Cover Story II Swami Vivekananda’s Samadhi Mandir, Belur Math

Swami Vivekananda’s Samadhi Mandir, Belur Math

                 Cover Story

                       
Swami Vivekananda’s Life records: ‘Three days before his passing away, as the Swami was walking up and down on the spacious lawn of the monastery [Belur Math] in the afternoon with Swami Premananda, he pointed to a particular spot on the bank of the Ganga, and said to his brother-monk gravely, “When I give up the body, cremate it there!” [He passed away on 4 July 1902.] On that very spot stands today a temple in his honor.’ In this majestic two-storeyed edifice, there are two shrines: the first-floor shrine has a marble image of Om in Bengali and in the ground floor, a marble-relief of Swamiji in meditation. The marble-relief of Swamiji was done through the efforts of Sister Nivedita, a disciple of Swamiji, and with the financial contribution from Mrs. Leggett, an associate of Swamiji. Through the efforts of Miss MacLeod, the stairs to the first floor were fashioned after the Villa d’ Este in Italy, famous for its sweeping and curly stairs. On the spot of the original Vilva tree, under which Swamiji used to sit, is located a Vilva tree planted later
  Swami Vivekananda’s Samadhi Mandir, Belur Math

BEST JOSK II Swami Saradananda and Swami Trigunatitananda Ramakrishna saranam II খাদ্য রসিক সারদা মহারাজ

Swami Saradananda and Swami Trigunatitananda Ramakrishna saranam::::::::::::; খাদ্য-রসিক সারদা মহারাজ ::::;;;;;;;

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
স্বামী প্রেমানন্দজী বলতেন, “ওর সিদ্বাই ছিল l আমি একবার সাড়ে সাত সের ঘন দুধ ধীরে ধীরে দিতে লাগলুম -ও বেশ খেয়ে যেতে লাগল l আমিও থামলুম না ,ও -ও থামল না” l
প্রেমানন্দজী শ্রী রামকৃষ্ণ —পার্ষদ সারদাপ্রসন্ন মিত্র সম্পকে এই কথা বলেছিলেন l তাঁর স্বভাব ছিল বালকের মতো সহজ ,সরল আনন্দে পরিপূর্ণ l
সারদা মহারাজ একদিন ডাক্তার বিপিন ঘোষের বাড়ি গেছেন l ডাক্তার পুরনো ভক্ত ,ঘরে সাধুকে পেয়ে তিনি দু-টাকার রসগোল্লা থালায় সাজিয়ে দিলেন আর সাধুও অম্লান বদনে সব রসগোল্লা খেয়ে নিলেন l সেই সময়ে দু — পয়সায় রসগোল্লা পাওয়া যেত l যাই হোক ,এইবার ডাক্তারবাবু তাঁর কাছে আসার কারণ জানতে চাইলে সাধু জানান , তাঁর পেট খারাপ হওয়ায় রাজা মহারাজ তাঁকে ডাক্তারবাবুর কাছে পাঠিয়ে ছেন l ডাক্তারবাবু বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করলেন –“অত রসগোল্লা খেলে কেন ? “
সাধু বললেন , ” তা আপনি দিলেন —-আমি কী করব ?
এই ছিলেন আমাদের সারদা মহারাজ l বাবুরাম মহারাজের মা একদিন সারদা মহারাজ ও আরও দুজন কে নিমন্ত্রণ করেছিলেন l তো নির্দিষ্ট দিনে তিনি একা উপস্থিত হলেন ,অন্য দুজন আসতে পারেননি l গৃহস্থের জিনিস নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় মহারাজ একাই তিনজনের খাবার খেয়ে নিলেন l পরেরদিন মাতঙ্গিনী-দেবী তাঁকে সুস্থ দেখে বলেছিলেন , “সারদা অনেক পাহাড়-পর্বত ঘুরে বেড়িয়েছে ,ও অনেক “মোন্তর ” শিখেছে ,তাই উড়ো মন্তরে সব উড়িয়ে দেয় l তা না হলে মানুষ কি অত খেতে পারে !”
মাঝে মধ্যেই শরীরের প্রতি অনিয়ম করার জন্য জ্বরে ভুগতেন তিনি l একদিন সকাল থেকে গায়ে জ্বর থাকায় সকালে সাবু খেলেও দুপুর বেলাতেই সারদা মহারাজ আধসের কচুরি ,তরকারি ও একসের রাবড়ি খান l সারদা মহারাজের এই সামান্য পথ্যগ্রহণের হিসাব শুনে স্বামীজী হো হো করে হেসে বলেন , “শালা !তোর Stomach- টা দে দেখি —–দুনিয়ার চেহারাটা একেবারে বদলে দি l “
তাঁর এই সারল্যভরা বালকত্ব বাইরের রূপ হলেও ,অন্তরে শরীর ও মনের উপর নিয়ন্ত্রণ অসীম ছিল lবাবুরাম মহারাজ তাই তো বলেছেন , “রোজ একটা করে কলা খেয়ে (সারদা ) ওই বেলতলায় পড়ে রইল l “আবার কোন সময় সারদা মহারাজ নিজেই শরৎ মহারাজ কে বলে উঠেছেন , ” দুপুর হয়েছে কিনা তাই স্নান করে পিত্তিরখ্যা করে নিলাম ……
দেখলুম কচি দূর্বা রয়েছে , তাই খেয়েছি l “

