গণেশ চতুর্থী

গণেশ

গণেশ

 গণেশ চতুর্থী
কিছু তথ্য সবার জন্য
গণেশচতুর্থী বা গণেশোৎসব হিন্দু দেবতা গণেশের বাৎসরিক পূজা ও উৎসব। শিব ও পার্বতীপুত্র গজানন গণেশ হিন্দুদের বুদ্ধি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের সর্বোচ্চ দেবতা। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন এই দিন গণেশ তাঁর ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করতে মর্ত্যে অবতীর্ণ হন। সংস্কৃত, কন্নড়, তামিল ও তেলুগু ভাষায় এই উৎসব বিনায়ক চতুর্থী বা বিনায়ক চবিথি নামেও পরিচিত। কোঙ্কণি ভাষায় এই উৎসবের নাম চবথ । অন্যদিকে নেপালি ভাষায় এই উৎসবকে বলে চথা । সিদ্ধিদাতা গণেশেরজন্মোৎসব রূপে পালিত হয় এই উৎসব। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থী তিথিতে গণেশের পূজা বিধেয়। সাধারণত এই দিনটি ২০ অগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মাঝে কোনও এক দিন পড়ে। দশদিনব্যাপী গণেশোৎসবের সমাপ্তি হয় অনন্ত চতুর্দশীর দিন। ভাদ্রপদ শুক্লপক্ষ চতুর্থী মধ্যাহ্নব্যাপিনী পূর্বাবিদ্ধ – এই পূজার প্রশস্ত সময়। চতুর্থী দু’ দিন পড়লে আগের দিন পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এমনকী দ্বিতীয় দিন মধ্যাহ্নের পুরোটাই যদি চতুর্থী থাকে তবুও আগের দিন মধ্যাহ্নে ২৪ মিনিট (এক ঘটিকা) চতুর্থী থাকলেই সে দিনই গণেশ পূজা হয়। পুরাণে সর্বত্র গণেশ হরপার্বতীর পুত্র। তাঁর রূপ বিভিন্ন শাস্ত্রগ্রন্থে বিভিন্ন প্রকার; তবে সর্বত্রই তিনি গজমুণ্ড মনুষ্যাকার দেবতা। তাঁর বাহন মূষিক বা ইঁদুর; অথবা কোনও কোনও স্থলে সিংহ। গণেশকেসর্ববিঘ্নহন্তা মনে করা হয়। তিনি সাধারণভাবে প্রারম্ভের দেবতা, বিঘ্নের দেবতা (বিঘ্নেশ বা বিঘ্নেশ্বর),শিল্পকলা ও বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক, এবং মহাবল, মেধা ও বুদ্ধির দেবতা। পূজা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের সময় গণেশের পূজা সর্বাগ্রে করা কর্তব্য বলে বিবেচিত হয়। লেখার সময় তাঁকে অক্ষরের পৃষ্ঠপোষকরূপে আবাহন করার রীতি আছে। একাধিক পৌরাণিক সূত্র থেকে তাঁর জন্ম, কীর্তিকলাপ ও মূর্তিতত্ত্বের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। গণেশের অন্যান্য নামগুলি হল গণপতি, বিনায়ক, মহাগণপতি, বিরিগণপতি, শক্তিগণপতি, বিদ্যাগণপতি, হরিদ্রাগণপতি, উচ্ছিষ্টগণপতি, লক্ষ্মীবিনায়ক, হেরম্ব, বক্রতুণ্ড, একদন্ত, মহোদর, গজানন, লম্বোদর, বিকট ও বিঘ্নরাজ। দুর্গা(অম্বিকা) এবং চামুণ্ডা, এই দুজনে গণেশকে পালন করেছিলেন বলে তিনি দ্বৈমাতুর নামেও অভিহিত। পৃথক দেবতা রূপে গণেশের উদ্ভব খ্রিষ্টীয় চতুর্থ ও পঞ্চম শতাব্দীতে গুপ্তযুগে। যদিও একাধিক বৈদিক ও প্রাকবৈদিক উৎস থেকেও গণেশের উল্লেখ পাওয়া যায়। তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং নবম শতাব্দীতে পাঁচ প্রধান স্মার্ত দেবতার অন্যতম রূপে গণ্য হন গণেশ। এই সময়কে গণেশকে সর্বোচ্চ দেবতা স্বীকার করে গাণপত্য সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে। গণেশ সংক্রান্ত প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলি হল গণেশ পুরাণ, মুদগল পুরাণ, ও গণপতি অথর্বশীর্ষ। গণেশ পূজা ভারতের সর্বত্র অনুষ্ঠিত হলেও এই উৎসব মহারাষ্ট্র, গোয়া, গুজরাত, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যে বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত হয়। ভারতের বাইরে নেপালে এই উৎসব মহাসমারোহে পালিত হয়। শ্রীলঙ্কায় তামিল হিন্দুরাও এই উৎসব পালন করে থাকেন।
গণেশ পূজা ভারতের সর্বত্র অনুষ্ঠিত হলেও এই উৎসব মহারাষ্ট্র, গোয়া, গুজরাত, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যে বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত হয়। ভারতের বাইরে নেপালে এই উৎসব মহাসমারোহে পালিত হয়। শ্রীলঙ্কায় তামিল হিন্দুরাও এই উৎসব পালন করে থাকেন।

