আনন্দময়ীর আগমন লেখকঃ – স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
আনন্দময়ীর আগমন লেখকঃ – স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
আবার একবার সেইরূপ স্নেহভরে ছেলের পানে চাও মা। ‘মা’ ব’লে ডাকতে যে একেবারে ভুলে গেছি!! সেইরূপ স্নেহময়ী মা’র বেশে সুমুখে দাঁড়াও—আবার ‘মা’ বলতে শিখাও মা। মা, তুমি না দয়া করলে, কে করবে? তুমি না শিখালে কে শিখাবে মা? আহা! ‘মা’ কি মধুমাখা নাম। এ নাম সাধ মিটিয়ে নিতে পারলুম না! ছেলেবেলায় যেমন গর্ভধারিণীকে অন্তরের সহিত ‘মা’ বলে ডাকতে পারতুম, তেমনি প্রাণের সহিত যেন তােমায় ডাকতে পারি।
মা! তােমায় যেমন ভক্তি ক’রব মনে করছি তেমনি ক’রে যেন সকলকেই ভক্তি করতে পারি। তেমনি নির্মল চোখে যেন সকলকেই দেখতে পারি। মনের মালিন্য হ’তে যেন রক্ষা পাই।
মা আসতে গেছেন; আর ভেবে কি হবে বলুন? মা মঙ্গল করবেন; সকলে একত্রিত হউন; শান্তিজল গ্রহণ করুন, “ওঁ স্বস্তি ন ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বন্তিনঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ স্বস্তি নস্তাক্ষ্যোহরিষ্টনেমিঃ স্বস্তি নাে বৃহস্পতির্দধাতু। ওঁ স্বস্তি, ওঁ স্বস্তি, ওঁ স্বস্তি”। “ওঁ সুরাস্বামভিষিঞ্চন্তি ব্রহ্মাবিষ্ণুমহেশ্বরাঃ। বাসুদেবাে জগন্মাথস্তথা সঙ্কর্ষণঃ প্রভুঃ। প্রদ্যুম্নশ্চনিরুদ্ধশ্চ ভবন্তু বিজয়ায় তে। আখণ্ডলােহগ্নিৰ্ভগবান যমাে বৈ নৈঋতস্তথা বরুণঃ পবনশ্চৈব ধনাধ্যক্ষস্তথা শিবঃ। ব্রহ্মণা সহিতঃ শেষা দিকপালাঃ পান্তু তে সদা। কীৰ্ত্তিলক্ষ্মীধৃতিমেধা পুষ্টিঃ শ্রদ্ধা ক্ষমা মতিঃ। বুদ্ধিৰ্লজ্জ বপুঃ শান্তিস্তুষ্টিঃ কান্তিশ্চ মাতরঃ।…এতে ত্বামভিষিঞ্চন্তু ধৰ্ম্মকামার্থসিদ্ধয়ে”।—
ইন্দ্রাদি দেবগণ মঙ্গল করুন। বৃহস্পতি প্রভৃতি শুভ হউন। ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর, যম, বরুণ, পবন, ধনরাজকুবের প্রভৃতি সকলে এই মন্ত্রপুত বারি প্রক্ষেপ করিতেছেন। কীর্তি, ধৃতি, লক্ষ্মী, মেধা, শ্রদ্ধা, ক্ষমা, বুদ্ধি, লজ্জা, তুষ্টি, শান্তি, প্রভৃতি মাতৃকাগণ আমাদিগকে রক্ষা করুন। তারাও আমাদিগের ধৰ্ম্মাদিচতুৰ্ব্বর্গ–সিদ্ধির জন্য, শিরােপরি শান্তিবারি সেচন করিতেছেন। সবর্বতােভাবে মঙ্গল হউক। ওঁ স্বস্তু, ওঁ স্বস্তু, ওঁ স্বস্তু।
মা ব্রহ্মময়ী এসেছিলেন—বাটী পবিত্র ক’রে গেছেন, দেশ পবিত্র ক’রে গেছেন, আমাদিগের সকলকেই পবিত্র ক’রে গেছেন। তাঁহার স্পষ্ট বারি আমাদিগের গাত্রে পড়িয়াছে। সকলে ধন্য হইয়া গিয়াছি। আমাদিগের আত্মীয়—বন্ধুবর্গ, পাঠক ও গ্রাহকবর্গ, দেশের যাবতীয় লােক, পৃথিবীর যাবতীয় পদার্থ, সকলকারই মঙ্গল হউক, শ্রীবৃদ্ধি হউক; বুদ্ধিবৃত্তি সৎ হউক; সকলে সবর্বতােভাবে শান্তিলাভ করুন; ধরা স্বর্গধাম হউক; বলিতে যেন পারি—আমরা ব্রহ্মময়ীর সন্তান।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});