Sri Ramkrishna asrram godadhar -kolkata II দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাটে রামকৃষ্ণ মঠকে( গদাধর আশ্রম)

ভবানীপুরের ” গদাধর আশ্রম ” এর ইতিবৃত্ত——–

       প্রাচীন বঙ্গের রাজা বল্লাল সেন তন্ত্রসাধনার প্রসারে উত্তরে দক্ষিণেশ্বর থেকে দক্ষিণে বেহুলা ( বেহালা) পর্যন্ত এক ত্রিকোণাকৃতি ভূখণ্ড সংরক্ষিত করেন।
         শ্রীকালিকা তন্ত্রের দেবী। তিনি আদিরূপা ও সাক্ষাৎ. কৈবল্যদায়িনী।
         সেই কালিকার সাধনক্ষেত্র হিসাবে এই বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড কালিকাক্ষেত্র নামে পরিচিতি লাভ করে।
         কালীঘাট কালিকাক্ষেত্রের নাভিকেন্দ্রে অবস্হিত।
         প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, কালীঘাটের উপস্হিতি বল্লাল সেনের যুগের থেকেও প্রাচীনতর।
         বস্তুতপক্ষে, পুরাকাল থেকেই মহাতীর্থ কালীঘাট একান্নটি শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম পীঠস্হান হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছে ।
         দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাটে রামকৃষ্ণ মঠকে( গদাধর আশ্রম) কেন্দ্র করে রামকৃষ্ণ ভাবান্দোলনের সূচনা হয়।
        শ্রীমা সারদার আশীর্বাদ ও শ্রীরামকৃষ্ণের পার্ষদবৃন্দের পূতস্পর্শে ধন্য এই আশ্রমে বিধৃত হয়ে আছে আধ্যাত্মিক তরঙ্গমালা ।
        শ্রীরামকৃষ্ণের গৃহীশিষ্য বলরাম বসুর প্রথমা কন্যা ভুবনমোহিনীর জ্যেষ্ঠা কন্যা ইন্দুবালার সঙ্গে ভবানীপুর নিবাসী যোগেশচন্দ্র ঘোষের বিবাহ হয়।
        তাঁদের একমাত্র পুত্র গদাধরের জন্মের কিছুকাল পরে ইন্দুবালা লোকান্তরিত হন।
          এমনকি সেই গদাধর ও স্নাতোকোত্তর পঠন- পাঠনের সময় প্রয়াত হয়।
           বিরহশোকে কাতর যোগেশচন্দ্রের হৃদয়ে বৈরাগ্যের সঞ্চারের ফলে তাঁর বসতবাটী বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠের কর্তৃপক্ষকে দান করেন এবং ‘ গদাধর আশ্রম’ নাম রাখতে অনুরোধ করেন।
          প্রাথমিক পর্বে সে- বিষয়ে কিছু জটিলতা থাকলেও পরে শ্রীমায়ের অনুমোদনে সেই সঙ্কট অন্তর্হিত হয়ে যায়।
          ফলে ১৭ নভেম্বর ১৯২০ তারিখে কালীক্ষেত্রে রামকৃষ্ণ মঠ( গদাধর আশ্রম) আত্মপ্রকাশ করে।
ভবানীপুরে রামকৃষ্ণ মঠ ( গদাধর আশ্রম) সম্পর্কে আরও দুএক কথা——–
**************************
        পরম পূজ্যপাদ মহাপুরুষ মহারাজ স্বয়ং শ্রীশ্রীঠাকুরকে সিংহাসনে  বসিয়ে এই আশ্রমটির প্রতিষ্ঠা করেন।
         তিনি সেইসময় কয়েকদিন এই আশ্রমে থেকে অনেক ভক্তকে আনন্দ দিয়েছেন ।
         ভাবে মত্ত হয়ে নিজে খোল বাজাতে বাজাতে ভজন কীর্ত্তন করে সকলকে মাতিয়েছেন।
          সেই শ্রীরামকৃষ্ণ– আনন্দ– মন্দাকিনী আজও প্রবাহিত।
          আজও কত ভক্তের অন্তরকে স্পর্শ করে তাকে পবিত্র ভগবদ্ভাবে পূর্ণ করে দিচ্ছে এই শ্রীরামকৃষ্ণ- ভাব- মন্দাকিনীর পূত বারিধারা।
           আশ্রম প্রতিষ্ঠার পূর্বে পরম পূজ্যপাদ রাজা মহারাজ এখানে শুভ পদার্পণ করেছেন ।
            এছাড়া পূজ্যপাদ মহাপুরুষ মহারাজ, পূজ্যপাদ বিজ্ঞান মহারাজ প্রমুখ শ্রীশ্রীঠাকুরের অন্তরঙ্গ পার্ষদেরা কতবার এই আশ্রমে পদার্পণ করে এখানকার আধ্যাত্মিক ভাবকে ঘনীভূত করে প্রাণবন্ত করে দিয়েছেন ।
           কথামৃতকার শ্রীম’ ও কিছুদিন এই আশ্রমে বাস করেছেন।
—————————————————————-
ঋণস্বীকার( কালীক্ষেত্রে রামকৃষ্ণ মঠ)…..

