মেয়ের স্বপ্নপূরণে জরায়ু দিলেন মা, সফল দেশের প্রথম জরায়ু প্রতিস্থাপন

নারী শরীর নিয়ে জন্মালেও জরায়ুটাই অনুপস্থিত ছিল তাঁর শরীরে। 

এ ভাবেই কেটে গিয়েছিল জীবনের ২১টা বছর। শৈশব থেকে কৈশোর পেরিয়ে যৌবনে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন জরায়ু ছাড়াই। কিন্তু মা হওয়ার ইচ্ছা থাকে সব মেয়েদেরই। নিজের মেয়ের স্বপ্নপূরণ করতে তাই নিজের জরায়ুটাই মেয়েকে দিয়ে দিলেন মা। সেই সঙ্গেই লেখা হয়ে গেল ইতিহাস। ভারতের প্রথম সফল জরায়ু প্রতিস্থাপনের সাক্ষী হয়ে থাকল পুণে।
মঙ্গলবার চিকিত্সক শৈলেশ পুনটামবেকরের নেতৃত্বে ১২ জন চিকিত্সকের একটি দল এই অস্ত্রোপচার করেন। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে চলে জরায়ু প্রতিস্থাপনের জটিল প্রক্রিয়া। অস্ত্রোপচারের পর পুন্টামবেকর বলেন, “জরায়ু ছাড়াই জন্ম হয়েছিল ওই মহিলার। উনি মা হতে চাইছিলেন। কিন্তু সারোগেসি বা দত্তক নেওয়া  পছন্দ ছিল না। তাই জরায়ু প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওঁর মা সুস্থ দাতা হওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে বেশি দেরি হয়নি।
”২০১৩ সালে সুইডেনে প্রথম সফল জরায়ু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করা হয়। মোট ৯ জন মহিলার জরায়ু প্রতিস্থাপন করা হয়। সেই প্রতিস্থাপিত জরায়ুর মাধ্যমে ৪ শিশুর জন্ম হয়। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেভল্যান্ড ক্লিনিকে শুরু হয় গবেষণা। মোট ১০টি জরায়ু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করা হয়। যদিও, প্রথম যে অস্ত্জরায়ু প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ভাবে সন্তান ধারণে অক্ষম মহিলাদের আশার আলো দেখাবে বলে মনে করছেন গবেষকরা। যদিও, এই প্রক্রিয়ার সব রকম ঝুঁকি ও জটিলতা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নন তাঁরা।

রোপচারটি করা হয়েছিল জটিলতার কারণে পরে সেই প্রতিস্থাপিত জরায়ু সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হন চিকিত্সকরা।

গরমে এমনিতেই হাসফাঁস অবস্থা। তার উপর এই সময় যারা মা হতে চলেছেন তাদের অবস্থা আরও কাহিল।

গরমে এমনিতেই হাসফাঁস অবস্থা। তার উপর এই সময় যারা মা হতে চলেছেন তাদের অবস্থা আরও কাহিল। 

এই গরমে কী পরবেন, কী করবেন, কী ভাবে সুস্থ রাখবেন নিজেকে, ভেবেই পাচ্ছেন না হয়তো। জেনে নিন এই গরমে প্রেগন্যান্ট হলে কী ভাবে আরামদায়ক পোশাক পরে স্বস্তিতে থাকবেন।
গরমে এমনিতেই হাসফাঁস অবস্থা। তার উপর এই সময় যারা মা হতে চলেছেন তাদের অবস্থা আরও কাহিল।
গরমে এমনিতেই হাসফাঁস অবস্থা। তার উপর এই সময় যারা মা হতে চলেছেন তাদের অবস্থা আরও কাহিল।

  • প্রেগন্যান্সিতে যে কোনও স্টাইলের মূল কথা হল আরাম। হালকা, আরামদায়ক, হাওয়া চলাচল করতে পারে এমন পোশাকই এই সময় পরা উচিত। তাই প্রথমেই মাথায় রাখুন ফ্যাব্রিক। গরমে সুতি, লিনেনের পোশাকই পরুন। সন্ধেবেলা অনুষ্ঠান থাকলে পরতে পারেন হ্যান্ডলুম সিল্ক। তা ছাড়া কিছু গরমে প্রেগন্যান্ট হলে না পরাই ভাল।
  • হালকা রঙের পোশাক পরুন। এতে গরম কম লাগবে। হলুদ, সাদা, পিচ বা হালকা নীল রঙের পোশাক পরতে পারেন। একরঙা পোশাক পরলে চেহারার বেঢপ ভাবও অনেকটা ঢাকতে পারবেন।
  • সুতির কেপ্রি, প্যান্ট, লং স্কার্ট, র‌্যাপ অ্যারাউন্ড এই সময় পরার জন্য খুব ভাল। শপিং মল বা যে কোনও বড় দোকানে প্রেগন্যান্সি পোশাক পাবেন। না হলে একটু বড় সাইজের ঢিলেঢালা পোশাক কিনুন। যদি কমফর্টেবল হন তা হলে ডেনিমও পরতে পারেন।
  • নানা রকম হালকা, ঢিলেঢালা সুতির ভেস্ট বা টি-শার্ট কিনে রাখুন। ভি-নেক, গোল গলা যেমন সুবিধা পরতে পারেন। কেপ্রি, স্কার্ট, প্যান্ট, পাজামা যে কোনও কিছুর সঙ্গেই বড় সাইজের টি-শার্ট পরা যায়। এ ছাড়াও সুতির ভেস্ট পোশাকের ভিতরে ইনার হিসেবে পরে লেয়ারিং করতে পারেন। এতে ঘাম কম হবে, গরমও কম লাগবে।
  • প্রেগন্যান্সিতে খুব ভাল অপশন শার্ট। বিশেষ করে যারা চেহারার বেঢপ আকার ঢাকতে চান। বড় সাইজের চেক শার্ট এখন যেমন ট্রেন্ড করছে তেমনই প্রেগন্যান্সির আদর্শ স্টাইল স্টেটমেন্ট। ডেনিম বা কটন প্যান্টের উপর শুধু শার্টও পরতে পারেন, আবার ভিতরে টি শার্ট বা ট্যাঙ্ক টপের উপর ফ্রন্ট ওপেন করেও শার্ট পরতে পারেন।
  • হালকা সুতির ড্রেস বা ম্যাক্সি ড্রেসও কিন্তু প্রেগন্যান্সির জন্য আদর্শ। যদি আপনি ড্রেস পরতে পছন্দ করেন এবং কমফর্টেবল হন তা হলে নানা রকম ম্যাক্সি ড্রেস দিয়েই ভরিতে তুলতে পারেন আপনার প্রেগন্যান্সি ওয়ার্ডরোব।
  • প্রেগন্যান্সিতে হাই হিল একেবারেই এড়িয়ে চলুন। গরমে বেশি আঁটসাঁটো জুতো না পরে যতটা সম্ভব পা খোলা, হালকা, আরামদায়ক জুতো পরা উচিত। ফ্ল্যাট, ফ্লিপ-ফ্লপ এই সময়ের জন্য আদর্শ।
  • গরমে এমনিতেই হাসফাঁস অবস্থা। তার উপর এই সময় যারা মা হতে চলেছেন তাদের অবস্থা আরও কাহিল।
    গরমে এমনিতেই হাসফাঁস অবস্থা। তার উপর এই সময় যারা মা হতে চলেছেন তাদের অবস্থা আরও কাহিল।

