**যদি কেউ আপনাকে তার সমস্যার কথা শোনায় আর আপনি ভাবেন যে এটাতো আমার সমস্যা নয়, যার সমস্যা তার ব্যাপার

p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }

একটি ইঁদুর এক চাষীর ঘরে বাসা বেঁধে ছিল । 

একদিন ইঁদুরটি দেখলো চাষী আর তার স্ত্রী থলে থেকে কিছু একটা জিনিস বের করছেন। ইঁদুর ভাবলো থলের ভিতর নিশ্চয়ই কোনো খাবার আছে, তাই সে গুটি গুটি পায়ে এগোলো। এগিয়ে দেখলো সেটা খাওয়ার কিছু নয়, সেটা ছিল একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ। ফাঁদ দেখে ইঁদুর পিছোতে থাকলো। ইঁদুরটি বাড়ির পিছনের খোপে থাকা পায়রাকে গিয়ে বললজানো আজ বাড়ির মালিক একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ এনেছে। এটা শুনে পায়রা হাসতে থাকলো আর বললতাতে আমার কি? আমি কি ওই ফাঁদে পড়তে যাব নাকি? নিরাশ হয়ে ইঁদুরটি মুরগীকে গিয়ে একই কথা বলল। মুরগী ইঁদুরকে হেয় করে বললযা ভাই এটা আমার সমস্যা নয়। …. 
ইঁদুরটি হাঁপাতে হাঁপাতে মাঠে গিয়ে ছাগলকে শোনালো। ছাগল শুনে হেসে লুটোপুটি খেতে থাকলো। সেই দিন রাত্রে ফটাসকরে একটি শব্দ হলো, ফাঁদে একটি বিষাক্ত সাপ আটকে গিয়েছিল। অন্ধকারে চাষীর স্ত্রী সাপের লেজকে ইঁদুর ভেবে বের করলো, আর সাপটি তাকে ছোবল মারল । …..অবস্থা বেগতিক দেখে চাষীটি ওঝাকে ডাকলো। ওঝা তাকে পায়রার জুস খাওয়ানোর পরামর্শ দিল। **পায়রাটি এখন রান্নার হাঁড়িতে**চাষীর স্ত্রীর এই সংবাদ শুনে তার বাড়িতে আত্মীয় সজ্জন এসে হাজির হল। তাদের খাওয়ার বন্দোবস্তের জন্য **মুরগীকে কেটে ফেলা হল। **মুরগী বেঁচারিও এখন রান্নার হাঁড়িতে**….দিন দুই পর চাষীর স্ত্রী মারা গেল। আর তার ৪০ দিনের অনুষ্ঠানে **ছাগলটিকে কেটে ফেলা হল। **ছাগলও হাঁড়িতে রান্নার জন্য চলে গেল**। ইঁদুর তো আগেই পালিয়ে ছিল, দুর..বহুদূর। কি শিক্ষা পেলাম … 
**যদি কেউ আপনাকে তার সমস্যার কথা শোনায় আর আপনি ভাবেন যে এটাতো আমার সমস্যা নয়, যার সমস্যা তার ব্যাপার ! তবে একটু দাঁড়ান, আর একবার ভালো করে চিন্তা করুন
মানুষ মাত্রই সমাজবদ্ধ জীব । সমাজের একটা অংশ, একটি ধাপ বা পর্যায়, একজন নাগরিক যদি বিপদে থাকেন তবে পুরো দেশ বিপদে পড়তে পারে । নিজের অবস্থানে সীমিত না থেকে সামাজিক হোন… 
মানব ধর্ম পালনের জন্য সঙ্ঘবদ্ধ হোন। তবেই বেড়িয়ে আসবে…… 
সমাজে সুখ আর অনাবিল শান্তি

এই দুনিয়াতে প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া তুমি যা কিছু দেখছো…যা কিছু ভাবছে সবটাই এই হারের মতই নকল, মিথ্যে I জ্ঞান ছাড়া কোন জিনিসের বিচার সম্ভব নয় I

এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল I খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব I

স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো–এটা তোর কাকুর দোকানে নিয়ে যা,  বলবি যে এটা বেচে কিছু টাকা দিতে I

ছেলেটা হারটি  নিয়ে কাকুর কাছে গেল I
কাকু হারটা ভালো করে পরীক্ষা করে বললো- বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে I
তবু কাকু কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন–আপাতত এটা নিয়ে যাও  আর কাল থেকে তুমি দোকানে আসবে I
পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগলো I সেখানে সোনা-রুপা-হীরে পরীক্ষার  কাজ শিখতে আরম্ভ করলো I
একদিন সে খুব নামি জহুরত বনে গেল I দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনা দানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে  আসত I
একদিন ছেলেটির কাকু বললো–  তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন I এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে I
ছেলেটি ঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে হারটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখলো যে এটা একটা নকল হীরের হার I তাই সে হারটা আর কাকুর কাছে নিয়ে যায় নি I

কানু জিজ্ঞেস করলো– হারটি আনো নি ?

