পায়ের ট্যান দূর করতে রান্নাঘরের এই দুটো উপকরণই যথেষ্ট II ট্যান দূর করতে বেকিং সোডা ও দুধ



গরম কালে রোদে পুড়ে পায়ের পাতা কালো হয়ে গিয়ে দেখতে খুবই খারাপ লাগে। আবার গরমের কারণে সব সময় পা ঢাকা জুতো পরে বেরনোও সম্ভব নয়। বর্ষা আসছে। পা চুলকানি, ফাটা, নোংরা থেকে থেকে ফাংগাল ইনফেকশনের সমস্যাতেও ভোগেন অনেকে। বার বার পার্লারে গিয়ে পেডিকিওর না করে রান্নাঘরে থাকা এই উপকরণ দিয়েই নিয়মিত যত্ন নিতে পারেন পায়ের।

ট্যান দূর করতে বেকিং সোডা ও দুধ

  1. বেকিং সোডা: ৩-1/2 টেবল চামচ
  2. দুধ: ৪-5 কাপ

দুধ গরম করে বেকিং সোডা মেশান। ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে ছোট গামলায় ঢালুন। পা ডুবিয়ে বসে থাকুন ১০ মিনিট। ঠান্ডা জলে পা ধুয়ে ফেলুন।
এই মিশ্রণ ট্যান দূর করে পায়ের ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনবে।

যদি পা ফাটা থাকে তা হলে আপনার কাজে আসবে লেবু, নুন, গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্ক

  1. নুন: ১-1/2 টেবল চামচ
  2. লেবুর রস: ১/২ কাপ
  3. গ্লিসারিন: ২-1/2 টেবল চামচ
  4. গোলাপ জল: 2-3 চা চামচ
  5. গরম জল পিউমিক স্টোন বা ফুট স্ক্রাবার

গরম জলের বেসিনে কাঁচা নুন, 10-15 ফোঁটা লেবুর রস, ১-1/2 টেবল চামচ গ্লিসারিন ও ১-1/2 চা চামচ গোলাপ জল মেশান। এই মিশ্রণে 20-25 মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পিউমিক স্টোন বা ফুট স্ক্রাবার দিয়ে ভাল করে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন। যদি খুব বেশি পা ফাটার বা শুষ্ক হয়ে গিয়ে চাম়ড়া ওঠার সমস্যা থাকে তা হলে ১-1/2 চা চামচ গ্লিসারিন, ১-1/2 চা চামচ গোলাপ জল, ১-1/2 চা চামচ লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন। রাতে শোওয়ার আগে এই মিশ্রণ গোড়ালিতে লাগান। চটচটে মিশ্রণ বিছানায় লেগে যেতে পারে। তাই পাতলা সুতির মোজা পরে নিতে পারেন। সকালে উঠে হালকা গরম জলে পা ধুয়ে ফেলুন।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({}); //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

সকালে ঘুম থেকে উঠে দুর্বল লাগা, রাতে ঘুমের সমস্যা, গা গোলানো প্রেগন্যান্সিতে এগুলো খুবই সাধারণ সমস্যা। ii This is a very common problem in sleep in the morning, weakness in the night, sleep problems, and Pregnancy of sleeping.

সকালে ঘুম থেকে উঠে দুর্বল লাগা, রাতে ঘুমের সমস্যা, গা গোলানো প্রেগন্যান্সিতে এগুলো খুবই সাধারণ সমস্যা।


This is a very common problem in sleep in the morning, weakness in the night, sleep problems, and Pregnancy of sleeping.

Vomiting of Pregnancy
Vomiting of Pregnancy



এই সমস্যাগুলো যতই ভোগান্তি দিক না কেন চিকিত্সকরা কিন্তু জানাচ্ছেন, এই মর্নিং সিকনেস আসলে হেলদি প্রেগন্যান্সির লক্ষণ।

The medical specialists, however, tell as much of these problems as they are suffering, this morning sickness is actually a sign of Hellie Pregnancy.

The Hospital for Sik Cylindren in Toronto (টরন্টোর দ্য হসপিটাল ফর সিক চিলন্ড্রেন)-এর চিকিত্সক Dr.Gideom Karen (জিডেওম কোরেন)  জানাচ্ছেন, ৮৫ শতাংশ মহিলাই প্রেগন্যান্সির সময় Morning Sequence (মর্নিং সিকনেসের) সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে সমস্যা তেমন গুরুতর না হলেও অনেকের ক্ষেত্রে আবার এই সমস্যা বেশ কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়ায়। এই সময় ডায়েট, সুস্থতার দিকে যতই নজর দিন না কেন মর্নিং সিকনেসের সমস্যা থেকেই যায়। কারণ এই সময় নিজস্ব প্রক্রিয়ায় প্লাসেন্টার মাধ্যমে গোনাডোট্রপিন হরমোন ক্ষরণের সাহায্যে শরীর নিজেকে টক্সিনমুক্ত করে। যা না হলে ইনফেকশন ও অন্যান্য জটিলতা দেখা দিত।

Dr. Gideom Karen, a doctor of the Hospital for Siklindren in Toronto, says: “85 percent of women suffer from Morning Sequence problems during Pregnancy.” In some cases, the problem is not very serious, but in many cases, this problem becomes very painful. At this time, the diet is not as good as the melting sickness problem. Because at this time the body itself releases toxin with the help of gonadotropin hormone transplantation through placentre in its own process. If not, the infection and other complications would have been found.