গর্ভাবস্থায় বিশ্বের অধিকাংশ মহিলাই স্বাভাবিক ওজন ধরে রাখতে পারেন না

গর্ভাবস্থায় বিশ্বের
গর্ভাবস্থায় বিশ্বের 

রক্তাল্পতা, কম ওজনের সমস্যায় অল্পবিস্তর বিশ্বের সব দেশের মহিলারাই ভোগেন।

 তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে যে সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশি। যে কারণে বিশ্বের অধিকাংশ মহিলা

রই গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যকর ওজন থাকে না বলে জানাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি নতুন সমীক্ষা।
গবেষণার জন্য সারা বিশ্বের ১৩ লক্ষ অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে বেছে নেন গবেষকরা। দেখা যায়, এদের মধ্যে অর্ধেক সংখ্যক মহিলার অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ওজন, স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বেড়ে গিয়েছিল। বাকি অর্ধেক সংখ্যকের স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন অনেকটাই কম ছিল। এই গবেষণার মুখ্য গবেষক হেলেনা টিড জানান, যাদের গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত ওজন বৃদ্ধি হয় না তাদেরই প্রি-ম্যাচিওর ডেলিভারির আশঙ্কা থাকে। আবার যাদের অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যায় তাদের সিজারিয়ান ডেলিভারির প্রবণতা বাড়ে।

মোট ৫ হাজার ৩০০ জন অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা যায় গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে ৩৮ শতাংশ মহিলার ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বেড়ে গিয়েছে, ৫৫ শতাংশের ওজন স্বাভাবিক বেড়েছে ও ৭ শতাংশের স্বাভাবিক ওজন বাড়েনি। যাদের ওজন প্রথম ত্রৈমাসিকেই অতিরিক্ত বেড়ে যায় পরবর্তী পর্যায়ে ওজন আরও বাড়তে থাকে। টিড সতর্ক করছেন, প্রথম ত্রৈমাসিকে ওজন বাড়াই উচিত নয়। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে সামান্য ওজন বাড়া স্বাভাবিক, এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে আরও কিছুটা ওজন বাড়া উচিত। মাথায় রাখতে হবে আন্তঃসত্ত্বা মানে কিন্তু আপনি দুজনের খাবার খাচ্ছেন না। তাই ক্যালোরির পরিমাণ অল্পই বাড়ানো উচিত। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আমাদের উদ্দেশ্য গর্ভধারণের আগে, গর্ভাবস্থায় এবং সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর মহিলাদের স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করা। চিকিত্সক ও মায়েদের মধ্যে সুস্থ আলোচনা, জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সাহায্যই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করবে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মা যত সুস্থ থাকবেন সুস্থ সন্তানের জন্ম দেওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।

আর যত বেশি সুস্থ শিশুর জন্ম হবে, উন্নত হবে সার্বিক স্বাস্থ্যের মান।

How to use women Condom II महिला कंडोम का उपयोग कैसे करें

মুম্বই, দিল্লি, পুণে, বেঙ্গালুরু বা হায়দরাবাদের মতো জায়গায় পরিবর্তনটা এসেছিল বছর তিনেক আগেই। দেরিতে হলেও এত দিনে আধুনিক বিকল্পের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন এ রাজ্যের মহিলাদের একাংশ। ঋতুকালীন প্রয়োজন মেটাতে অনলাইনে ‘মেনস্ট্রুয়াল কাপ’ কিনে ব্যবহার করছেন এঁরা।
শুধু কলকাতার বাসিন্দাই নন, শিলিগুড়ি, বর্ধমান, বহরমপুর, দুর্গাপুরের মতো বিভিন্ন জেলা শহরের মহিলারাও এই তালিকায় রয়েছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠই শিক্ষিতা তরুণী। পড়ুয়া বা কর্মরতা।
মেনস্ট্রুয়াল কাপ কী? জিনিসটি রবার বা সিলিকনের তৈরি, অনেকটা ছোট ফানেল-এর মতো দেখতে। এটি ভাঁজ করে যোনিপথ দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। তার পরে সেটা ছাতার মতো খুলে গিয়ে জরায়ুমুখে আটকে যায়। ঋতুস্রাবের সময় এর মধ্যেই জমে ঋতুকালীন রক্ত। ৮-৯ ঘণ্টা পরপর সেই ফানেল বা কাপ বের করে পরিষ্কার করে আবার জরায়ুমুখে ঢোকানো যায়। নির্মাতা সংস্থাগুলির দাবি, ঠিকঠাক ব্যবহার করলে এক-একটি কাপ ৮-১০ বছর চলতে পারে। দাম মোটামুটি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকার মতো। বিদেশি সংস্থার তৈরি কাপ ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা মতো দাম পড়ে।
আপাতত ভারতের ৪-৫টি সংস্থা এই কাপ তৈরি করছে। সংস্থাগুলির তরফে রেশমী রাজেশ, সাহতাজের মতো অনেকে জানিয়েছেন, গত এক-দেড় বছর হল পশ্চিমবঙ্গে তাঁদের বিক্রি বাড়ছে। মাসে ২৫০টি কাপ বিক্রি হলে অন্তত তার ১২-১৩টি কিনছেন পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা। তাঁদের দাবি, কাপ ব্যবহার করলে বারবার ন্যাপকিন কেনা-বদলানো-ফেলার ঝামেলা বা কাপড়ে-বিছানায় দাগ লাগার ভয় নেই। অনেকের মতে, বর্জ্য তৈরি না হওয়ায় পরিবেশের পক্ষেও এটা ভাল। ভারতের মতো দেশে যেখানে মেয়েদের ‘ভার্জিনিটি’ বা সতীত্ব নিয়ে বাড়াবাড়ির অন্ত নেই, সেখানে অবিবাহিতা তরুণীরা ‘হাইমেন’ বা সতীচ্ছদ রক্ষার পরোয়া না করে ‘মেনস্ট্রুয়াল কাপ’ ব্যবহার করলে সেটা যথেষ্ট সাহসী পদক্ষেপ বলেও মনে করছেন সমাজবিদ এবং নারী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত অনেকে। যদিও তাঁরা একই সঙ্গে মনে করাচ্ছেন, এ দেশে এখনও সিংহভাগ মেয়ের কাছে স্যানিটারি ন্যাপকিনই পৌঁছে দেওয়া যায়নি। সেখানে মেনস্ট্রুয়াল কাপ-এর ব্যবহার একটি বিশেষ শ্রেণির বাইরে হওয়া মুশকিল।


