকায় কখনও কখনও কৃষ্ণের পরিবর্তে বলরাম; গৌতম বুদ্ধের পরিবর্তে জগন্নাথ বা বলরামকে  তালিকাভুক্ত করা হয়।)
অনেক আধুনিক বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদরা হিন্দু ধর্মে উল্লিখিত, বিষ্ণুর দশাবতার এর ডারউইনের প্রাকৃতিক
বিবর্তন তত্ত্বের তুলনা করেছেন —
মৎস্য — মাছ, প্রথম পর্যায়ের মেরুদন্ডী প্রাণী, জলে উদ্ভূত, জলজ প্রাণী।
কূর্ম — কচ্ছপ, জলে ও স্থলে বসবাসকারী উভচর প্রাণী।
বরাহ — বন্য স্থলজ প্রাণী।
নরসিংহ — অর্ধ মানব ও অর্ধ পশু রূপী প্রাণী।
বামন — খর্ব, প্রাক-পরিনত মানব।
পরশুরাম — জঙ্গলে বসবাসকারী ও আদিম অস্ত্র ব্যবহারকারী প্রাচীন মানব।
রাম — সমাজবদ্ধ মানব।
কৃষ্ণ — উন্নত রাজনীতিজ্ঞ মানব।
গৌতম বুদ্ধ — সন্ন্যাসী, ধর্মজ্ঞ, দিব্যজ্ঞানযুক্ত মানব।
কলকি — অতিআধুনিক প্রচন্ড ধ্বংস ক্ষমতা যুক্ত মানব।

" তুমি আমায় চিনতে পারলে না। আমি এখানে ঝোপের ভিতরে পড়ে আছি। গ্রীষ্মে, শীতে, বর্ষায় অশেষ কষ্ট পাচ্ছি। তুমি আমায় এখান থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠা কর।"

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

   ।। শ্রীচৈতন্যদেবের নীলাচল লীলা।।

শ্রীচৈতন্যদেবে

শ্রীচৈতন্যদেবের

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
     

                          (৩য় পর্ব)

শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর সাথীদের নিয়ে রেমুনায় এসে উপস্থিত হলেন। এখানকার বিখ্যাত বিগ্রহ হলো ‘ক্ষীরচোরা গোপীনাথ।’ তিনি গোপীনাথ দর্শন করে ভাব-বিহ্বল হয়ে স্তব করতে লাগলেন। তিনি যখন গোপীনাথকে প্রণাম করছেন তখন বিগ্রহের মাথার চূড়া তাঁর মাথার উপর পড়ল। গোপীনাথের সেবকেরা এই দৃশ্য দর্শন করে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল। তারা প্রচুর ক্ষীর প্রসাদ এনে শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর সঙ্গীদের সেবা করাল।
শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর শ্রীগুরুদেবের মুখ থেকে গোপীনাথের যে লীলার কথা শ্রবণ করেছিলেন তা বলতে লাগলেন। ঈশ্বরপুরীজীর শ্রীগুরুদেব শ্রীমন্