বিদেশ যাত্রার আগে এই অসম্ভব খাদ্যরসিক মহারাজই স্থির করেছিলেন, যদি দেশি খাবার না পাওয়া যায় তাহলে শুধু চিনি আর রুটি খেয়ে থাকবেন lপূর্ণচন্দ্র শেঠ মহাশয়ের সাথে সারদা মহারাজের খুবই সখ্যতা ছিল l মহারাজ আমেরিকা-যাত্রা করার পর থেকেই পূর্ণ বাবুর সাথে পত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন l এই পত্র গুলোর মাধ্যমে ও তাঁর বিদেশে খাদ্যাভ্যাস সমন্ধে জানতে পারি l

৪ March ১৯০৩-এ লেখা একটি পত্রের মাধ্যমে তিনি পূর্ণবাবুকে জানিয়েছেন :
“আমি সেই রকমই নিরামিষ আহারী আছি l মাছ মাংস ডিম বা চর্বি আদৌ স্পশ্ পয্যন্ত করি না l চেহারা আধখানা হয়ে গেছে l “
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
১৮জানুয়ারি ১৯০৬ সালের পত্রে দেখি মহারাজ পূর্ণবাবু কে বলছেন — “আপনার দ্বারে আজ একজন ভিখুক উপস্থিত ……..সাচি ও ভাজা সোনা মুগের ডাল ,খাড়ি মুশুর ,অপরাপর ডাল ,বড়ি ,পাপড় ,আচার ,ইত্যাদি অনুগ্রহ করে পাঠাবেন l ” আবার অন্তরঙ্গ বন্ধু অতুল কৃষ্ণ দাসকে লেখা পত্রে দেখতে পাই —“শুড়ির দোকান থেকে তোমাকে দিয়ে কেমন মাংসের কচুরি আনিয়ে খেতুম,মনে আছে কি ?”

তীর্থদর্শন ও সেবাকাজের সময় মহারাজ ভিক্ষালব্ধ অন্নে দিনাতিপাত করতেন l আবার সম্ভবস্থলে প্রচুর অন্ন গ্রহণ করে উদরপূর্তি করতেন l একবার জয়রামবাটী থেকে কলকাতায় ফিরবার সময় তিনি একটি ছোট হোটেলে খেতে ঢুকে মালিক কে জানান যে তিনি অন্যদের তুলনায় অধিক আহার করেন ,তাই তাঁকে যেন বেশি খাদ্য পরিবেশন করা হয় , বিনিময়ে তিনি অধিক অর্থ দেবেন l দোকানের মালিক ছিলেন খুবই ঈশ্বর অনুরাগী তাই সাধুর সেবায় যাতে কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য নিজেই পরিবেশন করতে শুরু করলেন l সারদা মহারাজ ও বার-বার ভাতডাল চেয়ে খেতে লাগলেন l ক্রমে মালিকের ক্ষুদ্র ভাঁড়ার প্রায় শেষ হয়ে আসলেও তিনি চিরাচরিত বিধান অনুযায়ী সাধু সেবা করে তৃপ্তি লাভ করেছিলেন l

জয় স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ ,মহারাজজীর জয়  ,জয় ভগবান রামকৃষ্ণদেবের জয় 

” তোমার ইচ্ছা পূর্ণ হল তো ? খুশি হলে তো ? ” পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন । ব্যাস এই দুটি মাত্র কথা ।