ছেলেটি বললো– না কাকু, পরীক্ষা করে দেখলাম এটা একটা নকল হার I

তখন কাকু বললো-  তুমি যেদিন আমার কাছে হারটি প্রথম নিয়ে এসেছিলে সেদিন আমি দেখেই বুঝে নিয়েছিলাম যে এটা নকল, কিন্তু তখন যদি আমি তোমাকে এই কথাটা বলে দিতাম, তাহলে তোমরা  হয়তো ভাবতে যে আজ আমাদের মন্দ সময় বলেই কাকু আমাদের আসল জিনিষকে নকল বলছে I আজ যখন এব্যাপারে তোমার পুরো জ্ঞান হয়ে গেছে, তখন তুমি নিজেই বলছো এটা নকল হার I
এই দুনিয়াতে প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া তুমি যা কিছু দেখছো…যা কিছু ভাবছে সবটাই এই হারের মতই  নকল, মিথ্যে I জ্ঞান ছাড়া কোন জিনিসের বিচার সম্ভব নয় I আর এই ভ্রমের শিকার হয়েই অনেক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় I আমি সেই সম্পর্কটা নষ্ট করতে চাই নি I

Bhartruhari-Vairagya Shatak– In enjoyment there is fear of disease;

In enjoyment there’s the concern of disease; in social position,


the concern of falling off; in wealth, the concern of (hostile) kings; in honour, the concern of humiliation; in power, the concern of foemen; in beauty, the concern of previous age; in scriptural learnedness, the concern of opponents; in virtue, the concern of traducers; in body, the concern of death. All the items of this word referring to citizenry are attended with fear; renunciation alone stands for fearlessness.

Bhartruhari-Vairagya Shatak

শাস্ত্র পাঠ করুন , ভগবানের নাম করুন কুঃসংস্কার ছাড়ুন

 আত্মসমালোচনা

________________

নদীয়ার কিছু নামধারী ‘বৈষ্ণব (প্রকৃত বৈষ্ণবতত্ত্ব অবগত নয় যারা) তারা বলেন ___
“আমরা 16 নাম 32 অক্ষর ‘হরিনাম সংকীর্ত্তণ’ করি , অনাদি আদি শ্রীগোবিন্দের সেবা করি তাই আমরা অন্য কোন দেব/দেবীর প্রসাদ গ্রহণ করব না এবং তাদের আমরা শ্রীকৃষ্ণের দাস/দাসী বলে মনে করি এবং অন্য দেবতার প্রসাদ মানে আমাদের কাছে উচ্ছিষ্ট ।”

♻এই কথা গুলি বাস্তবে শাস্ত্রানুসারে ভুল শুধু তাই নয় এই কথা বা সংস্কার গুলিকে ভণ্ডামি এবং অজ্ঞানতা বলা যেতেই পারে ।

“হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।।”
___এই ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর কলিহত জীবের উদ্ধারের লাগি শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর প্রচারিত মহামন্ত্র তা আমরা জানি কিন্তু এটা জানি না নাম মাহাত্ব্য সমপর্কে ।
উনার “শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিত্রামৃত”-এর নাম মাহাত্ব্য সমপর্কে বলা লাইন দুটি বলেন ___
“একবার হরিনামে যত পাপ হরে ।
জীবের সাধ্য নাই তত পাপ করে ।।
___এই লাইন দুটি ধ্রুব সত্য •••• এইবার হরিনামেই জীবের ব্রম্ভপ্রাপ্তি সম্ভব । কিন্তু এই লাইন দুটির আগে বিশ্লেষণ করুন । ক্ষমা করবেন ___”আমাদের তৈরী পাটিগনিত বুঝতেই আমাদের 10 শিক্ষক দিয়ে পারি না , তো মহাপ্রভুর জীবমুক্তির গনিত বুঝব কী করে ???”
এই লাইন দুটি ছাড়াও আরও দুটি লাইন আছে তা দেখুন _____
“বহুজন্ম করে যদি শ্রবণ কীর্ত্তন ।
তবু নাহি পায় কৃষ্ণপদে প্রেমধন ।।”