এনভিপি Nosia and Vomiting of Pregnancy (নসিয়া অ্যান্ড ভমিটিং অব প্রেগন্যান্সি) শীর্ষক গবেষণাপত্রে Dr.Gideom Karen  জানিয়েছেন, 
Dr. Gideom Karen said in a paper entitled NVP Nosia and Vomiting of Pregnancy 

  1. অবাঞ্ছিত গর্ভপাত, Unwanted abortion,
  2. জন্মগত শারীরিক ত্রুটি, Birth defects,
  3. প্রিম্যাচিও বার্থ, Primaccio Bayreuth,
  4. জন্মের সময় ওজন কম থাকা Weight loss during birth


 ও পরবর্তীকালে হওয়া বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সঙ্গে এনভিপি-র যোগ রয়েছে। এই গবেষণাতেই কোরেন দেখিয়েছেন, যে মায়েরা গর্ভাবস্থায় নিয়মিত NVP(এনভিপি)-র সমস্যায় ভুগেছেন তারা সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। ভাল স্বাস্থ্যের পাশাপাশি জন্মগত শারীরিক ত্রুটির ঝুঁকিও এ ক্ষেত্রে 30-80 percent পর্যন্ত কমে যায়। Pre-Term Delivery সম্ভাবনাও থাকে না। আবার এই শিশুরাই বড় হওয়ার পর তাদের আইকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে কোরেন দেখিয়েছেন বুদ্ধি ও মানসিক বিকাশের দিক থেকেও তারা অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।

NVP has been associated with various physical problems and subsequent physical problems. In this study, the Koren has shown that the mothers who have suffered from regular NVP problems during pregnancy have given birth to a healthy child. As well as good health, the risk of birth defective physical defects also decreases by 30-80 percent. Pre-Term Delivery is not a possibility. After these children grew up, Kuran showed their intelligence through intellectual and emotional development.


অনেক মহিলাই Morning Siknes মর্নিং সিকনেস কমাতে ওষুধের সাহায্য নেন। কোরনে বলেন, ‘‘এই সময় ওষুধ খেলেও তা হরমোনের মাত্রার উপর কোনও প্রভাব ফেলে না। আর তাই ওষুধ খেলেও মর্নিং সিকনেসের পজিটিভ প্রভাব শিশুর স্বাস্থ্যের উপর পড়বেই।’’

Many women took help from drugs to reduce Morning Sickness. Koran said, “It does not affect the level of hormones even after taking medicine. And if the drug plays, the positive effect of the morning sickness will be on the health of the child. “

নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে জেনে নিন সহজ এই টোটকা II It is easy to know how to reduce the pain after normal delivery

নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে জেনে নিন সহজ এই টোটকা,It is easy to know how to reduce the pain after normal delivery
নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে জেনে নিন সহজ এই টোটকা

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে জেনে নিন সহজ এই টোটকা    

             It is easy to know how to reduce the pain after normal delivery


নর্ম্যাল ডেলিভারির ঝক্কি, যন্ত্রণা, সময়ের কথা ভেবে আমাদের দেশের অধিকাংশ মহিলা এবং চিকিত্সকেরা এখন সি-সেকশন ডেলিভারির দিকে ঝোঁকেন। ইউরোপ বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যদিও উন্নত পদ্ধতির সাহায্যে নর্ম্যাল ডেলিভারিই অনেক বেশি প্রচলিত। নর্ম্যাল ডেলিভারি কষ্টদায়ক হলেও পরবর্তী পর্যায়ে জটিলতা ও তাড়াতা়ড়ি সুস্থ হয়ে ওঠার কথা মাথায় রেখে অনেক চিকিত্সকই এখনও নর্ম্যাল ডেলিভারির পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ভ্যাজাইনা ও পেরেনিয়াম টিস্যুতে চাপ পড়া ও ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর ভ্যাজাইনার পেশীতে যন্ত্রণায় ভোগা খুবই স্বাভাবিক। আগে মা, দিদিমারা এই যন্ত্রণা ও ক্ষত সারানোর নানা রকম টোটকা দিতেন বাড়িতেই। তাতে তা়ড়াতাড়ি সুস্থও হয়ে উঠত প্রসূতি। আজ জেনে নিন তেমনই এক টোটকা।
  1. নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে কী কী লাগবে
  2. What is the need to reduce the pain after normal delivery

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

  1. গোটা জিরে: ১ টেবল চামচ
  2. টাটকা আদার রস: ২ টেবল চামচ
  3. গরম জল: আধ কাপ
  4. নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে কী ভাবে বানাবেন                                 How to reduce the pain after normal delivery                   একটা কাপে সব উপকরণ নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
  5. কখন খাবেন                                                                                                           When to eat                                                                           প্রতি দিন ব্রেকফাস্টের পর খান এই জল। খুব কম দিনের মধ্যেই এতে যন্ত্রণা কমে যায়।
  6. নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে কী ভাবে কাজ করে এই টোটকা
  7. This commentary on how to reduce the pain after normal delivery
  8. আদা ন্যাচারাল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। 
  9. ত্বকে নতুন কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে আদা। 
  10. আদার মধ্যে থাকা পলিফেনল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটর এজেন্ট যা প্রদাহ দূর করে।
  11. জিরের মধ্যে থাকে কিউমিন্যালডিহাইড। এই উত্‌সেচক প্রহাদ কমিয়ে যন্ত্রণা সারিয়ে তোলে।
  12. নর্ম্যাল ডেলিভারির পর যন্ত্রণা কমাতে হাইজিন মেনে চলুন                 Follow the hygiene to reduce the pain after normal Delivery                                                                                     এই সময় ইনফেকশনের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই প্রতি দিন হালকা গরম জলে ক্ষতস্থান ধুয়ে নিন। এতে ব্যাকটেরিয়াল ও ইস্ট ইনফেকশন রোধ করতে পারবেন। শিশুর জন্মের সময় ভ্যাজাইনার চারপাশের টিস্যুতে চাপ পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে তাই জন্ম দেওয়ার পরও ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত হতে পারে। এমনটা হলে অবশ্যই চিকিত্সকের কাছে যান। 