The Gita is difficult to understand though

The Gita is difficult to understand though it looks easy in its apparent simplicity. It is as simple as it is suggestive. It is a book for the layman and is a riddle to the philosopher. It is said to be the quintessence of all Vedic knowledge. A verse in praise of Gita runs as follows:
Sarvopanisado gavah,
doggie gopalanandanah II
partho vatsaa Sudhir bhokta
dugdham gitamrtam II
All the Upanishads are the cows; Krishna the cow-herd boy is the milkman; Arjuna is the calf; the milk is the Gita and the wise man who drinks it enjoys eternal bliss. It is sarva Sastra hrdayam, the heart of all sastras. Whatever is true, good and beautiful is enshrined in it…
Ganga Gita Sabitri Sita Satya patibrata
Brahmabali Brahmabidya Trisandhya Muktigehini
Ardhamatra Chidananda Bhabagni Bhrantinashini
Bedatrayee Parananda Tatartha Gyan Manjari
II Jay ThakurII
II Sri Ramkrishnarpanamastu II

Sleep rule-swami Jotishsharananda  II ধ্যান ও আধ্যাত্মিক জীবন II স্বামী যতিশ্বরানন্দ

Sleep

ধ্যানশীল জীবনের জন্য পরামর্শঃ
ঘুমঃ
❤অধ্যাত্ম জীবনের জন্য পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা ঘুমই যথেষ্ট।।স্নায়বিক ও মানসিক চাপকে সচেতনভাবে কমাতে পারলেই হল।
❤বেশি স্নায়বিক দুর্বলতা থাকলে কেউ ধ্যানে বসতে পারে না।
❤পবিত্র বা উন্নতিকারক হলেও আবেগ ও অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
❤আত্মসমর্পণের ভাব গড়ে তুলে মনকে শান্ত ও অনন্তের সুরে বেঁধে রেখে,  তারই সহায়ে সব উদ্বেগ ও তীব্র স্নায়বিক ও মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলতে হবে।
এ ভাবে প্রকৃত ধ্যান শুরু হওয়ার আগেই আমরা এক ধরণের শান্তিঅনুভব করব।
❤শুতে যাবার আগে কিছু পবিত্র চিন্তায় ও শব্দে মনকে নিবিষ্ট রাখো।
❤চিন্তা কর তুমি যেন ঈশ্বরের কোলে শুতে যাচ্ছ
                            অথবা
আলোকবিন্দুর মতো তোমার আত্মা দিব্য আলোকের সমুদ্রে মিশে যাচ্ছে বা এমনই কোনো ভাব।
❤শুতে যাবার সময় ১০০ থেকে ১০০০ বার জপ করবে, পবিত্র শব্দে নিজেকে ভরিয়ে ফেল । সংখ্যা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত জপ যেন না থামে।
ঘুমাবার কিছু আগে জাগতিক বিষয় নিয়ে লেখা, পড়াখুবই ক্ষতিকর। এ বিষয়ে অসাবধান হয়ে আমরা নিজেদের কতখানি ক্ষতি করি তা ধারণা করতে পারি না।
❤সকালে ঘুম থেকে উঠেই ও শুতে যাবার আগে ঈশ্বর স্মরণ কঠিন হলে কাছেই তাঁর একখানি ছবি রেখে দাও।
❤আলো নিভিয়ে দেবার সময় আর সকালে ঘুম ভাঙ্গলেই ঐ ছবির দিকে তাকানো অভ্যাস করো। খুব শীঘ্রই দেখবে তাঁকে চিন্তা না করে শুতে যাওয়া বা ঘুম থেকে ওঠা,  কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
❤রাত্রে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায়, তখন ধীর শান্তভাবে জপ আরম্ভ করে দাও। *কিন্তু এই সময় জপ এর সঙ্গে ঘুমের কোনো সম্পর্ক যেন না থাকে।*
    (ধ্যান ও আধ্যাত্মিক জীবন)
স্বামী যতিশ্বরানন্দ

