‘সামান্য কাজটিও শ্রদ্ধার সঙ্গে করতে হয় II শ্রীমা সারদাদেবী চাইতেন, সংসারে যারা থাকবে তারা ছোট-বড় প্রতিটি কাজ শ্রদ্ধা সহকারে করবে।

‘সামান্য কাজটিও শ্রদ্ধার সঙ্গে করতে হয়’
============================
      শ্রীমা সারদাদেবী চাইতেন, সংসারে যারা থাকবে তারা ছোট-বড় প্রতিটি কাজ শ্রদ্ধা সহকারে করবে।  তিনি নিজেও তা-ই করতেন।  ঝাঁটাটিকে পর্যন্ত সম্মান করতে বলেছেন।  কাজ শেষ হয়ে গেলেই তাকে অশ্রদ্ধা করে ছুড়ে দিতে নেই।  ছোট জিনিস বলেই তাকে তুচ্ছ করতে নেই।  কারণ, ‘যাকে রাখ সেই রাখে।  আবার তো ওটি দরকার হবে ?  তা ছাড়া, এ সংসারে ওটিও একটি অঙ্গ।  সেদিক দিয়েও তো ওর একটা সম্মান আছে।  যার যা সম্মান, তাকে সেটুকু দিতে হয়।  ঝাঁটাটিকেও মান্য করে রাখতে হয়।’ এই সম্মান শুধু ঝাঁটার প্রতি নয়, ঝাঁটা দিয়ে যে কাজটি হয়, সাধারণত যে কাজটিকে আমরা সম্মান দিতে চাই না, সেই ‘ঝাড়ু-দেওয়া’ কাজটির প্রতিও।  ঝাঁটাটি কাজের শেষে ছুড়ে ফেলে দিয়ে শুধুই যে রুচিহীনতার পরিচয় দেওয়া হয়, তা-ই নয়, সময়ের সাশ্রয়ও কিছু হয় না।  ‘ছুঁড়ে রাখতেও যতক্ষণ, আস্তে ধীর হয়ে রাখতেও ততক্ষণ।’ শ্রীমা বলেছেন—‘মানুষের প্রত্যেক খুঁটিনাটি কাজটিতে শ্রদ্ধা দেখলে ঠিক ঠিক মানুষটি চেনা যায়।’ এটি কর্মযোগের একটি মূল কথা।  স্বামী বিবেকানন্দও ‘কর্মযোগ’ আলোচনা প্রসঙ্গে অনুরূপ কথা বলেছেন।
            ওঁ শান্তিঃ ! ওঁ শান্তিঃ ! ওঁ শান্তিঃ !

যদি আর কিছু না পারো সারা দিনমানে একবার, শুধু একবার আমাকে মনে কোরো _নবগোপাল II If you can not do anything once a day, just remember me once.