৫ কারণে প্রেগন্যান্সিতে পেটে ব্যথা হতে পারে

প্রেগন্যান্সিতে পেটে ব্যথার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এই সময় ছোটখাট ব্যথা, যে কোনও সমস্যাতেই উত্কণ্ঠায় ভুগতে থাকেন হবু মায়েরা। চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে বেশ কিছু কারণের জন্য পেটে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। মোটামুটি এই পাঁচটি কারণের জন্য আপনার পেটে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। প্রেগন্যান্সিতে পেটে ব্যথা হলে চিকিত্সকের কাছে গিয়ে পরীক্ষা করিয়ে জেনে নিন যন্ত্রণার কারণ।

রাউন্ড লিগামেন্ট পেন
জরায়ু থেকে কুঁচকি পর্যন্ত দুটো বড় লিগামেন্ট থাকে। জরায়ু বড় হয়ে প্রসারিত হলে রাউন্ড লিগামেন্টের কাছাকাছি চলে আসার ফলে যন্ত্রণা হয়। ওঠা-বসা করতে গেলে, হাঁটলে, হাঁচি বা কাশি হলে ব্যথা অনুভূত হয়। সাধারণত দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে এই ব্যথা বাড়ে। প্রেগন্যান্সির সময় এই ব্যথা বেশ কষ্টদায়ক হলেও ক্ষতিকারক নয়।
কী করবেন

  1. বিশ্রাম নিন
  2. ধীরে শোওয়া-বসা করুন
  3. হাঁচি বা কাশির সময় সামনের দিকে ঝুঁকে কাশুন
  4. চিকিত্সকরা এই সময় কিছু স্ট্রেচিং এক্সারসাইজের পরামর্শ দিয়ে থাকেন

    প্রেগন্যান্সি গ্যাস পেন

    প্রথমে তলপেটে ব্যথা দিয়ে শুরু হয়। তারপর তা ছড়িয়ে পরে পেটের উপরের দিক থেকে বুক, পিঠে। প্রোজেস্টেরন হরমোনই এর জন্য দায়ী। প্রেগন্যান্সিতে শরীরে প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে খাদ্যনালীর কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। ফলে খাবার হজম হতে বেশি সময় লাগে। কোলনে খাবার বেশিক্ষণ থাকার জন্য গ্যাস উত্পন্ন হয়। জরায়ু বড় হয়ে যাওয়ার কারণে অন্যান্য অঙ্গের উপরও চাপ পড়ে। যার ফলে পরিপাক ক্রিয়া ধীরে হয়। হজম যত আস্তে হবে, ততই গ্যাসের পরিমাণ বাড়বে।

    কী করবেন

    1. সারা দিন ধরে অল্প অল্প করে খেতে থাকুন
    2. জল ও তরল বেশি করে খান
    3. সচল থাকুন
    4. এমন খাবার এড়িয়ে চলুন যা থেকে গ্যাস হতে পারে
    5. কার্বোনেটেড বেভারেজ একেবারেই চলবে না

      কোষ্ঠকাঠিন্য

      এই সমস্যা হলে অন্য প্রেগন্যান্ট মহিলাদের সঙ্গে আলোচনা করুন। অনেকেই প্রেগন্যান্সিতে এই সমস্যায় ভোগেন। হরমোনের মাত্রার তারতম্য, অতিরিক্ত বিশ্রাম, উত্কণ্ঠার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। যদি ডায়েটে পরিমাণ মতো ফাইবার ও জল না থাকে তা হলেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
      কী করবেন
      1. ডায়েটে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখুন
      2. জল বেশি করে খান
      3. নিয়মিত হালকা শরীর চর্চা করুন
      4. চিকিত্সককে সমস্যার কথা জানান ও প্রয়োজনে ওষুধ খান

        ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন

        প্রেগন্যান্সির ৬ সপ্তাহ কেটে গেলেই ইউরিনারি ট্রাক্ট বা ব্লাডার ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে। প্রস্রাবের সময় জ্বালা করে, তলপেটে চাপ, বার বার প্রস্রাব পাওয়ার সমস্যা হয়। গর্ভাবস্থায় এই ঝুঁকি বাড়ে। চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, জরায়ু ব্লাডারের ঠিক উপরেই থাকে। জরায়ুর ওজন বাড়তে থাকলে তা ব্লাডারে চাপ দেওয়ার ফলে প্রস্রাব ঠিক মতো বেরোতে পারে না। ফলে ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে। সাবধান না হলে কিডনির উপর প্রভাব পড়তে পারে। সময়ের আগেই গর্ভ যন্ত্রণা শুরু হতে পারে। অস্বাভাবিক কম ওজনের শিশু জন্মানোরও ঝুঁকি থাকে


        কী করবেন

        1. চিনি ছাড়া ক্র্যানবেরি জুস খান
        2. জল খান বেশি করে
        3. যৌন মিলনের পর অবশ্যই প্রস্রাব করুন

          ব্রাক্সটন-হিকস কনট্রাকশন

          এটা প্রেগন্যান্সির সময় খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। জরায়ুর পেশীর সংকোচনের কারণে পেটে চাপ অনুভূত হয়। গর্ভাবস্থার ৩৭ সপ্তাহ পর্যন্ত মাঝে মাঝেই এ রকম হতে পারে। যদি খুব বেশি সমস্যা হয় তা হলে অবশ্যই চিকিত্সককে জানান। ডেলিভারির সময় এগিয়ে এলে কিন্তু এই ব্যথা গর্ভ যন্ত্রণার লক্ষণ হতে পারে।

          We Forgot all the sorrows and suffering of worldly life II I Went to pay my respects to Holy Mother after five or six days.