Swami Nirbanananda –ভুবনেশ্বরের মঠে ছাদে সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে একবার রামলাল দাদা একটু দুঃখিত ভাবে মহারাজকে জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনারা যখন ঠাকুরের কাছে ছিলেন, তখন তো কত সাধন-ভজন করেছিলেন, তার পরেও ধ্যান-ধারণা কি ভীষণ ভাবে চলেছিল, কই, আজকাল ছেলেদের তো সেই রকম কিছু দেখতে পাই না !"

SRI RAMAKRISHNA
কাশী থেকে শ্রীশ্রীরাজা মহারাজকে চিঠি লিখেছি, তাতে একটি প্রশ্ন করেছিলাম, “ঠাকুর কি সত্যই আছেন?” কিছুদিন পরে পত্রের উত্তরে তিনি লিখলেন, “পত্রপাঠ মঠে চলে এস।” মঠে এসে দোতলায় তদানীন্তন অফিস-ঘরে (স্বামীজীর ঘরের পাশে) মহারাজকে প্রণাম করে দাঁড়াতেই বললেন, *”তোর কি মাথা খারাপ হয়েছে? তিনি সত্যি আছেন, তা নইলে আমরা আজীবন কি নিয়ে পড়ে আছি?”*

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

         ভুবনেশ্বরের মঠে ছাদে সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে একবার রামলাল দাদা একটু দুঃখিত ভাবে মহারাজকে জিজ্ঞাসা করলেন, 

“আপনারা যখন ঠাকুরের কাছে ছিলেন, তখন তো কত সাধন-ভজন করেছিলেন, তার পরেও ধ্যান-ধারণা কি ভীষণ ভাবে চলেছিল, কই, আজকাল ছেলেদের তো সেই রকম কিছু দেখতে পাই না !”
        মহারাজ এই কথা শুনে বলে উঠলেন, *”দেখ রামলাল দাদা, তুমি জানো না, এই সব ছেলে সৎ হবার জন্য কত চেষ্টা করছে ! অন্তরে যারা সৎ হবার যত চেষ্টা করে, সাধনা করে, বাইরের জগৎ থেকে তাদের তত বেশি ধাক্কা আসে; শুধু তাই নয়, সূক্ষ্ম জগৎ থেকেও অসদ্বৃত্তিসম্পন্ন সূক্ষ্ম শরীর তাদের মনের ভেতরে প্রবেশ করে। তুমি কি জানো দাদা, এরা কে কি করছে না করছে! এরা যদি ঠাকুরের নাম নিয়ে পড়ে থাকতে পারে তো গুরুকৃপায় সব হয়ে যাবে।”*
           মহারাজের ব্যক্তিত্বই ছিল অপূর্ব। তাঁর হাঁটাচলা কথাবলা সব কিছুর মধ্যেই ছিল একটা দৈবী ভাব। একদিন গঙ্গার ধারের নিচের বারান্দায় প্রবীণ সাধুরা বসে আছেন। মহাপুরুষ মহারাজও আছেন। বাবুরাম মহারাজ ঘাটে নেমেছেন। একটা নৌকা যাচ্ছে ঘাটের পাশ দিয়ে। নৌকার লোকেরা বলছেঃ “ব্যাটারা বেশ আছে!” ওদিকে মহারাজ কদমগাছটার তলায় পায়চারি করছেন। নৌকা সেদিকে এলে তাঁর দিকে তাকিয়ে ওই লোকেরাই বলছেঃ “কিন্তু যাই বলো, এদের দেখলে মনে হয় যেন দেবতা চলে বেড়াচ্ছে!” 