যদি আর কিছু না পারো সারাদিন মানে একবার, শুধু একবার আমাকে মনে কোরো।

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব

যদি আর কিছু না পারো সারা দিনমানে একবার, শুধু একবার  আমাকে মনে কোরো।  নবগোপাল ঘোষ  প্রথম দিন তো  একেবারে  স্ত্রী – পুত্র  নিয়ে এসেছিল। তারপর সেই যে  ডুব  মারল, তিন – তিন বছর আর দেখা নাই।
    ‘ হ্যাঁ রে,  কি হল বল দেখি   নবগোপালের ?  তাকে  একটু খবর দে । ‘ তিন – তিন বছর পর  একদিন  খোঁজ করলেন  ঠাকুর।
খবর গেলো নবগোপালের কাছে। সে তো প্রায় আকাশ থেকে পড়ল। সেই কবে একবার  গিয়েছিলাম  তিন বছর   আগে,  সেই কথা  আজও  পর্যন্ত  মনে করে রেখেছেন। ভুলে  যাননি। দিনে – রাত্রে কত লোক  আসছে তাঁর কাছে , তার মধ্যে  কে না কে  নবগোপাল  ঘোষ, তাকেও হারিয়ে যেতে দেননি।  স্মৃতির কৌটোর এক  পাশে কুড়িয়ে  রেখেছেন।
কিছুই তিনি হারান  না। ফেলে দেন না ভোলেন না এতটুকু। আমরাই ভুলি।  ফিরে যাই। পথ  হারিয়ে পথ খুঁজি।
সময়  হলেই  তিনিই আবার পথ দেখান। ডাক  দেন।
  নবগোপাল  পড়ল  আবার পায়ে এসে। তুমি ভোলো না।  চিরজ্যোতির্ময়ী  নক্ষত্রলিপিতে  প্রতি  রাত্রে  তুমি লিখে পাঠাও, আমি  ভুলিনি।  বিনম্রকোমল  শ্যামলশীতল। তৃণদলেও  সেই ভাষাই লিখে রেখেছ , ভুলিনি  তোমাকে।  বললে,  আমার সাধনভজন  কী করে হবে ?   ‘ তোমাকে কিছু করতে হবে না। ‘ বললেন ঠাকুর, ‘ মাঝে – মাঝে শুধু  দক্ষিণেশ্বরে এসো। ‘
  শুধু  এইটুকু ? 
এই বা কি কম কঠিন ?  দেখ না,  কত বাধা  এসে পড়বে  যাবার মুখে। মন ঠিক করতেই  এক যুগ । তারপর মন যদি ঠিক হল তো শরীর  বললে ঠিক নেই। মন -শরীর  দুই -ই ঠিক,  হঠাৎ  দেখা দিল সর্বসঙ্কল্পনাশন  অকাজের তাড়না।  হাতের  কাছে দক্ষিণেশ্বর, সেই হাত  সেই  হাত খুঁজতেই রাত ফুরোয়।
একদিন  ভাবসমাধি হয়েছে  ঠাকুরের, নবগোপাল এসে হাজির।  রাম দত্ত ছিল,  নবগোপাল  বললে,  ‘এইবেলা ঠাকুরের কাছ  থেকে  কিছু বর চেয়ে নিন। ‘
   নবগোপাল  সাষ্টাঙ্গ  হয়ে পড়ল  ঠাকুরের পায়ের কাছে  বললে,  ‘বিষয়চিন্তায় ডুবে আছি।  কি করে  যাবে এই  বিষজ্বালা  আমাকে  বলে দিন। ‘
‘ কোনো চিন্তা নেই। ‘  আশ্বাস  দিলেন  ঠাকুর। ‘ যদি আর  কিছু  না পারো  সারা  দিনমানে  একবার শুধু আমাকে  স্মরণ কোরো। ‘
শুধু  এইটুকু ? 
হ্যাঁ, এইটুকু । অঙ্কুরটি ছোট  কিন্তু ওর মধ্যে অব্যক্ত আছে বনস্পতির আয়তন। বেশ তো, দেখ না সারা দিনে – রাত্রে একবার  আমাকে  স্মরণ করে দেখ না কি হয়। একবার স্মরণ  করলেই  কতবার সাধ যায়  স্মরণ করতে।  স্মরণ  করতে  – করতেই  অনন্যশরণ। 
জয়  ঠাকুর,   জয় শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব কী জয়

কী নিরভিমানতা ! আমি করছি ― এই বোধটাই নেই। সব ঠাকুর করাচ্ছেন―এই তাঁর ও তাঁদের ভাব ।

🌷শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ শরণম 🌷
SRI RAMAKRISHNA
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