          Bedtime reading from Sri Sarada Devi And Her Divine Play – Swami Chetanananda

          Sarajubala’s
          Sarajubala’s Reminiscences

          //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

          (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

          Chapter 34: Return To Her True Abode
          Sarajubala’s Reminiscences : page. 735-736

          Holy Mother was very fond of and free with Sarajubala. She Visited Holy Mother five times during her last illness, and she recorded these visits in her reminiscences. Here we reproduce some excerpts:

          24 March 1920:

          Holy Mother was extremely unwell, having been in the grip of malarial fever for a long time. I prostrated myself before her, and she blessed me by placing her hand on my head. She asked me how I was. I offered her a little money for her expenses, and she accepted it. At the sight of her emaciated body, I lost all power of speech. I looked at her face wistfully and thought, “Alas, how pale and weak her body is.”

          //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

          (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

          The Mother was so weak that she felt it painful even to utter a word. I was seated on the floor. In the meantime, Rasbihari Maharaj came up and asked me not to talk much with her; but the Mother now and then asked me about various things. I gave her short replies.

          30 March 1920:

          I went to pay my respects to Holy Mother after five or six days. She had had no fever for the previous two or three days, but she was much worried on account of Radhu and her incapacity to look after her little child. The Mother lay down on her bed and asked me to rub her feet. While rubbing them, I asked her whether I could speak to her about something and if it would inconvenience her. The Mother said: “No, not at all. Say what you want to.”
          I told her about some experiences I had had, and at this, the Mother remarked: “Ah, my daughter, can one experience such bliss every day? Everything is real. Nothing is untrue. The Master is all he is Prakriti, he is Purusha. Through him, you will achieve everything.”
          “I: “Mother, at some point while doing Japa with extraordinary focus, a significant lot of time passed very imperceptibly.” I, therefore, had to get up and attend to my household duties without carrying out the other items of Spiritual practices that you had instructed me to do. Was it wrong on my part to have done so?”
          Mother: “No, no. There is nothing wrong with it.”
          “I: “Somebody revealed to me that while reflecting at dead of night, he hears a spiritualist sound.” Generally, he experiences it as coming from the right side of the body; sometimes, when the mind is working on a lower plane, it comes also from the left side.”

          Mother (after thinking a while): “Indeed, the sound comes from the right side. Only when there is body-consciousness does it come from the left side. Such things happen when the power of the kundalini is awakened. The sound that comes from the right side is the real one. In time, the mind itself becomes the guru. To pray to God and meditate on God for even two minutes with full concentration is better than doing so for long hours without it.”
          I did not feel inclined to question the Mother on the significance of body-consciousness, for the Mother was not doing well.

          I was about to leave. Instantly the Mother raised her head from the pillow and said, “Well, my daughter, I have raised my head.” She did so because it is not the custom for a devotee to bow down to one lying down. When I bowed down, she said: “Come again. Come a little earlier in the evening. Can’t you finish your household duties a little earlier and come?”

          //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

          (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

          Then, uttering the name of Durga as a prayer for my safety, she bade me adieu. Even after I had come to the veranda, I heard her uttering the name of Durga in a compassionate tone. What unbounded love! So long as we were with her, we forgot all the sorrows and suffering of worldly life.
          Jai Maa 🙏🙏🙏

          FESTIVAL AT ADHAR’S HOUSE II Sri Bhagavate Ramakrishna

          Om Namah Sri Bhagavate Ramakrishnaya

          Om Namah Sri Bhagavate Ramakrishna

          Sri Thakur’s Teaching from The Gospel of Sri Ramakrishna 

          Om Namah Sri Bhagavate Ramakrishna 

          *Today’s Page: 502-503* 

          *Chapter 26: 

          FESTIVAL AT ADHAR’S HOUSE


           Prema is the most profound of all.* One ends up being fragile and sensitive through Prema. By uprightness of this Prema, Krishna advanced toward getting to be Tribhanga.2 (2 Literally, ‘bowed in three planes’. The standard standing figure of Krishna is bent in three spots, to be particular, the neck, the respite, and the knees.) 

          “*” Premature is the rope by which you can tie God, so to speak.” At whatever point you have to see Him you have just to pull the rope. At whatever point you call Him, He will appear before you.* 

          *”The create period of bhakti is bhava. When one achieves it one remains astounded, considering Satchidananda.* The notion of a typical man can go only that far. Right when bhava develops it advances toward getting to be mahabhava. *Prema is the last. You know the difference between a green mango and a prepared one. Unalloyed love of God is the essential thing. All else is unreal.* 

          “At the point when Rama was happy with the appeal to of Narada and taught him to ask for a guide. Narada spoke to God for unadulterated love and said further, ‘O Rama, you should give that I may not be cheated by Thy world-enchanting Maya.’ Rama expressed: ‘That is OK. Regardless, ask for something one of a kind.’ Narada replied: ‘I needn’t bother with whatever else. I supplicate only for unadulterated love.’ 