      ___শ্রীচৈতন্যচরিত্রামৃত

♻1. এবার বলুন —- পরস্পর বিরোধী এই লাইন গুলির অর্থ কী ???
___কারন হরিনামের ‘দশটি নাম অপরাধ’ আছে । এই নাম অপরাধে অপরাধী হয়ে নাম করলে কখনই কৃষ্ণপ্রাপ্তি হবে না ।
____ আপনি হরিনাম করবেন আর ‘হরি-হর’ ভেদ জ্ঞান করবেন ! হর অর্থাৎ ভগবান শিবকে অপমান করবেন তার প্রসাদ নেবেন না ! সেটা দ্বিতীয় নাম অপরাধ (নীচে দশটি নাম অপরাধের ফটো দেওয়া হল) ।
তবে কী করে আপনি প্রকৃত বৈষ্ণব হলেন ? বৈষ্ণব কখনও নাম অপরাধে অপরাধী হয় না ।
মুখে বলবেন একা কৃষ্ণ জগৎময় আর কালী/শিব/কৃষ্ণে ভেদ করবেন ! মায়ের প্রসাদ নেবেন না ! কেন মা কালী কী আপনার বৈষ্ণব শাস্ত্রানুসারে প্রান গোবিন্দ নয় ? কেন সকল দেব/দেবীর মধ্যে কৃষ্ণের অবস্থান দেখতে পান না ! মা কালীকে অপমান করলে বা মায়ের প্রসাদ কে অবমাননা করলে তো আপনার শ্রীকৃষ্ণের মহাপ্রসাদকে অবমাননা করা হয় । আর কৃষ্ণ অবমাননাকারীকে তো বৈষ্ণব বলা হয় না !
♻2. ব্রহ্মের বিভিন্নরুপের মধ্যে ভেদ ছাড়ুন প্রেমানন্দে বিলীন হোন । শাস্ত্র পাঠ করুন , ভগবানের নাম করুন কুঃসংস্কার ছাড়ুন ।
♻3. নীচে বৈষ্ণব শাস্ত্র থেকে হরিনামের দশটি নাম অপরাধ দেওয়া হল _____জয় গুরু জয় মা শিব শিব শিব হরে কৃষ্ণ

who are one’s ‘own’ are companions age after age. II Maa Sayings…

Sri Sarada Devi,
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

Sri Sarada Devi,

Sri Sri Maa  Sarada Devi, Sayings…

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

He (The Master) used to say, “Some of them have come from this body, some from the hair, some from the hands and feet. “They are my everlasting friends.” As for example, a lord.” Wherever he goes; all his companions follow him. If I go to Jayrambati, do not all my companions accompany me? Exactly like that, those 

who is one’s ‘own’ are companions age after age?

Shree Maa Sarada Devi,

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

Om Namah Sri Bhagavate Ramakrishna!!!

একটি ইঁদুর এক চাষীর ঘরে বাসা বেঁধে ছিল । একদিন ইঁদুরটি দেখলো চাষী আর তার স্ত্রী থলে থেকে কিছু একটা জিনিস বের করছেন। ইঁদুর ভাবলো থলের ভিতর নিশ্চয়ই কোনো খাবার আছে, তাই সে গুটি গুটি পায়ে এগোলো।

একটি ইঁদুর এক চাষীর ঘরে বাসা বেঁধে ছিল । একদিন ইঁদুরটি দেখলো চাষী আর তার স্ত্রী থলে থেকে কিছু একটা জিনিস বের করছেন।


 ইঁদুর ভাবলো থলের ভিতর নিশ্চয়ই কোনো খাবার আছে, তাই সে গুটি গুটি পায়ে এগোলো। এগিয়ে দেখলো সেটা খাওয়ার কিছু নয়, সেটা ছিল একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ। ফাঁদ দেখে ইঁদুর পিছোতে থাকলো। ইঁদুরটি বাড়ির পিছনের খোপে থাকা পায়রাকে গিয়ে বলল- জানো আজ বাড়ির মালিক একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ এনেছে। এটা শুনে পায়রা হাসতে থাকলো আর বলল- তাতে আমার কি? আমি কি ওই ফাঁদে পড়তে যাব নাকি? নিরাশ হয়ে ইঁদুরটি মুরগীকে গিয়ে একই কথা বলল। মুরগী ইঁদুরকে হেয় করে বলল- যা ভাই এটা আমার সমস্যা নয়। …. ইঁদুরটি হাঁপাতে হাঁপাতে মাঠে গিয়ে ছাগলকে শোনালো।ছাগল শুনে হেসে লুটোপুটি খেতে থাকলো। সেই দিন রাত্রে ‘ফটাস’ করে একটি শব্দ হলো, ফাঁদে একটি বিষাক্ত সাপ আটকে গিয়েছিল। অন্ধকারে চাষীর স্ত্রী সাপের লেজকে ইঁদুর ভেবে বের করলো, আর সাপটি তাকে ছোবল মারল । …..অবস্থা বেগতিক দেখে চাষীটি ওঝাকে ডাকলো। ওঝা তাকে পায়রার জুস খাওয়ানোর পরামর্শ দিল। **পায়রাটি এখন রান্নার হাঁড়িতে**। চাষীর স্ত্রীর এই সংবাদ শুনে তার বাড়িতে আত্মীয় সজ্জন এসে হাজির হল। তাদের খাওয়ার বন্দোবস্তের জন্য **মুরগীকে কেটে ফেলা হল। **মুরগী বেঁচারিও এখন রান্নার হাঁড়িতে**। ….দিন দুই পর চাষীর স্ত্রী মারা গেল। আর তার ৪০ দিনের অনুষ্ঠানে **ছাগলটিকে কেটে ফেলা হল। **ছাগলও হাঁড়িতে রান্নার জন্য চলে গেল**। ইঁদুর তো আগেই পালিয়ে ছিল, দুর..বহুদূর। কি শিক্ষা পেলাম … **যদি কেউ আপনাকে তার সমস্যার কথা শোনায় আর আপনি ভাবেন যে এটাতো আমার সমস্যা নয়, যার সমস্যা তার ব্যাপার ! তবে একটু দাঁড়ান, আর একবার ভালো করে চিন্তা করুন! মানুষ মাত্রই সমাজবদ্ধ জীব । সমাজের একটা অংশ, একটি ধাপ বা পর্যায়, একজন নাগরিক যদি বিপদে থাকেন তবে পুরো দেশ বিপদে পড়তে পারে । নিজের অবস্থানে সীমিত না থেকে সামাজিক হোন… মানব ধর্ম পালনের জন্য সঙ্ঘবদ্ধ হোন। তবেই বেড়িয়ে আসবে…… সমাজে সুখ আর অনাবিল শান্তি…

Served the Master till June 1883 and then returned to Jayrambati via Telo-Bhelo.

