What is PRC
The mind can be made pure though the practice of good conduct,humility and true yearning
Gita 4 Chapter
Umbrella Can’t stop the rain but can make us stand in rain
Happy Independence Day Lets take a dip into out dear Swamijis thought.
Happy Independence DayLets take a dip into out dear Swamijis thought.
ভারতমাতা অন্ততঃ সহস্র যুবক বলি চান। মনে রেখো—মানুষ চাই, পশু নয়।
স্বাধীনতাই উন্নতির প্রথম শর্ত। যেমন মানুষের চিন্তা করিবার ও কথা বলিবার স্বাধীনতা থাকা আবশ্যক, তেমনি তাহার আহার পোশাক বিবাহ ও অন্যান্য সকল বিষয়েই স্বাধীনতা প্রয়োজন—তবে এই স্বাধীনতা যেন অপর কাহারও অনিষ্ঠ না করে।
হে ভ্রাতৃবৃন্দ, আমাদের সকলকেই এখন কঠোর পরিশ্রম করিতে হইবে, এখন ঘুমাইবার সময় নহে। আমাদের কার্যকলাপের উপরই ভারতের ভবিষ্যত নির্ভর করিতেছে ঐ দেখ, ভারতমাতা ধীরে ধীরে নয়ন উন্মীলন করিতেছেন। তিনি কিছুকাল নিদ্রিত ছিলেন মাত্র। উঠ, তাহাকে জাগাও— আর নূতন জাগরনে নূতন প্রাণে পূর্বাপেক্ষা অধিকতর গৌরবমণ্ডিতা করিয়া ভক্তিভাবে তাঁহাকে তাঁহার শাশ্বত সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত কর।
আমাদিগকে বড়বড় কাজ করিতে হইবে, অদ্ভুত শক্তির বিকাশ দেখাইতে হইবে, অপর জাতিকে অনেক বিষয় শিখাইতে হইবে। দর্শন ধর্ম বা নীতিবিজ্ঞানই বলুন অথবা মধুরতা কোমলতা বা মানবজাতির প্রতি অকপট প্রীতিরূপ সদ্গুনরাজিই বলুন, আমাদের মাতৃভূমি এ–সব কিছুরই প্রসূতি। এখনও ভারতে এইগুলি বিদ্যমান আছে আর পৃথিবী সম্বন্ধে যতটুকু অভিজ্ঞতা লাভ করিয়াছি, তাহাতে আমি এখন দৃঢ়ভাবে সাহসের সহিত বলিতে পারি, এখনও ভারত এই সকল বিষয়ে পৃথিবীর অন্যান্য জাতি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এই আশ্চর্য ব্যাপারটি লক্ষ্য করিয়া দেখুন।
ভারতবর্ষ জয় করে ইংরেজের পক্ষে এত সহজ হইয়াছিল কেন? যেহেতু তাহারা একটি সঙ্ঘবদ্ধ জাতি ছিল, আর আমরা তাহা ছিলাম না।
ভায়া, সব যায়, ওই পোড়া হিংসেটা যায় না। আমাদের ভিতরও খুব আছে। আমাদের জাতের ঐটে দোষ, খালি পরনিন্দা আর পরশ্রীকাতরতা। হাম্বড়া, আর কেউ বড় হবে না।
মেয়ে–মদ্দ দুই চাই, আত্মাতে মেয়েপুরুষের ভেদ নাই। তাঁকে অবতার বললেই হয় না–শক্তি বাকাশ চাই। হাজার হাজার পুরুষ চাই, স্ত্রী চাই—যারা আগুনের মতো হিমাচল থেকে কন্যাকুমারী—উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু, দুনিয়াময় ছড়িয়ে পড়বে। ছেলেখেলার কাজ নেই—ছেলেখেলার সময় নেই—যারা ছেলেখেলা করতে চায়, তফাত হও এই বেলা; নইলে মহা আপদ তাদের। Organisation (সংঘ) চাই—কুড়েমি দূর ক‘রে দাও, ছড়াও, ছড়াও; আগুনের মতো যাও সব জায়গায়। আমার উপর ভরসা রেখো না, আমি মরি বাঁচি, তোমরা ছড়াও, ছড়াও।