SRI SARADA DEVI
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

Sri Sarada Devi,

শ্রীশ্রীমা

………
( ২ )
আমার সঙ্গে কোন ভক্তের পরিচয় ছিল না ।তাই নীরবে অধীর প্রাণে প্রার্থনা রত হয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম । পূর্বের দর্শনের কথাই বিশেষ মনে আনাগোনা করছিল ।
একি দেখলুম ! কে এই জ্যোতির্ময়ী দেবী , যিনি আমাকে ছোট্ট শিশু সন্তান রূপে কোলে নিয়ে আদর করেছিলেন ! তিনি কোথায় গেলেন ! আর তো দেখতে পাইনা ! তাঁর অভাব বোধ মন কে খুব পীড়িত করল ।
এদিকে ভক্ত রা বলাবলি করতে লাগল— মা পুরুষ ভক্ত দের সাথে কথা বলেন না , ইত্যাদি । আমি নতুন গিয়েছি , এসব কিছুই জানিনা , তাই শুধু শুনে যাচ্ছি । মনে একমাত্র আকাঙ্ক্ষা — আহা ! মা যদি আমার সাথে একটু কথা বলেন । আমি তো মা বলে ডাকব , তিনি কি সাড়া দেবেন না ? একটা কথাও বলবেন না ? মন এ-চিন্তায় শতধা দ্বিখণ্ডিত হচ্ছিল ।
আমি আপন চিন্তায় মগ্ন হয়ে চুপচাপ বসে ছিলাম । এমন সময় দেখা গেল ভক্তদের মধ্যে সাড়া পড়ে গিয়েছে ।উপরে উঠার সিঁড়ির দিকে সবাই চলেছেন সারিবদ্ধ ভাবে । সিঁড়ি পর্যন্ত গিয়ে সকলে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন । আমি পড়ে গেলাম সকলের পিছনে । সকলের শেষে আমি প্রণাম করব । শেষ টায় আবার ভয় হল — মা যদি ততক্ষণে চলে যান , যদি প্রণাম করতে না পারি ! কিন্তু তখন আর এগিয়ে অন্যরকম কিছু করার উপায় ছিল না । ঐ লাইনে সকলের পিছনে চুপচাপ প্রার্থনা রত হয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছি ।
ভোরবেলায় যে জ্যোতির্ময়ী মূর্তির দর্শন পেয়েছিলাম তিনি আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠলেন চিন্তার মধ্যে । ভক্ত সঙ্গে এগিয়ে চলেছি মাতৃ দর্শনে । ক্রমে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে দেখা গেল একটি ঘরের দরজার চৌকাঠের সামনে এক-একজন ভূমিতে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করছে এবং অন্য দিক দিয়ে নেমে যাচ্ছে । এগিয়ে চলেছি — আমার পিছনে আর কেউ নেই ।
ঘরের দরজার সামনে প্রণামের স্থানে এসে দেখি শ্রীশ্রীমা আপাদমস্তক এক খানি গরদের সাদা চাদর মুড়ি দিয়ে অবগুণ্ঠিতা হয়ে বসে আছেন — শ্রীশ্রী মায়ের মুখও দেখা যায় না ,সবই ঢাকা । মনটা দমে গেল –অপেক্ষা করার সময় ছিলনা । আমি নতজানু হয়ে ভূমিতে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করলাম । হয়তো এক মিনিট মাথা নিচু করে ছিলাম — চোখ ভরা জল ।
মাথা তুলতেই দেখি মা চাদর টি সম্পুর্ন সরিয়ে দিয়েছেন , মুখে অবগুণ্ঠনও নেই । সস্নেহে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে ।
একি দেখছি ! ভোরবেলায় যাঁকে ধ্যানে দেখেছি তিনি ই তো বসে আছেন আমার দিকে সস্নেহে তাকিয়ে । আনন্দে বিহ্বল হয়ে গেলাম । তাঁর পাদস্পর্শ করতে হাত বাড়াতেই মা হাসি মুখে আমার চিবুক ধরে চুমু খেলেন এবং মুখে হাত বুলিয়ে আমার চোখের জল মুছিয়ে দিলেন । আর মধুর স্বরে জিজ্ঞাসা করলেন , ” বাবা , প্রসাদ খেয়েছ ?” আমি তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে শুধু বললাম , ‘ হাঁ ” মা ” খেয়েছি ‘ ।
” তোমার ইচ্ছা পূর্ণ হল তো ? খুশি হলে তো ? ” পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন । ব্যাস এই দুটি মাত্র কথা ।
” স্বামী অপূূর্বানন্দ”