সত্যিই, তিনি এবং তাঁর গুরুভাইরা তো মানুষ ছিলেন না, তাঁরা ছিলেন দেবতা !

      – স্বামী নির্বাণানন্দ

TRADITIONAL TALES Sri Ramachandra’s Atonement


TRADITIONAL TALES

Sri Ramachandra’s Atonement

Once, vibhishana was imprisoned by some Brahmanas. When Sri Rama Chandra, the gem of Raghu dynasty, heard that his great devotee was in distress, he became much worried. He sent his messengers in all directions in search of Vibhishana. Finally, the whereabouts of Vibhishana was found. Sri Ramachandra himself went to meet Vibhishana. And what a sight he saw! The Brahmanas had tied Vibhishana’s hands and legs and imprisoned him in a cellar. Sri Ramachandra was shocked at this plight of this great devotee with good qualities. He enquired the Brahmanas about Vibhishana’s crime. Upon seeing Sri Ramachandra, the Brahmanas prostrated at his feet and welcomed him with great honor. Then, they said to him: ‘O Lord! One day,

an asura came to the forest near our ashrama in a chariot. An old brahmana of the ashrama had gone to the forest to collect durva grass. The
asura asked him something. The old brahmana could not reply as he was keeping a vow of silence. Angered at this, the asura kicked the old brah
-mana, who fell down, and died on the spot. On learning this, we went and imprisoned that asura. No matter how much we beat him, he did not die.
Your arrival here is a great blessing to us. You have to punish this murderous sinner.’ The brahmanas  pleaded to Sri Ramachandra. They brought the
bound Vibhishana in front of Sri Ramachandra. Vibhishana was greatly embarrassed to see Sri Ramachandra. Sri Ramachandra became uncom
-fortable seeing Vibhishana’s condition. Sri Ramachandra said to the brahmanas: ‘The master alone is responsible for any fault of his servants. Therefore, please release Vibhishana. I bless him that he live till the end of this kalpa and order him to rule Lanka. He is mine. Hence, any  fault of his is as good as my fault and please give me the punishment that you had intended for him. I am bound to accept it without any complaint.’Vibhishana did not intentionally kill the brahmana, who was old and keeping a vow of silence, which Vibhishana did not know. So, the brahmanas desired Vibhishana’s atonement for a crime done unknowingly. However, Vibhishana did not have to atone; Sri Ramachandra did that for his devotee.

Willing to listen, to actually listen, II शुश्रूषा श्रवणं चैव ग्रहणं धारणां तथा । ऊहापोहोऽर्थ विज्ञानं तत्त्वज्ञानं च धीगुणाः ॥

Swami Atmasthananda was the fifteenth president of the Ramakrishna Math and the Ramakrishna Mission

शुश्रूषा श्रवणं चैव ग्रहणं धारणां तथा ।
ऊहापोहोऽर्थ विज्ञानं तत्त्वज्ञानं च धीगुणाः ॥

Willing to listen, to actually listen, to understand what we listen, to be able to remember what we have listened, to be able to deduce some conclusions and put forth arguments, to be able to formalise and conclusively put forth the thought, knowledge of the around and Philosophy – these are the eight facets of ‘buddhi’.
शुश्रूषा, श्रवण, ग्रहण, धारण, चिंतन, उहापोह, अर्थविज्ञान, और तत्त्वज्ञान – ये बुद्धि के गुण हैं ।

This is a beautiful interpretation of Karma and Bhagya II एक पान वाला था। जब भी पान खाने जाओ ऐसा लगता कि वह हमारा ही रास्ता देख रहा हो। हर विषय पर बात करने में उसे बड़ा मज़ा आता

