Low level men do not start any work due to fear of obstacles. Mediocres start a work but leave it in between due to disturbances.

p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }a:link { }

प्रारभ्यते न खलु विघ्नभयेन नीचैः प्रारभ्य विघ्नविहता विरमन्ति मध्याः।विघ्नैः पुनः पुनरपि प्रतिहन्यमानाः प्रारभ्य चोत्तमजना न परित्यजन्ति॥


Low-level men don’t begin any work because of the dread of impediments. Mediocre begin a work, however, abandon it in the middle of because of unsettling influences. Bramble, the men of greatness never leave a vocation incomplete in the wake of beginning it whatever might be the issues.

निम्न श्रेणी के पुरुष विघ्नों के भय से किसी नये कार्य का आरंभ ही नहीं करते। मध्यम श्रेणी के पुरुष कार्य तो आरंभ कर देते हैं पर विघ्नों से विचलित होकर उसे बीच में ही छोड़ देते हैं, परन्तु उत्तम श्रेणी के पुरुष बारबार विघ्न आने पर भी प्रारंभ किये गये कार्य को पूर्ण किये बिना नहीं छोड़ते हैं।

"India was Swamiji’s most noteworthy energy. II ভারতের আধ্যাত্মিকতা, তার পবিত্রতা, তার প্রজ্ঞা, তার শক্তি, তার স্বপ্ন এবং তার ভবিষ্যৎ

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

স্বাধীন ভারত কী জয়.
ভারত মাতা কী জয়.
১৫ ই আগস্ট কী জয়.

“India was Swamiji’s most noteworthy energy. The possibility of India was for all intents and purposes a fixation on him. India throbbed in his bosom, India beat in his heartbeats, India was his fantasy, India was his bad dream. Not only that. He himself became India. He was the embodiment of India in flash and blood. He was India, he was Bharat (ভারতবrষ ) the very symbol of her spirituality, her purity, her wisdom, her power, her vision, and her destiny.                     
Sister Nivedita.
“ভারতবrষ ছিল স্বামীজীর গভীরতম আবেগের কেন্দ্র.  স্বামীজীর কাছে ভারতবষের চিন্তা ছিল প্রকrতপক্ষে এক আচ্ছন্নতায় মগ্ন.  ভারতবrষ নিত্য স্পন্দিত হ্ত তাnর ধমনীতে, ভারতবrষ ছিল তার দিবাস্বপ্ন, ভারতবrষ ছিল তার নিশীথের দু.স্বপ্ন.  শুধু তাই নয়.  তিনি নিজেই হয়ে উঠেছিলেন ভারতবষ —- রক্তে মাংসে গড়া ভারত প্রতিমা.  তিনি স্বং ছিলেন India — ছিলেন ভারত.  বস্তুত. ভারতের আধ্যাত্মিকতা, তার পবিত্রতা, তার প্রজ্ঞা, তার শক্তি, তার স্বপ্ন এবং তার ভবিষ্যৎ — সবকিছুর তিনি ছিলেন প্রতীকপুরুষ.”

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

" ভারতের দুই মহাপাপ — মেয়েদের পায়ে দলানো , আর জাতি জাতি করে গরিবগুলোকে পিষে ফেলা । " — স্বামীজী II Swami vivekananda Bani

” ভারতের দুই মহাপাপ —মেয়েদের পায়ে দলানো , আর জাতি জাতি করে গরিবগুলোকে পিষে ফেলা । “
— স্বামীজী

Swami Vivekananda
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

Swami Vivekananda

Happy Independence Day Lets take a dip into out dear Swamijis Vivkananda thought.

Happy Independence Day

Lets take a dip into out dear Swamijis Vivkananda thought.