মাধবেন্দ্রপুরীজী ছিলেন সর্ব ত্যাগী, প্রেমিক ভক্ত। তিনি সন্ন্যাসী হলেও কৃষ্ণপ্রেমে সর্বদা মাতোয়ারা হয়ে থাকতেন। একবার তিনি শ্রীবৃন্দাবন দর্শণ করতে এলেন। এক সন্ধ্যায় গিরি গোবর্ধন দর্শন করে , গোবিন্দকুন্ডে স্নান করে এক গাছের তলায় এসে বসলেন, তিনি ছিলেন ‘অযাচক’ সন্ন্যাসী অর্থাৎ ভিক্ষা করে খেতেন না। কেউ তাঁকে স্ব-ইচ্ছায় কিছু ভিক্ষা দিলে তিনি তা গ্রহন করতেন। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, এমন সময় কালোবরণ এক অপরূপ দর্শন বালক তাঁকে দুধ দিয়ে বলল,”এই দুধ খাও। কতক্ষন ক্ষুধার্ত হয়ে আছ, ভিক্ষা করেও তো খেতে পার। ” পুরীজী আশ্চর্য হয়ে গেলেন। তিনি যে ক্ষুধার্ত তা এই বালক জানল কেমন করে জানল? তিনি সেই বালকের রূপে মুগ্ধ হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ” তুমি কে?কোথা থেকে দুধ পেলে? আর জানলেই বা কি করে যে আমার ক্ষিদে পেয়েছে ?” সেই বালক স্মিতহাস্যে বললে, ” আমি একজন রাখাল। এখানে যে সমস্ত মেয়েরা জল নিতে এসেছিল তারাই তোমার জন্যে দুধ পাঠিয়ে দিয়েছে। ” পুরীজী দুধ খেয়ে পাত্রটি ধুয়ে রেখে দিলেন।কিন্তু এই বালক আর ফিরে এলো না। সেদিন রাত্রে স্বপ্নে সেই গোপাল বালক আবার দর্শন দিল। সে পুরীজীকে বলতে লাগল, 
” তুমি আমায় চিনতে পারলে না। আমি এখানে ঝোপের ভিতরে পড়ে আছি। গ্রীষ্মে, শীতে, বর্ষায় অশেষ কষ্ট পাচ্ছি। তুমি আমায় এখান থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠা কর।” 
এই বলে তার হাত ধরে নিয়ে গিয়ে সেই ঝোপ দেখিয়ে দিলে এবং নিজের স্বরূপ দেখাল। গোপাল রূপ দর্শন করে মাধবেন্দ্রপুরীজীর ঘুম ভেঙে গেল। তখনও রাত শেষ হয়নি। ভোর হলে পাশের গ্রাম থেকে লোক জোগাড় করে এনে , বহু কষ্টে খুঁড়ে ও জঙ্গল পরিষ্কার করে শ্রীকৃষ্ণ মূর্তিবার করে আনলেন। সে কি অপরূপ মূর্তি। কথিত আছে শ্রীকৃষ্ণের নাতির ছেলে বজ্র এই মূর্তি নির্মান করিয়েছিলেন । ( শ্রীকৃষ্ণ নন্দন প্রদ্যুম্ন, তাঁর সন্তান অনিরুদ্ধ এবং তাঁর সন্তান বজ্র) বিভিন্ন কারণে ও কালে এই মূর্তির সেবা বন্ধ হয়ে যায় এবং তাঁকে এইভাবে লুকিয়ে রাখা হয়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

এটি ভক্তবাৎসল্যের এক অপরূপ নিদর্শন। প্রেমময় ভক্ত যেমন ঈশ্বরকে সেবা করার জন্য উৎকন্ঠিত হয় তেমনি শ্রী ভগবানও তাঁর সেবা লাভের জন্য  ব্যাকুল হয়ে থাকেন।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

স্মরণাতীত কাল থেকে ভারতবর্ষের হৃদপিন্ড হল ধর্ম । ধর্ম বাইরে নয়, ধর্ম আচার অনুষ্ঠানে নয়। ধর্ম জীবনে ধর্ম চরিত্রে।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

জয় মা.......
জয় মা

জয় মা…….

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

স্মরণাতীত কাল থেকে ভারতবর্ষের হৃদপিন্ড হল ধর্ম ।

 স্মরণাতীত কাল থেকে ভারতবর্ষের হৃদপিন্ড হল ধর্ম । সেই ধর্মকেই ভুলতে বসেছি আমরা । ধর্ম কে ভুলে গেলে ,ধর্মকে বর্জন করলে ভারতবর্ষের মৃত্যু হবে। কিন্তু ভারতবর্ষ কখনো মরতে পারে না। কারণ ভারতবর্ষের মৃত্যু হলে সমগ্র বিশ্ব মরে যাবে নেমে আসবে চরম দুর্দিন । 
ধর্ম বাইরে নয়, ধর্ম আচার অনুষ্ঠানে নয়। ধর্ম জীবনে ধর্ম চরিত্রে।
শ্রীরামকৃষ্ণ মা সারদা স্বামীজী এসে তা দেখালেন ।
ঠাকুর বললেন….
ধর্ম অনুশীলনের বস্তু, ধর্ম অনুভূতির বিষয়, ধর্ম উপলব্ধির ধন ।
     I I জয় ঠাকুর ।।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Hinduism, wages to match all swot, swot God wages do not match? II *সমস্থ খাটুনির মজুরি মেলে , ঈশ্বর খাটুনির মজুরি মিলবে না ?

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Hinduism, wages to match all swot, swot God wages do not match?
Hinduism, wages to match all swot, swot God wages do not match?