Ma sarada —Swami Apurbananda II শ্রীশ্রীমা

SRI SARADA DEVI
শ্রীশ্রীমা
………
( ১ )
ভোরবেলা গঙ্গাস্নান করে ভক্ত বন্ধুটির পূজার ঘরে একটু বসেছি ধ্যান প্রার্থনা করতে । অল্প ক্ষণেই মন খুব শান্ত হয়ে গেল এবং অব্যক্ত আনন্দে ভরে গেল ।
বসে আছি , ক্রমে গভীর ধ্যান মগ্ন হলাম । ধ্যানে এক আলৌকিক দর্শন হল ।
এক দেবী মুর্তি জ্যোতির্ময়ী রূপে দর্শন দিলেন ।
সরু লাল পেড়ে সাদা কাপড় পরে বসে আছেন মায়ের মত ।
আমি দুই তিন মাসের একটি ছোট্ট শিশুতে পরিণত হয়েছি । তিনি হাত বাড়িয়ে ঐ শিশু রূপী আমাকে কোলে নিলেন আর নানা ভাবে আদর করতে লাগলেন । আমি ছোট্ট শিশু রূপে তাঁর কোলে শুয়ে আছি আর হাত পা নেড়ে আনন্দে খেলা করছি । তাঁর স্পর্শে আনন্দে সর্বাঙ্গে আনন্দের শিহরণ হচ্ছেন।তিনি খিল খিল করে হেসে সর্বাঙ্গে হাত বুলিয়ে আদর করছেন ।
আমি ইতি পুর্বে শ্রীশ্রী মায়ের ছবি দেখিনি তাই ভাবছি —-
ইনি কে , আমায় এত ভালবাসছেন !
সে এক দিব্য অনুভূতি । আনন্দে আমি ছোট্ট ছোট্ট হাত দিয়ে ঐ মাতৃ মূর্তি কে জড়িয়ে ধরছি । এভাবে কতক্ষণ কেটে গেল জানিনা । এই মাতৃ মূর্তি অন্তর্হিত হবার সাথে সাথে ধ্যান ভেঙে গেল । চোখ মেলে দেখি ভক্ত বন্ধুর ছোট্ট ঠাকুর ঘরটিতে ঠাকুরের পট মূর্তির সামনে বসে আছি । প্রথম প্রভাতের সূর্যালোক জানলা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করছে । আনন্দে ও বিস্ময়ে বাহ্য জ্ঞান হারিয়ে খানিকক্ষণ ঐ দর্শনের কথা ভাবতে ভাবতে আসনে বসে ছিলাম । যখন উঠলাম সারে ছটা বেজে গেছে ।
আমি ভক্ত বন্ধুটিকে বলে আশাভরা প্রাণে শ্রী শ্রী মায়ের বাড়ির দিকে রওনা হলাম ।
উদ্বোধন – বাড়িতে পৌঁছে দেখি ততক্ষণে পনের – বিশ জন ভক্ত শ্রী শ্রী মায়ের দর্শন প্রার্থী হয়ে অপেক্ষা করছেন ।
প্রায় আটটার সময় একজন সাধু মহারাজ একটি বড় রেকাবি তে শালপাতায় সাজানো প্রসাদ নিয়ে এসে সকলের হাতে হাতে দিয়ে বললেন , ” মা প্রসাদ পাঠিয়েছেন , প্রসাদ খেয়ে আপনারা অপেক্ষা করুন মায়ের দর্শনের জন্য । ডাকা হলে সকলে দর্শন করতে যাবেন । ” তিনি আরও বললেন যে , মা ঠাকুর পূজা করে নিজের হাতে প্রসাদ সাজিয়ে ভক্তদের জন্য পাঠিয়েছেন ।
এর চাইতে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে ? ঐ প্রসাদ যেন শ্রী শ্রী মায়ের পুণ্যস্পর্শ পূত আশীর্বাদ — তাঁর স্নেহ । ঐ প্রসাদ খেতে গিয়েও আমার মনে জেগে উঠেছিল ভোরবেলার দেখা সেই দেবী মূর্তি ।
” স্বামী অপুর্বানন্দ”