Sri Sarada Devi: A Chronology

Sri Sarada Devi

Sri Sarada Devi

A Chronology 

1876: Suffered from malaria and was treated at Kayapat-Badanganj. Third visit to Dakshineswar in March Via Telo-Bhelo. Lived some days in the thatched hut built by Shambhu Mallick and then moved to the nahabat to serve Ramakrishna, who was then suffering from dysentery. Observed Savitri Vrata on 22 May. Returned to Jayrambati on 8 November via Burdwan.
1877: Ramakrishna’s mother, Chandramani, died on 13 February in Dakshineswar. Shambhu Mallick died. Fourth visit to Dakshineswar in March via Telo-Bhelo. Encountered a highwayman. Returned to Kamarpukur with Ramakrishna and Hriday in July by steamer and boat via Bali-Dewanganj. In September, Ramakrishna returned to Dakshineswar and Sarada to Jayrambati. Her mother, Shyamasundari, had a vision of Mother Jagaddhatri and performed Her worship with Sarada’s help.
1878-80: Lived in Jayrambati.
1881: the Fifth visit to Dakshineswar, with Shyamasundari, Lakshmi, and others, via Telo-Bhelo in March. Hriday treated them poorly and they left Dakshineswar on the same day with heavy hearts, returning to Jayrambati via Telo-Bhelo. In May, Hriday was dismissed from the temple for his misconduct.

1882-83: the Sixth visit to Dakshineswar via Telo-Bhelo in March 1882. Served the Master till June 1883 and then returned to Jayrambati via Telo-Bhelo.

1884: the Seventh visit to Dakshineswar via Telo-Bhelo. In January, Ramakrishna broke his arm. Holy Mother started her journey at an inauspicious time (Thursday afternoon), so the Master asked her to return home and start her journey again at an auspicious hour. She left the next day via Telo-Bhelo.. After a few days, she returned to Dakshineswar via TeloBhelo. This was her eighth visit. The Master sent her back to Kamarpukur in July to attend his nephew Ramlal’s wedding. Everyone at her party went to Burdwan by train and then by bullock cart to Kamarpukur.
1885: the Ninth visit to Dakshineswar in March 1885 via Burdwan. Ramakrishna developed cancer in April and was moved to Balaram’s house in Calcutta for treatment on 26 September. On 2 October Ramakrishna was moved to the house at Shyampukur. A few days later, Holy Mother moved to Shyampukur and began cooking a special diet for the Master. On 11 December, she moved with the Master to the Cossipore garden house. 

from Sri Sri MA Sarada Devi And Her Divine Play – Swami Chetanananda

Page. 810


Jai Maa… 🙏🙏🙏

বাবা ! আমার কী করে মঙ্গল হবে বলে দিন ? এক বেশ্যা মনে মনে খুব চিন্তা করছিল কিসে তার মঙ্গল হবে । সেই কথাটা জানবার জন্য সে এক সাধুর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল ,

 একটি শিক্ষণীয় গল্প

এক বেশ্যা মনে মনে খুব চিন্তা করছিল কিসে তার মঙ্গল হবে । সেই কথাটা জানবার জন্য সে এক সাধুর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল ,
“ বাবা ! আমার কী করে মঙ্গল হবে বলে দিন ? ”
সাধু উত্তর দিল , “ তুমি সাধুসঙ্গ করো । সাধুরা ত্যাগী পুরুষ , সেজন্য তাদের সেবা করো , তাহলেই তোমার মঙ্গল হবে । ”
বেশ্যটি এবার এক ব্ৰাহ্মণের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে ,বাবা ! আমার কী করে মঙ্গল হবে বলে দিন।
ব্ৰাহ্মণ বলল — সাধু সাজলেই লোকে সাধু হয় না আর সাধু হল যারা ব্রাহ্মণ।  আমরা তো জন্ম থেকে ব্ৰাহ্মণ । তাই তুমি ব্ৰাহ্মণের সেবা করো , তাতেই তোমার মঙ্গল হবে । এবার বেশ্যটি একজন সন্ন্যাসীর কাছে গেল।
সে তাকেও জিজ্ঞাসা করল , “ বাবা ! আমার কিসে মঙ্গল হবে বলুন । ”
সন্ন্যাসী বলল , ‘ সন্ন্যাসী সবার থেকে বড় , তারা সব জাতির গুরু । অতএব সন্ন্যাসীদের সেবা করো , তোমার মঙ্গল হবে । ”
ফের বেশ্যাটি একজন বৈরাগীর কাছে গিয়ে ওই একই কথা জিজ্ঞাসা করল ।
সেও বলল , “ বৈরাগীই সবার শ্রেষ্ঠ , অতএব তাদের সেব করো , তোমার মঙ্গল হবে । ”
এভাবে বেশ্যাটি প্ৰত্যেক সম্প্ৰদায়ের গুরুদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে আর সকলেই একই উত্তর দেয় যে তারাই সবার শ্রেষ্ঠ আর বাকি সকলে অসাধু , পাষণ্ড ।