✍एक पान वाला था। जब भी पान खाने जाओ ऐसा लगता कि वह हमारा ही रास्ता देख रहा हो। हर विषय पर बात करने में उसे बड़ा मज़ा आता। कई बार उसे कहा की भाई देर हो जाती है जल्दी पान लगा दिया करो पर उसकी बात ख़त्म ही नही होती।
एक दिन अचानक कर्म और भाग्य पर बात शुरू हो गई
तक़दीर और तदबीर की बात सुन मैनें सोचा कि चलो आज उसकी फ़िलासफ़ी देख ही लेते हैं। मैंने एक सवाल उछाल दिया।
मेरा सवाल था कि आदमी मेहनत से आगे बढ़ता है या भाग्य से?
और उसके जवाब से मेरे दिमाग़ के सारे जाले ही साफ़ हो गए।
कहने लगा,आपका किसी बैंक में लाकर तो होगा?
उसकी चाभियाँ ही इस सवाल का जवाब है। हर लाकर की दो चाभियाँ होती हैं।
एक आप के पास होती है और एक मैनेजर के पास।
आप के पास जो चाभी है वह है परिश्रम और मैनेजर के पास वाली भाग्य।
जब तक दोनों नहीं लगतीं ताला नही खुल सकता।
आप कर्मयोगी पुरुष हैं ओर मैनेजर भगवान।
अाप को अपनी चाभी भी लगाते रहना चाहिये।पता नहीं ऊपर वाला कब अपनी चाभी लगा दे। कहीं ऐसा न हो की भगवान अपनी भाग्यवाली चाभी लगा रहा हो और हम परिश्रम वाली चाभी न लगा पायें और ताला खुलने से रह जाये ।

_*This is a beautiful interpretation of Karma and Bhagya*_

বিশ্বাসের জোর — ঈশ্বরে বিশ্বাস ও মহাপাতক

ll বিশ্বাসের জোর — ঈশ্বরে বিশ্বাস ও মহাপাতক ll
“বিশ্বাস আর ভক্তি চাই — বিশ্বাসের কত জোর শুনঃ একজন লঙ্কা থেকে সমুদ্র পার হবে, বিভীষণ বললে, এই জিনিসটি কাপড়ের খুঁটে বেঁধে লও। তাহলে নির্বিঘ্নে চলে যাবে; জলের উপর দিয়ে চলে যেতে পারবে। কিন্তু খুলে দেখো না; খুলে দেখতে গেলেই ডুবে যাবে। সে লোকটা সমুদ্রের উপর দিয়ে বেশ চলে যাচ্ছিল। বিশ্বাসের এমন জোর। খানিক পথ গিয়ে ভাবছে, বিভীষণ এমন কি জিজিস বেঁধে দিলেন যে, জলের উপর দিয়ে চলে যেতে পাচ্ছি? এই বলে কাপড়ের খুঁটটি খুলে দেখে, যে শুধু ‘রাম’ নাম লেখা একটি পাতা রয়েছে। তখন সে ভাবলে, এঃ, এই জিনিস! ভাবাও যা, অমনি ডুবে যাওয়া।
“কথায় বলে হনুমানের রামনামে এত বিশ্বাস যে, বিশ্বাসের গুণে ‘সাগর লঙ্ঘন’ করলে! কিন্তু স্বয়ং রামের সাগর বাঁধতে হল!
“যদি তাঁতে বিশ্বাস থাকে, তাহলে পাপই করুক, আর মহাপাতকই করুক, কিছুতেই ভয় নাই।”

ভগবান যখন তাঁর অসীম কৃপায় গুরুমুখে তাঁর সিদ্ধমন্ত্র দিয়েছেন, তাঁকে পাবার চাবিকাঠি দিয়েছেন – তখন জানবে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন

               

                     *পরমার্থ*

                      ********
ভগবান যখন তাঁর অসীম কৃপায় গুরুমুখে তাঁর সিদ্ধমন্ত্র দিয়েছেন, তাঁকে পাবার চাবিকাঠি দিয়েছেন – তখন জানবে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন | এখন তোমার সেইটি ধারণা হওয়া চাই | যদি সেই অমূল্য রত্নকে অযত্নে ও অবহেলায় হারাও তো জানবে তুমি তাঁর কৃপার অযোগ্য | তাঁর কদর করা মানে গুরুদত্ত মন্ত্র ও উপদেশ সর্বান্ত:করণে সাধন ও পালন করা, যতদিন না বস্তু লাভ হয় | তাহলে গুরুর ঋণের কথঞ্চিৎ প্রতিদান করা হবে | ভগবানকে যত আপনার হতে আপনার বলে জানবে, ততই তুমি তাঁর কৃপার অধিকারী হবে, তাঁর কৃপার এ জন্মেই জীবন্মুক্ত, নিত্যানন্দময় হবে |

প্রেম, অনুরাগ যতদিন না আসে ততদিন সংসার কখনই অনিত্য ও অসার বলে বোধ হবে না | মন তো একটি বই দুটি নয়, আর মনকে ভিন্ন ভিন্ন কামরায় ভাগ করা যায় না যে, কতকটা ভগবানে দেবে আর কতকটা বিষয়-বাসনায় ভরে রাখবে | সব মন ভগবানে না দিলে তাঁকে লাভ করা যায় না, ফলে বারে বারে সংসারে আসা যাওয়া ও অশেষ দু:খ ভোগ করতে হয় |
সংসার ত্যাগ করতে হলে যে সন্ন্যাসী হয়ে বনে যেতে হবে তা নয় | আসল ত্যাগ হচ্ছে মনে | মনে ত্যাগ করলে সংসারেই থাক আর বনেই থাক, একই কথা | মনে ত্যাগ না করে বনে গেলেও সংসার সঙ্গে সঙ্গে যাবে ও ভোগাবে, নিস্তার পাবে না |
সংসারের সব সুখটুকুও চাই আবার ভগবানকেও পেতে চাই, তা হয় না গো হয় না |
যদি ভগবান এসে বলেন, তুই আমাকে চাস, না স্ত্রীপুত্র, নাতিপুতি নিয়ে ঐশ্বর্যশালী হয়ে সুস্থ শরীরে শতাধিক বৎসর বেঁচে থাকতে চাস ? তা হলে দেখবে, কোটি লোকের মধ্যে জোর একজন ছাড়া বাকি সকলে শেষেরটিই চাইবে |
ভগবানকে পেতে হলে ষোল আনা মনপ্রাণ দিতে হবে – এক পাই, এক কড়া-ক্রান্তি কম হলেও চলবে না | আমরা চাই , কিছু না খেটেখুটে সহজে ও সব দিক বজায় রেখে যদি তাঁকে পাওয়া যায় ! যদি কৃপা করে পাইয়ে দেন তো কথাই নেই ! তা কি হয় গো ? সে যে কড়ার কড়া তস্য কড়া আপন গন্ডা বুঝে লবে |
যে তাঁকে চায় সে তাঁকে পায় ; যে তাঁকে না চায় তাকে পাঁচ ভুতে নাচায় |
বিজ্ঞাপনে পড়ে আট আনা ভরি সোনা কিনতে অনেকে ছোটে, কিন্তু আসল সোনাই সোনা, অন্য সোনা সোনা নয় – মেকী, ভুয়ো, আট আনাই নষ্ট |

—পরমার্থ প্রসঙ্গ

Swami saradananda অমৃতবাণী II সেজন্য নিয়মিত কাজ, জপধ্যান ছাড়া অন্যসময় সৎসঙ্গ, সৎগ্রন্থ পাঠ করবে।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Swami saradananda
Swami saradananda

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
অমৃতবাণী :

প্রকৃতিবিশেষে লোভ, কাম বা ক্রোধের আধিক্য হয়ে থাকে।যার যেটি প্রবল থাকে তার সে বিষয়ে সর্বদা সতর্ক বিচার রাখতে হবে। যেখনে গেলে মন চঞ্চল হয় বা যা করলে মন খারাপ হয়, সে স্থান বা কাজ থেকে সতত দূরে থাকতে চেষ্টা করবে।সেজন্য নিয়মিত কাজ, জপধ্যান ছাড়া অন্যসময় সৎসঙ্গ, সৎগ্রন্থ পাঠ করবে।
স্বামী সারদানন্দ পৃষ্ঠা ১৯২


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
SRI RAMAKRISHNA

Design a site like this with WordPress.com
Get started