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

“তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্‌ ৷

শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং, ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ ৷৷”

ॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐॐ

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

**সমস্থ  খাটুনির  মজুরি  মেলে ,  ঈশ্বর  খাটুনির  মজুরি মিলবে না ?
আর যাই করো , তালে  ভঙ্গ  দিয়ো না |সেই  কৃপণ  রাজার  গল্প শোনো | **
**বুড়ো  হয়েছে ,  রাজকাজ  দেখাবার ক্ষমতা নেই ,  অথচ  শাশনভার যে  ছেড়ে  দেবে  ছেলের  উপর  তারও  প্রবৃত্তি  হয়  না | ছেলে বড়ো  হয়েছে , উপযুক্ত  হয়েছে  তাতে কি  |
রাজ্য  পেলে পাছে বেশি খরচ করে, সেই  ভয়েই  অভিভূত | মেয়ে  বড় হয়েছে  কিন্তু তার বিয়ে  দিতে গেলেই  বেরিয়ে যাবে অনেক টাকা | তাই  মেয়ের বিয়ের ব্যাপারেও রাজা উদাসীন |
সেই  রাজ্যে নামজাদা নট- নটী  এসেছে | ইচ্ছে রাজাকে  তাদের নাচ দেখায় | এত বড় নাচিয়ে- বাজিয়ে , না দেখলেও রাজার মান থাকে না | অথচ দেখতে গেলেও একগাদা টাকা খরচ | নট- নটীকে সরাসরি ‘না’ ও বলছে না | অথচ আসরও  বসাচ্ছে না | হচ্ছে-.হবে বলে  ঠেকিয়ে রাখছে | নট-নটী  মন্ত্রীর দ্বারস্থ  হল |
মন্ত্রী  রাজাকে গিয়ে বললে , আপনার কিছু খরচ  করতে হবে না ,  আপনি আসর ডাকুন |
কিছু খরচ  হবে না জেনে রাজা  আশ্বস্ত  হল | তবে  আসর  জমাও | ঢ্যাঁটরা  পিটিয়ে দাও |
সভায়  তিলধারণের  স্থান নেই | রাত্রির প্রথম প্রহরেই  শুরু হল তামাশা | নটী  নাচছে  আর নট  তাল বাজাচ্ছে | একেকটা নাচ  শেষ হয় ,  নটী  তাকায়  এদিক- ওদিক , যদি কোথাও  থেকে  আসে  কোনো  উপঢৌকন | একটা  কানাকড়িও  কেউ  ছুঁড়ে  মারে না |
বিষাদভাব  কাটিয়ে  নটী  আবার  নাচ শুরু করে, নট  আবার  ঢোল তুলে নেয় |
রাত্রির  দ্বিপ্রহর  কখন কেটে  গিয়েছে , তবু  একটা  পয়সা  উপার্যন হল না | আশার  শেষ নাই ,  আবার তাল বাজাল নট | তৃতীয়  প্রহর গিয়ে  এখন  শেষ  প্রহরও  যায়- যায় | নটী  বোধ  হয়  এবার  ভেঙ্গে পড়বে | 
ম্লান  কণ্ঠে  বললে  এবার  নটকে , *” রাত  তো কাবার হতে  চলল |  শরীরও  অবসন্ন | একটা  ফুটা   পয়সাও  মিলল  না  এ পর্যন্ত | হে নট , বিরথা  তাল বাজাও | তোমার  তাল বাজানো  অনর্থক | “*
বিমর্শ  চোখে  ক্ষীণ  হাসির  আভা এনে শান্ত স্বরে  নট বললে , *” বহু९ গেয়ি ,  থোরি রহি , থোরি  ভি  আভি যায় ;  নট কহে  দায়িতা কো , তালমে  ভঙ্গ  না  পায় | “* রাতের  অনেকটাই চলে গেছে ,  তবু  অল্প কিছু এখনো  আছে | নট তার  প্রিয়াকে বলছে , এখনি  তালে  ভঙ্গ দিও  না | এখনও  আশার  জলসেক নিঃশেষ হয়নি | এখনো  প্রদীপে  খানিকটা  তেল আছে ;  সম্পূর্ণ  পুড়ে  যায়নি  মোমবাতি | যতক্ষণ  বর্ষে ততক্ষণ  অর্শে |  হেরে  যেও  না , ছেড়ে দিও  না | নেচে  যাও , আমিও  বাজিয়ে যাই | নটের  কথা  শুনে  অঘটন  ঘটে  গেল | এক  সাধু   ফকির  ছিল দর্শকের  মধ্যে , সে  তার  কম্বলখানা ,  তার  একমাত্র সম্পত্তি ,  দিয়ে  দিল নটকে | যুবরাজ  তার হাত থেকে  খুলে দিল সোনার তাগা | আর রাজকুমারী ? রাজকুমারী  তার  গলার থেকে তুলে নিল রত্নমাল্য |
রাজা  ভ্যাবাচাকা  খেয়ে গেল | সাধুকে বললে *”  এ কি ব্যাপার ?”*
সাধু বললে , *”  নটের ঐ  মন্ত্র  শুনে  দিব্যচক্ষু খুলে গেল | “* 
*” মন্ত্র ?”*

