স্বামী বিবেকানন্দ
সেই ছেঁড়া কাঁথা, সকলে …চিন্তা জাতি আমাদের দেশের শতকরা নব্বই জনই অশিক্ষিত
স্বামী বিবেকানন্দ
SRI RAMAKRISHNA TODAY
p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }
সালটা ২০০৮। সেই থেকে মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে দরিদ্র মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন তামিলনাড়ুর বাসিন্দা ভেঙ্কটরমন৷ তামিলনাড়ুর ইরড জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন তাঁর ছোট্ট খাবারের দোকান এখন রেস্তোরাঁ। ১ টাকার কুপনে খাবারের মান বা পরিমাণ কিন্তু আর পাঁচটা সাধারণ রেস্তোরাঁর মতোই। ভেঙ্কটরমন জানান, সাধারণ রেস্তোরাঁয় যে খাবারের দাম ৫০–৬০ টাকা, সেই একই খাবার তিনি ১ টাকার কুপনে দরিদ্র মানুষের মুখে তুলে দিচ্ছেন শেষ প্রায় ৯ বছর ধরে। দিনে ২০টি কুপন দিয়ে শুরু করে বর্তমানে তিনি দিনে এমন ৭০টি কুপন বিলি করেন। সবটা নিজের হাতে করা সম্ভব নয়। তাই এ ক্ষেত্রে ইরড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে এই কুপন বিলির দায়িত্ব নেয়।
১ টাকার কুপন দিচ্ছেন ভেঙ্কটরমন।। কী ভাবে বছরের পর বছর এই কাজ করে চলেছেন ভেঙ্কট?
কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অনুদানের টাকায় নয়, নিজের গাঁটের কড়ি খসিয়েই গত ৯ বছর ধরে দরিদ্র মানুষের সেবা করে আসছেন ভেঙ্কট। পাশে অবশ্য পেয়েছেন তাঁর রেস্তোরাঁর ক্রেতাদের। এমন অনেক ক্রেতাই রয়েছেন, যাঁরা বিলের চেয়ে কিছু অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে যান ভেঙ্কটকে। অথচ তাঁর নিজেরই অভাবের সংসার। টাকার অভাবে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে আর লেখাপড়ার বিশেষ সুযোগ পাননি তিনি। ভেঙ্কটরমনের স্ত্রী একটি সংস্থায় যোগার প্রশিক্ষক। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। ছোট মেয়েকে কলেজে ভর্তি করার সময় টাকার অভাবে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাঁকে। অনেক জায়গায় সাহায্য চেয়েও মেয়ের কলেজে ভর্তির প্রয়োজনীয় টাকা যখন জোগাড় করতে পারেছেন না, তখন তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে রামকৃষ্ণ মঠ। মঠের পক্ষ থেকেই ভেঙ্কটরমনের মেয়ের ভর্তির সব খরচের দায়িত্ব নেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর ছেলে বর্তমানে ভারতীয় রেলের কর্মী। তাঁর রেস্তোরাঁর ব্যবসায় লাভ একেবারে নামমাত্র। সংসারে অভাব অনটন মাঝে মধ্যেই মাথা চাড়া দেয়। তাও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে খুশি ভেঙ্কটরমন। ভবিষ্যতে ৭০টি কুপন বাড়িয়ে ১০০টি করার ইচ্ছেও রয়েছে তাঁর। কাজটা কঠিন হলেও এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে প্রস্তুত তিনি।
Sri Sarada Devi And Her Divine Play – Swami Chetanananda
Chapter 34: Return To Her True Abode
Sarajubala’s Reminiscences : p. 735-736
Holy Mother was very fond of and free with Sarajubala. She Visited Holy Mother five times during her last illness, and she recorded these visits in her reminiscences. Here we reproduce some excerpts:
24 March 1920:
![]() |
| Swami Chetanananda |
Holy Mother was extremely unwell, having been in the grip of malarial fever for a long time. I prostrated myself before her, and she blessed me by placing her hand on my head. She asked me how I was. I offered her a little money for her expenses, and she accepted it. At the sight of her emaciated body, I lost all power of speech. I looked at her face wistfully and thought, “Alas, how pale and weak her body is.”
The Mother was so weak that she felt it painful even to utter a word. I was seated on the floor. In the meantime, Rasbihari Maharaj came up and asked me not to talk much with her; but the Mother now and then asked me about various things. I gave her short replies.