যে অপরকে স্বাধীনতা দিতে প্রস্তুত নয়, সে কোনমতেই স্বাধীনতা পাইবার যোগ্য নহে। – স্বামী বিবেকানন্দ
“বাবা গোপাল, আমি তোমাকে এই কদর্য জিনিস খেতে দিলুম বলে আমাকে যেন ঐরূপ খেতে দিও না”।
১৮৮৪ খ্রীস্টাব্দের বসন্ত কাল।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
“বাবা গোপাল, আমি তোমাকে এই কদর্য জিনিস খেতে দিলুম বলে আমাকে যেন ঐরূপ খেতে দিও না”।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জপ সেদিন আর হইল না – চলিতে লাগিল গোপালের অপূর্ব লীলা! সে ক্রোড়ে বসে, মালা কাড়িয়া লয়, স্কন্ধে বসে, ঘরময় ঘুরিয়া বেড়ায়! যেমন সকাল হইল অমনি গোপালের মা পাগলিনীর ন্যায় দক্ষিণেশ্বরে চলিলেন; গোপালকে বুকে লইয়া চলিতে চলিতে দেখিতে লাগিলেন, গোপালের লাল টুকটুকে পা–দুখানি বুকের উপর ঝুলিতেছে।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
সকাল প্রায় সাতটার সময় আলুথালু বেশে ‘গোপাল গোপাল’ বলিয়া ডাকিতে ডাকিতে গোপালের মা ঠাকুরের কক্ষে পূর্বদিকের দ্বারপথে ঢুকিলেন। তাঁহার চক্ষু কপালে উঠিয়াছে, আঁচল ভূমিতে লুটাইতেছে কোন দিকে ভ্রূক্ষেপ নাই। তিনি আসিয়া ঠাকুরের পার্শ্বে বসিলেন, ভাবাবিষ্ট ঠাকুরও তাঁহার ক্রোড়ে উপবিষ্ট হইলেন। সাশ্রুনয়নে গোপালের মা নিজের সহিত আনীত ক্ষীর, সর, ননী গোপালরুপী শ্রীরামকৃষ্ণের মুখে তুলিয়া দিতে লাগিলেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ভাব–সংবরণ করিয়া ঠাকুর আপনার চৌকিতে বসিলেন। গোপালের মার কিন্তু ভাব আর থামে না – সারাক্ষণ তিনি নাচিয়া বেড়াইতে লাগিলেন আর বলিতে লাগিলেন “ব্রহ্মা নাচে, বিষ্ণু নাচে, আর নাচে শিব” – ইত্যাদি। এই দেবদুর্লভ দৃশ্যে মুগ্ধা গৃহসম্মার্জনরতা অপর ভক্তমহিলা ভাবিতে লাগিলেন – যে ঠাকুর স্ত্রীজাতির স্পর্শমাত্র সহ্য করিয়া পারেন না, তাঁহার আজ এ কিদৃশ আচরণ! একদিকে দ্বিষষ্টিবর্ষাতিতা বৃদ্ধার অনুপম মাতৃস্নেহ, অপরদিকে অষ্টচত্বারিংশৎ বয়স্ক প্রৌঢ়ের গোপালভাব! শোনা যায় বটে যে, যশোদাভাবে আত্মহারা ভৈরবী ব্রাহ্মণীর ক্রোড় কখনও কখনও তাঁহার দ্বারা অলঙ্কৃত হইত; কিন্তু উহা অতীতের শোনা কোথা আর ইহা প্রত্যক্ষ! ভাবসংবরণান্তে গোপালের মার সে–আনন্দ দেখিয়া উপস্থিত অপর মহিলাটিকে