স্বামীজীর পত্র

মায়ার সংসারে কর্ম কোলাহলে
শ্রীপদ দুখানি রয়েছি যে ভুলে
বিবেক বৈরাগ্য তুমি নাহি দিলে
মোহ ভ্রান্তি কিসে কাটিবে ।
স্বামীজীর লেখা এই পত্র খানি আমার বড় প্রিয়…
(জনৈক আমেরিকান বন্ধুকে লিখিত)
আলামেডা, ক্যালিফোর্নিয়া,
১২ই এপ্রিল, ১৯০০
  … ‘মা’ আবার প্রসন্না হচ্ছেন; অবস্থা অনুকূল হয়ে আসছে – তা হতেই হবে।
   কর্ম চিরকালই অশুভকে সঙ্গে নিয়ে আসে। আমি নিজ স্বাস্থ্য হারিয়ে সঞ্চিত অশুভরাশির ফলভোগ করেছি। এতে আমি খুশি, এতে আমার মন হালকা হয়ে গেছে – আমার জীবনে এমন একটা স্নিগ্ধ কোমলতা ও প্রশান্তি এসেছে, যা এর আগে কখনও ছিল না।
   আমি এখন কেমন করে একই কালে আসক্ত ও অনাসক্ত থাকতে হয়, তাই শিখছি এবং ক্রমশঃ নিজের মনের উপর আমার প্রভুত্ব আসছে।
   মায়ের কাজ মা-ই করছেন; সেজন্য এখন বেশি মাথা ঘামাই না। আমার মতো পতঙ্গ প্রতি মুহূর্তে হাজার হাজার মরছে; কিন্তু মায়ের কাজ সমভাবেই চলেছে। জয় মা… মায়ের ইচ্ছাস্রোতে গা ভাসিয়ে একলা আজীবন চলে এসেছি। যখনই এর ব্যতিক্রম করেছি, তখনই আঘাত পেয়েছি। মায়ের ইচ্ছাই পূর্ণ হোক।…
   আমি সুখে আছি, নিজের মনের সব দ্বন্দ্ব কাটিয়ে শান্তিতে আছি; আমার অন্তরের বৈরাগ্য আজ আগের চেয়ে অধিক সমুজ্জ্বল। আত্মীয়স্বজনের প্রতি ভালবাসা দিন দিন কমে যাচ্ছে, আর মায়ের প্রতি আকর্ষণ ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে।
   দক্ষিণেশ্বরের বটবৃক্ষমূলে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে সেই যে আমরা দীর্ঘ রাত্রি জেগে কাটাতাম, তারই স্মৃতি আবার মনে জাগছে। আর কর্ম? কর্ম আবার কি? কার কর্ম? আর কার জন্যই বা কর্ম করব?
   আমি মুক্ত। আমি মায়ের সন্তান। মা-ই সব কর্ম করেন, সবই মায়ের খেলা। আমি কেন মতলব আঁটতে যাব? আর কি মতলবই বা আঁটব?
   আমার পরিকল্পনার অপেক্ষা না রেখেই মা-র যেমন অভিরুচি, তেমনি ভাবে যা কিছু আসবার এসেছে ও চলে গেছে। মা-ই তো যন্ত্রী, আমরা তাঁর হাতের যন্ত্র ছাড়া আর কি?
আয়ু সূর্য মোর বসিতেছে পাটে
কোথা ব্রহ্মময়ী এসো তুমি ছুটে
তনয়ে তারো মা এ ঘোর সংকটে
তুমি বিনে কে আর তরিবে
কোথা ভবদারা দুর্গতি হরা
কতদিনে তোর করুণা হবে ।।
কবে দেখা দিবি কোলে তুলে নিবি
সকল যাতনা জুড়াবে….

Is the secret to life

In Crown Heights, there was a Jewish man named Yankel, who owned a bakery. He survived the concentration camps, and always said, “You know why it is that I’m alive today?”
“I was a kid, just a teenager at the time. We were on the train being taken to Auschwitz. Night came and it was deathly cold in that boxcar. The Germans would leave the cars on the side of the tracks overnight, sometimes for days on end without any food, and no blankets to keep us warm,” he said.
“Sitting next to me was this beloved elderly Jewish man from my hometown. He was shivering from head to toe and looked terrible. So I wrapped my arms around him to warm him up. I rubbed his arms, his legs, his face, his neck. I begged him to hang on. All night long, I kept the man warm this way.
“I was tired, and freezing cold myself. My fingers were numb, but I didn’t stop rubbing heat into that old man’s body. Hours and hours went by until finally, morning came and the sun began to shine. When there was some light in the boxcar, I looked around to see the other people. To my horror, all I could see were frozen bodies. All I could hear was deathly silence.
“Nobody else in that cabin made it through the night. They died from the cold. Only two people survived: the old man and me. The old man survived because somebody kept him warm…and I survived because I was warming someone else.
“Can I tell you the secret to survival in this world? When you warm other people’s hearts, you remain warm yourself. When you seek to support, encourage and inspire others, then you discover support, encouragement, and inspiration in your own life as well. That, my friends, is the secret to life.”

বিবেক, বৈরাগ্য ও অনুরাগ এর সঙ্গে ঐকান্তিকভাবে সাধন ভজন করে ভগবানকে হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে, তাঁকে অন্তরে বাইরে সর্বত্র সকল বস্তুতে দর্শন ও উপলব্ধি করতে পারবে ।