30 March 1920:
I went to pay my respects to Holy Mother after five or six days. She had had no fever for the previous two or three days, but she was much worried on account of Radhu and her incapacity to look after her little child. The Mother lay down on her bed and asked me to rub her feet. While rubbing them, I asked her whether I could speak to her about something and if it would inconvenience her. The Mother said: “No, not at all. Say what you want to.”
I told her about some experiences I had had, and at this the Mother remarked: “Ah, my daughter, can one experience such bliss every day? Everything is real. Nothing is untrue. The Master is all he is Prakriti, he is Purusha. Through him you will achieve everything.”
I: “Mother, one day while doing japa with great concentration, a long period of time passed quite unobserved. I therefore had to get up and attend to my household duties without carrying out the other items of Spiritual practices that you had instructed me to do. Was it wrong on my part to have done so?”
Mother: “No, no. There is nothing wrong in it.”
I: “Someone told me that while meditating at dead of night, he hears a mystic sound. Generally he experiences it as coming from the right side of the body; sometimes, when the mind is working on a lower plane, it comes also from the left side.”
Mother (after thinking a while): “Indeed, the sound comes from the right side. Only when there is body-consciousness does it come from the left side. Such things happen when the power of the kundalini is awakened. The sound that comes from the right side is the real one. In time, the mind itself becomes the guru. To pray to God and meditate on God for even two minutes with full concentration is better than doing so for long hours without it.”
I did not feel inclined to question the Mother on the significance of body-consciousness, for the Mother was not doing well.
I was about to leave. Instantly the Mother raised her head from the pillow and said, “Well, my daughter, I have raised my head.” She did so because it is not the custom for a devotee to bow down to one lying down. When I bowed down, she said: “Come again. Come a little earlier in the evening. Can’t you finish your household duties a little earlier and come?”
Then, uttering the name of Durga as a prayer for my safety, she bade me adieu. Even after I had come to the veranda, I heard her uttering the name of Durga in a compassionate tone. What unbounded love! So long as we were with her, we forgot all the sorrows and suffering of worldly life.
Jai Maa 🙏🙏🙏
প্রায় আজ হতে তিরিশ বছর আগেকার ঘটনা । উত্তরপ্রদেশের কোনো আশ্রমে এক নবীন ব্রহ্মচারী আছেন । শীতের রাত । অন্ধকার চারিদিকে। ব্রহ্মচারীর ঘরের জানালা খোলা । শুয়ে আছেন বিছানায় । হঠাৎ দেখেন জানলার বাইরে একগুচ্ছ কুন্ডলীপাকানো ধোঁয়া ক্রমশ এগিয়ে আসছে জানলা দিয়ে , ধেয়ে আসছে এক ভয়ংকর নারীমূর্তি ।