আবার স্ত্রীরোগ-বিশেষজ্ঞেরাও মুক্ত কণ্ঠে খুশি হতে পারছেন না। তাঁদের চিন্তা, ‘হাইজিন’ বা পরিচ্ছন্নতা নিয়ে। ভারতে গরম, আর্দ্রতা ও ধুলোয় এমনিতেই সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি থাকে। সেখানে বারবার আঙুলের সাহায্যে মেনস্ট্রুয়াল কাপ যোনিপথে ঢোকানো এবং বের করা কতটা নিরাপদ, সে প্রশ্ন থাকছে। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ রঞ্জিত চক্রবর্তীর মতে, ‘‘যদি মহিলারা হাত ও জরায়ু যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন না রাখেন তবে সংক্রমণ নিশ্চিত।’’ ঠিক এই কারণেই ভারতে ‘ট্যাম্পুন’ জনপ্রিয় হয়নি বলে মত স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ মল্লিনাথ মুখোপাধ্যায়ের। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সুসুপ্তা চৌধুরীও মনে করছেন, ‘‘মেনস্ট্রুয়াল কাপ সাবান দিয়ে ধোওয়া যাবে না, কারণ জরায়ুতে সাবান থেকে সংক্রমণ হয়। প্রতিবার ব্যবহারের পর গরম জলে ফোটাতে হবে। সেটা সবাই মেনে চলতে পারবেন তো? সামান্য রক্ত থেকে গেলেই কিন্তু ব্যাকটেরিয়া-ফাঙ্গাসের বাড়বাড়ন্তের আশঙ্কা থাকবে।’’

পুরুষের বন্ধ্যত্ব বাড়ছে শহরে… पुरुषों में प्रजनन क्षमता बढ़ाने से

সন্তান হচ্ছে না। অতএব সমস্যা রয়েছে মেয়েটিরই। কোনও রকম পরীক্ষানিরীক্ষার আগেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। অথচ পুরুষের বন্ধ্যত্ব উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে এ রাজ্যেও। চিকিৎসকদের মতে, এ ক্ষেত্রে আধুনিক জীবনযাত্রার দায় অনেকটাই। চর্বিজাতীয় বা মশলাযুক্ত খাবার, বিভিন্ন নেশা, রাতের শিফটে ডিউটি এবং অতিরিক্ত টেনশন সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডিম্বাণু সুস্থ থাকলেও যদি শুক্রাণুর গুণগতমান ভাল না হয়, তা হলে ভ্রূণ তৈরি হবে না। আধুনিক খাদ্যাভাসে চর্বিজাতীয়, অতিরিক্ত তেলমশলাযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়। এই ধরনের খাদ্যাভাসের জেরে স্থূলতার সমস্যা তৈরি হয়। সঙ্গে থাকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাও। পাশাপাশি অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ধূমপানের জেরে পুরুষদের শুক্রাণু তৈরিতে সমস্যা হতে পারে। মদ এবং তামাকজাত পদার্থ সেবন করলে রক্তের স্বাভাবিক চলাচল বাধা পায়। তার জেরে পর্যাপ্ত শুক্রাণু তৈরি হয় না। মোটরবাইক চালানোও বন্ধ্যত্ব ডেকে আনতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের মতে, ইঞ্জিনের গরম দেহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াগুলির জন্য ক্ষতিকারক। তাই দিনের একটা বড় সময় মোটরবাইক চালালে সুস্থ শুক্রাণু তৈরি না হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
পুরুষদের বন্ধ্যত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে বৃহস্পতিবার একটি বন্ধত্ব্য চিকিৎসাকেন্দ্রের তরফে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বন্ধ্যত্ব চিকিৎসক অরিন্দম রথ বলেন, ‘‘কলকাতায় সন্তানহীন দম্পতিদের অন্তত ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরুষদের সমস্যা থাকে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা চিহ্নিত হয় না। কারণ পুরুষেরা এই সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসতে চান না।’’ একে শুধু শারীরিক সমস্যা নয়, সামাজিক সমস্যা হিসেবেও চিহ্নিত করেন তিনি। গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা আরও বেশি। কলকাতায় অবশ্য পরিস্থিতির বদল হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রভু জগন্নাথের শুভ স্নান যাত্রা আজকের তিথিতে জন্ম গ্রহন করেন রামকৃষ্ণ মঠ এর পঞ্চম অধ্যক্ষ পূজ্যপাদ স্বামী বিরজানন্দ

আজ প্রভু জগন্নাথের শুভ স্নান যাত্রা !আজকের দিনেই রানী রাসমণি প্রতিষ্ঠিত দক্ষিনেশ্বরে মা ভবতারিনী মন্দির প্রতিষ্ঠা হয় !আজ ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ এর পূণ্য অস্থি “আত্মারামের “মহা স্নানের দিন ,আজকের তিথিতে জন্ম গ্রহন করেন রামকৃষ্ণ মঠ এর পঞ্চম অধ্যক্ষ পূজ্যপাদ স্বামী বিরজানন্দ
প্রভু জগন্নাথের শুভ স্নান যাত্রা
প্রভু জগন্নাথের শুভ স্নান যাত্রা

মূখ‍্য চান্দ্র জ‍্যৈষ্ঠৈ জ‍্যেষ্ঠা নক্ষতপূর্নিমা তিথিতে জগন্নাথদেবের জন্মদিন রূপে গন‍্য করা হয়।রাজা ইন্দ্রদ‍্যুন্ম কতৃর্ক প্রবর্তিত এই উৎসবকে স্নানযাত্রা র উৎসব বলা হয়।জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রাকে স্নান বেদিতে সুদর্শনের সঙ্গে ১০৮ স্বর্ণ কলসে স্নান করা হয়।

