||◆◆গীতা…কৃষ্ণস্তু ভগবান স্বয়ম.◆◆|| প্রথম পর্ব..
“””দেশ কাল বর্ণ ধর্ম সম্প্রদায় পরিস্থিতি প্রভৃতি সবকিছুকে অতিক্রম করে শ্রীমদ্ভাগবতগীতা চির ভাস্বর রূপে বিরাজমান ।অনুপম ও অদ্বিতীয় এই গ্রন্থ সনাতন ধর্ম দর্শন যোগ মার্গে এক অনির্বান আলোকবর্তিকারূপে দীপ্যমান ।
বেদান্তে তিনটি প্রকৃষ্ট স্থান বা “”প্রস্থান-ত্রয়’ ।
◆প্রথমটি হল ”’শ্রুতি-প্রস্থান””—যা বেদের অন্ত্যভাগস্বরূপ উপনিষদ ।
◆দ্বিতীয়টি হল “ন্যায়-প্রস্থান””—যা ব্রহ্মর্ষি ব্যাসদেব রচিত বেদান্তদর্শন বা ব্রহ্মসূত্র ।
◆তৃতীয়টিই হল হল “”গীতা””—-পার্থসারথি জগৎগুরু শ্রীকৃষ্ণ কথিত বাণীসমূহ ।
——–এটিকে বলা হয় স্মৃতি প্রস্থান ।
#_____গীতা_____ঐতিহাসিক_____আদর্শ____ধর্মভাবযুক্ত_____ঘটনা_____ইহা_____সত্য। তেমনই
#_____গীতা_____আধ্যাত্মিক_____যোগবিজ্ঞান—–#______ইহাও_______সত্য ।
গীতা, উপনিষদ এবং ব্রহ্মসূত্র—–এই তিনটি প্রস্থান আর বাকি সব গুলি পদ্ধতি ।
এই প্রস্থান তিনটির মধ্যে #গীতা_____খুবই___বৈশিষ্ট্যপূর্ন,
কেননা এর মধ্যে #______উপনিষদ____এবং____ব্রহ্মসূত্রের তাৎপর্য লুকিয়ে আছে ।
◆◆#____গীতা_____হল______উপনিষদের_____সার,
কিন্তু বাস্তবে গীতার কথা উপনিষদ অপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ।
◆◆বেদ হল ভগবানের নিশ্বাস আর গীতা ভগবানের বাণী ।
নিঃশ্বাস তো স্বাভাবিক হয়ে থাকে কিন্তু গীতা ভগবান যোগে স্থিত হয়ে বলেছেন
অতএব
#_______গীতা____বেদ____অপেক্ষাও______গুরুত্বপূর্ণ ।
◆◆সমস্ত দর্শন গীতার অন্তর্গত । কিন্তু গীতা কোন দর্শনের অন্তর্গত নয় ।
দর্শন শাস্ত্রে জগৎ কী, জীব কী এবং ব্রহ্ম কী—-এসব পঠিত হয় ।
কিন্তু
#_গীতা___পাঠ____করায়____না____অনুভব___করায়।
◆◆গীতা কোন মতের প্রতি আগ্রহ উৎপন্ন করায় না, তাঁর আগ্রহ কেবল জীবের কল্যাণ সাধন করা। বরং
◆◆গীতাকে অনুসরণ করে চললে সগুন ও নির্গুণ উপাসকদের মধ্যে পারস্পরিক মতবিরোধ থাকে না।
গীতার ভগবান সাধককে সমগ্রর দিকে নিয়ে যান ।
যাঁরই উপাসনা করুন না কেন ,
◆◆সকল উপাসনা সামগ্রিক রূপের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে ।
◆◆সকল দর্শণ সমগ্র রূপের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে ।
অতএব সবকিছুই পরমাত্মার মধ্যে নিহিত, পরমাত্মা ছাড়া কোন কিছুই নেই—–এই ভাবই গীতায় নিহিত । অর্থাৎ
”””বাসুদেব সর্ব্বম”””””। ক্রমশঃ
[[[শ্রীমদ স্বামী রামসুখদাসজীর গীতা হইতে সংগৃহীত]]
জয় শ্রীরামকৃষ্ণ ।।