ব্রহ্মচারী ভীত । পাশের টেবিলে রাখা ছিল শ্রীশ্রীমায়ের ছবি । ব্রহ্মচারী ‘ মাগো ‘ বলে টেবিল থেকে শ্রীশ্রীমায়ের ছবিটা বুকে নিয়ে রাখলেন― সঙ্গে সঙ্গে সংজ্ঞাহীন । তারপরে আর কিছু মনে নেই ।
সকাল হল―জানলা দিয়ে রোদ এল ঘরে , ঘুম ভাঙল তাঁর । কিন্তু গতরাতের ঘটনা প্রচন্ডভাবে নাড়া দিল তাঁকে । তবে তাঁর অনুভব হল―তিনি বেঁচে গেছেন শ্রীশ্রীমায়ের কৃপায় । এক অশরীরী প্রেতাত্মা বা অন্যকিছু হতে শ্রীশ্রীমাই রক্ষা করেছেন তাঁকে । শ্রীশ্রীমার কৃপা অনুভবে ব্রহ্মচারীর জীবন সার্থক ।
এই ঘটনার পরে সেই ব্রহ্মচারী পূর্বাশ্রমে গেছেন নিজ জননীকে দেখতে এবং জানতে পারেন যে , ব্রহ্মচারী হওয়া তাঁর বাড়ির লোকেদের মত ছিল না । তাঁর বাড়ির একজন তান্ত্রিকের সাহায্য নিয়েছিলেন ব্রহ্মচারীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে ।তান্ত্রিক মন্ত্রযোগের মাধ্যমে এক অশরীরী নারীমূর্তি সৃষ্টি করেছিলেন – তাঁর কাজ ছিল , কানপুরে গিয়ে ব্রহ্মচারীকে পাগল করে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা । কানপুরে সেই অশরীরীও গিয়েছিল । কিন্তু শ্রীশ্রীমায়ের শক্তির কাছে হার মানতে বাধ্য হয়েছিল ।সেই অশরীরী তান্ত্রিকের কাছে ফিরে এসে বলেছিল যে ওই ব্রহ্মচারীকে রক্ষা করছেন এক মহাশক্তিধর দেবী ।তাঁর কাছে যাওয়া একেবারে অসম্ভব ।তাই আমি পরাজিত । তান্ত্রিকের কার্যকলাপ ও কানপুরে ঘটা ঘটনার তারিখ এক ―ব্রহ্মচারী মিলিয়ে দেখলেন ।
![]() |
| স্বামী বিমলাত্মানন্দ মহারাজ |
ঘটনার বিশ্লেষণে আমাদের যুগপৎ বিস্ময় —এই বর্তমান বৈজ্ঞানিক যুগে তন্ত্র মন্ত্রের শক্তি এখনও জীবন্ত ; শ্রীশ্রীমায়ের দৈবী প্রভাব – মহাশক্তিধর তিনি ।
যে সন্তান তাঁর আশ্রয়ে থাকেন বা তাঁর আশ্রয় নেন ,শ্রীশ্রীমা সর্বদা তাঁর সন্তানকে কৃপা করে রক্ষা করেন । শ্রীশ্রীমায়ের কৃপা এমনিধারায় আজ ও প্রবাহিত ।
” কৃপাং কুরু মহাদেবী সুতেষু প্রণতেষু চ ।
চরণাশ্রয়দানেন কৃপাময়ী নমোহস্তুতে ।। “
🌷জয় মা 🌷
স্বামী বিমলাত্মানন্দ মহারাজ
*******************************************
বাসে উঠে একটি খালি সিট পেলাম। জানালার পাশে, আমি বসলাম ।
আর পাশের সিটটি খালি !
একটু পরেই দেখি ১৮/২০ বয়সী একটি সুন্দরী মেয়ে উঠলো । মেয়েটিকে এক নজর দেখলেই
বোঝা যায় খুবই ভদ্র ও অবস্থা সম্পন্ন ঘরের মেয়ে। এদিক ওদিক সিট খুঁজে না পেয়ে শেষে আমার পাশে এসে বসলো। হাতে একটি মোবাইল। দেখে বোঝা যায় অনেক দামী মোবাইল। কিছুদূর যাবার পর বাস জ্যামে থামলো। মেয়েটি বলে উঠলো, অসহ্য জ্যাম ! আমিও হুম বলে সম্মতি জানালাম । এরপর টুকটাক কথা হতে লাগলো । বাসও চলতে শুরু করলো ! কথায় কথায় জানলাম, মেয়েটি ইংরেজিতে অনার্স করছে। খুবই ফ্রী ভাবে কথা বলছিলাম আমরা !
কিছুদূর যাবার পর আবারও জ্যামে পড়লো বাস। বিরক্তিকর জ্যাম ! জ্যামের মধ্যেই বাসে উঠলো সাদা শার্ট পড়া কালো চেহারার মধ্যে বয়সী এক ভদ্রলোক।
পরনে তার পুরনো পুরোনো একটি শার্ট ! ময়লা হয়ে আছে।
তার হাতে অনেক গুলো বই। কাধে লাল রঙের একটি ব্যাগ।
লোকটি সাধারণ জ্ঞান,পৃথিবীর অজানা কথা,ইংরেজি শেখ এরকম শিক্ষণীয় নানাধরণের বই বিক্রি করছে !