সকল দেবতা ব্রক্ষা অবতারগন ব্রক্ষর্ষি এই মহাক্ষণের সাক্ষী হতে আসেন স্বর্গের সুরনদীর জল নিয়ে।
স্নানের প্রাক্কালে প্রভুকে সুগন্ধি ফুলের চাল মেশানো অন্ন,পাখালের সঙ্গে কাঁচকলা পটল,বেগুন ঘি মসলা দিয়ে পাক করা ঝোল নিবেদন করা হয়।এছাড়াও পিতা,তিপুরি,ফড়ি শুকতা,কখার  প্রভৃতি পদ ভোগ হিসাবে ব‍্যবহার হয় মিষ্টান্নের মধ‍্যে সরপুলি,হংসকেলি খোয়ামন্ডা মূখ‍্য।
এরপর জগৎপতির জ্বর আসে ,পনের দিন শ্রীমূর্তি অঙ্গরাগবিহীন থাকেন,এসময় পথ‍্য পাঁচন,। বাঁশের
পালঙ্কে তাঁর শোয়ার ব‍্যবস্থা করা হয়।অন্ন ভোগর পরিবর্তে ফল মিষ্টি ভেজা মুগ ডাল মিছরি ,চিনির জল নিবেদন করা হয়।
জ্বরে পড়ার ছদিনের মাথায় দারূমূর্তির শরীরের উত্তাপ কমানোর জন্যে চন্দন লেপন করা হয়।সপ্তম দিনে তিল  ।
মালিশ ।অষ্টম দিনে সর্জবৃক্ষের রস তিল তেলের   সঙ্গে মিশিয়ে মালিশ করা হয়। নভম দিনে সব লেপন তুলে ফেলা হয়। দশম দিনে সার চন্দন রক্তচন্দন, কস্তুরী কুমকুম কপূর দিয়ে আলাদা আলাদা লেপন করাহয় যথা রক্ত ত্বক,পদ,হস্ত,নাড়ি ধমনী ইত্যাদি সৃষ্টি হয় এক একটি লেপনে।
এই সময় অষ্টসখী তাঁর ব‍্যাধির চলাকালীন তাঁর সঙ্গে বিরাজ করেন । ওষধি রূপে তেজপাতাও এলাচদানা দিয়ে দুধ সাবু দেওয়া হয়। বক্কাল দেওয়া হয়, আসলেএর মধ্যে নিমপাতা,মধু,জায়ফল,আমলকী,আদা গোলমরিচ,প্রভৃতি মিশ্রণ ই এই বক্কাল। সমস্ত ঔষধ গঙ্গাজল, গোদুগ্ধ,এবং ডাবের জলের সাথে দেওয়াহয়।

খুবই সুন্দর এক মর্মস্পর্শী ঘটনা। পড়লে খুব ভাল লাগবে।–Swami Bhuteshananda

খুবই সুন্দর এক মর্মস্পর্শী ঘটনা। পড়লে খুব ভাল লাগবে।     একটি ধর্মীয় সভার অনুষ্ঠানে একবার শুনতে গেছিলাম | সেখানে উপিস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সম্মানীয় সব গন্যমান্য ব্যাক্তিরা আর শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন থেকে আসা এক প্রবীন মহারাজ | সকলেই ঠাকুর, মা, স্বামীজীর বিভিন্ন বাণী নানানভাবে বর্ণময় করে তুলে আমাদের সকলেরই একটা উচ্চভাবের সঙ্কুলানে অবস্থান করে দিয়েছিলেন কিন্তু সবচেয়ে বেশী করে মনে দাগ কেটেছিল মহারাজের একটি জীবন্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে | সেটাই আজ আমাদের এই মুহুর্তে নিয়ে যাবে সেই অবস্থার সময়ে কিছুক্ষনের জন্য |

   সবার কথা বলা হয়ে যাবার পর  মহারাজের মুখের সামনে টেবিলে মাইক্রোফোনটিকে ঠিক করে দেওয়া হল | মহারাজ ঠাকুর, মা, স্বামীজীর প্রনাম মন্ত্র বলে তাঁহাদের উদ্দেশ্য সশ্রদ্ধ প্রনাম জানিয়ে বলতে শুরু করলেন | যে ঠাকুর , মা, স্বামীজীর আদর্শকে ধরে থাকলে একটি সামান্য মানুষ , অতি পাপী মানুষও কেমনভাবে দেবতায় রুপান্তরিত হয় তাহারই এক প্রাঞ্জল বর্ননা|
   মহারাজ বলতে থাকলেন — বেশ কিছু বছর আগেকার ঘটনা — একটি সকাল বেলায়, সকালের প্রতিনিয়ত কাজের পরিসমাপ্তি করে কিছু লেখা পড়ার কাজে বসেছি হঠাৎই একটি ২০-২২ বছরের এক যুবক এসে আমায় প্রনাম করে একটি খামে করা চিঠি দিল | আমি কিছু জিজ্ঞেস করব তার আগেই ছেলেটি বলল মহারাজ ওর মধ্যেই সব লেখা আছে আপনি আগে পড়ুন তারপর আমাকে যেমন বলবেন আমি তাই করব , আমি এখানে অপেক্ষা করছি |
   চিঠিটা খুলতেই দেখি অল্প কিছু কথা লেখা |
    মহারাজ আমার ভক্তিপূর্ণ প্রনাম গ্রহণ করবেন | ঠাকুর, মা, স্বামীজীর শ্রীচরণে অসংখ্য প্রনাম জানাই |
    আপনার দ্বারা আমার এই জীবনকে যে পবিত্রতাই পৌঁছে দিয়েছিলেন সেই শরীরের বোধহয় এবার যাবার সময় হয়েছে | শুধু যাবার আগে আপনাকে একবার শেষ দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে আর একটা প্রনাম করতে ইচ্ছা হচ্ছে কারন যে জীবনের গতিটাকে আপনি নিজ হাতে পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন সেই মানুষটাকে একবার শেষ দেখা দেখতে ইচ্ছা করছে যে বড় |
  