তারা বলে , তুমি আমাদের শিষ্য হও , আমাদের কাছে দীক্ষা নাও , তাহলেই তোমার মঙ্গল হবে ।
এইভাবে বেশ্যটি যেখানেই গেল সেখানেই তারা নিজেদেরই বৰ্ণ , আশ্রম , মত , সম্প্ৰদায় আদির পক্ষে যুক্তি দেখাল ।

এই সব দেখে শুনে বেশ্যার মনে হল , “ তাহলে তো এবার সার যুক্তি খুঁজে পেলাম । সাধু বলছে সাধুকে পূজা করো , ব্ৰাহ্মণ বলছে ব্ৰাহ্মণকে পূজা করো , আমি তাহলে বেশ্যাদের কেন পূজা করব না ? ” এই ভেবে সে ভোজন করাবে বলে শহরের সব বেশ্যাদের একদিন তার বাড়িতে নিমন্ত্ৰণ করল । যথাসময়ে বেশ্যারা আসতে আরম্ভ করল ।
ঘটনা হল কী , ওই নগরের শেষপ্রান্তে এক সর্বত্যাগী নিরাসক্ত মহাপুরুষ বাস করতেন । তিনি খবর পেলেন শহরের অমুক বেশ্যা আজ বেশ্যাভোজ দিচ্ছে। তিনি তখন ভাবলেন , বেশ্যাদের আজ একটু শাস্ত্ৰীয় শিক্ষা দিতে হবে । এই ভেবে তিনি বেশ্যাটির বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলেন । ভোজের জন্য রান্নাবান্না হছিল । রাধুনিরা ভাতের মাড় , চালধোয়া জল ইত্যাদি নালায় ঢেলে দিছিল আর তাই গড়িয়ে বাইরে চলে যাচ্ছিল । সেই সময় ওই বেশ্যাটি বাড়ির ছাদে উঠে বাইরের দিকে তাকিয়ে দেখে এক সাধুনালার চালধোয়া জলে হাত ধুচ্ছে। সে নিষেদ করতে লাগল।
সাধু শুনলেন না । তখন সে ছাদ থেকে নেমে এসে সাধুবাবার সামনে গিয়ে বলল , “ বাবা ! এ তো ভাতের মাড় , এতে হাত ধুলে হাত যে আরও ময়লা হবে । আপনি পরিস্কার জলে হাত ধোন । ”
সাধুবাবা উত্তর করেন , “ এতে হাত ধুলে যদি হাত আরও ময়লা হয় , তবে কি বেশ্যারা এর থেকে বেশি শুদ্ধ যে তাদের সেবা করলে তোর কল্যাণ হবে ? হাত পরিস্কার জলে সাফ হয় , না ময়লা জলে ? ”
এই কথা শুনে বেশ্যটির চেতনা হল, সত্যিতো , বাবাজী ঠিক কথাই বলেছেন। তখন সে বাবাজীকে জিজ্ঞাসা করল , “ বাবা ! তাহলে বলুন কিসে আমার কল্যাণ হবে ?
সাধুজী উত্তর দিলেন , ”আত্মতত্ত্ব জ্ঞানহীন অজ্ঞানতম ব্যক্তিরা জড়-গুনের দ্বারা কলুষিত তাই তাদের একপ্রকার জন্মগত দম্ভ ও অহংকার আছে।

গীতায় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন,

”বিদ্যাবিনয়সম্পন্নে ব্রাহ্মনে গবি হস্তিনি,
শুনি চৈব শ্বপাকে চ পন্ডিতা সমদর্শিনঃ ।। গীতা ৫/১৮

”অর্থাৎ যারা প্রকৃতই তত্ত্বজ্ঞআনী তারা একজন বিদ্বান ব্রাহ্মন, গাভী, হস্তি, কুকুর এবং চন্ডালের মধ্যে কোন পার্থক্য দর্শন করেন না । পক্ষান্তরে , সকলকে চিন্ময় আত্মা রুপে দর্শন করেন”।
“ যে সাধু – সন্তের কোনো মত , কোনো সম্প্ৰদায় বা কোনো আশ্রমের প্রতি পক্ষপাত নেই , আগ্রহও নেই বিদ্বেষও নেই ; যার আচরণ শুদ্ধ , পবিত্ৰ , যার মধ্যে জীবের কল্যাণ ছাড়া আর কোনো চিন্তা নেই , যার মধ্যে কোনো কামনা – বাসনা নেই ; তিনি সর্বদা ভগবানের দিব্যনাম জপ ও কীর্তন করেন, তিনি স্ত্ৰী , পুরুষ , সাধু অথবা ব্ৰাহ্মণ যে কোনো বৰ্ণ , আশ্রম , সম্প্ৰদায়ভুক্ত হোন না কেন তার সঙ্গ করলে , তার উপদেশ শুনলে , তোর কল্যাণ হবে । ” 
বেশ্যাটি সঙ্গে সঙ্গে তার সোনা-দানা ফেলে সেই সাধুবাবার চরনে সমর্পিত হয়ে, তার নির্দেশমত ভগবানের আরাধনা শুরু করল।।
হরেকৃষ্ণ।।