          *”How can a fan accomplish such love? To begin with, the association of glorious men. That mixes sraddha, trust in God. By then comes nishtha, decided duty to the Ideal. In that stage, the lover aversions to hear anything thing yet rather examine God. He performs only those exhibitions that please God. After nishtha comes bhakti, promise to God; by then comes bhava. Next mahabhava, by then Prema, and in conclusion the achievement of God Himself.* Only for Isvarakotis, for instance, the Incarnations is it possible to have mahabhava or Prema. 

          “The data of a typical individual, the learning of a darling, and the Knowledge of an Incarnation are by no means, of a comparative degree. *The learning of a typical individual takes after the light of an oil light, which demonstrates just inside a room.* Through such data, he eats and drinks, deals with family commitments, guarantees his body, brings up his children, and so forth. 

          *’The data of a sweetheart takes after the light of the moon, which lights up mines objects both inside and outside a room. However, such light does not engage him to see an out of reach or a correct minute object.* 

          “*” The Knowledge of an Incarnation of God resembles the light of the sun.” Through that light the Incarnation sees everything, inside and outside, enormous and small.* 

          “*” The psyche of a run of the mill individual is, most likely, as untidy water; yet it may be enlightened by a purging executive.”Detachment and renunciation are the cleansing agents.”* 

          _*Om Namah Sri Bhagavate Ramakrishnaya!!!*_

          Ma sarada II *।।জন্মজন্মান্তরের মা।।* গালে এমন চড় মারতে লাগলুম যে, ও হেঁ হেঁ করে হাঁপাতে লাগল।

          //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

          Sri Sarada Devi
          @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx } Sri Sarada Devi 

          তাঁর আত্মকথা : “তখন… নিজ মূর্তি ধরে দাঁড়ালুম। তারপর ওর বুকে হাঁটু দিয়ে জিব টেনে ধরে, গালে এমন চড় মারতে লাগলুম যে, ও হেঁ হেঁ করে হাঁপাতে লাগল। আমার হাতের আঙ্গুল লাল হয়ে গিছল।”

          *- :      শ্রীশ্রী মাতৃ-স্মরণিকা     : -*

          *”ওঁ যথাগ্নের্দাহিকা শক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা হি যা।*
          *সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমাম্যহম।।”*
          *।।জন্মজন্মান্তরের মা।।*
          *যা দেবী সা সারদা*
          – স্বামী চেতনানন্দ।
             ঠাকুরের দেহত্যাগের পর মা কামারপুকুরে এক বছর ছিলেন। ওই কালে বিকৃত-মস্তিষ্ক হরিশ একদিন মায়ের পিছু নেয়। মা ধানের গোলার চারদিকে সাতবার ঘুরে ক্লান্ত হয়ে পড়লেন।
          //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

          (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

             শ্রীমা ‘নিজ মূর্তি’ শব্দটি কোন অর্থে প্রয়োগ করেছিলেন, এখন তা নিশ্চয় করা দুঃসাধ্য। তবে জীবনীকারদের মতে তিনি বগলামূর্তিতে হরিশের কুপ্রবৃত্তিকে কঠোরহস্তে দমন করেছিলেন।
             সুরেন্দ্রনাথ সেন স্বামী বিবেকানন্দের কাছে দীক্ষার জন্য যান। স্বামীজী তাঁকে দীক্ষা না দিয়ে বলেন, “ঠাকুর বললেন, আমি তোর গুরু নই। তিনি দেখিয়ে দিলেন, তোকে যিনি দীক্ষা দেবেন তিনি আমার চাইতেও বড়।”
             সুরেন্দ্র সেন মর্মাহত হলেন। কিছুকাল পরে তিনি এক রাত্রে স্বপ্ন দেখেন যে, একটি উজ্জ্বল দেবীমূর্তি তাঁকে বলছেন, “একটি মন্ত্র নাও। আমি সরস্বতী।”
             সুরেন্দ্র সেন পরবর্তী কালে জয়রামবাটীতে মায়ের কাছে দীক্ষা নেন। মার দেওয়া মন্ত্র শুনে তাঁর স্বপ্ন-দীক্ষার কথা মনে জেগে উঠল এবং বিস্ময়ে দেখলেন যে তাঁর স্বপ্নদৃষ্ট দেবীমূর্তি ও মায়ের মূর্তি এক।
             ১৯১২ সালে শ্রীমা মঠে দুর্গাপূজা দেখতে যান। দেবীর বোধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মায়ের গাড়ি মঠে পৌঁছাল। গোলাপ-মা মাকে হাত ধরে গাড়ি থেকে নামালেন।
             নামবার পরেই সমস্ত দেখে মা বললেন, “সব ফিটফাট, আমরা যেন সেজেগুজে মা দুর্গাঠাকরুন এলুম।” স্বামীজীর ভাষায় মা সত্যি ছিলেন ‘জ্যান্ত দুর্গা’।
             কোয়ালপাড়ার হরিপদ মাঝি তাঁদের কুলগুরুর কাছে দীক্ষা পান। শ্রীমা তাঁকে খুব স্নেহ করতেন। একদিন মা তাঁকে বললেন, “তোমার ইষ্টমন্ত্রটি উচ্চারণ করে শুনাও তো আমাকে।”
             হরিপদ অসঙ্কোচে মায়ের আদেশ পালন করা মাত্র – সম্মুখে দাঁড়ানো দেবী সারদাকে দর্শন করলেন অশেষ মহিমান্বিত শ্রীদুর্গারূপে। ইষ্টসাক্ষাৎকার অমন আচম্বিতে হওয়ামাত্র তিনি মায়ের শ্রীপদে আত্মসমর্পণ করেন।
             এখন চন্ডীর আলোকে আমরা মা সারদার দেবী রূপ দেখার চেষ্টা করব।
             চন্ডীর পঞ্চম অধ্যায়ে দেবগণ শুম্ভ-নিশুম্ভকে (অহং ও মম-র প্রতীক) বধের জন্য দেবীর স্তুতি শুরু করলেন। গ্রন্থের ১৪ থেকে ৮০ মন্ত্রে ২৩টি রূপ বর্ণিত হয়েছে।
             আমাদের দেশে আবালবৃদ্ধ-বনিতার মুখে ‘যা দেবী সর্বভূতেষু…  নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ’ শোনা যায়।
             প্রথম ‘নমস্তস্যৈ’ পদের দ্বারা মায়ের কারণাতীত তুরীয় প্রকৃতিকে প্রণাম করা হয়েছে।
             এতবার প্রণামের উদ্দেশ্য কী? শাস্ত্র বলেন, অহংকারই মূল অসুর। এই অসুর মারার একমাত্র অস্ত্র আছে ‘নমঃ’, অর্থাৎ ‘ন মম’ – আমার নয়। মা, সব তোমার। এইভাবে অহংবোধ নস্যাৎ করলে মা আবির্ভূতা হন। এই প্রণাম মন্ত্রের দ্বারা সন্তুষ্ট হয়ে দেবী দেবগণের সম্মুখে নিজরূপে প্রকটিত হলেন।
          *”জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণং জগদ্‌গুরুম্।*
          *পাদপদ্মে তয়ো শ্রিত্বা প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ।।”*