ভারতমাতা অন্ততঃ সহস্র যুবক বলি চান। মনে রেখো—মানুষ চাই, পশু নয়।
স্বাধীনতাই উন্নতির প্রথম শর্ত। যেমন মানুষের চিন্তা করিবার ও কথা বলিবার স্বাধীনতা থাকা আবশ্যক, তেমনি তাহার আহার পোশাক বিবাহ ও অন্যান্য সকল বিষয়েই স্বাধীনতা প্রয়োজন—তবে এই স্বাধীনতা যেন অপর কাহারও অনিষ্ঠ না করে।
হে ভ্রাতৃবৃন্দ, আমাদের সকলকেই এখন কঠোর পরিশ্রম করিতে হইবে, এখন ঘুমাইবার সময় নহে। আমাদের কার্যকলাপের উপরই ভারতের ভবিষ্যত নির্ভর করিতেছে ঐ দেখ, ভারতমাতা ধীরে ধীরে নয়ন উন্মীলন করিতেছেন। তিনি কিছুকাল নিদ্রিত ছিলেন মাত্র। উঠ, তাহাকে জাগাও— আর নূতন জাগরনে নূতন প্রাণে পূর্বাপেক্ষা অধিকতর গৌরবমণ্ডিতা করিয়া ভক্তিভাবে তাঁহাকে তাঁহার শাশ্বত সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত কর।
আমাদিগকে বড়বড় কাজ করিতে হইবে, অদ্ভুত শক্তির বিকাশ দেখাইতে হইবে, অপর জাতিকে অনেক বিষয় শিখাইতে হইবে। দর্শন ধর্ম বা নীতিবিজ্ঞানই বলুন অথবা মধুরতা কোমলতা বা মানবজাতির প্রতি অকপট প্রীতিরূপ স‍‍‍‍‍‍‍‍‍দ‍্গুনরাজিই বলুন, আমাদের মাতৃভূমি এ-সব কিছুরই প্রসূতি। এখনও ভারতে এইগুলি বিদ্যমান আছে আর পৃথিবী সম্বন্ধে যতটুকু অভিজ্ঞতা লাভ করিয়াছি, তাহাতে আমি এখন দৃঢ়ভাবে সাহসের সহিত বলিতে পারি, এখনও ভারত এই সকল বিষয়ে পৃথিবীর অন্যান্য জাতি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এই আশ্চর্য ব্যাপারটি লক্ষ্য করিয়া দেখুন।
ভারতবর্ষ জয় করে ইংরেজের পক্ষে এত সহজ হইয়াছিল কেন? যেহেতু তাহারা একটি সঙ্ঘবদ্ধ জাতি ছিল, আর আমরা তাহা ছিলাম না।
ভায়া, সব যায়, ওই পোড়া হিংসেটা যায় না। আমাদের ভিতরও খুব আছে। আমাদের জাতের ঐটে দোষ, খালি পরনিন্দা আর পরশ্রীকাতরতা। হাম‍্‍বড়া, আর কেউ বড় হবে না।
মেয়ে-মদ্দ দুই চাই, আত্মাতে মেয়েপুরুষের ভেদ নাই। তাঁকে অবতার বললেই হয় না-শক্তি বাকাশ চাই। হাজার হাজার পুরুষ চাই, স্ত্রী চাই—যারা আগুনের মতো হিমাচল থেকে কন্যাকুমারী—উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু, দুনিয়াময় ছড়িয়ে পড়বে। ছেলেখেলার কাজ নেই—ছেলেখেলার সময় নেই—যারা ছেলেখেলা করতে চায়, তফাত হও এই বেলা; নইলে মহা আপদ তাদের। Organisation (সংঘ) চাই—কুড়েমি দূর ক’রে দাও, ছড়াও, ছড়াও; আগুনের মতো যাও সব জায়গায়। আমার উপর ভরসা রেখো না, আমি মরি বাঁচি, তোমরা ছড়াও, ছড়াও।
যে অপরকে স্বাধীনতা দিতে প্রস্তুত নয়, সে কোনমতেই স্বাধীনতা পাইবার যোগ্য নহে। –  স্বামী বিবেকানন্দ

যদু মল্লিকের বাড়ি — সিংহবাহিনী সম্মুখে — ‘সমাধিমন্দিরে’ II Sri Ramakrishna Kothamrita

p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }a:link { }

Sri Ramakrishna
Sri Ramakrishna 

তব কথামৃতং

যদু মল্লিকের বাড়ি সিংহবাহিনী সম্মুখে — ‘সমাধিমন্দিরে’
অধরের বাটিতে অধর ঠাকুরকে ফলমূল মিষ্টান্নাদি দিয়া সেবা করিলেন। ঠাকুর বলিলেন, আজ যদু মল্লিকের বাড়ি যাইতে হইবে।
ঠাকুর যদু মল্লিকের বাটী আসিয়াছেন। আজ আষাঢ় কৃষ্ণ প্রতিপদ, রাত্রি জ্যোৎস্নাময়ী। যেঘরে ৺সিংহবাহিনীর নিত্যসেবা হইতেছে ঠাকুর সেই ঘরে ভক্তসঙ্গে উপস্থিত হইলেন। মা সচন্দন পুষ্প ও পুষ্পমালা দ্বারা অর্চিত হইয়া অপূর্ব শ্রী ধারণ করিয়াছেন। সম্মুখে পুরোহিত উপবিষ্ট। প্রতিমার সম্মুখে ঘরে আলো জ্বলিতেছে। সাঙ্গোপাঙ্গের মধ্যে একজনকে ঠাকুর টাকা দিয়া প্রণাম করিতে বলিলেন; কেননা ঠাকুরের কাছে আসিলে কিছু প্রণামী দিতে হয়।
ঠাকুর সিংহবাহিনীর সম্মুখে হাতজোড় করিয়া দাঁড়াইয়া আছেন। পশ্চাতে ভক্তগণ হাতজোড় করিয়া দাঁড়াইয়া আছেন।
ঠাকুর অনেকক্ষণ ধরিয়া দর্শন করিতেছেন।
কি আশ্চর্য, দর্শন করিতে করিতে একেবারে সমাধিস্থ। প্রস্তরমূর্তির ন্যায় নিস্তব্ধভাবে দণ্ডায়মান। নয়ন পলকশূন্য!
অনেকক্ষণ পরে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিলেন। সমাধি ভঙ্গ হইল। যেন নেশায় মাতোয়ারা হইয়া বলিতেছেন, মা, আসি গো!
কিন্তু চলিতে পারিতেছেন না সেই একভাবে দাঁড়াইয়া আছেন।
তখন রামলালকে বলিতেছেন — “তুমি ওইটি গাও তবে আমি ভাল হব।”
রামলাল গাহিতেছেন, ভুবন ভুলাইলি মা হরমোহিনী।
গান সমাপ্ত হইল।
এইবার ঠাকুর বৈঠকখানার দিকে আসিতেছেন ভক্তসঙ্গে। আসিবার সময় মাঝে একবার বলিতেছেন, মা, আমার হৃদয়ে থাক মা। শ্রীযুক্ত যদু মল্লিক স্বজনসঙ্গে বৈঠকখানায় বসিয়া। ঠাকুর ভাবেই আছেন, আসিয়া গাহিতেছেনগো আনন্দময়ী হয়ে আমায় নিরানন্দ করো না। গান সমাপ্ত হইলে আবার ভাবোন্মত্ত হইয়া যদুকে বলিতেছেন, “কি বাবু, কি গাইব? ‘মা আমি কি আটাশে ছেলে’ এই গানটি কি গাইব?” এই বলিয়া ঠাকুর গাহিতেছেন:
মা আমি কি আটাশে ছেলে।
আমি ভয় করিনে চোখ রাঙালে ৷৷
সম্পদ আমার ও রাঙাপদ শিব ধরেন যা হৃৎকমলে।
আমার বিষয় চাইতে গেলে বিড়ম্বনা কতই ছলে ৷৷
শিবের দলিল সই রেখেছি হৃদয়েতে তুলে।
এবার করব নালিশ নাথের আগে, ডিক্রি লর এক সওয়ালে ৷৷
জানাইব কেমন ছেলে মোকদ্দমায় দাঁড়াইলে।
যখন গুরুদত্ত দস্তাবিজ, গুজরাইব মিছিল চালে ৷৷
মায়েপোয়ে মোকদ্দমা, ধুম হবে রামপ্রসাদ বলে।
আমি ক্ষান্ত হব যখন আমায় শান্ত করে লবে কোলে ৷৷
ভাব একটু উপশম হইলে বলিতেছেন, “আমি মার প্রসাদ খাব।”
৺সিংহবাহিনীর প্রসাদ আনিয়া ঠাকুরকে দেওয়া হইল।
শ্রীযুক্ত যদু মল্লিক বসিয়া আছেন। কাছে কেদারায় কতকগুলি বন্ধুবান্ধব বসিয়াছেন; তন্মধ্যে কতকগুলি মোসাহেবও আছেন। যদু মল্লিকের দিকে সম্মুখ করিয়া ঠাকুর চেয়ারে বসিয়াছেন ও সহাস্যে কথা কহিতেছেন। ঠাকুরের সঙ্গী ভক্ত কেউ কেউ পাশের ঘরে, মাস্টার ও দুই একটি ভক্ত ঠাকুরের কাছে বসিয়াছেন।
শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — আচ্ছা, তুমি ভাঁড় রাখ কেন?
যদু (সহাস্যে) — ভাঁড় হলেই বা, তুমি উদ্ধার করবে না!

শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্য) — গঙ্গা মদের কুপোকে পারে না!

15 Aught II পনেরোই আগস্টের পরের দিন প্রতি বছর পনেরোই আগস্টের পরের দিন পাগলটাকে দেখা যায় এ গলিতে ও গলিতে , এ রাস্তায় ও রাস্তায় ,এ মোড়ে ও মোড়ে , ডাস্টবিনের পাশে ,নর্দমার ধারে।

p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }a:link { }

পনেরোই আগস্টের পরের দিন

প্রতি বছর পনেরোই আগস্টের পরের দিন পাগলটাকে দেখা যায় এ গলিতে ও গলিতে ,
এ রাস্তায় ও রাস্তায় ,এ মোড়ে ও মোড়ে ডাস্টবিনের পাশে ,নর্দমার ধারে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চষে বেড়ায়
শহরের এ কানা থেকে সে কানাকাঁধে বস্তা নিয়ে । সকালবেলা কৌতুহল বশে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তোমার নাম কী?  বলেছিল ক্ষুদিরাম । দুপুরে দেখলাম পোষ্ট অফিসের সামনে ,ডাস্টবিনে হাত ঢুকিয়ে কী সব খুঁজছে বললাম ,কী খুঁজছ ক্ষুদিরাম?  উত্তর দিলআমি ক্ষুদিরাম নই ,প্রফুল্ল চাকী। অবাক হলাম । বিকালে আবার দেখা বললাম, প্রফুল্ল চাকী চা খাবেও বলল আমার নাম কানাইলাল । এবার বিস্ময়। সন্ধের মুখে বড় রাস্তার মোড়ে জটলা দেখে থমকে দাঁড়ালাম। জিজ্ঞাসা করলাম ,কী হয়েছেভীড়ের থেকে একজন বললএকটা চোর ধরা পড়েছে। ভীড় ঠেলে এগিয়ে গিয়ে দেখলাম ল্যাম্প পোষ্টে বাঁধা সকালের ক্ষুদিরাম দুপুরের প্রফুল্ল চাকী বিকালের কানাইলাল। পাশে মাল বোঝাই বস্তাযা ছিল সকালে খালি। একজন বলল ,ঐ বস্তায় আছে চুরি করা জিনিস । খটকা লাগল ,জিজ্ঞাসা করলাম ,চুরি করেছও নির্বিকার, কোনো উত্তর দিল না। আমি বস্তার মুখের বাঁধন খুলে মাটিতে ঢেলে দিলাম বেরোল ছেঁড়া ,ফাটা ,দুমড়ানো ,মোচড়ানো,  প্লাস্টিকের ও কাগজের যত জাতীয় পতাকা । রাস্তা ,ডাস্টবিন ,নর্দমা থেকে কুড়িয়ে ভরেছে বস্তায় । মুহূর্তে ভীড় হল অদৃশ্য,
চোখ ভরা জল নিয়ে  বাঁধন খুলে দিলাম পাগলের। আমার মুখের দিকে তাকাল একবারতারপর মৃদুস্বরে বললযেন কেউ পা দিয়ে মাড়িয়ে না যায় তাইতারপর আবার পতাকা গুলো বস্তায় ভরে নিয়ে চলে গেল দূর থেকে দূরেআমি দাঁড়িয়ে রইলাম স্থানুর মতো অপার বিস্ময় আর যন্ত্রণা বুকে নিয়ে । এই পোষ্ট টায় লাইক চাই না আপনাদের কাছে একটাই অনুরধ যে জাতিয় পতাকা রাস্তায় পোরে থাকলে ওটা দেখে চোলে যাবেন নাজাতিয় পতাকা টাকে তুলে ভালো একটা নিদিষ্ট জাগায় রাখবেন…. 
সংগৃহীত

Mahasamadhi of Sri Sri Ramakrishna _ Swami Ramakrishnananda II শ্রীশ্রীঠাকুরের মহাসমাধি হয় ৩১ শে শ্রাবণ,১২৯৩ সাল৷(ইংরেজী ১৬ই আগস্ট,১৮৮৬ খ্রীস্টাব্দে, রাত্রি ১টা ৬মিনিটে)

Mahasamadhi of Sri Sri Ramakrishna
Mahasamadhi of Sri Sri Ramakrishna
 শ্রীশ্রীঠাকুরের মহাসমাধি হয় ৩১ শে শ্রাবণ,১২৯৩ সাল৷(ইংরেজী ১৬ই আগস্ট,১৮৮৬ খ্রীস্টাব্দে, রাত্রি ১টা ৬মিনিটে)
তিনি গত কয়েকদিন ধরে আমাদের বলছিলেন,সমুদ্রে যে জাহাজটি ভাসছিল  তার তিন ভাগের দু-ভাগ জলে ভরে গেছে এবং শিগগিরই বাকি অংশটুকু জলে ভরে যাবে ওজাহাজটি জলে তলিয়ে যাবে৷কিন্তু আমরা বিশ্বাস করিনি তিনি সত্যিসত্যিই চলে যাচ্ছেন৷ কখনোই মনে হোত না তিনি যন্ত্রনায় কাতর হয়েছেন৷ তিনি সর্বদা প্রফুল্ল থাকতেন৷ বলতেন ভালো আছেন ও সুখে আছেন, কেবল এইখানে(গলা দেখিয়ে) কি যেন একটি আছে৷
তিনি বলতেন, ” এর মধ্যে দুজন আছে, একজন জগন্মাতা, আর একজন তাঁর ভক্ত৷ ভক্তেরই অসুখ করেছে৷”
যখন ঠাকুর দেহরক্ষা করলেন, আমার মনে হয় সেইটেই তাঁর জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় মুহূর্ত৷
তাঁর মধ্যে দিয়ে যেন একটা আনন্দের শিহরণ বয়ে গেল৷
আমরা সবাই ভেবেছিলাম তিনি সমাধিস্থ হয়েছেন,আমরা প্রায় কুড়িজন একসঙ্গে “হরি ওম্, হরি ওম্”  বলে মন্ত্র উচ্চারণ করতে লাগলাম৷এইভাবে আমরা পরের দিন একটা-দুটো পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম৷কিন্তু ডাক্তার জোর দিয়ে বললেন যে তিনি দেহ রক্ষা করেছেন৷
বেলা পাঁচ টার সময় কাশীপুর থেকে শ্রীশ্রীঠাকুরের দিব্যদেহ সংকীর্তন করতে করতে বিপুল জনস্রোতের মধ্যে দিয়ে যেতে লাগল৷ খোল করতাল ও কীর্তনের শব্দে চতুর্দিক মাতোয়ারা হোল৷ত্রিশূল,ওঁকার, খোন্তা,ক্রুশ. ক্রেসেন্ট প্রভৃতি বিভিন্ন ধর্মের প্রতীক (symbols)নিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে শ্রীশ্রীঠাকুরের পুণ্যদেহ কাশীপুর শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হোল৷
খোল, করতাল ও কীর্তনের মধুর ধ্বনিতে শ্মশানঘাট প্রতিধ্বনিত হতে লাগল৷ সে এক অবর্ণনীয় দৃশ্য! শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের সন্তান ও ভক্তগণ শেষবারের মতো শ্রীশ্রীঠাকুরের দিব্যশরীর নিরীক্ষণ করে শ্রদ্ধাচিত্তে প্রণাম ও স্তব পাঠ করতে লাগল৷
           স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ

SWAMI ATMASTHANANDAJI MAHARAJ GAVE INITIATION TO DEVOTEES FOR THE FIRST TIME

JANMASHTAMI : 25TH AUGUST 1997, MAYER BARI AT  BAGHBAZAR : MOST REVERED 15TH PRESIDENT SWAMI ATMASTHANANDAJI MAHARAJ GAVE INITIATION  TO DEVOTEES FOR THE FIRST TIME , AFTER BECOMING THE VICE PRESIDENT OF THE ORDER ON 22ND MAY 1997 ( BUDDHA PURNIMA) AT HOLY MOTHER’S ROOM .PRANAMS AT THE LOTUS FEET OF MOST REVERED GURUDEV MAHARAJ ON THIS AUSPICIOUS JANMASHTAMI !!
Design a site like this with WordPress.com
Get started