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

আমরা যারা 1990 সালের আগে জন্মেছি তারা বিশেষ ভাগ্যবান আজকের পৃথিবীতে..

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
আমরা যারা 1990 সালের আগে জন্মেছি তারা বিশেষ ভাগ্যবান আজকের পৃথিবীতে..
কেন??
…..আমরা সমস্ত প্রযুক্তির ব্যবহার জানি এবং উপভোগ করি ……!!!

       
কিন্তু …..

  1. 👍 আমরা কখনো জানোয়ারের মত বইয়ের পাহাড় মাথায় করে বিদ্যালয় যাই নি।
  2. 👌আমাদের মা বাবাকে কখনো আমাদের পড়াশোনার চিন্তায় নিজেদের জীবন ব্যতিব্যস্ত করতে হয় নি…!
  3. 👍 স্কুলের পরেও সূর্যাস্ত পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে খেলতাম প্রান খুলে…..
  4. 👍 আমরা প্রাকৃতিক বন্ধুদের সাথে জীবন কাটাতাম, net  friends দের সাথে নয়……।
  5. 👍   যখনই তৃষ্ণার্ত থাকতাম মন খুলে কল থেকে জল খেতাম,  জীবানুর ভয়ে pure it থেকে নয়.. ✌✌✌✌✌       তাও অসুস্থ হয়ে পড়ি নি💪💪💪।
  6. 👍 আমরা ১ টাকার আইসক্রিম ৪ জন ভাগ করে খেয়েও পেট খারাপ করে বসি নি।💥💥💥
  7. 👍 আমরা প্রতিদিন পেট ভরে ভাত আর প্রান খুলে মিষ্টি খেয়েও মোটা হয়ে পড়ি নি।😇😇😇😇
  8. 👍 খালি পায়ে জমিতে ফুটবল খেলা সত্বেও পা ভেঙে ফেলিনি💫💫💫।
  9. 👍 সুস্থ থাকার জন্য কখনো revital দরকার হয় নি 👮👮👮👮👮।
  10. 👍  খেলনা আমরা নিজেরাই বানিয়ে খেলতাম 👬👬👬👬।
  11. 👍 মা বাবার কাছে থেকেই মানুষ হয়েছি,  mentor দরকার হয় নি ।
  12. //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

👌আমরা সব ভাই বোনেরা একরকম জামা কাপড় পরে মজা পেতাম ..common বলে নয়….
একরকম হওয়ার আনন্দে..
😍😍😍😍😍😍

  1. 👍 শরীর খারাপ হলে ডাক্তার আমাদের কাছে আসতো,  আমরা ওই অবস্থায় যেতাম না।😷😷😷😷
  2. 👍  আমাদের কাছে  মোবাইল, DVD’s, Play station, Xboxes, PC, Internet, chatting ছিল না
  3.     কারন আমাদের কাছে সত্যিকারের বন্ধু আছে ।
  4. 👍 বন্ধুকে না জানিয়ে তার ঘরে গিয়ে একসাথে খাওয়া দাওয়া করে মজা পেতাম । কখনো ফোন করে appointment  নিতে হয় নি।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