SWAMI VIRAJANANDA
paromatho pashongo–SWAMI VIRAJANANDA                 

 পরমার্থ  প্রসঙ্গ *   ********


ভগবান যখন তাঁর অসীম কৃপায় গুরুমুখে তাঁর সিদ্ধমন্ত্র দিয়েছেন
, তাঁকে পাবার চাবিকাঠি দিয়েছেন তখন জানবে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন | এখন তোমার সেইটি ধারণা হওয়া চাই | যদি সেই অমূল্য রত্নকে অযত্নে ও অবহেলায় হারাও তো জানবে তুমি তাঁর কৃপার অযোগ্য | তাঁর কদর করা মানে গুরুদত্ত মন্ত্র ও উপদেশ সর্বান্ত:করণে সাধন ও পালন করা, যতদিন না বস্তু লাভ হয় | তাহলে গুরুর ঋণের কথঞ্চিৎ প্রতিদান করা হবে | ভগবানকে যত আপনার হতে আপনার বলে জানবে, ততই তুমি তাঁর কৃপার অধিকারী হবে, তাঁর কৃপার এ জন্মেই জীবন্মুক্ত, নিত্যানন্দময় হবে |
প্রেম, অনুরাগ যতদিন না আসে ততদিন সংসার কখনই অনিত্য ও অসার বলে বোধ হবে না | মন তো একটি বই দুটি নয়, আর মনকে ভিন্ন ভিন্ন কামরায় ভাগ করা যায় না যে, কতকটা ভগবানে দেবে আর কতকটা বিষয়বাসনায় ভরে রাখবে | সব মন ভগবানে না দিলে তাঁকে লাভ করা যায় না, ফলে বারে বারে সংসারে আসা যাওয়া ও অশেষ দু:খ ভোগ করতে হয় |
সংসার ত্যাগ করতে হলে যে সন্ন্যাসী হয়ে বনে যেতে হবে তা নয় | আসল ত্যাগ হচ্ছে মনে | মনে ত্যাগ করলে সংসারেই থাক আর বনেই থাক, একই কথা | মনে ত্যাগ না করে বনে গেলেও সংসার সঙ্গে সঙ্গে যাবে ও ভোগাবে, নিস্তার পাবে না |
সংসারের সব সুখটুকুও চাই আবার ভগবানকেও পেতে চাই, তা হয় না গো হয় না |
যদি ভগবান এসে বলেন, তুই আমাকে চাস, না স্ত্রীপুত্র, নাতিপুতি নিয়ে ঐশ্বর্যশালী হয়ে সুস্থ শরীরে শতাধিক বৎসর বেঁচে থাকতে চাস ? তা হলে দেখবে, কোটি লোকের মধ্যে জোর একজন ছাড়া বাকি সকলে শেষেরটিই চাইবে |
ভগবানকে পেতে হলে ষোল আনা মনপ্রাণ দিতে হবে এক পাই, এক কড়াক্রান্তি কম হলেও চলবে না | আমরা চাই , কিছু না খেটেখুটে সহজে ও সব দিক বজায় রেখে যদি তাঁকে পাওয়া যায় ! যদি কৃপা করে পাইয়ে দেন তো কথাই নেই ! তা কি হয় গো ? সে যে কড়ার কড়া তস্য কড়া আপন গন্ডা বুঝে লবে |
যে তাঁকে চায় সে তাঁকে পায় ; যে তাঁকে না চায় তাকে পাঁচ ভুতে নাচায় |
বিজ্ঞাপনে পড়ে আট আনা ভরি সোনা কিনতে অনেকে ছোটে, কিন্তু আসল সোনাই সোনা, অন্য সোনা সোনা নয় মেকী, ভুয়ো, আট আনাই নষ্ট |

পরমার্থ প্রসঙ্গ

 পরমার্থপ্রসঙ্গ

বিবেক, বৈরাগ্য ও অনুরাগ এর সঙ্গে ঐকান্তিকভাবে সাধন ভজন করে ভগবানকে হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে, তাঁকে অন্তরে বাইরে সর্বত্র সকল বস্তুতে দর্শন ও উপলব্ধি করতে পারবে । তখন আর অন্য কিছু লাভ করবার, আকাঙ্ক্ষা করবার থাকে না, জীব আনন্দময় হয়ে যায় । এই হলো মানবজীবনধারণের একমাত্র উদ্দেশ্য । আর সব মনের ভ্রান্তিমাত্র । প্রাণভরে যত পার জপ তপ করবে। তবে হৃদয়ে এই ধারণা দৃঢ়ভাবে রাখবে যে এত জপ তপ করছি বলেই ভগবান দেখা দেবেন, কৃপা করবেন, তা নয, তাঁকে লাভ করা কেবল তাঁর কৃপাতেই হয় । সাধনভজন কেবল ডানা বেদনা করবার জন্য । পাখির ডানা বেদনা হলেই বসবার ইচ্ছা হয় ।সমুদ্রের মাঝে বারবার আকাশে উড়ে উড়ে মাস্তুল ছাড়া বিশ্রাম করবার আর কোন স্থান নাই দেখে পাখিকে সেই মাস্তুলেই আশ্রয় নিতে হয় । কিন্তু এ বোধটি নিশ্চয় না হলে অনন্যশরণ হওয়া যায় না ।।