Lord Ganesha II The Hindu God of Success Ganesha

Dear Lord Ganesha

I don’t think about the difficulties my Friends n Family are confronting… 

In any case, You know everything…🙏🏻

I hear their quiet,

You hear they are pleading…🙏🏻

I see their giggling,

You see their tears…🙏🏻

I see what they get, 

You see what they sacrifice…🙏🏻

I see their glad countenances,

You see their scarred souls…🙏🏻

I know their confidence,

You know their doubts…🙏🏻

I think about their fantasies,

You think about their fears…🙏🏻

Today, 

I appeal to You to give them all that they require & favor them for all occasions to come.

Wishing every one of my companions and their families…🙏🏻

Glad Ganesh Chaturthi. 🙏

🙏🏻GANPATI BAPPA MOURYA 

MANGAL MURTHI MOURYA 😊❤🙏🏻

ramakrishna kathamrita II রামকৃষ্ণ কথামৃত II পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ

পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ


লেখক:: অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

SRI RAMAKRISHNA
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

SRI RAMAKRISHNA

কোনও দিন বা মন্দিরে মাকে শয়ন দিচ্ছে, হঠাৎ সেই শূণ্যরূপাকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠল গদাধর ::” আমাকে তোর কাছে শুতে বলছিসআচ্ছা শুচ্ছি তোর বুকের কাছ। মার সর্ব অঙ্গে বাৎসল্য, দুই চোখে স্নেহসিঞ্চিত লাবনী।  হাত পা গুটিয়ে ছোট্টটি হয়ে মার রুপোর খাটে শুয়ে পড়ল গদাধর।  নীলনিবিড় মেঘমন্ডলের কোলে ক্ষীণ শশীকলা।
ভোগ নিবেদন করছে, কালীঘরে এক বেড়াল এসে উপস্থিত। ঘুরছে আর মিউমিউ করছে। ওমা, মা এসেছিস? খাবি মা? খা। ভোগের অন্ন বেড়ালকে খাওয়াতে বসল গদাধর। 
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
গণেশ একবার মেরেছিল একটা বেড়ালকে। ভগবতী বললেন, তুই আমাকে মেরেছিস। আমার সর্ব অঙ্গে যন্ত্রণা।  গণেশ তো হতবুদ্ধি।  মাকে সে মারবে? এই দ্যাখ, তোর মারের দাগ আমার গায়ে ফুটে রয়েছে। লজ্জায়, অনুশোচনায় মাটির সঙ্গে মিশে গেল গণেশ।  যা মার্জারী তাই ভগবতী।
।  ওঁ  ভগবতে শ্রীরামকৃষ্ণায় নম: ।।

SIX THINGS U MUST NOT DO BEFORE YOU SLEEP.

SIX THINGS U MUST NOT DO BEFORE YOU SLEEP.

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

SIX THINGS U MUST NOT DO BEFORE YOU SLEEP.
SIX THINGS U MUST NOT DO BEFORE YOU SLEEP.


1 – Do not eff WATCH. 