SRI RAMAKRISHNA

” যখন যেভাবে মাগো রাখিবে আমারে ,
সেই যে মঙ্গল, যদি না ভুলি তোমারে । “

*******************************

ঠাকুরের সন্তানদের মধ্যে এই ভাবটি দেখা যেত । বিজ্ঞান মহারাজের তখন শারীরিক অসুস্থতা চলছে । তাঁর আশ্রিত জনৈক ধনীভক্ত অতি বিনীতভাবে তাঁর কাছে এসে বলছে ,
” মহারাজ ! একজন বড় ডাক্তার দেখালে হয় না ?
বিজ্ঞান মহারাজ মাঝে মাঝেই খুব মজার উত্তর দিতেন । বললেন ,
‘ হ্যাঁ , তা তো হয় ! ‘
ভক্তটি ভরসা পেয়ে অতি আগ্রহের সাথে বলল ,
‘ আচ্ছা মহারাজ ! তাহলে বড় ডাক্তার আনি ? ‘
তিনি উত্তর দিলেন  ,
‘ কিন্তু কী জান , আমি একজন ডাক্তারের চিকিৎসায় আছি , তার থেকেও কি তোমার ডাক্তার বড় ? ‘
ভক্তটির ইচ্ছা ছিল , তখনকার বড় ডাক্তার নীলরতন সরকারকে আনে ।ভক্তটি বলল ,
‘ ডাক্তার নীলরতন সরকারকে নিয়ে আসব । তাঁর চেয়ে বড় ডাক্তার এদেশে আর নেই । ‘
বিজ্ঞান মহারাজ  বললেন ,
‘ কিন্তু আমার ডাক্তার যে তোমার ডাক্তারের চেয়েও বড়― তাঁর চেয়ে বড় ডাক্তার ত্রিভুবনে নেই । ‘
ভক্তটি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল ,
‘ তিনি কে ? ‘
উত্তরে মহারাজ সামনে টাঙানো ঠাকুরের ছবির দিকে আঙুল দিয়ে দেখালেন । ভক্তটি চুপ হয়ে গেল ।
★ কেমন নির্ভরতা !★
আরেকবার বিজ্ঞান মহারাজকে জনৈক ভক্ত এসে বলছে ,
‘ মহারাজ , আপনি ঠাকুরের সন্তান , আপনি চলে গেলে ঠাকুরের কাজ কী করে চলবে ? ‘
বিজ্ঞান মহারাজ বেশিরভাগ সময় চুপ করে থাকতেন― যেন অন্যমনস্ক । বারবার তিনবার যখন ভক্তটি প্রশ্ন করল , তখন তিনি হঠাৎ জিজ্ঞাসা করলেন ,
‘ কী বললে ? ঠাকুরের কাজ ? ঠাকুরের কাজ এটি বিশ্বাস হয় ? ‘
ভক্তটি ঘাড় নাড়ল । মহারাজ গম্ভীরভাবে বললেন ,
‘ ঠাকুরের কাজ হলে ঠাকুরই চালাবেন । আমি কে ? ‘

★★ কী নিরভিমানতা ! আমি করছি ― এই বোধটাই নেই। সব ঠাকুর করাচ্ছেন―এই তাঁর ও তাঁদের ভাব ।

🌺জয় ঠাকুর 🌺
স্বামী নির্বাণানন্দ মহারাজ ।।

"Mother, why do I not see the Master?"

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ma sarada
ma Sarada

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Maa’s Sayings…
Pupil Mother for what reason do I not see the  Master? Mother  “Keep on imploring without losing heart. Everything will occur in time. Perceive how a significant number of munis and rishis couldn’t discover Him even after times of seeking, and you need to have Him for the negligible inquiring! … Is God-vision such a simple thing? Be that as it may, luckily the  Master  has chalked out a simpler way this time; accordingly, all will be able to acknowledge God.”   
Jai Maa 

Om Namah Sri Bhagavate Ramakrishna!!!

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

विद्वत्वं च नृपत्वं च न एव तुल्ये कदाचन्। स्वदेशे पूज्यते राजा विद्वान् सर्वत्र पूज्यते॥

विद्वत्वं च नृपत्वं च न एव तुल्ये कदाचन्।
स्वदेशे पूज्यते राजा विद्वान् सर्वत्र पूज्यते॥

Intelligence and kingdom can never be compared. A king is respected in his own land whereas a wise man is respected everywhere.

विद्वान और राज्य अतुलनीय हैं, राजा को तो अपने राज्य में ही सम्मान मिलता है पर विद्वान का सर्वत्र सम्मान होता है ॥

रविरपि न दहति तादॄग् यादॄक् संदहति वालुकानिकर: अन्यस्माल्लब्धपदो नीच: प्रायेण दु:सहो भवति

रविरपि न दहति तादॄग् यादॄक् संदहति वालुकानिकर: अन्यस्माल्लब्धपदो नीच: प्रायेण दु:सहो भवति ||

Direct Sun (light) does not burn us (our skin) as much as a hot sand dune does. (Similarly) A mediocre person who becomes great (or powerful) due to another person (like sand dune getting hot due to Sunlight) is often annoying.

सुर्यप्रकाश से भी तपे हुए रेत का दाह अधिक होता है | (उसी तरह) दुसरों के सहाय बडा हुआ नीच मनुष्य जादा उपद्रव देता है।

There were a few other afflicted souls like her who used to visit the Master to obtain peace of mind

 THE MASTER’S REMINISCENCES*

SRI RAMAKRISHNA
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

SRI RAMAKRISHNA
SRI RAMAKRISHNA was sitting with the devotees in Balaram’s drawing room in Calcutta. M. arrived at 3 o’clock. Girish Ch. Gosh, Balaram Basu, the younger Naren(choto), Paltu, Dwija, Purna ch. Gosh, Mahendra lal Mukherji and many other devotees were there. Quickly Trailokya Sannyal and Jaygopal Sen, and other’s members of the Br
ahmo Samaj present much woman devotees we are present also, seated behind a screen. Among them was Mohini’s wife, who had almost gone insane on account of her son’s death. 

*There were a few other afflicted souls like her who used to visit the Master to obtain peace of mind.*

*Sri Ramakrishna was describing to the devotees the various incidents of his sādhanā and the phases of his spiritual realization.*
MASTER: *”During my sādhanā, when I meditated, I would actually see a person sitting near me with a trident in his hand. He would threaten to strike me with the weapon unless I fixed my mind on the Lotus Feet of God, warning me that it would pierce my breast if my mind strayed from God.*
*”The Divine Mother would put me in such a state that sometimes my mind would come down from the Nitya to the Lila, and sometimes go up from the Lila to the Nitya.*
*”Sometimes, when the mind descended to the Lila, I would meditate day and night on Sita and Rama.* At those times I would constantly behold the forms of Sita and Rama. Ramlala( metal photo of the Boy Rama given to Ramakrishna during his sadhana period by a Vaishnava saint.) was my constant companion. *Sometimes I would bathe Him and sometimes feed Him.*
*”Again, I used to be absorbed in the ideal of Radha and Krishna and would constantly see their forms. Or again, I would be absorbed in Gauranga. He is the harmonization of two ideals: the Purusha and the Prakriti. At such times I would always see the form of Gauranga.*
*”Then a change came over me. The mind left the plane of the Lila and ascended to the Nitya.* I found no distinction between the sacred tulsi and the ordinary sajina plant. *I no longer enjoyed seeing the forms of God; I said to myself, ‘They come and go.’ I lifted my mind above them. I removed all the pictures of gods and goddesses from my room and began to meditate on the Primal Purusha, the Indivisible Satchidananda, regarding myself as His handmaid.*

_*Om Namah Sri Bhagavate Ramakrishnaya!!!*_

Pregnant? Follow me when you eat mango II প্রেগন্যান্ট? আম খাওয়ার সময় মেনে চলুন এগুলো

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Pregnant? Follow me when you eat mango
Pregnant? Follow me when you eat mango

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

সারা গরম কাল আম উপভোগ করার সময়। সুস্বাদু পাকা আম হোক বা মুখরোচক কাঁচা-মিঠে আম। যে কোনও আমই খেতে যেমন ভাল লাগে, তেমনই শরীরের পক্ষেও উপকারী। তবে আপনি যদি প্রেগন্যান্ট হন তা হলে আম খাওয়ার ব্যাপারে কিছুটা সতর্কতা মেনে চলতে হবে। আম খাওয়া এই সময় খুবই পুষ্টিকর হলেও কিছু ঝুঁকি থেকেই যায়। জেনে নিন কী ভাবে সতর্ক থেকে আম খাবেন।

উপকারিতা

আমের মধ্যে থাকে আয়রন যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে ও ভিটামিন সি রক্তে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের মোকাবিলা করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পটাশিয়াম শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে ও ফাইবার হজমে সাহায্য করে। এ ছাড়াও আমের আরও অনেক গুণ রয়েছে। অন্যান্য ফলের তুলনায় মরসুমি আমে চিনির পরিমাণও বেশি থাকে। ক্যালোরি বেশি থাকার জন্য গর্ভাবস্থার তৃতীয় পর্যায়ে আম খাওয়া খুব জরুরি। এই সময় বেশি এনার্জির প্রয়োজন হয়।

ঝুঁকি

 Pregnant? Follow me when you eat mango
 Pregnant? Follow me when you eat mango

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

গর্ভাবস্থায় আম খুবই পুষ্টিকর। কিন্তু অনেক সময়ই আম পাকানোর জন্য ক্যালসিয়াম কার্বাইড দেওয়া হয়। যা গর্ভাবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যদি আপনার জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বা গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ধরা পড়ে থাকে তা হলে আম এড়িয়ে চলাই ভাল। আবার পরিমিত পরিমাণ না খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। যা থেকে ডিহাইড্রেশনে ভুগতে পারেন।



কী ভাবে খাবেন

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
আম রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হয়। তাই খাওয়ার আগে খুব ভাল করে ধুয়ে নিন। খোসা ছাড়িয়ে নিন ও খোসার গা থেকে সরাসরি আমের শাঁস খাবেন না। সবচেয়ে ভাল হয় যদি কাঁচা অবস্থায় আম কিনে বাড়িতে পাকিয়ে নিতে পারেন। তা হলে রাসায়নিক থাকার সম্ভাবনা কম। পাকা আম কাটার পর ছুরি, হাত ভাল করে ধুয়ে নিন। স্মুদি, জুস বা আমের কোনও ডেজার্ট বানাতে হলে বেশি চিনি মেশাবেন না।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Pregnancy Increases Antibiotics Risk of Abortion II প্রেগন্যান্সিতে অ্যান্টিবায়োটিক বাড়িয়ে দেয় গর্ভপাতের ঝুঁকি

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Pregnancy Increases Antibiotics Risk of Abortion
Pregnancy Increases Antibiotics Risk of Abortion

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

প্রেগন্যান্সির প্রথম দিকে অনেক মহিলাই ইনফেকশনের সমস্যায় ভোগেন। সাধারণ সমস্যা মনে করে অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্যও নেন। যেই অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণ অবস্থায় শরীরের জন্য ক্ষতিকারক না হলেও গর্ভাবস্থায় গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে এই সব সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক।
কানাডার মন্ট্রিয়ল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ৮,৭০২টি গর্ভপাতের ঘটনা নিয়ে গবেষণা করেন। গর্ভপাতের সময় ভ্রুণের গড় বয়স ছিল ১৪ সপ্তাহ। দেখা গিয়েছে এদের মধ্যে ১,৪২৮টি (১৬.৪ শতাংশ) ক্ষেত্রে গর্ভধারণে প্রাথমিক অবস্থায় অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিল ১৫ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। সাধারণত বয়স একটু বেশির দিকে, অনেক শারীরিক সমস্যা রয়েছে ও একা থাকেন, এমন মহিলাদেরই অধিকাংশ ক্ষেত্রে গর্ভপাত হয়েছে।
Pregnancy Increases Antibiotics Risk of Abortion
Pregnancy Increases Antibiotics Risk of Abortion