@page { margin: 2cm } h2.cjk { font-family: “WenQuanYi Micro Hei” } h2.ctl { font-family: “Lohit Devanagari” } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

MOHABHARAT KUNTI BANI II কুন্তীর মহৎ জীবনের সার বাণী’

‘কুন্তীর মহৎ জীবনের সার বাণী’
+++++++++++++++++++++
      ভারতীয় সভ্যতার চিরন্তন আদর্শ—ধর্ম, ত্যাগ, ক্ষমা ও সেবা।  বানপ্রস্থানের পথে তাঁর অত্যন্ত মূল্যবান বিদায়-বাণী দিয়েছেন যুধিষ্ঠিরকে।  নিঃসন্দেহে একজন উচ্চমনা ভারতীয় নারীর অন্তরের এই বাণী অমূল্য।  তিনি যুধিষ্ঠিরকে বলেন—‘ধর্মে তে ধীয়তাং বুদ্ধিঃ’—তোমার বুদ্ধি ধর্মে অভিনিবিষ্ট থাক এবং তোমার মন প্রশস্ত হোক।  এটাই কুন্তীর মহৎ জীবনের সার বাণী।  এই তাঁর প্রজ্ঞা বাণী।  সেই জন্যই  কৃষ্ণ, ভীষ্ম, বিদুর প্রভৃতি তাঁকে ‘প্রজ্ঞাবতী’, ‘মহাপ্রাজ্ঞ’, ‘মনস্বিনী’ প্রভৃতি বিশেষণে বিভূষিত করেছেন।  কুন্তীর দুটি মহৎগুণের উল্লেখ করেছেন ব্যাসদেব।  একটি তাঁর ধৈর্যশীলতা এবং অপরটি তাঁর গুরুসেবা।
      তাঁর পুণ্যজীবন অনুধ্যানে আমরা তাঁকে দেখি, তিনি প্রকৃতই ভারতীয় আদর্শের শরীরী রূপ।  ভারতের জাতীয় মহত্তম আদর্শগুলি যেন তাঁকে অবলম্বন করেই মূর্ত হয়েছে।  পবিত্রতা, পাতিব্রতা, ত্যাগ, ধৈর্য, কঠোর তপস্যা, ক্ষমা ও সেবা তাঁর জীবনসরোবরে প্রস্ফুঠিত শতদল পদ্ম।  পুণ্যবতী ও মহামতি কুন্তী নিজের চরিত্রবলে যুগযুগান্ত ধরে আমাদের মনের আকাশে আদর্শের  ধ্রুবতারা। সেজন্যই এই মহীয়সী ও তপস্বিনী নারী হিন্দুদের নিত্য স্মরণীয়া পঞ্চকন্যার অন্যতমা।  এঁদের স্মরণ করলেও পুণ্য হয়।
            ♣♣♣♦♦♣♣♣