লোকটি অনেকক্ষণ যাবৎ, বইতে কি কি
গুরুত্বপূর্ণ আছে তা বর্ননা করলো। কিন্তু বাসের কেউ একটি বইও কিনলো না ! আমার খুব খারাপ লাগলো।
ইচ্ছে করছিল লোকটিকে কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য করি ! কিন্তু, লোকটিকে টাকা দিতে
চাইলে যদি কিছু মনে করে। তাই দিলাম না ! একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম, লোকটি বাসে ওঠার পর থেকে
মেয়েটি আমার সাথে একটি কথাও বলেনি। মাথা নিচু করে মোবাইল দেখছিল ! বাড়িতে ঐরূপ বই থাকা সত্বেও শুধু মাত্র লোকটিকে সাহায্য করার ইচ্ছায় বিশ টাকা দিয়ে দুইটি বই কিনলাম। লোকটিকে পঞ্চাশ টাকার নোট দিলে সে
ত্রিশ টাকা ফেরত দিল ! টাকা ফেরত দেবার পরেও দেখি
সে পকেট থেকে আরও টাকা বের করছে একটি একশ টাকার নোট আর কয়েকটা দশ টাকার নোট !
আমার দিকে এগিয়ে ধরলো ! আমি তো অবাক। আমাকে টাকা দেবেন কেন উনি ?
আমার ভুল ভাঙলো তার ডাক শুনে ! তিনি আমাকে না মেয়েটিকে টাকা দিচ্ছেন ! তিনি বললেন,
‘সোমা টাকাটা রাখো । কিছু কিনে খেয়ে নিও! তোমার মা বললো,তুমি সকালে না খেয়েই বাড়ি থেকে বেড়িয়েছো।
মেয়েটি লজ্জায় মরে যাচ্ছিল। সে অত্যন্ত রেগে লোকটার দিকে তাকালো ! বললো,লাগবে না ! লোকটি জোর করে টাকা গুলো তার হাতে দিয়ে বাস থেকে নেমে গেল ! মেয়েটির দিকে তাকানো যাচ্ছিল না ! রেগে টং হয়ে আছে ! আমি কৌতুহল সামলাতে পারলাম না। জিজ্ঞেস করলাম, আপনাকে টাকা দিল উনি কে ? মেয়েটা বললো, আমাদের বাড়ির পাশে থাকে !
আমি বললাম, কিছু মনে করবেন না। একটা কথা বলি, উনি কি আপনার বাবা ?
মেয়েটি রেগে তাকালো আমার দিকে ! জবাব দিলো না ! এমন ভাব করলো যেন আমি মহা অপরাধ করে ফেলেছি ! আমি বুঝতে পারলাম তার রাগের কারন। তার বাবা একজন ভ্রাম্যমাণ হকার।
বাসে বাসে ঘুরে বই বিক্রি করে। আর সে দামী পোশাক পড়ে কলেজে বা দরকারি কাজে এদিক সেদিক যায় ! সে একজন শিক্ষিত মানুষ ! এজন্য সে বাবার পরিচয় দিতে লজ্জা পায় ! এই ময়লা শার্ট পড়া লোকটিকে বাবা
বলে স্বীকার করাটাকে সে ঘৃনার চোখে দেখে !
সে চায় না পৃথিবীর কেউ জানুক এই হকার তার বাবা ! কত বড় বিবেক সম্পন্ন মানুষ সে ! যে লোকটি রাত দিন পরিশ্রম করে বাসে বাসে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বই
বিক্রি করে মেয়েটিকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলছে। তাকে লেখাপড়া শেখাচ্ছে। নিজে কয়েক বছরের পুরনো একটা শার্ট পড়ে অথচ মেয়েটিকে দামী পোশাক, ব্যাগ, দামী মোবাইল কিনে দিয়ে তার সমস্ত চাওয়া পূরন করেছেন।
সেই মানুষটিকে বাবা বলে পরিচয় দিতে লজ্জা করছে মেয়েটির ! কত বড় নির্লজ্জ ! যে মানুষটা
তাকে লালন পালন করে এত বড় করলো, যারটা খেয়ে বেঁচে আছে তাকে বাবা বলে পরিচয় দিতে সমস্যা !
মেয়েটি হয়তো শিক্ষিত হচ্ছে, কিন্তু তার ভেতরে
বিবেক ও মানুষত্ব তৈরি হয়নি ! হকার লোকটির প্রতি শ্রদ্ধায় মনটা ভরে উঠলো ! লোকটা হাজার কষ্টের
মাঝেও পরম মমতায় নিজের মেয়েটিকে উচ্চশিক্ষিত করে তুলছেন ! আদর্শ বাবা মনে হয় একেই বলে।
যেই শিক্ষা আমাদের মধ্যে বিবেক ও মনুষত্ব তৈরী করেনা, কি লাভ সেই শিক্ষা গ্রহন করে ?