          //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

          (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

          " হে শেঠজী টাকা আমি সমর্পণ করেছি।" শেঠজী বলল, "কিন্তু তুমি তো ৯৮ টাকা কেন দিলে, দুই টাকা কি কাজে খরচ করলে? "

          জগন্নাথের লীলা !!

          অনেক পুরান কথা, এক শেঠের কাছে এক ব্যক্তি কাজ করত।

          শেঠজী ঐ ব্যক্তিকে খুব বিশ্বাস করত।
          শেঠের যা জরুরী কাজ থাকত সব ঐ ব্যক্তি করত।
          ঐ ব্যক্তি পরম ভক্ত ছিল।
          সেই ব্যক্তি সদা ভগবানের চিন্তা, ভজন, কীর্তন, স্মরণ, সৎসঙ্গ করত।
          একদিন সেই ব্যক্তি শেঠজীর কাছে, শ্রীজগন্নাথ ধাম যাত্রার জন্য ছুটি চাই।
          শেঠজী ছুটি দিল আর সেই ব্যক্তিকে
          বলল, “ভাই আমি তো সংসারী মানুষ, সবসময়ই ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকি তার কারণে কখনো তীর্থযাত্রার সুযোগ হয় না।
          তুমি তো যাচ্ছো এই ১০০ টাকা আমার নামে প্রভু জগন্নাথের চরণে সেবায় সমর্পিত করে দিও।”
          সেই ব্যক্তি টাকাটা নিয়ে জগন্নাথ দর্শনে যাত্রা শুরু করল। অনেকদিন পায়ে হেঁটে যাত্রা করে সে জগন্নাথ পুরী পৌঁছাল।
          মন্দিরে যাওয়ার সময় সে রাস্তায় দেখল অনেক সাধুসন্ত,ভক্তজন, বৈষ্ণবজন, হরিনাম সংকীর্তনে খুব আনন্দ করছিল।
          কীর্তনের আনন্দে তাদের চোখ
          থেকেঅশ্রুধারা পড়ছিল।
          জোরে জোরে তারা হরিবোল হরিবোল বলছিল। সংকীর্তনে খুব আনন্দ হচ্ছিল। চারিদিকের সকল ভক্তরা এসে ওখানে
          দাঁড়িয়ে হরিনাম সংকীর্তনের আনন্দ নিচ্ছিল।সেই ব্যক্তি দেখছিল সংকীর্তনরত সব ভক্ত জনদের।
          সে দেখল সংকীর্তন করতে করতে তাদের ঠোঁট শুকিয়ে গেছে, দেখে মনে হচ্ছে তারা খুব ক্ষুধার্ত। সে এই ক্ষুধার্ত ভক্তদের দেখে চিন্তা করল, “শেঠজী আমাকে যে টাকা দিল তার থেকে ভক্তদের ভোজনের ব্যবস্থা করি।”
          সে ব্যক্তি ঐ ১০০ টাকা থেকে ভোজনের ব্যবস্থা করল। সবাইকে ৯৮ টাকা দিয়ে ভোজন করালেন। সকলে খুব তৃপ্ত হলেন।
          তার কাছে শুধু দুই টাকা আছে, সে ভাবল “এই দুইটাই আমি জগন্নাথের চরণে শেঠজীর নামে সমর্পণ করব।
          যখন আমি শেঠের কাছে পৌছাব।
          তখন আমি বলব শেঠজীকে আমি টাকা সমর্পন করেছি। শেঠজী তো জিজ্ঞাসা করবে না যে ১০০টাকা আমি জগন্নাথের চরণের সমর্থন করেছি কিনা। শেঠজী বলবে টাকা সমর্পণ করলে। আমি হ্যাঁ বললে ওটা তো মিথ্যা বলা হবে না এবং কাজও হয়ে যাবে।”
          ভক্ত সেই ব্যক্তি আকুল মনে জগন্নাথজীর দর্শন করল মন্দিরে প্রবেশ করল। শ্রীজগন্নাথদেবের এমন অপূর্ব রূপ নয়ন ভরে দর্শন করে নিজে হৃদয়ে তার রূপ মাধুরী বিরাজমান করল।
          শেষে সে শেঠজীর দেয়া দুই টাকা জগন্নাথজীর চরণে দিয়ে বলল, এই দুইটাকা আমার শেঠজী দিয়েছে।
          ঐ রাতে শেঠজী রাতে স্বপ্ন দেখল শ্রীজগন্নাথজীকে। জগন্নাথ জীবনে স্বপ্নে এসে বলল শেঠজীকে, “তোমার ৯৮
          টাকা আমি পেয়েছি। ” এই বলে শ্রী জগন্নাথজী অন্তর্ধান হয়ে গেলেন।
          শেঠজী জেগে গেল আর ভাবতে লাগল, “আমার কাজের লোক তো খুব সৎ, ভক্ত ও তো খূব বিশ্বাসী। হঠাৎ কি এমন হল কি এমন দরকার পরল আমার দেয়া টাকার থেকে দুই টাকা ভগবানকে কম দিল? সে দুই টাকা কিসে খরচ করল? কি এমন প্রয়োজন পরল?” এসব কথা শেঠজী বিচার করতে লাগল।
          অনেক দিন যাওয়ার পর ভক্ত সেই ব্যক্তি ফিরে আসল আর শেঠজীর কাছে আসল। শেঠজী তখন তাকে জিজ্ঞাসা করল “আমার টাকা জগন্নাথজীকে সমর্পন করেছ তো?”
          ভক্ত বলল, ” হে শেঠজী টাকা আমি সমর্পণ করেছি।” শেঠজী বলল, “কিন্তু তুমি তো ৯৮ টাকা কেন দিলে, দুই
          টাকা কি কাজে খরচ করলে? “