The watch will emit an explicit level of emission. tho’ tiny, however, If you wear your watch to bed for a protracted time, it would have adverse effects on your health.

2 – do not eff brassiere. 

Scientist in America has discovered people who wear bras for over twelve hours have a high risk of obtainingcarcinoma. thus visit bed while not it.


3 – do not eff PHONE. 


Putting the phone beside your bed or anyplace close to you aren’t inspired. tho’ a number of United States of America can use phones as alarm clocks, please place the phone as so much as doable. Scientists have
proved that electrical things, as well as mobile phones and tv sets, emit magnetic waves once used. These waves will cause disruptions to our systema nervosum. so if you wish to place your portable close to you, switch it off initial.


4 – do not eff MAKE-UP. 


People who roll {in the hay|love|make out|make love|get laid|have sex|know|do it|be intimate|have intercourse|have it away|have it off|screw|fuck|jazz|eff|hump|lie with|bed|have a go at it|bang|get it on|bonk|copulate|mate|pair|couple} makeup might need skin issues in the long-standing time. Sleeping with makeup can cause the skin to own issue in respiration and drawback in sweating. you may additionally like a far longer time to travel into the deep sleep. finally.


5- do not eff PANTON

To get contemporary and odorless v*gina you’re to travel to bed pantless for complimentary access to gentle wind.

6 – do not eff different PEOPLE’S WIVES OR HUSBANDS. 


Scientists are of the opinion that one might ne’er get up again; and if this happens?? DISGRACE AWAITS, as in, one can wish to b picked up dead, my darling ones from such an area to the Morgue!!!

SIX THINGS U MUST NOT DO BEFORE YOU SLEEP.
SIX THINGS U MUST NOT DO BEFORE YOU SLEEP.

তাঁর নামকরণ কে করেছিলেন জানা যায় না

 তাঁর নামকরণ কে করেছিলেন জানা যায় না | 

যিনি নাম দিয়েছিলেন তাঁকে চরম ভুল প্রমাণ করেছিলেন লেডি অবলা বসু | অবস্থান করতেন ‘ অবলা ‘শব্দের ৩৬০ ডিগ্রি বিপরীত মেরুতে | যোগ্য সহধর্মিণী ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত বৈজ্ঞানিক স্বামীর | কিন্তু কোনওদিন তাঁর ছায়ায় বিলীন হয়ে যাননি |

অবলার জন্ম ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ অগাস্ট | আজকের বাংলাদেশের বরিশালে | তাঁর পৈতৃক পরিবার ছিল মেধা ও মননে অত্যন্ত সমৃদ্ধ | ঢাকার বিক্রম পুরে তেলিরবাগে বাস ছিল তাঁদের দাস পরিবারের | পরে চলে আসেন বরিশালে | সেখান থেকে কলকাতায় |
অবলার বাবা দুর্গামোহন ছিলেন ব্রাহ্ম আন্দোলনের অন্যতম হোতা এবং সংস্কারক | তাঁর এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের সন্তানরা এক এক জন দিকপাল | দুর্গামোহনের ছেলে সতীশরঞ্জন ছিলেন বাংলার অ্যাডভোকেট জেনারেল | এক মেয়ে সরলা ছিলেন শিক্ষাবিদ ও গোখেল মেমোরিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা | আর এক মেয়ে অবলাও কোনও অংশে কম যান না |
দুর্গামোহনের এক ভাই ভুবনমোহনের ছেলে ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস | আর এক ভাই রাখালচন্দ্রের ছেলে সুধীরঞ্জন ভারতের পঞ্চম চিফ জাস্টিস | এরকম এক আলোকিত বৃত্তে বেড়ে উঠেছিলেন অবলা | বঙ্গ মহিলা বিদ্যালয় এবং বেথুন স্কুলের প্রথমদিকের ছাত্রী ছিলেন | ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে বৃত্তি-সহ উত্তীর্ণ হয়েছিলেন এন্ট্রান্সে |
ইচ্ছে ছিল ডাক্তারি পড়ার | কিন্তু কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে সুযোগ পেলেন না | কারণ তিনি মহিলা | আরও পাঁচ বছর পরে এই অচলায়তন ভেঙেছিলেন কাদম্বিনী গাঙ্গুলি | কিন্তু অবলা বঞ্চিত হয়েছিলেন | বাধ্য হয়ে‚ ১৮৮২ সালে চলে যান মাদ্রাজ | বেঙ্গল গভর্নমেন্টের সাম্মানিক বৃত্তি নিয়ে | সেখানেই শুরু করেন ডাক্তারি পড়া | কিন্তু শেষ করতে পারেননি শারীরিক দুর্বলতার জন্য | ১৮৮৭ সালে অবলার বিয়ে হয় বিখ্যাত বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বোসের সঙ্গে | সংসার ধর্ম পালনের সময়েও নিজের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি অবলা | আজীবন ব্রতী ছিলেন রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আদর্শে | এই দুই মহাপুরুষ ছিলেন তাঁর জীবনের ধ্রুবতারা | ১৯১৬ সালে নাইট উপাধি লাভ করেন জগদীশচন্দ্র | অবলা বোস-এর নতুন পরিচয় হয় লেডি অবলা বোস |
জীবনভর অবলা কাজ করে গেছেন স্ত্রীশিক্ষা বিস্তারে | মেয়েদের জন্য শিক্ষার দ্বার খুলে দেওয়া | এবং বাল্যবিবাহ রোধ করা | ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য | ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নারী শিক্ষা সমিতি | মহিলাদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য স্থাপন করেছিলেন মহিলা শিল্প ভবন | মোট ৮৮ টি প্রাথমিক ও ১৪ টি হাই স্কুল স্থাপন করেছিলেন তিনি |
স্বামী বিবেকানন্দ ও ভগিনী নিবেদিতার খুব কাছের মানুষ ছিলেন বোস দম্পতি | হিন্দুত্ব-ব্রাহ্ম ধর্ম কিছুই সম্পর্কের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়নি | দার্জিলিঙে জগদীশ ও অবলার বাড়িতেই ১৯১১ সালে প্রয়াত হন ভগিনী নিবেদিতা | পরবর্তীকালে অবলা বোস প্রতিষ্ঠা করেন সিস্টার নিবেদিতা উইমেনস এডুকেশন ফান্ড | স্বামীর প্রয়াণের পরে এই ফান্ডে মোট ১ কোটি টাকা দান করেছিলেন তিনি | এই শিক্ষাব্রতীর আরও অসংখ্য কল্যাণমূলক কাজের মধ্যে অন্যতম ছিল বিদ্যাসাগর বাণী ভবন | অসহায় স্বামীহীনাদের আশ্রয়স্থল | স্বামীর বিজ্ঞানসাধনায় যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি ছিল অবলার | তাঁর একমাত্র সন্তান খুব অল্প বয়সে মারা যায় | স্বামীর ছাত্রদের অপত্যস্নেহে দেখতেন তিনি | প্রখ্যাত স্বামীর সঙ্গে একাধিকবার বিদেশসফর করলেও ব্যক্তিগত ভাবে অনাড়ম্বর জীবন যাপন করতেন অবলা | যখন তাঁর বিয়ে হয়‚ তখন স্বামীর ঘাড়ে বহু দেনাকর্জের বোঝা | দানধ্যানের জন্য বিখ্যাত ছিলেন বিজ্ঞানীর বাবা মা | ফলে সংসারে জমা হয় দেনার ভার | সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে শক্ত হাতে হাল ধরেছিলেন অবলা |
১৯৫১-র ২৬ অগাস্ট প্রয়াত হন ৮৭ বছর বয়সে | গলাবন্ধ ফুলহাতা জামার সঙ্গে আটপৌরে শাড়ি পরা‚ ঘোমটা দেওয়া এই বঙ্গনারীকে বলা হয় উনিশ শতকের ফেমিনিস্ট | মর্ডান রিভিউ পত্রিকায় বিগত শতকে তিনি লিখেছিলেন‚ ‘…মেয়েদের বিস্তৃত ও গভীর শিক্ষা দেওয়া উচিত | শুধু ভাল পাত্র পাওয়ার লক্ষ্যে নয় | কারণ একজন পুরুষের মতো নারীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হল তার মন | পরে শরীর …’

‘Don’t you think you should write it down so you can remember it?’

Wouldn’t you say you ought to record it so you can recall it?


The couple in their nineties are both having issues recollecting things. Amid a checkup, the specialist reveals to them that they’re physically alright, yet they should need to begin recording things to enable them to recall…


Soon thereafter, while staring at the TV, the old man gets up from his seat. ‘Need anything while I’m in the kitchen?’ he inquires.


‘Will you get me a bowl of frozen yogurt?’


‘Beyond any doubt..’



‘Wouldn’t you say you ought to record it so you can recall it?’ she inquires.

‘No, I can recall it.’



‘Indeed, I’d like a few strawberries to finish everything, as well. Possibly you ought to record it, so not to overlook it?’


He says, ‘I can recall that. You need a bowl of dessert with strawberries.’

‘I’d likewise like whipped cream. I’m sure you’ll overlook that, record it?’ she inquires.



Disturbed, he says, ‘I don’t have to record it, I can recollect it! Frozen yogurt with strawberries and whipped cream – I got it, for the love of all that is pure and holy!’


At that point, he meanders into the kitchen. After around 20 minutes, The old man comes back from the kitchen and hands his better half a plate of bacon and eggs… She gazes at the plate for a minute.

‘Where’s my toast ?’

SUNDAY Special…😛

ওঠ জাগো- নিজেদের দুর্বল ভেবে তোমরা যে মোহে আচ্ছন্ন হয়ে আছ তা দূর করে দাও। -স্বামী বিবেকানন্দ

স্বামী বিবেকানন্দ

 যদি উপনিষদে এমন কোন শব্দ থাকে যা বজ্রবেগে অজ্ঞানরাশির উপর পড়ে তাকে একেবারে ছিন্নভিন্ন ক’রে ফেলতে পারে তবে তা ‘অভীঃ’। যদি জগতকে কোন ধর্ম শেখাতে হয় তবে তা এই ‘অভীঃ’। ওঠ জাগো- নিজেদের দুর্বল ভেবে তোমরা যে মোহে আচ্ছন্ন হয়ে আছ তা দূর করে দাও। কেউই প্রকৃতপক্ষে দুর্বল নয়-আত্মা অনন্ত, সর্বশক্তিমান ও সর্বজ্ঞ । ওঠ, নিজের স্বরূপ প্রকাশিত কর-তোমার ভেতর যে ভগবান রয়েছেন তাঁকে উচ্চৈঃস্বরে ঘোষণা কর, তাঁকে অস্বীকার ক’র না। আমাদের জাতির ভেতর ঘোর আলস্য, দুর্বলতা ও মোহ এসে পড়েছে। তোমরা নিজ নিজ স্বরূপের চিন্তা কর এবং সর্বসাধারণকে তা শিক্ষা দাও। ঘোর মোহ-নিদ্রায় অভিভূত জীবাত্মার নিদ্রা ভঙ্গ কর। আত্মা প্রবুদ্ধ হলে শক্তি আসবে, মহিমা আসবে, সাধুত্ব আসবে- যা কিছু ভাল সবই আসবে।
-স্বামী বিবেকানন্দ

Hindu Society, assembled at the Chathiram and organize a grand reception for Swamiji,

INAUGURATION OF A MEMORIAL OF SWAMIJI IN COLOMBO
INAUGURATION OF A MEMORIAL OF SWAMIJI IN COLOMBO

Srimat Swami Gautamanandaji Maharaj inaugurated a memorial within the Thambyah Mudaliyar Chathiram (pilgrim’s resting place/dharma shala) in Colombo, on 7 August 2017. The Chatiram was built by Sri Thambyah Mudaliyar in 1880 for local & Indian pilgrims of Lord Muruga of the famous Kathirkamam (Kataragama) temple, to have rested on their way.

At the point when Swami Vivekananda was coming back from America, Sri Mudaliyar with other noticeable individuals from Hindu Society, gathered at the Chathiram and sort out a terrific gathering for Swamiji, which was which was never given to some other individual in the historical backdrop of Sri Lanka, on fifteenth January 1897 on Swamiji’s approach to India.

http://media.belurmath.org/inauguration-memorial-swamiji-colombo-august-2017-1302

রাত্রে গা থেকে গয়না খোলাতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। দেখলাম গুরুভ্রাতারা নিচ্ছেন। তাঁদের অন্য হাতের গহনা দেবার জন্য যেন ঘুমোতে ঘুমোতে পাশ ফিরছি, — তাঁরা জেগে গেছি মনে করে চলে গেলেন।‘

p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

১৩৭৬ সালহৃষীকেশে চাতুর্মাস্য চলছে। 

ধনুর্দাসের গল্প বলার সময়ে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন—কাবেরী স্নানান্তে ফেরবার সময়ে শ্রীরামানুজাচার্য ধনুর্দাসএর হাত ধরে আসতেন। এই দেখে আশ্রমস্থ ব্রাহ্মণ শিস্যরা ক্ষুন্ন হয়ে ভাবতে লাগল—‘আমরা তো ব্রাহ্মণ রয়েছি—স্নানের পর শূদ্রের হাত ধরে কেন আসবেন?’তাদের জাতি অভিমান বুঝে ভগবান রামানুজ তাদের শিক্ষা দেবার জন্য এক রাত্রে যখন সবাই ঘুমোচ্ছেতখন তাদের লোটা কৌপীন ইত্যাদি জিনিস ওলটপালট করে রাখলেন—একজনেরটা অন্যের শিয়রেঅপরের অন্যস্থানে এভাবে রাখলেন। সকালে তাই নিয়ে কি হৈচৈ চেঁচামেচি। এ ওকে সন্দেহ করে গালাগালি দেয়শেষে তুমুল ঝগড়া!
পরে একদিন তাদের কয়েকজনকে ডেকে চুপি চুপি রামানুজ বলেন—‘দেখ ধনুর্দাসকে এখানেই আটকে রাখছি। তোমরা সেই অবসরে তার স্ত্রীর গা থেকে গ

SRI RAMAKRISHNA

SRI RAMAKRISHNA 
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

হনা যা পাও চুরি করে আন।’
ওই শিস্যরা ধনুর্দাসের বাড়ি এসে দেখলে—ধনুর্দাসের স্ত্রী এক পাশ ফিরে ঘুমোচ্ছেতারা একদিকের গহনা যা পারল খুলে নিল।ধনুর্দাসের স্ত্রী পাশ ফিরছে দেখে ঐ শিস্যরা পলায়ন করল। ইতিমধ্যে  ধনুর্দাস রামানুজের কাছ থেকে ফিরলেন। শিস্যরা একদিকের গহনা নিয়ে রামানুজের কাছে ফিরে সব ব্যাপার জানালে রামানুজ বলেন—‘চল তো  ধনুর্দাসেরা কি করছে দেখি।’ এসে তাঁরা দেখেন—ধনুর্দাস স্ত্রী কে বলেন—‘এক হাতের গয়না কোথায়?’স্ত্রী ধনুর্দাসকে বলে—‘রাত্রে গা থেকে গয়না খোলাতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। দেখলাম গুরুভ্রাতারা নিচ্ছেন। তাঁদের অন্য হাতের গহনা দেবার জন্য যেন ঘুমোতে ঘুমোতে পাশ ফিরছি, — তাঁরা জেগে গেছি মনে করে চলে গেলেন।‘
ধনুর্দাস বলেন– ‘তুমিই তো ভুল করেছ। চুপ করে শুয়ে থাকলেই পারতে। এই ভাবে সেবা থেকে বঞ্চিত হলেআহা না জানি কত দরকার ছিল অলঙ্কারেরযাক এখন এক কাজ করা যাক – তোমার ঐ পাশের অলঙ্কার খুলে দাওচল গুরুদেবের চরনে দিয়ে ক্ষমা প্রারথনা করে আসি।’রামানুজের ব্রাহ্মণ শিস্যমণ্ডলী সব কথা শুনলেন। শ্রীভগবান রামানুজ তাঁদের বললেন—‘বুঝতে পারলেকেন আমি নিত্য কাবেরী স্নানান্তে ধনুর্দাসের হাত ধরে আশ্রমে আসি?’ ব্রাহ্মণ শিস্যমণ্ডলী অধোবদনে দাঁড়িয়ে রইলেন। 

Design a site like this with WordPress.com
Get started