*१*) वेटिंग लिस्ट का झंझट खत्म हो जाएगा। रेलवे की ओर से चलाई जाने वाली सुविधा ट्रेनों में यात्रियों को कन्फर्म टिकट की सुविधा दी जाएगी।
*२*) 1 जुलाई से तत्काल टिकट कैंसिल करने पर 50 फीसदी राशी वापस किए जाएंगे।
*३*) 1 जुलाई से तत्काल टिकट के नियमों में बदलाव हुआ है। सुबह 10 से 11 बजे तक एसी कोच के लिए टिकट बुकिंग होगी जबकि 11 से 12 बजे तक स्लीपर कोच की बुकिंग होगी।
*४*) 1 जुलाई से राजधानी और शताब्दी ट्रेनों में पेपरलेस टिकटिंग की सुविधा शुरु हो रही हैं। इस सुविधा के बाद शताब्दी और राजधानी ट्रेनों में पेपर वाली टिकट नहीं मिलेगी, बल्कि आपके मोबाईल पर टिकट भेजा जाएगा।
*५*) जल्द ही रेलवे अगल–अगल भाषाओं में टिकटिंग की सुविधा शुरु होने जा रही हैं। अभी तक रेलवे में हिंदी और अंग्रेजी में टिकट मिलती है, लेकिन नई वेबसाइट के बाद अब अलग–अगल भाषाओं में टिकट की बुकिंग की जा सकेगी।
*६*) रेलवे में टिकट के लिए हमेशा से मारामारी होती रहती है। ऐसे में 1 जुलाई से शताब्दी और राजधानी ट्रेनों में कोचों की संख्या बढ़ाई जाएगी।
*७*) भीड़भाड़ के दिनों में रेलगाड़ी में बेहतर सुविधा देने के लिए वैकल्पित रेलगाड़ी समायोजन प्रणाली, सुविधा ट्रेन शुरु करने और महत्वपूर्ण ट्रेनों की डुप्लीकेट गाड़ी चलाने की योजना है।
*८*) रेल मंत्रालय ने 1 जुलाई से राजधानी, शताब्दी, दुरंतो और मेल–एक्सप्रेस ट्रेनों के तर्ज पर सुविधा ट्रेन चलाई जाएगी।
*९*) 1 जुलाई से रेलवे प्रीमियम ट्रेनों को पूरी तरह से बंद करने जा रहा है।
*१०*) सुविधा ट्रेनों में टिकट वापसी पर 50 फीसदी किराए की वापसी होगी। इसके अलावा एसी-2 पर 100 रुपए, एसी-3 पर 90 रुपए, स्लीपर पर 60 रुपए प्रति यात्री कटेंगे।
जन हित में जारी
� *ट्रेन में बेफिक्र होकर सोएं*, डेस्टिनेशन स्टेशन आने पर जगा देगा रेलवे….
आपको 139 पर फोन कर वेकअप कॉल–डेस्टिनेशन अलर्ट सुविधा अपने पीएनआर पर एक्टिवेट करवाना होगी l
ट्रेन में रात के समय सफर करने वाले यात्रियों को डेस्टिनेशन स्टेशन आने से पहले रेलवे ने वेकअप कॉल–डेस्टिनेशन अलर्ट सुविधा शुरू कर दी है।
➡ *क्या है डेस्टिनेशन अलर्ट*
> इस सुविधा को *डेस्टिनेशन अलर्ट* नाम दिया गया है।
> सुविधा को एक्टिवेट करने पर डेस्टिनेशन स्टेशन आने से पहले ही मोबाइल पर अलार्म बजेगा।
> सुविधा को एक्टिवेट करने के लिए
*अलर्ट* टाइप करने के बाद
*पीएनआर नंबर* टाइप करना होगा
और 139 पर सेंड करना होगा।
> 139 पर *कॉल करना होगा*।
कॉल करने के बाद भाषा चुने
और फिर 7 डायल करें।
*7 डायल करने के बाद पीएनआर नंबर डायल करना होगा*। इसके बाद यह सेवा एक्टिवेट हो जाएगी
> इस सुविधा को *वेकअप कॉल* नाम दिया गया है।