হঠাৎ এমন একটা চিঠি পেয়ে কেমন যেন আনমোনা হয়ে গেলাম , কিছুই তো বুঝতে পাড়ছিলাম না | পঙ্কজের কথা আমার খুব ভাল মনে আছে| কিন্তু কি বা হলো এমন যে আসন্ন মৃত্যু পথযাত্রী হয়ে শেষ দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করছে | সামনের ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছিল ? তাতে ছেলেটি জানাল সপ্তাহ খানেক আগে তাদের গ্রামের একটি বাড়ীতে হঠাৎ আগুন লেগে যায় , সেই খবর পেয়ে যে যার মতন সাহায্য করার মতন এগিয়ে যায় | তাতে করে কেউ জল ঢালছে, কেউ জিনিসপত্র উদ্ধার করার চেষ্টা করছে ইত্যাদি | বাড়ীর সকলেই অক্ষত অবস্থায় বেড়িয়ে আসলেও একটি ঘড়ের মধ্যে দুটি বাচ্ছা ঘুমোছিল তাদের কথা কেউ মনে রাখেনি | হঠাৎ বাচ্ছাদের কান্নার আওয়াজে সবাইয়ের সংজ্ঞাত ফেরে কিন্তু ওই জ্বলন্ত ঘরের মধ্যে ঢুকবেই বা কি করে ? এই অবস্থায় সবাই পিছিয়ে গেলেও পঙ্কজ চুপ করে থাকে নি | ওই আগুনের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পরে উদ্ধার করে কিন্তু বাচ্চাদুটোকে অক্ষত নিয়ে আসলেও নিজে সেই আগুনের কাছে অক্ষত রাখতে পারে নি , ৮০ শতাংশের বেশী পুড়ে গেছিল | এতখানি পুড়ে গেলেও তার চোখে মুখে ছিল এক পরিতৃপ্তি | আমরা সকলে মিলে ধরাধরি করে হাসপাতালে ভর্তি করে দি | কিন্তু সেখানকার ডাক্তারবাবুরা দেখেই বলে দিয়েছিলেন এ সুস্থ হবার পর্যায়ে নেই সুতরাং যতদিন পারুক বেঁচে থাকুক | আর আপনাকে দেখাই ওর শেষ ইচ্ছা — তাই আমাকে দিয়ে আপনাকে নিয়ে আসার জন্য পাঠিয়েছেন | আপনি কি যাবেন মহারাজ ?
   ছেলেটির কথায় আমি কেমন অন্যমনস্ক হয়ে গেছিলাম পঙ্কজের কথা চিন্তা করতে করতে | আমি বললাম তুমি একটু বস আমি তৈরী হয়ে আসছি , আমি নিশ্চয় যাব তোমার সঙ্গে |
    পথে চলেছি — তার কথায় ভেসে উঠছে মনেতে ! প্রথম যেদিন সংশোধনাগারে যাই আমার পরিচয় হয়ে ওঠে এই পঙ্কজের সঙ্গে | অনাথ ছেলে যা হয়, খারাপ সঙ্গে পড়ে চুরি-ছিনতাই এসব করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে | তারপর সেখানে আমার কাছ থেকে প্রথমে দেখে মায়ের একটি ছবি, দীর্ঘক্ষন কোন কথা বলে নি , সেই অবস্থায় মায়ের ছবির দিকে চেয়ে নিশব্দে কাঁদতে কাঁদতে অস্ফুষ্ট স্বরে মা এই একটি শব্দ বেড়িয়েছিল | কথায় কথায় জানতে পারলাম সে অনাথ তাই মা বুঝি ধরা দিলেন এইসব সন্তানের কাছে মা হয়ে | হ্যাঁ ঠিকই তো – তিনি নিজ মুখেই তো বলেছেন আমি সতেরও মা আবার অসতেরও মা | এই অসত সন্তানগুলিই আজ মায়ের খুব প্রয়োজন | বাবা, মায়ের স্নেহচর্যায় বড় তো হয়ে ওঠে নি | তাই ঠাকুর, মায়ের, স্বামীজীর বাণী শুনিয়ে  উদ্বুদ্ধ করি আর জীবনের মানব জীবনকে পরিবর্তন করিয়ে শুরু হয় মানবের উত্তোরনের পথ আর  এভাবেই হয় পড়াশোনা আর জীবিকানির্বাহের  জন্য শুরু করা | সব শরীরের মধ্যে ওর চোখ দুটো ছিল খুব উজ্জল | প্রথম দিকের কথাটি খুব করে মনে পড়ছে আজ,  মায়ের ছবিটা দেখে প্রথমেই মা বলে সে তার কি কান্না | আমাকে বলল আমার মায়ের মুখটাও মনে পরে না, খুব আবছা একটা চিত্র ভেসে ওঠে , সেই ছবি আর এই ছবি একদম যেন হুবাহু মিলে যায় | সেই থেকে তার জীবন ধারন কেমন যেন পরিবর্তন হয়ে গেল | ভাল ব্যবহার আর পড়াশোনা করার জন্য পুলিশ অফিসারের স্নেহের দৃষ্টিতে ধরা পড়ল আর আমাকে খুবই ভালবাসত | আমি যদি কোন কথা বলতাম ও তৎক্ষনাৎ সেই কাজ করত | ছোট বয়স তো | আর জীবনে স্নেহ ভালবাসা পাই নি তাই | জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আমারই নির্দেশে নানান সেবামূলক কাজ শুরু করে দিল আর আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখত | আর আমিও তাকে ঠাকুর মায়ের বাণীতে উদীপ্ত করতাম | এই চিন্তা করতে করতে গাড়িটা হসপিটালের সামনে এসেই থামল |
   দ্রুত পায়ে সঙ্গের ছেলেটি নিয়ে যেতে লাগল কারন সময় যে বড় কম | পঙ্কজের কাছাকাছি যেই গেছি তখন তার শ্বাস টান শুরু হয়েছে , ডাক্তারের স্যালাইনের বোতলটি তোরজোর করছে আমি কাছে যেতেই তার চোখে মুখে এক উদীপ্ত সরল শিশুর ন্যায় হাসি খেলে উঠল কয়েক মুহূর্ত ব্যাস — শেষ ! হাসতে হাসতে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে শেষ হয়ে গেল তার ইহলোকের__কাজ |
    পারলাম না তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে — যেন তার সেই নির্মল হাসিখানা আমাকে বলে দিয়ে যাচ্ছে , আমি পেরেছি মহারাজ যন্ত্রনাকে__হাসি_করে_ফেলতে | আমি সেই জয় নিয়ে আসতে পেরেছি আমার সেই হারিয়ে যাওয়া মায়ের , আবার ফিরে পাওয়া আমার মায়ের আশীষের সাথে |
    পিছনের জানালা দিয়ে জানালার রডটি ধরে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে মুখ লুকিয়ে নিলাম কারন সাধু হয়েছি বলে কি চোখের জলকে আটকান যায় ! না পারি না !  তাই সকলের অগোচরে পঙ্কজের মুখটাকে অনন্ত আকাশের মধ্যে খুঁজছিলাম | সেই তাকেই বলেছিলাম একদিন,  ভাল কাজ করলে আকাশের বুকে তারা হয়ে থেকে যায় | তাই সন্ধ্যার আকাশে কোন তারাটি আমাদের সেই পঙ্কজ | সত্যিই তার নামের সার্থকতা তার কর্মের মধ্যে দিয়েই দেখিয়ে গেল , যেমন পদ্মফুল পাঁকে হয় কিন্তু তার সৌরভ চারিদিকে মাতোয়ারা করে দেয় আর মায়ের পূজাতে লাগে | তার জীবনখানি দিয়েও সেই মায়ের পূজাতেই লাগল | ধন্য তার জীবন |
    দুরের বাড়ি গুলি থেকে সন্ধ্যার শাখের শব্দ ভেসে আসতে থাকল , কোথাও কাছে হয়তো মসজিদ আছে আর সেখান থেকে উৎসারিত হচ্ছে পবিত্র আল্লার নামের আজানের ধ্বনি | প্রকৃতি তার রং বিস্তার করে বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যার সময় হয়েছে কিন্তু আমি তন্ময় হয়ে শুধু চেয়েই আছি সেই তারাগুলির দিকে এখনও |
বলতে বলতে মহারাজ আর নিজেকে সামলে রাখতে পারলেন না , টপ টপ করে চোখের জল পড়তে থাকল | শুধু মহারাজ নয় সেই সভার মধ্যে উপিস্থিত সকলের চোখেই জল | কি এক অসাধারন ঘটনা বিবৃত হল এখানে, এই মুহুর্তে |  একদম নিস্তব্ধ হয়ে উঠল সেই সভা | একজন দৌড়ে গিয়ে মহারাজকে ধরে আস্তে আস্তে চেয়ারে বসিয়ে দিল আর মহারাজ দু হাত দিয়ে পঙ্কজের জন্য বারিত অশ্রু মুছতে থাকল |
সভার শেষে একটি বাচ্ছা ছেলে এসে কবিগুরুর একটি গান গাইতে থাকল —
আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে
এ জীবন পুণ্য কর দহন দানে |
আমার এই দেহখানি তুলে ধর
তোমার ওই দেবালয়ের প্রদীপ কর
নিশিদিন আলোক শিখা জ্বলুক গানে ||
আঁধারের গায়ে গায়ে পরশ তব
সারা রাত ফোটাক তারা নব নব |
নয়নের দৃষ্টি হতে ঘুচবে কালো
যেখানে পড়বে সেথায় দেখবে আলো
ব্যাথা মোর উঠবে জ্বলে ঊর্ধ পানে
আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে
এ জীবন পুণ্য কর দহন দানে |
  ধন্য তুমি পঙ্কজ, তোমার নামের জয়গান করি , আজ তুমিই আমাদের জানিয়ে দিয়ে গেলে মানব জীবনের উদ্দেশ্যকে ভোগের জন্য নয় ত্যাগের জন্য | এক নামহীন গোত্রহীন জীবনকে তুমি দেখালে মা, ঠাকুর, স্বামীজীর আদর্শে কিভাবে জীবন গড়ে তোলা যায় |
তার নামের দহন জ্বালিয়ে আমরা অশ্রু সজল নয়নে এক ব্যাথা ভরা আনন্দ নিয়ে আস্তে আস্তে নীরবে সভা থেকে বেড়ালাম, একটি অনবদ্য নতুন জীবনের স্বাদ নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যের পথ ধরে |
জয় মা, জয় ঠাকুর, জয় স্বামীজী ||

এ সংসার তাঁর লীলা; খেলার মতো। এই লীলায় সুখ-দুঃখ, পাপ-পুণ্য, জ্ঞান-অজ্ঞান, ভাল-মন্দ — সব আছে। দুঃখ, পাপ — এ-সব গেলে লীলা চলে না।

“তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্‌ ৷
শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং, ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ ৷৷”
কাছাকাছি দিন থেকে-
শ্রীরামকৃষ্ণ
শ্রীরামকৃষ্ণ
ঊনত্রিংশ পরিচ্ছেদ ১৮৮৪, ২৪শে মে
শ্রীরামকৃষ্ণ এইবার পশ্চিমের গোল বারান্দায় আসিয়া বসিয়াছেন। বন্দ্যোপাধ্যায়, হরি, মাস্টার প্রভৃতি কাছে বসিয়া আছেন। বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসারে কষ্ট ঠাকুর সব জানেন।
[বন্দ্যোকে শিক্ষা — ভার্যা সংসারের কারণ — শরণাগত হও ]
শ্রীরামকৃষ্ণ — দেখ, “এক কপ্নিকে বাস্তে” যত কষ্ট। বিবাহ করে, ছেলেপুলে হয়েছে, তাই চাকরি করতে হয়; সাধু কপ্নি লয়ে ব্যস্ত, সংসারী ভার্যা লয়ে। আবার বাড়ির সঙ্গে বনিবনাও নাই, তাই — আলাদা বাসা করতে হয়েছে। (সহাস্য) চৈতন্যদেব নিতাইকে বলেছিলেন, শুন শুন নিত্যানন্দ ভাই সংসারী জীবের কভু গতি নাই।
মাস্টার (স্বগত) — ঠাকুর বুঝি অবিদ্যার, সংসারের কথা বলছেন। অবিদ্যার সংসারেই বুঝি “সংসারী জীব” থাকে।
(মাস্টারকে দেখাইয়া — সহাস্যে) “ইনিও আলাদা বাসা করে আছেন। তুমি কে, না ‘আমি বিদেশিনী’; আর তুমি কে, না ‘আমি বিরহিণী।’ (সকলের হাস্য) বেশ মিল হবে।
“তবে তাঁর শরণাগত হলে আর ভয় নাই। তিনিই রক্ষা করবেন।”
হরি প্রভৃতি — আচ্ছা, অনেকের তাঁকে লাভ করতে অত দেরি হয় কেন?
শ্রীরামকৃষ্ণ — কি জানো, ভোগ আর কর্ম শেষ না হলে ব্যাকুলতা আসে না। বৈদ্য বলে দিন কাটুক — তারপর সামান্য ঔষধে উপকার হবে।
“নারদ রামকে বললেন, ‘রাম! তুমি অযোধ্যায় বসে রইলে রাবণবধ কেমন করে হবে? তুমি যে সেইজন্যে অবতীর্ণ হয়েছ!’ রাম বললেন, ‘নারদ! সময় হউক, রাবণের কর্ম-ক্ষয় হোক; তবে তার বধের উদ্যোগ হবে’।”১

[The problem of Evil and Hari (Turiyananda) — ঠাকুরের বিজ্ঞানীর অবস্থা ]

হরি — আচ্ছা, সংসারে এত দুঃখ কেন?
শ্রীরামকৃষ্ণ — এ সংসার তাঁর লীলা; খেলার মতো। এই লীলায় সুখ-দুঃখ, পাপ-পুণ্য, জ্ঞান-অজ্ঞান, ভাল-মন্দ — সব আছে। দুঃখ, পাপ — এ-সব গেলে লীলা চলে না।
“চোর চোর খেলায় বুড়ীকে ছুঁতে হয়। খেলার গোড়াতেই বুড়ী ছুঁলে বুড়ী সন্তুষ্ট হয় না। ঈশ্বরের (বুড়ির) ইচ্ছা যে খেলাটা খানিকক্ষণ চলে। তারপর। – ঘুড়ি লক্ষের দুটা-একটা কাটে, হেসে দাও মা, হাত-চাপড়ী।
 অর্থাৎ ঈশ্বরদর্শন করে দুই-একজন মুক্ত হয়ে যায়, অনেক তপস্যার পর, তাঁর কৃপায়। তখন মা আনন্দে হাততালি দেন, ‘ভো! কাটা!’ এই বলে।”
হরি — খেলায় যে আমাদের প্রাণ যায়।
শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — তুমি কে বল দেখি; ঈশ্বরই সব হয়ে রয়েছেন — মায়া, জীব, জগৎ, চতুর্বিংশতি তত্ত্ব।২
“সাপ হয়ে খাই, আবার রোজা হয়ে ঝাড়ি! তিনি বিদ্যা-অবিদ্যা দুই-ই হয়ে রয়েছেন। অবিদ্যা মায়ার অজ্ঞান হয়ে রয়েছেন, বিদ্যা মায়ার ও গুরুরূপে রোজা হয়ে ঝাড়ছেন।
“অজ্ঞান, জ্ঞান, বিজ্ঞান। জ্ঞানী দেখেন তিনিই আছেন, তিনিই কর্তা — সৃষ্টি, স্থিতি, সংহার করছেন। বিজ্ঞানী দেখেন, তিনিই সব হয়ে রয়েছেন।
“মহাভাব, প্রেম হলে দেখে তিনি ছাড়া আর কিছুই নাই।
“ভাবের কাছে ভক্তি ফিকে, ভাব পাকলে মহাভাব, প্রেম।
(বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি) — “ধ্যানের সময় ঘন্টাশব্দ এখনও কি শোনা?”
বন্দ্যো — রোজ ওই শব্দ শোনা! আবার রূপদর্শন! একবার মন ধরলে কি আর বিরাম হয়?
শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — হাঁ, কাঠে একবার আগুন ধরলে আর নেবে না। (ভক্তদের প্রতি) — ইনি বিশ্বাসের কথা অনেক জানেন।
বন্দ্যো — আমার বিশ্বাসটা বড় বেশি।
শ্রীরামকৃষ্ণ — কিছু বল না।
বন্দ্যো — একজনকে গুরু গাড়োল মন্ত্র দিয়েছিলেন, আর বলেছিলেন, “গাড়োলই তোর ইষ্ট।” গাড়োল মন্ত্র জপ করে সে সিদ্ধ হল।
“ঘেসুড়ে রামনাম করে গঙ্গা পার হয়ে গিছল!”
শ্রীরামকৃষ্ণ — তোমার বাড়ির মেয়েদের বলরামের মেয়েদের সঙ্গে এনো।
বন্দ্যো — বলরাম কে?
শ্রীরামকৃষ্ণ — বলরাম কে জানো না? বোসপাড়ায় বাড়ি।
সরলকে দেখিলে শ্রীরামকৃষ্ণ আনন্দে বিভোর হয়েন। বন্দ্যোপাধ্যায় খুব সরল; নিরঞ্জনকেও সরল বলে খুব ভালবাসেন।
শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — তোমায় নিরঞ্জনের সঙ্গে দেখা করতে বলছি কেন? সে সরল, সত্য কি না। এইটি দেখবে বলে।
১ অধ্যাত্মরামায়ণ, অযোধ্যাকাণ্ড।
২ ত্বং স্ত্রী ত্বং পুমানসি, ত্বং কুমার উত বা কুমারী।
  ত্বং জীর্ণো দণ্ডেন বঞ্চসি ত্বং জাতো ভবসি বিশ্বতোমুখঃ।।              [শ্বেতাশ্বতরোপনিষদ্‌, ৪।৩]
“ওঁ নিরঞ্জনং নিত্যমনন্তরূপং ভক্তানুকম্পাধৃতবিগ্রহং বৈ।
ঈশাবতারং পরমেশমীড্যং তং রামকৃষ্ণং শিরসা নমামি।।”

"ঠাকুরকে ছেড়ে আমার থাকা চলে না, থাকা উচিতও নয়।"

“ঠাকুরকে ছেড়ে আমার থাকা চলে না, থাকা উচিতও নয়।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

VISIT TODAY RAMAKRISHNA ,TODAY VISIT THAKUR SRI RAMAKRISHNA AT,TODAY,MAA, SARADA, KOLKATA, THAKUR, RAMAKRISHNA,BELUR MATH, VIVEKANANDA,SWAMIJI,HOT NEWS,Kamarpukur,belurmath, Joyrambati,BARASAT,today's news headlines,mind on God, Gospel of sri Ramakrishna, The Story of Ramakrishna,belur math ,belur, math, arati, belurmath.org, bhajan, devotional, song,classic bhajan,swami vivekananda, vivekananda, swamiji,thakur, belur math, ramakrishna mission, belur,ramakrishna math, vidyamandira, ma sarada,Sarada devi, ramakrishna,Doctor, paramhansa,bengali devotional song, kolkata, calcutta, india, Indian, Bangladesh, BelurMath belurmath.org,  vivekananda, ramakrishna, sarada, ramakrishna movement, vedanta movement ,Swami Kripakarananda,Doctor,RKM


১৯০৯ সালের ২১ মে , সম্পত্তি বন্টনের পর শ্রীশ্রী মা স্বামী সারদানন্দের সঙ্গে কলকাতা যাত্রা করেন এবং ২৩ মে, ‘উদ্বোধন’–বাড়িতে প্রথম পদার্পণ করেন। শ্রীশ্রী মায়ের দ্বিতলে থাকার ব্যবস্থা করা হয় আর নিচে ‘উদ্বোধন’কার্যালয়। শ্রীঠাকুরের জন্য নির্মিত বেদীর উপর নিবেদিতা রচিত রেশমী চন্দ্রাতপের নিচে চিত্র প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ঠাকুরঘরের পাশের ঘরে শ্রীমায়ের থাকার ব্যবস্থায়য় তিনি গররাজি হন। শ্রীশ্রীমা বলেন :“ঠাকুরকে ছেড়ে আমার থাকা চলে না, থাকা উচিতও নয়।”অতএব শ্রীমাকে ঠাকুর ঘরে থাকার ব্যবস্থা করা হয়।  এইদিন থেকেই উদ্বোধন ভবনটি  ‘মায়ের বাড়ি’ বলেই পরিচিত হতে থাকে। অদ্যাবিধ এই ‘মায়ের বাড়ি’ একাধারে শক্তিপীঠরূপে পরমতীর্থ।
১৯৮৮ সালের ২৬ শে ফ্রেব্রুয়ারী ইটালিয়ান  এক দম্পতিকে বাগবাজারে উদ্বোধন কার্যালয় থেকে জনৈক সন্ন্যাসী মায়ের বাড়িতে নিয়ে  আসেন। মায়ের ঘরের দরজার গায়ে যথারীতি ভূমিষ্ঠ হয়ে মাকে প্রনাম করতে দেখে তাঁরাও ঐভাবে প্রনাম করে উঠে মায়ের ছবির দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। সন্ন্যাসী দেখলেন ভদ্রমহিলার দুই গন্ড বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে।ভদ্রমহিলা সন্ন্যাসীর দিক তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন ইনি কে?  উনি কি এখনও জীবিত?  সন্ন্যাসী উত্তর দিলেন—“ইনি আমাদের “মা” বা “হোলি মাদার”।  উনি ১৯২০ সালে নরলীলা সংবরণ করেন।মা তাঁর শেষ এগার বছরের অনেকটা সময় এঘরে কাটিয়েছেন।”
ভদ্রমহিলা বললেন –” কিন্তু আমি যে এই ঘরের মধ্যে তাঁর জীবন্ত উপস্থিতি অনুভব করছি। মনে হচ্ছে, এই ঘর, এই জায়গাটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক স্পন্দনে ভরপুর হয়ে আছে।ওঃ! কত যে শান্তি, করুণা আর ভালবাসায় ধুয়ে দিচ্ছেন। আমরা বুঝিনি এতদিন হয়ত ওরই (শ্রীশ্রীমায়ের) আকর্ষণে বারবার ভারতবর্ষে ছুটে এসেছি।
হ্যাঁ, সেই১৯০৯সালের ২৩ শে মে   থেকে মা ওবাড়িতে আছেন  অনুভব করতে হবে মায়ের উপস্থিতি, শুধু অটুট বিশ্বাস আর মায়ের প্রতি আস্থা রেখে মা কে ডাকলেই হলো। আজও মা তাঁর সন্তানদের জন্য কোল পেতে বসে আছেন একই ভাবে এ যে কথার কথা মা নন, পাতানো মা নন সত্যি জননী।
জয় মা!!

50 वर्ष से अधिक उम्र वाले इस सन्देश को सावधानीपूर्वक पढ़ें, क्योंकि यह उनके आने वाले जीवन के लिए अत्यन्त ही महत्वपूर्ण है

*50 वर्ष से अधिक उम्र वाले इस सन्देश को सावधानीपूर्वक पढ़ें, क्योंकि यह उनके आने वाले जीवन के लिए अत्यन्त ही महत्वपूर्ण है।*👏👏👏

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

50 वर्ष से अधिक उम्र वाले इस सन्देश को सावधानीपूर्वक पढ़ें, क्योंकि यह उनके आने वाले जीवन के लिए अत्यन्त ही महत्वपूर्ण है।

50 वर्ष से अधिक उम्र वाले इस सन्देश को सावधानीपूर्वक पढ़ें, 

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});


*सुखमय वृद्धावस्था के लिए…..*
*1* 🏠अपने स्वयं के स्थायी स्थान पर रहें ताकि स्वतंत्र जीवन जीने का आनंद ले सकें!
*2* अपना बैंक बेलेंस और भौतिक अमूल्य संपत्ति सदा अपने पास रखें! 💵
*3* अपने बच्चों के इस वादे पर निर्भर ना रहें कि वो वृद्धावस्था में आपकी सेवा करेंगे, क्योंकि समय बदलने के साथ उनकी प्राथमिकता भी बदल जाती है! 👬
*4*👥 उन लोगों को अपने मित्र समूह में शामिल करें जो आपको जीवन को प्रसन्न देखना चाहते हैं! 🙏
*5* 🙌किसी के साथ अपनी तुलना ना करें और ना ही किसी से कोई उम्मीद ना रखें!
*6* 👫अपनी संतानों के जीवन में दखल अन्दाजी ना करें, उन्हें अपने तरीके से अपना जीवन जीने देंऔर आप अपने तरीके से अपना जीवन जीएँ!
*7* 👳अपनी वृद्धावस्था को आधार बनाकर किसी से सेवा करवाने, सम्मान पाने का प्रयास ना करें।
*8* 🖐लोगों की बातें सुनें लेकिन अपने स्वतंत्र विचारों के आधार पर निर्णय लें।
*9*👏 प्रार्थना करें लेकिन भीख ना मांगे, यहाँ तक कि भगवान से भी नहीं। अगर भगवान से कुछ मांगे तो सिर्फ माफ़ी या हिम्मत! सबकुछ दिया ईश्वर का ही है और वह आपका सच्चा सहायक है।
*10* 💪अपने स्वास्थ्य का स्वयं ध्यान रखें, चिकित्सीय परीक्षण के अलावा अपने आर्थिक सामर्थ्य अनुसार अच्छा पौष्टिक भोजन खाएं और यथा सम्भव अपना काम अपने हाथों से स्वयं करें!
*11* 😎अपने जीवन से कभी थकें नहीं हमेशा प्रसन्न रहे!   
*12** 💏प्रति वर्ष  अपने जीवन के साथी केसाथ भ्रमण/ यात्रा पर एक या अधिक बार अवश्य जाएं,  इससे आपका जीने का नजरिया बदलेगा!
*13**  😖किसी भी टकराव को टालें एवं तनाव रहित जीवन जिऐं!  
*14** 😫 जीवन में स्थायी कुछ भी नहीं है चिंताएं भी नहीं इस बात का विश्वास करें !
*15* 😃 अपनी सामाजिक जिम्मेदारियों को यथासंभव रिटायरमेंट से पहले पूरा कर लें, याद रखें जब तक आप जीना शुरू नहीं करते हैं तब तक आप जीवित नहीं हैं!
😀खुशनुमा जीवन की शुभकामनाओं के साथ।
(मैसैज अच्छा और सटीक लगा तो फॉरवर्ड करने से नहीं रोक सका)
🌹🙏�🌹

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Design a site like this with WordPress.com
Get started