😎😎😎😎😎😎😎

We are not special, but we are fortunate and enjoying generation

👍
যখন আমরা ছোট ছিলাম 🙋💁
হাতগুলো জামার মধ্যে
ঢুকিয়ে নিয়ে বলতাম,
আমার হাত নেই,

একটা পেন ছিল,
যার চার রকম কালি,
আর আমরা তার চারটে
বোতাম একসাথে টেপার চেষ্টা করতাম,
🏠🚪
দরজার পিছনে লুকিয়ে
থাকতাম কেউ এলে চমকে দেব বলে,
সে আসতে দেরি করছে
বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম,
🌙🏃
ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি,
চাঁদটা ও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে
,
💡👆
সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে অন্-অফ এর মাঝামাঝি ব্যালেন্স
করার চেষ্টা করতাম,
💧💧
দু -ফোটা জল ফেলে
রেস করাতাম,
কোনটা গড়িয়ে আগে নীচে পড়ে,
☔🍀
বৃষ্টি হলে ছাতা না নিয়ে কচু বা কলাপাতা মাথায় দিয়ে বলতাম,
দ্যাখ জল গায়ে লাগছে না,
🎒
তখন আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিল,
সেটা হল স্কুলব্যাগ,
🙇🏉🌱
ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম,
পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে,
🏡🏃
ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর কি দরকার ভুলে যেতাম,
ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত….
👦👧
মনে আছে ❓
👭👬👫
যখন আমরা ছোট ছিলাম তখন ধৈর্য্য সহ্য হতনা যে কবে বড় হব,
👨👩👴👮👳👲👷
আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম ❗
🙆🙅💁🙋

Childhood was the best part of our life.

📃📄
আমি জানি তুমি এগুলো পড়ছো,
আর তোমার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে,
ছোটবেলায় সবথেকে বেশিবার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটার উত্তর আমি পেয়েছি অবশেষে…
🎅
-তুমি বড়ো হয়ে কি হতে চাও❓❔❓🚣🚴🏊
উত্তর- আবার ছোট হতে চাই৷

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

শুচি-অশুচি জ্ঞান নেই —এ কেমনতর উন্মাদ! ভীষণ বিরক্ত হল হৃদয়। পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণলেখক :: অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

Sri Ramakrishna
Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

শুচি-অশুচি জ্ঞান নেই —এ কেমনতর উন্মাদ!  ভীষণ বিরক্ত হল হৃদয়। 

এখন গাড়ী যদি ফসকে যায় উপায় কি হবে?

হটাৎ হৃদয়ের সেই সাধুর কথা মনে পড়ে গেল, সেই জ্ঞানোন্মাদ সাধু। উলঙ্গ, গায়ে-মাথায় ধুলো, বড়-বড় নখ-চুল-দাড়ি, ঁকাধে মড়ার ঁকাথার মত একটা ঁছেড়া ঁকাথা। কালীঘরের সামনে দাঁড়িয়ে গমগমে গলায় এমন স্তব পড়লে যে মন্দিরটা পর্যন্ত ঁকাপতে লাগল থরথর করে। প্রসাদ পেতে কাঙালীরা যেখানে বসেছে পাত পেড়ে সেখানে গিয়ে বসলে। তাড়িয়ে দিলে বটে কিন্তু উপবাসী রইলে না। যেখানে উচ্ছিষ্ট পাতাগুলো ফেলেছে সেখান থেকে কুকুরদের সঙ্গে ভাগ করে এঁটো ভাত খেতে লাগল —–
মামা বললে,” ওরে হৃদু, এ যে উন্মাদ নয়, এ জ্ঞানোন্মাদ।”
তাই শুনে হৃদয় দেখতে ছুটল। বাগান পেরিয়ে চলে যাচ্ছে সাধু হৃদয় তার পিছু নিলে। বললে,” মহারাজ, ভগবানকে কেমন করে পাব কিছু বলে দিয়ে যান —-“
পাগলের দৃকপাত নেই।  হৃদয়ও নাছোড়বান্দা। সঙ্গে-সঙ্গে চলেছে, আর মুখে সেই এক বুলি। “ভগবানকে কেমন করে পাব? কোথায় পাব?”
হটাৎ রুখে দাঁড়াল পাগল। পথের ধারে নর্দমা ছিল তারই জল দেখিয়ে বললে,” এই নর্দমার জল,  আর ঐ গঙ্গাজল যখন এক বোধ হবে, তখন পাবি।”
তখন? এটা কি একটা মনের মত কথা হল? নিশ্চয়ই অনেক তর্ক-তত্ত্ব আছে। হৃদয় ফের পিছু নিল। বললে,” মহারাজ আমাকে আপনার চেলা করে সঙ্গে নিন।”
তবে রে? মাটি থেকে একটা ইট তুলে নিল পাগল। হৃদয়কে মারতে তাড়া করলে। হৃদয় ছুটে পালাল, দেখতেও পেল না কোন দিক দিয়ে চলে গেল সেই জ্ঞানোন্মাদ।
মামাও এখন দেখি সেই অবস্থা। নইলে বিষ্টাময় মাঠে বসে শিবপূজা!
শুচি-অশুচি জ্ঞান-অজ্ঞানের পারে যেতে না পারলে ভগবানের স্পর্শ পাওয়া যাবে না। ঐ দ্বন্দ্ববোধের উর্ধেই তো সেই ভূমা-ভূমি।
শুচি-অশুচি লয়ে দিব্যঘরে কবে শুবি। তাদের দুই সতীনে পিরীত হলে তবে শ্যামা মা’রে পাবি।’
।।  ওঁ  ভগবতে শ্রীরামকৃষ্ণায় নম: ।।
Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Roots of the tree kinda shelter for the snakes, on its high birds, II A Subhashita A Day

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

A Subhashita A Day

A Subhashita A Day


A Subhashita A Day

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

मूलं भुजंगैः शिखरं विहंगैः
शाखां प्लवंगैः कुसुमानि भृंगैः ।
आश्चर्यमेतत् खलुचन्दनस्य
परोपकाराय सतां विभूतयः ॥

Roots of the tree kinda shelter for the snakes, on its high birds, take rest on its branches monkeys square measure taking part in and one will realize bees on its flowers. very the final word aim of excellent (Sajjan) individuals is to supply to assist hands to others(paropakaara karma).


//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Suprabhat Jai Asian country Vandemataram

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

‘জীবনপথে যতই বিপদে পড়ি তোমার শ্রীপদ যেন না ভুলি এবং দিনরাত্রির প্রতিটি নিমেষ যেন তোমার প্রতি অশেষ হয়ে থাকে।’

‘কল্পতরু’—ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব

++++++++++++++++++++++

      রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের ইতিহাসে ১৮৮৬ সালের ১লা জানুয়ারি ‘কৃপা-কল্পতরু’ হয়ে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব তাঁর অভয় বাণীতে বলেছেন—‘তোমাদের চৈতন্য হোক’ সেই শাশ্বত স্মরণীয় পুণ্যস্মৃতিকে কেন্দ্র করে অগণিত সাধু-ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে ভক্তি-বিশ্বাস-শরণাগতির গভীর শ্রদ্ধায় বছর বছর এই শুভ ও চিরভাস্বর দিনটিকে স্মরণ-মননের দ্বারা হৃদয়ের পরশে উজ্জ্বলতর করে রেখেছে—যেন তার আভাস ফুটে উঠেছে—‘নিজেকে বোঝ, নিজের মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলে পাগলের মত পথভ্রষ্ট হয়ো না, চোখ বন্ধ করে স্মরণ কর, সহজেই বুঝবে যাঁকে আমরা খুঁজছি পাগলের মত, তিনি শুধু আমার মধ্যে বিরাজ করছেন না, তিনি এবং আমাদের মধ্যে কোনও দূরত্ব নেই, কারণ আমরা তো তাঁরই অংশ।’ আজকে এই অতি প্রত্যাশিত শুভদিনটিতে আমাদের মনে রাখতে হবে—‘কল্পতরু হয়ে সাধ-আহ্লাদ তিনি কাশীপুরের বাগানবাড়ীতে একমাত্র পূর্ণ করেননি, মানুষকে চিরদিনের কল্পতরু লাভের গোপন রহস্যটা সোজাসুজি বুঝিয়ে দিয়েছেন।  তাঁর সতত আশীর্বাদ মানুষের মঙ্গল কামনায় প্রতিনিয়ত বহমান। আজকের এই চিরভাস্বর দিনটিকে মনে মনে স্মরণ করে আমরা ঠাকুরের উদ্দেশে গভীর শ্রদ্ধা ও প্রাণপূর্ণ প্রণাম জানিয়ে বলি—
‘জীবনপথে যতই বিপদে পড়ি তোমার শ্রীপদ যেন না ভুলি এবং দিনরাত্রির প্রতিটি নিমেষ যেন তোমার প্রতি অশেষ হয়ে থাকে।’

            ♣♣♣♦♦♣♣♣

রামচন্দ্র খাঁ যখন জানতে পারলেন যে তাঁদের গন্তব্যস্থল পুরীধাম তখন তাঁদের সবরকম সহযোগীতার আশ্বাস দিলেন।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
।শ্রীচৈতন্যদেবের নীলাচল লীলা।।