ভগবান এর উপর থেকে আস্থা নষ্ট হওয়া মানেই নিজের ধর্মের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা

আপনারা প্রায়ই দেখে থাকবেন আপনার কোন এক ফ্রেন্ড আপনাকে মেসেজ করেঃ যাতে ভগবান এর কয়েকটা নাম থাকে অথবা কোন ছবি। 

আর লেখা থাকে এই মেসেজটা ২০ জনকে পাঠান, তাহলে আগামী ৩ দিন এর মধ্যে সুসংবাদ পাবেন, ১০০% গ্যারান্টি….. আর না পাঠালে আপনার সারা জীবন খারাপ যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনি কি জানেন এগুলো হচ্ছে ধর্ম বিরোধীদের চক্রান্ত.? ওরা চায় ভগবানের উপর থেকে ভগবানের নামের উপর থেকে মানুষ যেন বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। কারণ কালকে যদি আপনি সুসংবাদ না পান, তবে ভগবান এর উপর থেকে আপনার আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে.।

 ভগবান এর উপর থেকে আস্থা নষ্ট হওয়া মানেই নিজের ধর্মের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা,

 আর আামাদের সনাতন ধর্মে বলা আছে যারা নিজ ধর্মকে বিশ্বাস করেনা তাদের পরিনতি নরকবাস ! তাই নিজে সাবধান হোন… অন্যকে সাবধান করুন.! ভগবান সবাইকে ক্ষমা করুন, রক্ষা করুন…… এই পোস্ট টা সর্বাধিক শেয়ার করে সবার কাছে পৌঁছে দিন। কারণ আমাদের হাজারও ভাই বোন নিজেদের অজান্তে যে পাপ করছে অন্তত তার থেকে তাঁরা মুক্তি পাবেন।

নীরব থাকা এবং নিজেকে সংযত রাখা।


[প্রব্রাজিকা বেদান্তপ্রাণা মাতাজী]

সাধুজীবনে সুন্দর দুটি কথা শোনা যায়ঃ-
“মৌনমাত্মবিনিগ্রহঃ”।
অর্থাৎ
মৌনী সাধু
মৌনী সাধু 

(ক) নীরব থাকা এবং  নিজেকে সংযত রাখা।

(খ)মনকে একটি বিষয়ে মগ্ন রাখার অভ্যাস।

[[একাগ্রতা]]

🚩অনেক সময় কথা না কওয়া সাধুকে “মৌনীবাবা” বলা হয়। বাইরে কথা না বলে অনেকেই থাকেন,
কিন্তু মনে মনে অনবরত কথা বলে চলেন।

💛চুপ করে, শান্ত হয়ে বসে থাকতে পারে সেই ব্যক্তি, ____ যার #মনটি    ✔মৌন,✔শান্ত,✔সংযত।
  যে-মন নানা চিন্তায় আন্দোলিত হয় না।
আমাদের দেশে বলে –> “তন্ থির তো মন থির্:।
◆স্থির আসনে নিশ্চল বসলে, — মনও ধীরে ধীরে নিশ্চল হয়।
…….
💐💐💐একবার একটি সাধু পাহাড়ের ওপর একটি মন্দিরে প্রণাম করতে গেলেন। কিন্তু
প্রণামান্তে তিনি এখানে ওখানে না ঘুরে __ মন্দির অঙ্গনেই নির্দিষ্ট জায়গায় আসন করে বসলেন।
একদিন গেল, দুদিন গেল, তিনদিন গেল।
মৌনী সাধু
মৌনী সাধু 

মন্দির দেখাশোনা করত এক ভক্তিমান যুবক।
 মন্দিরের যেকোনও ব্যাপারে তাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হত।
পূজার্চনা ছাড়াও সেখানে সমাগম হত বহূ ভক্তের।

তবে মন্দিরটি পাহাড়ের উপর ___ লোকালয় থেকে দূরে। নির্জনে।
কাছে পিঠে মানুষের বসবাস নেই বললেই চলে।
নিচের গ্রাম থেকে পূজার জিনিসপত্র, ভোগের চাল-ডাল সবই কিনে আনতে হয়।
দেখাশোনার জন্য নিযুক্ত যুবকটি খুবই “সৎ ও পরিশ্রমী”।
🌷নিত্য যারা প্রসাদ পায়, তাদের নাম খাতায় নিষ্ঠাভরে সে লিখে রাখে।
🌺দেবতার পূজা, ভোগরাগও ভারি ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করেন পুরোহিত।
💛💖💛ঐ যে নতুন সাধুটি এসেছেন —- তিনি কখনও চোখ চেয়ে, কখনও ধ্যানের আবেশে — চুপচাপ বসে আছেন আজ তিনদিন হল।
●মুখ ফুটে প্রসাদ ভিক্ষা চাননি।
●একটি কমন্ডলু ও আসন ছাড়া কিছুই নেই তাঁর সঙ্গে। কিন্তু
😍😍😍মুখটি ভারি প্রসন্ন।যেন কোনও তৃপ্তির আলোয় উজ্জ্বল। ভক্তিমান যুবকটি এতদিন সাধুটিকে লক্ষ করছে, আর
        নিজের মনে চিন্তা করছে ____ ***একটা মানুষ কী করে নির্বিকারে এমন একভাবে বসে থাকতে পারে?***
✔✔নিশ্চয়ই উচ্চকোটির কোনও মহাত্মা। আমরা এঁকে ভিক্ষাও দিই নি।কিছু দিলে আবার “খাতায় লিখে রাখতে হবে”।
যুবকটি শেষপর্যন্ত হাতজোড় করে সাধুটিকে প্রশ্ন করলঃ- ***মহারাজ, আপনার শুভনামটি কি?কোথা থেকে আসছেন? আপনার জন্য কী করতে পারি?***

😀সাধু শুধু হাসলেন। উত্তর দিলেন না। পরেরদিন যুবকটি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ-

***মহারাজ, একটু প্রসাদ গ্রহণ করবেন?***
✔এবার মাথা নেড়ে সম্মতি জানালেন সাধু।
***মহারাজ, এভাবে আগামীকালও একটু প্রসাদ গ্রহণ করবেন কী?***
✔এবার ও সাধু হেসে সম্মতি জানালেন। যুবকটি খুব খুশি ও নিশ্চিন্ত হল।
💛মন্দিরে দিনের পর দিন এই মহাত্মা উপবাসে থাকবেন— ভাবাই যায় না।
যাহোক, হিসেবের খাতায় কি যে লিখবে ভেবে পেল না। কারণ __ সাধুটির কোনও নামও সে জানে না।
😍শেষপর্যন্ত চিন্তা করে লিখে রাখলঃ– ***এক গ্রাসের মতন ভাত সেই সাধুটিকে দেওয়া হল, যে শান্ত  হয়ে বসে থাকে।*** দিনের পর দিন চলে যায় ____ ছয় মাস পর মন্দির পরিদর্শন করতে তহশীলদার এলেন।
যুবকটি খুবই সম্ভ্রমের সঙ্গে তাঁকে হিসেবপত্র দেখাল। তহশীলদার তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “ব্যাপার কী? এটা কী লিখেছ? যে সন্ন্যাসী মন্দিরের কোনও কাজকর্ম না করে চুপ করে বসে থাকে—- তাকে তুমি কেন প্রসাদ দেবে?”
যুবক তো অপ্রস্তুত !!কী  উত্তর দেবে ভেবে পাচ্ছে না। সাধুর প্রতি তহশীলদারের কোনও শ্রদ্ধাভক্তি নাই।
তহশীলদার আরও বললেন— “সাধু যদি মন্দিরের  কোনও কাজ করে দেয়, তবেই প্রসাদ দেবে, নইলে নয়।
আচ্ছা আমিই সাধুর সঙ্গে এ-বিষয়ে কথা বলব।” তহশীলদার গটগট করে, হেঁটে মন্দির-চত্বরে সাধুর কাছে এলেন।
~ আপনার নাম কী?
কোনও উত্তর নেই।
~কোথা থেকে এসেছেন?
এবারও উত্তর নেই।
“কোনও কাজ না করে মন্দিরের প্রসাদ গ্রহণ করছেন — এ চলবে না। হয় কোনও কাজ করুন, নইলে পথ দেখুন।”
সাধুটি নীরবে রইলেন। এতগুলো রূঢ়বাক্যের উত্তরেও— হাসি মুখে বসে রইলেন।
😭এরপর সাধুটিকে  প্রসাদ  দেওয়া বন্ধ হল।
😀সাধু নির্বিকার। আরও তিনদিন কেটে গেল।
😪যে-যুবকটি দেখাশোনা করত ও সামান্য একটু প্রসাদ দিত, সে মনে মনে ভারি কষ্ট পাচ্ছে,
কিন্তু সে তো পরাধীন!!!
😰সাধুর হয়ে একটি কথা বললে,  হয়তো কাজটিই তার চলে যাবে!
এদিকে তহশীলদার তিনদিন পরে সাধুকে একই স্থানে নিঃশব্দে স্থির আসনে বসে থাকতে দেখে 😡😡😡রেগে অগ্নিশর্মা।
😡😡সাধুর কাছে গিয়ে চিৎকার করতে লাগলেন—
😁দেখুন, এখানে উপোস করে মরবার মতলব করছেন।কেন চুপ করে সারাদিন বসে থাকেন? ও সব হবে না!!
এখনই চলে যান।অথবা লোকজন ডেকে আপনাকে বিদেয় করব।
😍😀😍😀😝 এবার সাধুটি খুব জোরে হেসে উঠলেন।
✔পাহাড়ের ওপর থেকে সেই প্রাণখোলা 😜কৌতুকের হাসি প্রতিধ্বনিত হতে লাগল।
😇😀সাধু এবার কথা বললেন মৌনভঙ্গ করেঃ- ঠিক বলেছ, আমি চুপচাপ বসে থাকি।।
কিন্তু তুমি কি পাঁচ মিনিট চুপচাপ বসতে পারবে?
~~ “”এটা কি খুব কঠিন কাজ বলে মনে করছেন আপনি? আপনার মতো অনড়   হয়ে বসতে আমি খুব পারি। পাঁচ মিনিট কেন,  চাইলে পাঁচ ঘন্টা বসতেও আমার কোনও অসুবিধা নেই!!”
কথাটা বলেই সাধুর কাছে পা মুড়ে বসে পড়লেন তহশীলদার।
একমিনিটও হয় নি, বসার অনভ্যাসে উসখুস করতে লাগলেন।
আচমকা…..😱 সাধু এক চড় মারলেন তহশীলদারের গালে।
তহশীলদার তো সাধুর দুঃসাহস দেখে একেবারে😵স্তম্ভিত!!!
বলেই ফেললেন—> 😡আপনি জানের কার গায়ে হাত তুলেছেন???
😀সাধুটি হাসলেন। বললেন:- **তুমি তো চুপ করে বসতে পার নি। ছটফট করছ বসে বসে।
আর আমি কি তোমাকে নিজের স্ত্রী-পরিবারের কথা চিন্তা করতে বলেছিলাম???**
উত্তর খুঁজে না পেয়ে এবার তহশীলদার চুপ। আবার বসলেন। এবারে এক মিনিটও পার হয়নি,  আর একটা চড় খেলেন�

সাধু বললেন,**তোমার অফিসের হিসেবপত্রের চিন্তা করার জন্য এখানে বসতে তো বলিনি!!!

তুমি কষ্ট করে কিছুক্ষণ বসতে পার। কিন্তু মন চুপ করলে তবেই শান্ত হয়ে বসা যায়।
আর সেটা করা কি খুব সহজ মনে হচ্ছে ???**
এখন তহশীলদারের অবাক হওয়ার পালা।

 😭😭তিনি উঠে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন— 💐মহারাজ — চুপ করে বসে থাকা অতি কঠিন কাজ।
আমায় ক্ষমা করবেন। আর আপনি অনুগ্রহ করে রোজ সামান্য প্রসাদ গ্রহণ করে আমাদের ধন্য করুন।
__________________________________
জয় মা ….

“শান্ত ভাব শক্তির উচ্চতম বিকাশ।

……….শান্ত ব্যক্তি অলস ব্যক্তির ন্যায় নয়। “

শান্তভাব হল সত্ত্বভাব আর অলসতা হল জড়তা কখনই এক নহে। সংযত শান্ত আচরণ করাতে উচ্চ শক্তির প্রয়োজন,মহাশক্তিধর না হলে এই সংযত ভাব প্রাপ্ত হওয়া অসম্ভব। যা আমরা মৌনী সাধুর আচরণ ও ব্যবহারের মধ্যে করলাম অবলোকন। আর অসংযত অশান্ত ভাব আসলে অহংকারের বহিঃপ্রকাশ তাতে হয় অন্তঃশক্তির  অপচয়।আর সেটাই অসংযত দুর্ব্যবহার রূপে প্রক্ষিপ্ত হয়।যা আমরা তহশীলদারের আচরণের মধ্যে দেখতে পেলাম।যদিও তার মধ্যে পরিবর্তন হলো – যথার্থ সাধুসঙ্গে এবং সেটা অবশ্যই ভগবৎকৃপা যা তার উপর বর্ষিত হল সন্তকৃপারূপে।কারণ সে আর যাই হোক, যতই অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থাকুত — সে ঐ মন্দিরটির পরিচালন তথা রক্ষাণাবেক্ষণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিল এবং সেটি একটি মহৎ কাজ বা কল্যাণকারী কাজ।কল্যাণকারীর অধোগতি হয় না, ভগবান স্বয়ং হতে দেন না।তাই তাঁর দূয়ারে স্বয়ং সচ্চিদানন্দ ঈশ্বর মৌনী সাধুর বেশে এসে তাঁর মধ্যে দেবত্বের জাগরণ করিয়ে দিলেন, তাঁর মনের সকল রজোগুণের লালিমা তৎসঙ্গের তমোগুণের কালিমা দূর হয়ে ক্ষমাপ্রার্থণার দ্বারা শুদ্ধ স্বচ্ছ সত্ত্বের হল প্রকাশ।
তাই তো বলে— “বিনু সৎসঙ্গ বিবেক ন হই।”

জয় মা।জয় ঠাকুর।জয় স্বামীজী।

Design a site like this with WordPress.com
Get started