My Neighbor Is A Thief II Story: My Neighbor Is A Thief

Story: My Neighbor Is A Thief
Once an old man spread rumors that his neighbor was a thief. As a result, the young man was arrested. Days later the young man was proven innocent.
After being released he sued the old man for wrongly accusing him.
In the court, the old man told the Judge: “They were just comments, didn’t harm anyone.”
The judge told the old man: “Write all the things you said about him on a piece of paper. Cut them up and on the way home, throw the pieces of paper out. Tomorrow, come back to hear the sentence.”
Next day, the judge told the old man: “Before the hearing starts, go out and gather all the pieces of paper that you threw out yesterday.”
The old man said: “I can’t do that! The wind spread them and I won’t know where to find them.”
The judge then replied: “The same way, simple comments may destroy the honor of a man to such an extent that one is not able to fix it. If you can’t speak well of someone, rather don’t say anything.”
Giving comments about others have several disadvantages:
1- we become slaves of our words what we have uttered.
2- We lose our own respect in society/colleagues because of doing consistent character assassination.
3- Most of the time, we are not sure whether we are right or wrong because being human our judgment can be wrong so we fall into the category of liars.
4- the Negative trait of our personality becomes prominent which becomes our character in the long run.
Awesome Conversation between God And a Man. Read it and don’t forget to share it with your friends.
Man: God, can I ask You a question?
God: Sure
Man: Promise You won’t get mad …
God: I promise
Man: Why did You let so much stuff happen to me today?
God: What do u mean?
Man: Well, I woke up late
God: Yes
Man: My car took forever to start
God: Okay
Man: at lunch, they made my sandwich wrong & I had to wait
God: Huummm
Man: On the way home, my phone went DEAD, just as I picked up a call
God: All right
Man: And on top of it all off, when I got home ~I just want to soak my feet in my new foot massager & relax. BUT it wouldn’t work!!! Nothing went right today! Why did You do that?
God: Let me see, the death angel was at your bed this morning & I had to send one of My Angels to battle him for your life. I let you sleep through that
Man (humbled): OH
GOD: I didn’t let your car start because there was a drunk driver on your route that would have hit you if you were on the road.
Man: (ashamed)
God: The first person who made your sandwich today was sick & I didn’t want you to catch what they have, I knew you couldn’t afford to miss work.
Man (embarrassed): Okay
God: Your phone went dead bcuz the person that was calling was going to give false witness about what you said on that call, I didn’t even let you talk to them so you would be covered.
Man (softly): I see God
God: Oh and that foot massager, it had a shortage that was going to throw out all of the power in your house tonight. I didn’t think you wanted to be in the dark.
Man: I’m Sorry God
God: Don’t be sorry, just learn to Trust Me…. in All things, the Good & the bad.
Man: I will trust You.
God: And don’t doubt that My plan for your day is Always Better than your plan.
Man: I want God.
Q:- What is the difference between ‘Maya’ and ‘Daya’?
Shri # Ramakrishna:- “To love these objects, regarding them as one’s own, is māyā. But to love all things is days, compassion. To love only the members of the Brahmo Samaj or of one’s own family is māyā; to love one’s own countrymen is māyā. But to love the people of all countries, to love the members of all religions, is days. Such love comes from a love of God, from data.
प्रश्न:- ‘माया’ और ‘दया’ में क्या अन्तर ह ै?
#श्रीरामकृष्ण :- “मेरी वस्तु, मेरी वस्तु कहकर, उन सब चीजों को प्यार करना ही माया है। सब को प्यार करने का नाम दया है। मैं केवल मेरे संप्रदाय के आदमियों को प्यार करता हूँ या अपने परिवार के मनुष्यों को, यह माया है। केवल देश के आदमियों को प्यार करता हूँ, यह माया है। सब देशों के मनुष्यों को प्यार करना, सब धर्मों में लोगों को प्यार करना, यह दया से होता है, भक्ति से होता है।

Running Your Own Race …I was cycling and noticed a person ahead of me, about 1/4 of a km.

Running Your Own Race 

I was cycling and seen a man in front of me, around 1/4 of a km. 

I could tell he was cycling a little slower than me and chose to endeavor to get him. I had about a km to go out and about before killing. 

So I began cycling quicker and quicker and each square, I was picking up on him only a smidgen. Following a couple of minutes, I was just around 100 yards behind him, so I truly got the pace and propelled myself. You would have thought I was cycling the last leg of the London Olympic marathon. 

At long last, I made up for lost time with him and cruised him by. Within, I felt so great.
 “I beat him” clearly, yet he didn’t understand we were hustling. 

After I passed him, I understood that I had been so centered around contending with him that I had missed my turn, had gone almost six squares past it and needed to pivot and go all back. 

Isn’t that what occurs in life when we center around contending with collaborators, neighbors, companions, family, endeavoring to exceed them or attempting to demonstrate that we are more effective or more vital? We invest our time and vitality pursuing them and we pass up our very own ways to our predeterminations. 

Moral : 

The issue with undesirable rivalry is that it’s a ceaseless ‘cycle’. There will dependably be someone in front of you, somebody with a superior occupation, more pleasant vehicle, more cash in the bank, more instruction, a more great looking spouse/a lovely wife, better-carried on kids, and so forth. 

Take what Life has given you, the stature, the weight & the identity. Dress well & wear it gladly! You’ll be honored by it. Remain engaged and carry on with a solid life. There’s no opposition in DESTINY. 

Run your own RACE and wish others WELL! 

Wherever you go, regardless of what the climate, continually bring your own Sunshine. 

Consider it………….

पुस्तकस्या तु या विद्या, परहस्तगतं धनम् ।कार्यकाले समुत्पन्ने, न सा विद्या न तद्धनम् ॥

The knowledge that is in note-books in (our) shelves, and
(our) money now in the hands of others, both are useless.
At the point when time seeks their utilization neither that learning
nor that wealth will be available.

किताब में रखी विद्या और उधार दी हुई मुद्रा, जरुरत होने पर बिलकुल उपयोगी नहीं होती है।
*चन्द्रगुप्त* ने पुछा
अगर किस्मत पहेले ही लिखी जा चुकी है तो, कोशिश कर के क्या मिलेगा?
 *चाणक्य* ने कहा
क्या पता किस्मत में लिखा हो की, कोशिश करनेसे ही मिलेगा!
सुप्रभातम्…..
Design a site like this with WordPress.com
Get started