          তখন ভক্ত চিন্তা করলছিল  শেঠজী কিভাবে জানল,  ভক্ত তখন সকল কথা খুলে বলল শেঠজীকে। বলল,” সে ৯৮ টাকা দিয়ে ভক্ত সাধুসন্তদের সেবা করল। আর দুই টাকা শুধু প্রভু জগন্নাথের চরণের সমর্পন করল।”
          শেঠজী সকল কথা শুনে বড় খুশি হল এবং ভক্ত ব্যক্তির চরণে এসে পড়ল। আর বলল , ” তুমি ধন্য তোমার জন্য আমি শ্রীজগন্নাথদেবের দর্শন ঘরে বসে পেলাম।”
          ভগবানের আসলে তোমাদের ধনের কোন দরকার নেই। ভগবান ঐ ৯৮ টাকা স্বীকার করল কারণ ওটা যে ভক্তের সেবাতে লেগেছে। কারণ, ভক্তের হৃদয়ে ভগবানের বাস।
          যে দুইটা চরণের দিল ঐ টাকাটা কোন মূল্য নেই প্রভুর কাছে। ‘জগন্নাথ সবাইকে   দর্শণ দিতে  যাত্রা করবে কিছুদিন পরে, রথযাত্রা সবাই জগন্নাথেকে ভক্তি সহকারে দর্শন করবেন ও কৃপা লাভ  করবেন।
          ❤❤❤❤

          ।।।জয় জগন্নাথ।।।
          জয় নিতাই জয় গৌর
          জয় গুরুদেব

          “এক বই আর কিছু নাই। সেই পরব্রহ্ম ‘আমি’ যতক্ষণ রেখে দেন, ততক্ষণ দেখান যে, আদ্যাশক্তিরূপে সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় করছেন।

          “তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্‌ ৷
          শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং, ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ ৷৷”
          কাছাকাছি দিন থেকে-
          নবম পরিচ্ছেদ১৮৮৩, ১০ই জুন
          শ্রীরামকৃষ্ণ মণিরামপুর ভক্তসঙ্গে
          ঠাকুর আহারান্তে ছোট খাটটিতে একটু বসিয়াছেন, এখনও বিশ্রাম করিতে অবসর পান নাই। ভক্তদের সমাগম হইতে লাগিল। প্রথমে মণিরামপুর হইতে একদল ভক্ত আসিয়া উপস্থিত হইলেন। একজন পি. ডব্লিউ. ডি. তে কাজ করিতেন, এখন পেনশন পান। একটি ভক্ত তাঁহাদিগকে লইয়া আসিয়াছেন। ক্রমে বেলঘরে হইতে একদল ভক্ত আসিলেন। শ্রীযুক্ত মণি মল্লিক প্রভৃতি ভক্তেরাও ক্রমে আসিলেন।
          মণিরামপুরের ভক্তগণ বলিতেছেন, আপনার বিশ্রামের ব্যাঘাত হল।
          শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন, ““না, না, ও-সব রজোগুণের কথা — উনি এখন ঘুমুবেন!”
          চাণক মণিরামপুর — এই কথা শুনিয়া ঠাকুরের বাল্যসখা শ্রীরামের উদ্দীপন হইয়াছে। ঠাকুর বলিতেছেন, “শ্রীরামের দোকান তোমাদের ওখানে। ও-দেশে শ্রীরাম আমার সঙ্গে পাঠশালায় পড়ত। সেদিন এখানে এসেছিল।”
          মণিরামপুরের ভক্তেরা বলিতেছেন, কি উপায়ে ভগবানকে পাওয়া যায়, একটু আমাদের দয়া করে বলুন।
          [মণিরামপুরের ভক্তকে শিক্ষা — সাধন-ভজন কর ও ব্যাকুল হও]
          শ্রীরামকৃষ্ণ — একটু সাধন-ভজন করতে হয়।
          “দুধে মাখন আছে বললেই হয় না, দুধকে দই পেতে, মন্থন করে মাখন তুলতে হয়। তবে মাঝে মাঝে একটু নির্জন চাই।১ দিন কতক নির্জনে থেকে ভক্তিলাভ করে, তারপর যেখানে থাক। জুতো পায় দিয়ে কাঁটাবনেও অনায়াসে যাওয়া যায়।
          “প্রধান কথা বিশ্বাস। ‘যেমন ভাব তেমনি লাভ, মূল সে প্রত্যয়।’ বিশ্বাস হয়ে গেলে আর ভয় নাই।”
          মণিরামপুর ভক্ত — আজ্ঞা, গুরু কি প্রয়োজন?
          শ্রীরামকৃষ্ণ — অনেকের প্রয়োজন আছে।২ তবে গুরুবাক্যে বিশ্বাস করতে হয়। গুরুকে ইশ্বরজ্ঞান করলে তবে হয়। তাই বৈষ্ণবেরা বলে, গুরু-কৃষ্ণ-বৈষ্ণব।
          “তাঁর নাম সর্বদাই করতে হয়। কলিতে নাম-মাহাত্ম্য। অন্নগত প্রাণ, তাই যোগ হয় না। তাঁর নাম করে, হাততালি দিলে পাপপাখি পালিয়ে যায়।
          “সৎসঙ্গ সর্বদাই দরকার। গঙ্গার যত কাছে যাবে ততই শীতল হাওয়া পাবে; অগ্নির যত কাছে যাবে ততই উত্তাপ পাবে।
          “ঢিমে তেতলা হলে হয় না। যাদের সংসারে ভোগের ইচ্ছা আছে তারা বলে, ‘হবে, কখন না কখন ঈশ্বরকে পাবে!’
          “আমি কেশব সেনকে বলেছিলাম, ছেলেকে ব্যাকুল দেখলে বাপ তিন বৎসর আগেই তার হিস্যে ফেলে দেয়।
          “মা রাঁধছে, কোলের ছেলে শুয়ে আছে। মা মুখে চুষি দিয়ে গেছে; যখন চুষি ফেলে চিৎকার করে ছেলে কাঁদে, তখন মা হাঁড়ি নামিয়ে ছেলেকে কোলে করে মাই দেয়। এই সব কথা কেশব সেনকে বলেছিলাম।
          “কলিতে বলে, একদিন একরাত কাঁদলে ইশ্বর দর্শন হয়।
          “মনে অভিমান করবে, আর বলবে, ‘তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ; দেখা দিতে হবে।’
          “সংসারেই থাক, আর যেখানেই থাক — ঈশ্বর মনটি দেখেন। বিষয়াসক্ত মন যেমন ভিজে দেশলাই, যত ঘষো জ্বলে না। একলব্য মাটির দ্রোণ অর্থাৎ নিজের গুরুর মূর্তি সামনে রেখে বাণ শিক্ষা করেছিল।
          “এগিয়ে পড়; — কাঠুরে এগিয়ে গিয়ে দেখেছিল, চন্দন কাঠ, রূপার খনি, সোনার খনি, আরও এগিয়ে গিয়ে দেখলে হীরে, মাণিক।
          “যারা অজ্ঞান, তারা যেন মাটির দেওয়ালের ঘরের ভিতর রয়েছে। ভিতরে তেমন আলো নাই, আবার বাহিরের কোন জিনিস দেখতে পাচ্ছে না। জ্ঞান লাভ করে যে সংসারে থাকে সে যেন কাচের ঘরের ভিতর আছে। ভিতরে আলো বাহিরেও আলো। ভিতরের জিনিসও দেখতে পায়, আর বাহিরের জিনিসও দেখতে পায়।”
          [ব্রহ্ম ও জগন্মাতা এক ]
          “এক বই আর কিছু নাই। সেই পরব্রহ্ম ‘আমি’ যতক্ষণ রেখে দেন, ততক্ষণ দেখান যে, আদ্যাশক্তিরূপে সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় করছেন।
          “যিনিই ব্রহ্ম তিনিই আদ্যাশক্তি। একজন রাজা বলেছিল যে, আমায় এককথায় জ্ঞান দিতে হবে। যোগী বললে, আচ্ছা তুমি এককথাতেই জ্ঞান পাবে। খানিকক্ষণ পরে রাজার কাছে হঠাৎ একজন যাদুকর এসে উপস্থিত। রাজা দেখলে, সে এসে কেবল দুটো আঙুল ঘুরাচ্ছে, আর বলছে, ‘রাজা, এই দেখ, এই দেখ।’ রাজা অবাক্‌ হয়ে দেখছে। খানিকক্ষণ পরে দেখে দুটো আঙুল একটা আঙুল হয়ে গেছে। যাদুকর একটা আঙুল ঘোরাতে ঘোরাতে বলছে, ‘রাজা, এই দেখ, এই দেখ।’ অর্থাৎ ব্রহ্ম আর আদ্যাশক্তি প্রথম দুটা বোধ হয়। কিন্তু ব্রহ্মজ্ঞান হলে আর দুটা থাকে না! অভেদ! এক! যে একের দুই নাই। অদ্বৈতম্‌।”
          ১ যোগী যুঞ্জীত সততমাত্মানং রহসি স্থিতঃ।                          [গীতা, ৬।১০]
          ২ গুরুর প্রয়োজন — …আচার্যবান্‌ পুরুষো বেদ…।                 [ছান্দোগ্যোপনিষদ্‌, ৬।১৪।২]
          “ওঁ নিরঞ্জনং নিত্যমনন্তরূপং ভক্তানুকম্পাধৃতবিগ্রহং বৈ।
          ঈশাবতারং পরমেশমীড্যং তং রামকৃষ্ণং শিরসা নমামি।।”
          Design a site like this with WordPress.com
          Get started