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

গবেষকরা দেখেছেন, মারকোলিডস, কুইনোলোনস, টেট্রেসাইক্লিনস, সালফোনামাইডস ও মেট্রোনিডাজোলের মতো কিছু অত্যন্ত পরিচিত অ্যান্টিবায়োটিক এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রেগন্যান্সিতে অনেক মহিলাই ইউরিনারি ট্র্যাক বা মূত্রনালীর সংক্রমণে ভোগেন। এরিথ্রোমাইসিন বা নাইট্রোফিউরানটন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক চিকিত্সায় ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা। এই ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকে গর্ভপাতের ঝুঁকি থাকে না।
এই গবেষণার মুখ্য গবেষক অ্যানিক বেরার্ড বলেন, ‘‘গর্ভাবস্থায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার প্রি-ম্যাচিওর বার্থ ও জন্মের সময় অতিরিক্ত কম ওজনের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত এই ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।’’
কানাডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ডিম্বাশয় যেমন ডিম্বাণু উত্পাদন করতে পারবে, তেমনই এর সাহায্যে সুস্থ সন্তানের জন্মও দিতে পারবেন মহিলারা।

বেশ কয়েক বছর ধরেই থ্রি-ডি প্রিন্টেড অঙ্গের সাহায্যে প্রতিস্থাপন করে চিকিত্সা বিজ্ঞানে নতুন দিশা দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ বার আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে থ্রি-ডি প্রিন্টেড ডিম্বাশয় তৈরি করলেন তাঁরা। এই ডিম্বাশয় যেমন ডিম্বাণু উত্পাদন করতে পারবে, তেমনই এর সাহায্যে সুস্থ সন্তানের জন্মও দিতে পারবেন মহিলারা। এই আবিষ্কারের ফলে ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্তরা মা হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবেন বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।
থ্রি ডায়মেনশনাল প্রিন্টেড স্ক্যাফোল্ডের সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে এই বায়োপ্রস্থেটিক ওভারি। যা অপরিণত ডিম্বাণু সঞ্চিত রাখার পাশাপাশি হরমোন উত্পাদনও করতে পারবে। ফলে যেই মহিলারা শৈশবে বা কৈশোরে ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে জনন ক্ষমতা হারিয়েছেন তারাও এই ডিম্বাশয়ের সাহায্যে সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনন বিজ্ঞানী টেরেসা কে উডরাফ বলেন, এই সব বায়োপ্রস্থেটিক ডিম্বাশয় দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ডিম্বাণু উত্পাদন করতে পারে ও কর্মক্ষম থাকতে পারে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য এক অধ্যাপক রামিল শাহ জানিয়েছেন, এই বায়োপ্রস্থেটিক ওভারিতে যে স্ক্যাফোল্ড তৈরি করতে জিলেটিন ব্যবহার করা হয়েছে। এই জিলেটিন একটি বায়োলজিক্যাল হাইড্রোজেল। যা শরীরের ভেঙে যাওয়া কোলাজেন দিয়ে তৈরি করা হয়।
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই ইলিনয়ের অ্যান অ্যান্ড রবার্ট এইচ লুরি শিশু হাসপাতালের অধ্যাপিকা মনিকা লারোন্ডা জানান, শৈশবে ক্যানসারে আক্রান্ত হলে অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই ডিম্বাশয়ের কর্মক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে বয়ঃসন্ধির সময় তাদের হরমোন থেরাপির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। এই বায়োপ্রস্থেটিক ওভারির স্ক্যাফোল্ড ডিম্বাশয়ের সেই স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়। যার ফলে বয়ঃসন্ধি, যৌবন, মেনোপজ, প্রতিটা ধাপই এক জন মহিলার জীবনে স্বাভাবিক ভানেচার কমিউনিকেশন জার্নালে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।
বেই আসবে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started