(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
*দেবী দুর্গা*
![]() |
| KUMARI PUJA |
https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
তিনি কাশ্মীরে ও দাক্ষিণাত্যে ‘অম্বা’ ও ‘অম্বিকা’ নামে, গুজরাটে ‘হিঙ্গলা’ ও ‘রুদ্রাণী’ নামে, কান্যকুব্জে ‘কল্যাণী’ নামে, মিথিলায় ‘উমা’ নামে এবং কুমারিকা প্রদেশে ‘কন্যাকুমারী’ নামে পূজিতা হইয়া থাকেন।
এইরূপে হিমালয় হইতে কুমারিকা-অন্তরীপ পর্যন্ত এবং দ্বারকাপুরী ও বেলুচিস্তানের হিঙ্গলাজ হইতে পুরীতে শ্রীজগন্নাথক্ষেত্র পর্যন্ত ভারতরর্ষের সর্বত্রই ‘শারদীয়া দুর্গাপূজা’ অথবা ‘নবরাত্র’ নামে পূজা-পার্বণ অনুষ্ঠিত হইয়া থাকে। এই নব-রাত্রিতে নেপাল, ভুটান, সিকিম ও তিব্বত প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরাও দেবীর পূজা করিয়া থাকেন। ভারতের বাহিরে চীন, জাপান, কম্বোজ, চম্পা, যবদ্বীপ (যাভা) প্রভৃতি দেশের যেখানে যেখানে হিন্দুধর্ম অথবা বৌদ্ধধর্ম প্রচারিত সেখানে সেখানেই শ্রীশ্রীদুর্গাদেবী পূজিতা হইয়া আসিতেছেন। জাপানে বৌদ্ধধর্ম প্রচারিত হইবার চল্লিশ বৎসর পরে রাজ্ঞী সিন্কোর রাজত্বকালে (৪৯৩-৬২৮ খ্রীষ্টাব্দ) চীন হইতে মহাযান-বৌদ্ধধর্মের অবলোকিতেশ্বর কোয়াননের মধ্যে একটি দেবীমূর্তির পূজা হইয়া থাকে। জাপানী ভাষায় তাঁহার নাম ‘চনষ্টী’। ইহা সংস্কৃত ‘চণ্ডী’ শব্দের অনুরূপ। তাঁহার আর একটি নাম ‘কোটীশ্রী’ অথবা ‘সপ্তকোটী বুদ্ধমাতৃকা চনষ্টীদেবী’। ইনিই হিন্দুদিগের শ্রীশ্রীদুর্গাদেবী।
তাঁহার সপ্তজিহ্বাকে অথর্ববেদের অন্তর্গত মুণ্ডকোপনিষদে (১।২।৪) বর্ণনা করা হইয়াছে।
যথা,—
’’অর্থাৎ কালী করালী মনোজবা, সুলোহিতা, সুধূম্রবর্ণা, স্ফুলিঙ্গিনী, বিশ্বরুচী এই সপ্তজিহ্বার শিখার দ্বারা দেবতা হব্যকে (ঘৃতাহুতি) গ্রহণ করেন। শতপথ-ব্রাহ্মণে পুনরায় আট প্রকার অগ্নির নাম আছে, যথা—রুদ্র, সর্ব, পশুপতি, উগ্র, অশনি, ভব, মহাদেব ও ঈশান। দক্ষতনয়া বেদীর উপরে প্রজ্বলিত ‘মহাদেব’ (শর্ব) নামক অগ্নি হইতেই কালক্রমে গৌরীপট্টের উপরে শিবলিঙ্গের মূর্তি রচিত হইয়াছে। এইরূপ অনুমান করা যাইতে পারে। বিভিন্ন পুরাণেও এই বৈদিক যজ্ঞবেদী দক্ষতনয়া অগ্নিরূপী মহাদেবের পত্নী ‘সতী-রূপে’ বর্ণিত হইয়াছেন। বৈদিক যজ্ঞবেদীর চতুষ্পার্শ্বে অন্য চারিটি দেবতার স্থান কল্পিত হইত। একদিকে বেদমাতা সরস্বতী বা বাগ্দেবী, অপরদিকে ধনধান্যপ্রদায়িনী লক্ষ্মীদেবী এবং একদিকে যজ্ঞরক্ষাকর্তা কার্তিকেয় এবং অপরদিকে থাকিত গণনাঃ গণপতি,—যিনি সকল মানবের পতি (পালনকর্তা) চতুর্হস্তবিশিষ্ট।
গণনাগক গণপতির
- প্রথম হস্ত যজ্ঞের হোতা,
- দ্বিতীয় হস্ত ঋত্বিক,
- তৃতীয় হস্ত পুরোহিত এবং
- চতুর্থ হস্ত যজমান কল্পিত হইত।
https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});




