 
                          (২য় পর্ব)
পূজা শেষ করে শ্রীচৈতন্যদেব একটু বিশ্রাম করছেন, এমন সময় সেখানকার জমিদার রামচন্দ্র খান সেখানে এসে উপস্থিত হলেন। তিনি আসার পূর্বে শ্রীচৈতণ্যদেব সম্বন্ধে কিছু কিছু শুনেছিলেন
কিন্তু এসে বুঝলেন শোনা আর দেখার মধ্যে কত পার্থক্য।তিনি তৎক্ষণাৎ শ্রীচৈতন্যদেবের শ্রীচরণে সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত করে অতি বিনয়ের সঙ্গে তাঁদের কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা জিজ্ঞাসা করলেন। শ্রীচৈতন্যদেব স্মিতহাস্যে বুঝিয়ে দিলেন তাঁদের কোন অসুবিধা হচ্ছে না। রামচন্দ্র খাঁ যখন জানতে পারলেন যে তাঁদের গন্তব্যস্থল পুরীধাম তখন তাঁদের সবরকম সহযোগীতার আশ্বাস দিলেন। সে সময় বাংলা ছিল মুসলমান রাজার অধীনে আর উড়িষ্যা ছিল হিন্দু রাজার শাসনাধীন। তাই. দুই রাজ্যের সীমান্তে উত্তেজনা ও যুদ্ধ বিগ্রহ লেগেই থাকত। তার ফলে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন ছিল। তার ওপরে ছিল জঙ্গলে দস্যু তস্করের ভয়। তারা পথচারীদের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে হত্যা পর্যন্ত করত। রামচন্দ্র খাঁ  তাঁর বিশ্বস্ত লোক দিয়ে শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর পার্ষদদের জলপথে সীমান্ত পার করিয়ে দিলেন।
শ্রী চৈতন্যদেব তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে বালেশ্বরের কাছে প্রয়াগ ঘাটে পৌঁছে নৌকা ছেড়ে দিলেন। এরপর স্থলপথে নানান দেবস্থান দর্শন করতে করতে এগিয়ে চললেন। পথে বহু লোক তাঁর মুখে হরিনাম শ্রবণ করে প্রভাবিত হতে লাগল। ত্রিতাপ জ্বালার হাত থেকে রক্ষা পাবার উপায় স্বরূপ ‘হরিনাম’ গ্রহন করতে লাগল। পরম কারুণিক শ্রীচৈতন্যদেব চোর ডাকাতদেরও তাঁর কৃপায় অধীনে নিয়ে এলেন। তারা দুস্কর্ম ত্যাগ করে হরিনামে বশীভূত হল। এ ছাড়াও রাস্তায় আর এক বিপদ ছিল। পথিকদের কাছ থেকে কিছু লোক ‘কর’ আদায় করত। তারা ‘দানী’ বলে নিজেদের পরিচয় দিত। পথিকদের সঙ্গে বেশীর ভাগ সময়ে অতি নিষ্ঠুর ব্যবহার করত। এই দানীরা শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর সঙ্গীদের পথ ভআটকালো। কিন্তু শ্রীচৈতন্যদেবের মুখে হরিনাম শুনে ও তাঁর ভাববিহ্বল অবস্থা দর্শন করে তারা অভিভূত হয়ে পড়ল। তারা তাঁকে ছেড়ে দিল কিন্তু নিত্যানন্দ প্রমুখ চারজনকে আটকে রাখল। কর না দিলে ছাড়বে না। শ্রীচৈতন্যদেবের বক্ষ প্রেমাশ্রুতে ভেসে যাচ্ছে,তিনি ভাবের আতিশয্যে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। দানীরা ভাবল হয়ত একলা যেতে পারবে না। তাঁর সঙ্গীদের ছাড়া তিনি বোধ হয় চলতে পারবেন না। তাদের মনের মধ্যে কি হল কে জানে, তারা চারজনকেও ছেড়ে দিল।
এর ফলও পেয়েছিল। শ্রী ভগবানের অমোঘ কৃপা তাদের ওপর বর্ষিত হয়েছিল। তাদের হৃদয়ে হরিনামের স্ফুরণ ঘটেছিল।

           ।। শ্রীচৈতন্যদেবের নীলাচল লীলা ।।


     
                          (৩য় পর্ব)

শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর সাথীদের নিয়ে রেমুনায় এসে উপস্থিত হলেন। এখানকার বিখ্যাত বিগ্রহ হলো ‘ক্ষীরচোরা গোপীনাথ।’ তিনি গোপীনাথ দর্শন করে ভাব-বিহ্বল হয়ে স্তব করতে লাগলেন। তিনি যখন গোপীনাথকে প্রণাম করছেন তখন বিগ্রহের মাথার চূড়া তাঁর মাথার উপর পড়ল। গোপীনাথের সেবকেরা এই দৃশ্য দর্শন করে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল। তারা প্রচুর ক্ষীর প্রসাদ এনে শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর সঙ্গীদের সেবা করাল।
শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর শ্রীগুরুদেবের মুখ থেকে গোপীনাথের যে লীলার কথা শ্রবণ করেছিলেন তা বলতে লাগলেন। ঈশ্বরপুরীজীর শ্রীগুরুদেব শ্রীমন্ মাধবেন্দ্রপুরীজী ছিলেন সর্ব ত্যাগী, প্রেমিক ভক্ত। তিনি সন্ন্যাসী হলেও কৃষ্ণপ্রেমে সর্বদা মাতোয়ারা হয়ে থাকতেন। একবার তিনি শ্রীবৃন্দাবন দর্শণ করতে এলেন। এক সন্ধ্যায় গিরি গোবর্ধন দর্শন করে , গোবিন্দকুন্ডে স্নান করে এক গাছের তলায় এসে বসলেন, তিনি ছিলেন ‘অযাচক’ সন্ন্যাসী অর্থাৎ ভিক্ষা করে খেতেন না। কেউ তাঁকে স্ব-ইচ্ছায় কিছু ভিক্ষা দিলে তিনি তা গ্রহন করতেন। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, এমন সময় কালোবরণ এক অপরূপ দর্শন বালক তাঁকে দুধ দিয়ে বলল,”এই দুধ খাও। কতক্ষন ক্ষুধার্ত হয়ে আছ, ভিক্ষা করেও তো খেতে পার। ” পুরীজী আশ্চর্য হয়ে গেলেন। তিনি যে ক্ষুধার্ত তা এই বালক জানল কেমন করে জানল? তিনি সেই বালকের রূপে মুগ্ধ হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ” তুমি কে?কোথা থেকে দুধ পেলে? আর জানলেই বা কি করে যে আমার ক্ষিদে পেয়েছে ?” সেই বালক স্মিতহাস্যে বললে, ” আমি একজন রাখাল। এখানে যে সমস্ত মেয়েরা জল নিতে এসেছিল তারাই তোমার জন্যে দুধ পাঠিয়ে দিয়েছে। ” পুরীজী দুধ খেয়ে পাত্রটি ধুয়ে রেখে দিলেন।কিন্তু এই বালক আর ফিরে এলো না। সেদিন রাত্রে স্বপ্নে সেই গোপাল বালক আবার দর্শন দিল। সে পুরীজীকে বলতে লাগল, ” তুমি আমায় চিনতে পারলে না। আমি এখানে ঝোপের ভিতরে পড়ে আছি। গ্রীষ্মে, শীতে, বর্ষায় অশেষ কষ্ট পাচ্ছি। তুমি আমায় এখান থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠা কর।” এই বলে তার হাত ধরে নিয়ে গিয়ে সেই ঝোপ দেখিয়ে দিলে এবং নিজের স্বরূপ দেখাল। গোপাল রূপ দর্শন করে মাধবেন্দ্রপুরীজীর ঘুম ভেঙে গেল। তখনও রাত শেষ হয়নি। ভোর হলে পাশের গ্রাম থেকে লোক জোগাড় করে এনে , বহু কষ্টে খুঁড়ে ও জঙ্গল পরিষ্কার করে শ্রীকৃষ্ণ মূর্তি বার করে আনলেন। সে কি অপরূপ মূর্তি। কথিত আছে শ্রীকৃষ্ণের নাতির ছেলে বজ্র এই মূর্তি নির্মান করিয়েছিলেন । ( শ্রীকৃষ্ণ নন্দন প্রদ্যুম্ন, তাঁর সন্তান অনিরুদ্ধ এবং তাঁর সন্তান বজ্র) বিভিন্ন কারণে ও কালে এই মূর্তির সেবা বন্ধ হয়ে যায় এবং তাঁকে এইভাবে লুকিয়ে রাখা হয়। এটি ভক্তবাৎসল্যের এক অপরূপ নিদর্শন। প্রেমময় ভক্ত যেমন ঈশ্বরকে সেবা করার জন্য উৎকন্ঠিত হয় 
তেমনি শ্রী ভগবানও তাঁর সেবা লাভের জন্য  ব্যাকুল হয়ে থাকেন।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Design a site like this with WordPress.com
Get started