➡ रिसीव होने तक बजेगी मोबाइल की घंटी
🔺इस सेवा को एक्टिवेट करने पर स्टेशन आने से पहले मोबाइल की घंटी बजेगी।
यह घंटी तब–तक बजती रहेगी, जब तक आप फोन रिसीव नहीं करेंगे। फोन रिसीव होने पर यात्री को सूचित किया जाएगा कि स्टेशन आने वाला है।
कृपया यह संदेश सभी को भेज दें।
*”ওঁ যথাগ্নের্দাহিকা শক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা হি যা।*
*সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমাম্যহম।।“*
*।।জন্মজন্মান্তরের মা।।*
*যা দেবী সা সারদা*
– স্বামী চেতনানন্দ।
ঠাকুরের দেহত্যাগের পর মা কামারপুকুরে এক বছর ছিলেন। ওই কালে বিকৃত–মস্তিষ্ক হরিশ একদিন মায়ের পিছু নেয়। মা ধানের গোলার চারদিকে সাতবার ঘুরে ক্লান্ত হয়ে পড়লেন।
তাঁর আত্মকথা : “তখন… নিজ মূর্তি ধরে দাঁড়ালুম। তারপর ওর বুকে হাঁটু দিয়ে জিব টেনে ধরে, গালে এমন চড় মারতে লাগলুম যে, ও হেঁ হেঁ করে হাঁপাতে লাগল। আমার হাতের আঙ্গুল লাল হয়ে গিছল।“
শ্রীমা ‘নিজ মূর্তি‘ শব্দটি কোন অর্থে প্রয়োগ করেছিলেন, এখন তা নিশ্চয় করা দুঃসাধ্য। তবে জীবনীকারদের মতে তিনি বগলামূর্তিতে হরিশের কুপ্রবৃত্তিকে কঠোরহস্তে দমন করেছিলেন।
সুরেন্দ্রনাথ সেন স্বামী বিবেকানন্দের কাছে দীক্ষার জন্য যান। স্বামীজী তাঁকে দীক্ষা না দিয়ে বলেন, “ঠাকুর বললেন, আমি তোর গুরু নই। তিনি দেখিয়ে দিলেন, তোকে যিনি দীক্ষা দেবেন তিনি আমার চাইতেও বড়।“
সুরেন্দ্র সেন মর্মাহত হলেন। কিছুকাল পরে তিনি এক রাত্রে স্বপ্ন দেখেন যে, একটি উজ্জ্বল দেবীমূর্তি তাঁকে বলছেন, “একটি মন্ত্র নাও। আমি সরস্বতী।“
সুরেন্দ্র সেন পরবর্তী কালে জয়রামবাটীতে মায়ের কাছে দীক্ষা নেন। মার দেওয়া মন্ত্র শুনে তাঁর স্বপ্ন–দীক্ষার কথা মনে জেগে উঠল এবং বিস্ময়ে দেখলেন যে তাঁর স্বপ্নদৃষ্ট দেবীমূর্তি ও মায়ের মূর্তি এক।
১৯১২ সালে শ্রীমা মঠে দুর্গাপূজা দেখতে যান। দেবীর বোধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মায়ের গাড়ি মঠে পৌঁছাল। গোলাপ–মা মাকে হাত ধরে গাড়ি থেকে নামালেন।
নামবার পরেই সমস্ত দেখে মা বললেন, “সব ফিটফাট, আমরা যেন সেজেগুজে মা দুর্গাঠাকরুন এলুম।” স্বামীজীর ভাষায় মা সত্যি ছিলেন ‘জ্যান্ত দুর্গা‘।
কোয়ালপাড়ার হরিপদ মাঝি তাঁদের কুলগুরুর কাছে দীক্ষা পান। শ্রীমা তাঁকে খুব স্নেহ করতেন। একদিন মা তাঁকে বললেন, “তোমার ইষ্টমন্ত্রটি উচ্চারণ করে শুনাও তো আমাকে।“
হরিপদ অসঙ্কোচে মায়ের আদেশ পালন করা মাত্র – সম্মুখে দাঁড়ানো দেবী সারদাকে দর্শন করলেন অশেষ মহিমান্বিত শ্রীদুর্গারূপে। ইষ্টসাক্ষাৎকার অমন আচম্বিতে হওয়ামাত্র তিনি মায়ের শ্রীপদে আত্মসমর্পণ করেন।
এখন চন্ডীর আলোকে আমরা মা সারদার দেবী রূপ দেখার চেষ্টা করব।