ঠাকুর সহাস্যে বলিলেন, “দেখ দেখ, আনন্দে ভরে গেছে – ওর মনটা এখন গোপাল–লোকে চলে গেছে!” ভাবের আধিক্যে অঘোরমণি সেদিন ঠাকুরকে কত কথাই না বলিতে লাগিলেন, “এই যে গোপাল আমার কোলে, ঐ যে তোমার ভেতর ঢুকে গেল; ঐ আবার বেরিয়ে এল; আয় বাবা, দুঃখিনী মার কাছে আয়” – ইত্যাদি। গোপাল এইরূপে কখনও ঠাকুরের সহিত মিশিয়া এবং কখনও বাল্যলীলার তরঙ্গ তুলিয়ে একদিকে যেমন শ্রীরামকৃষ্ণকেই গোপালরূপে প্রত্যক্ষ করাইল, অপরদিকে তেমনি গোপালের মাকে আত্মহারা করিল। অঘোরমণি আজ হইতে বাস্তবিকই গোপালের মা হইলেন এবং ঠাকুরও তাঁহাকে ঐ নামে ডাকিতে লাগিলেন। তাঁহার ভাব প্রশমনের জন্য ঠাকুর সেদিন বহু প্রকারে যত্ন করিতে লাগিলেন – তাঁহার বুকে হাত বুলাইয়া দিলেন, তাঁহাকে ভাল ভাল খাদ্যসামগ্রী খাওয়াইলেন এবং সমস্ত দিন নিকটে রাখিয়া স্নানাহার করাইলেন। খাইতে খাইতে ব্রাহ্মণী বলিতে লাগিলেন, “বাবা গোপাল, তোমার দুঃখিনী মা এজন্মে বড় কষ্টে কাল কাটিয়েছে, টেকো ঘুরিয়ে সুতো কেটে পৈতা করে বেচে দিনে কাটিয়েছে – তাই বুঝি এত যত্ন আজ করছ?
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
সন্ধায় ঠাকুর যখন গোপালের মাকে বিদায় দিয়া কামারহাটী পাঠাইলেন, তখন গোপালও ক্রোড়ে উঠিয়া চলিল এবং গৃহে পৌঁছিয়া নানা রঙ্গ, আবদার ইত্যাদিতে মায়ের জপভঙ্গ করিতে লাগিল। অবশেষে গোপালের মা জপ ছাড়িয়া তাঁহাকে শয্যায় শয়ন করাইলেন। তক্তপোশের উপর মাদুর পাতা – নরম বিছানা বা বালিশ তাঁহার নাই – তাই গোপাল খুঁত খুঁত করিতে লাগিল। অগত্যা ব্রাহ্মণী স্বীয় বাম বাহুতে তাহার মস্তক রাখিয়া বলিলেন, “বাবা, আজ এই রকমে শোও, রাত পোহালেই কাল কলকাতা গিয়ে তোমার নরম বালিশ করিয়ে দেব”। পরদিন সকালে প্রত্যক্ষ গোপালের রান্নার জন্য বাগান হইতে কাঠ কুড়াইতে গেলে গোপালও সঙ্গে সঙ্গে যাইয়া কাঠ আনিয়া রান্নাঘরে রাখিতে লাগিল। রন্ধনকালেও দুরন্ত শিশু কাছে বসিয়া বা পিঠে পড়িয়া সব দেখিতে লাগিল ও আবদার করিতে থাকিল।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
ব্রাহ্মণী তাহাকে কখনও মিষ্ট কথায় ভুলাইতে লাগিলেন, কখনও বা বকিতে লাগিলেন।
"ওরে, কেউ কাকেও শেখাতে পারে না। ‘শেখাচ্ছি’ মনে করেই শিক্ষক সব মাটি করে ।
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Vivekananda
|
স্বদেশ মন্ত্র হে ভারত , এই পরানুবাদ, পরানুকরণ, পরমুখাপেক্ষা, এই দাসসুলভ দুর্বলতা , এই ঘৃণিত জঘন্য নিষ্ঠুরতা – এই মাত্র সম্বলে তুমি উচ্চাধিকার লাভ করিবে ?
স্বদেশ মন্ত্র
হে ভারত , এই পরানুবাদ, পরানুকরণ, পরমুখাপেক্ষা, এই দাসসুলভ দুর্বলতা , এই ঘৃণিত জঘন্য নিষ্ঠুরতা – এই মাত্র সম্বলে তুমি উচ্চাধিকার লাভ করিবে ? এই লজ্জাকর কাপুরুষতাসহায়ে তুমি বীরভোগ্যা স্বাধীনতা লাভ করিবে ? হে ভারত , ভুলিও না – তোমার নারীজাতির আদর্শ সীতা, সাবিত্রী, দময়ন্তী ; হে ভারত ,ভুলিও না – তোমার উপাস্য উমানাথ সর্বত্যাগী শঙ্কর ; ভুলিও না – তোমার বিবাহ , তোমার ধন, তোমার জীবন ইন্দ্রিয়সুখের – নিজের ব্যক্তিগত সুখের জন্য নহে , ভুলিও না – তুমি জন্ম হইতেই ‘মায়ের‘ জন্য বলিপ্রদত্ত ; ভুলিও না তোমার সমাজ সে বিরাট মহামায়ার ছায়ামাএ ; ভুলিও না – নীচজাতি, মূর্খ, দরিদ্র, অজ্ঞ, মুচি, মেথর তোমার রক্ত, তোমার ভাই ! হে বীর, সাহস অবলম্বন করো ; সদর্পে বলো – আমি ভারতবাসী, ভারতবাসী আমার ভাই । বলো
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx } |
– মূর্খ ভারতবাসী, দরিদ্র ভারতবাসী, ব্রাহ্মণ ভারতবাসী, চন্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই ; তুমিও কটিমাত্র বস্ত্রাবৃত হইয়া সদর্পে ডাকিয়া বলো – ভারতবাসী আমার ভাই, ভারতবাসী আমার প্রাণ, ভারতের দেবদেবী আমার ঈশ্বর,ভারতের সমাজ আমার শিশুশয্যা, আমার যৌবনের উপবন, আমার বার্ধক্যের বারাণসী ; বলো ভাই – ভারতের মৃত্তিকা আমার স্বর্গ, ভারতের কল্যাণ আমার কল্যাণ ; আর বলো দিনরাত, হে গৌ্রীনাথ, হে জগদম্বে, আমায় মনুষত্ব দাও ; মা, আমার দুর্বলতা কাপুরুষতা দূ্র করো,আমায় মানুষ করো ।
তিনি দেখলেন এখন তো আর আমি বৃন্দাবন ধাম যেতে পারবো না,তাই তিনি শেষ বারের মতো বৃন্দাবন গেলেন আর সেখান থেকে একটি গোপালের পিতলের বিগ্রহ নিয়ে এলেন।
এক মহিলা ছোটবেলা থেকেই বৃন্দাবন ধামে যেতেন।
তিনি বড় হলেন তথাপি বৃন্দাবনে যাওয়া বন্ধ করলেন না। তার বিয়ে হলো তবুও বৃন্দাবন ধামে যাওয়া তিনি বন্ধ করলেন না। উনার ছেলে মেয়ে হলো তাদের বিয়ে দিলেন, উনার নাতি পুতি হলো তাও তিনি বৃন্দাবনে যাওয়া বন্ধ করলেন না।
তিনি বৃদ্ধা হয়ে গেলেন,
তিনি দেখলেন এখন তো আর আমি বৃন্দাবন ধাম যেতে পারবো না,তাই তিনি শেষ বারের মতো বৃন্দাবন গেলেন আর সেখান থেকে একটি গোপালের পিতলের বিগ্রহ নিয়ে এলেন।
ওই মূর্তি টিকে তিনি নিজের সন্তানের থেকেও বেশি ভালোবাসতে লাগলেন। মূর্তিটিকে সোনা সোনা বলে আদর করতে থাকলেন। তিনি এমনি বৃদ্ধা হলেন যে সে আর চলতে পারছেন না।একবছর জম্মাষ্টমী তিথি এলো, বৃদ্ধা মহিলাটি তার বৌমাকে ডেকে বললেন, বৌমা আজ জম্মষ্টমি,তুমি আমার সোনা গোপালকে স্নান করিয়ে একটু সাজিয়ে পালঙ্কের উপরে বসিয়ে দাও।
তার বৌমা কম্পিউটারে কিছু কাজ করছিলেন, তিনি বললেন মা আমি একটা গুরুত্বপূর্ন কাজে ব্যস্ত আছি , একটু পর দিচ্ছি। বুড়ি মা বললেন, তোমার কাজটি না হয় একটু পরে করো,আগে এসে আমার গোপালকে স্নান করিয়ে, সাজিয়ে পালঙ্কের উপরে বসিয়ে দাও।
বৌমা ফট করে ওঠে এসে মূর্তি টাকে উঠাতে গেলেন,আর হাত থেকে মাটিতে পরে গেলো। বৃদ্ধা মা যেন “মা” বলে ডেকে ওঠা একটি আওয়াজ পেলেন। আর বললেন বৌমা এ তুমি কি করলে,আমার সোনাকে মাটিতে ফেলে দিলে! দেখো কতো ব্যথা পেয়েছে আমার সোনা।
ব্ররদ্বা মার চেচামেচি শুনে উনার ছেলে ঘর থেকে বেড়িয়ে এসে বললেন,কি হয়েছে মা? মা বললেন, বৌমা আমার সোনা কে মাটিতে ফেলে দিয়েছে ওর খুব লেগেছে,তুই তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডেকে নিয়ে আয় বাবা।ছেলে বললেন মা ওটাতো পিতলেন মূর্তি, ওতে কি করে আঘাত লাগতে পারে।
মা বললেন, না ওর খুব লেগেছে তুই তাড়াতাড়ি গিয়ে ডাক্তার ডেকে নিয়ে আয়। ওদের চেচামেচি শুনে পাড়া–প্রতিবেশী তাদের বাড়িতে জড়ো হয়ে গেলো,আর বললো কি হয়েছে এতো চেচামেচি করছেন কেনো?
ছেলেটি বললেন, দেখুন না আমার মা পাগল হয়ে গেছে। পিতলের মূর্তি হাত থেকে মাটিতে পরে গেছে তাই বলছে ডাক্তার ডেকে নিয়ে আসো আমার সোনার খুব লেগেছে,এ বলে চেচামেচি শুরু করেছে। তখন প্রতিবেশীদের মধ্যে থেকে একজন বলছেন, বুড়ি মা যখন কোনো কথা শুনছেন না তখন একটি ডাক্তার এনে দেখিয়ে নিলেই তো ঝামেলা মিটে যায়।
ওই কথা শুনে ছেলেটি ডাক্তার আনতে যান। কোনো ডাক্তার‘ই এই কথা শুনে আসতে রাজি হয় না। একজন ডাক্তারকে অনেক অনুনয়বিনয় করে রাজি করালেন যে, আপনি শুধু গিয়ে বলবেন আপনার সোনা ঠিক আছে ,খুব ভালো আছে।ছেলেটির কথামতো ডাক্তার এসে মূর্তি টিকে হাতে নিয়ে বললেন, বুড়িমা আপনার সোনা খুব ভালো আছে।
তখন বুড়ি মা বললেন ওরে ডাক্তার কিভাবে চেকআপ করলে,তোমার ওই কানে লাগিয়ে আর বুকে ঠেকিয়ে যে চেকাপ করো সেইভাবে করো দেখো। ডাক্তার তার সে যন্ত্রটি বের করে মূর্তির বুকে লাগিয়ে দেখলেন আর চমকে উঠলেন,পর পর পাঁচ ছয়বার যন্ত্রটি লাগালেন,তিনি একই শব্দ শুনতে পেলেন সেই আওয়াজ ধব ধব করছে। ডাক্তার সব কিছু ফেলে রেখে চলে যেতে লাগলেন। বুড়িমা ডেকে বলতে লাগলেন কোথায় যাচ্ছো ডাক্তার? তোমার সুটকেশ তো নিয়ে যাও।ডাক্তার বাবু বললেন, আপনি যেখান থেকে এই পিতলের মূর্তিটি এনেছেন আমি সেখানে যাচ্ছি। আমার এত দিনের ডাক্তারি সায়েন্স নিয়ে পড়া সব আজ ব্যর্থ হয়ে গেলো। তাই আজ থেকে আমি সেই প্রান গোবিন্দের চরনটি খুজতে চললাম।
যাওয়ার সময় ডাক্তার বুড়িমার ছেলেটিকে বললেন, দাদা আপনার মা পাগল নয় পাগল আমরা,এই দুনিয়া পাগল,যেখানে সত্যের বিশ্বাস নেই।আজ থেকে আমি এই পাগলা গারোদ থেকে মুক্তি হতে চাই, তাই হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ বলে আমি চললাম বৃন্দাবন ধাম!।।
হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণকৃষ্ণ হরেহরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে
⚘*