চন্ডীর পঞ্চম অধ্যায়ে দেবগণ শুম্ভ–নিশুম্ভকে (অহং ও মম–র প্রতীক) বধের জন্য দেবীর স্তুতি শুরু করলেন। গ্রন্থের ১৪ থেকে ৮০ মন্ত্রে ২৩টি রূপ বর্ণিত হয়েছে।
আমাদের দেশে আবালবৃদ্ধ–বনিতার মুখে ‘যা দেবী সর্বভূতেষু… নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ‘ শোনা যায়।
প্রথম ‘নমস্তস্যৈ‘ পদের দ্বারা মায়ের কারণাতীত তুরীয় প্রকৃতিকে প্রণাম করা হয়েছে।
এতবার প্রণামের উদ্দেশ্য কী? শাস্ত্র বলেন, অহংকারই মূল অসুর। এই অসুর মারার একমাত্র অস্ত্র আছে ‘নমঃ‘, অর্থাৎ ‘ন মম‘ – আমার নয়। মা, সব তোমার। এইভাবে অহংবোধ নস্যাৎ করলে মা আবির্ভূতা হন। এই প্রণাম মন্ত্রের দ্বারা সন্তুষ্ট হয়ে দেবী দেবগণের সম্মুখে নিজরূপে প্রকটিত হলেন।
*”জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণং জগদ্গুরুম্।*
*পাদপদ্মে তয়ো শ্রিত্বা প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ।।
অনেক পুরান কথা, এক শেঠের কাছে এক ব্যক্তি কাজ করত।
বঙ্গানুবাদ করঃ
“অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ।।“
হ্যাংলার অনুবাদ :
“তিমি মাছ রান্না করতে গিয়ে কেউ যদি অজ্ঞান হয়ে যায়, তবে জ্ঞান আনার জন্য প্রথমে শলাকা দিয়ে খোঁচা দিতে হবে। তাতেও চোখ না মেললে, মিছরি আর গুড়ের মধ্যে টস করে যেটা বেরোবে তাই দিয়ে ঠাকুর নমো করতে হবে “!
পরেরটাও বঙ্গানুবাদ :
“কর্মণ্যেবাধিকারস্যে মা ফলেষু কদাচন“
হ্যাংলার উত্তর –
“বোধকরি রাধিকা রাস্তায় ফল বেচছে“!
খাতা দেখার পর পণ্ডিতমশাই ক্লাসে এসে হ্যাংলাকে ডেকে বললেন, “তোকে কটা প্রশ্ন করবো। ঠিকঠাক উত্তর না দিবি ! আচ্ছা, এটার মানে বল –
বহুনি মে ব্যতিতানি, জন্মানি তব চার্জুন“
হ্যাংলা অত্যন্ত সপ্রতিভ জবাব –
“বৌমার বেশ কয়টি বাচ্চা হয়েছে, সব ক‘টির জন্মই চার জুন “!
পণ্ডিতমশাই খুব রেগে গিয়ে আবার অর্থ জিজ্ঞেস করলেন–
“তমসো মা জ্যোতির্গময়“
হ্যাংলা – “তুমি শুয়ে পড়ো মা, আমি জ্যোতির সঙ্গে দেখা করে আসি“!
পণ্ডিতমশাই আরও রেগে বললেন – “গর্ধব কোথাকার, পড়াশোনা না করে চরতে যা। আচ্ছা এর মানে বল তো দেখি –
দক্ষিণে লক্ষ্মণোযস্য বামে তু জনকাত্মজা“।
হ্যাংলা – “দক্ষিণে দাঁড়িয়ে লক্ষ্মণ বললো, জনক আজকাল তুই ভালোই মজায় আছিস দেখছি“!
পণ্ডিতমশাইয়ের গলায় এবার হতাশা –
“দেখি এটা বলতে পারিস কিনা–
হে পার্থ, ত্বয়া চাপি মম চাপি•••“
হ্যাংলা– “মহাভারতের যুদ্ধে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বললেন•••“
পণ্ডিতমশাই এতক্ষণে একটু উৎসাহ পেলেন –
“হ্যাঁ, হ্যাঁ, কি বললেন ?”
হ্যাংলা – “ভগবান বললেন, অর্জুন তুই চা খেয়ে নে, আমিও চা খেয়ে নি, তারপর যুদ্ধ করবো।“
পণ্ডিতমশাই জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন….