Ramkrishna sharanam II লাটু মহারাজ

      ||||||||||||||| লাটু মহারাজ |||||||||||||||
——————————————————-
লাটু মহারাজ শ্রীরামকৃষ্ণ এর অদ্ভুত সৃষ্টি ।
“লাটু যেরূপ পারিপার্শিক অবস্থার মধ্য হইতে আসিয়া অল্প দিনের মধ্যে আধ্যাত্মিক জগতে যতটা উন্নতিলাভ করিয়াছে—–এতদুভয়ের তুলনা করিয়া দেখিলে সে আমাদের অপেক্ষা অনেক বড় ।
আমরা সকলেই উচ্চবংশজাত এবং লেখাপড়া শিখিযা  মার্জিত বুদ্ধি লইয়া ঠাকুরের নিকট আসিয়াছিলাম ; লাটু কিন্তু সম্পূর্ণ নিরক্ষর । আমরা ধ্যান-ধারণা ভাল না লাগিলে পড়াশুনা করিয়া মনের সে ভাব দূর করিতে পারিতাম ।
লাটুর কিন্তু অন্য অবলম্বন ছিল না——তাঁহাকে একটিমাত্র ভাব অবলম্বনেই চলিতে হইয়াছে ।
কেবলমাত্র ধ্যানন-ধারণা সহায়ে লাটু যে মস্তিষ্ক ঠিক রাখিয়া অতি নিন্ম অবস্থা হইতে উচ্চতম আধ্যাত্মিক সম্পদের অধিকারী হইয়াছে, তাহাতে তাঁহার অন্তর্নিহিত শক্তির ও তাহার প্রতি শ্রীশ্রীঠাকুর এর অশেষ কৃপার পরিচয় পাই ।”

—————–স্বামী বিবেকানন্দ ।।

স্বামী অদ্ভুতানন্দ মহারাজ এর কিছু উপদেশবলী::::::::::::::::
ভগবান চান পবিত্র জীবন l জীবন সকলেরই সমান l তবে যার পবিত্র জীবন ভগবান তাকে ভালবাসেন l
ভগবান শ্রী কৃষ্ণ বলেছেন, “যার হৃদয় শুদ্ধ আমি সেখানে প্রকাশ থাকি l ……লোকে ঘুরে ঘুরে বেড়ায় l আমি কিন্তু তার হৃদয়েই রয়েছি l সেখানে বজ্জাতি, অসদ্বুদ্ধি থাকে, তাই আমাকে দেখতে পায় না l”
কারুর খুব রাগ হলে ঠাকুর বলতেন—ওকে ছুঁস নি, চন্ডালে স্পর্শ করেছে l চন্ডাল ছুঁলে যেমন অস্পৃশ্য হয়, ক্রোধের বশীভূত হলে মানুষ সেরূপ হয় l
এ জগতে কেউ ছোট হতে চায় না, সবাই বড় হতে চায়; তাই তো এত গোলমালের সৃষ্টি l একজন একটু নিচু হলে সব গোলমাল মিটে যায়; কিন্তু তা কিছুতেই হবে না l বলে—আমি ওর থেকে ছোট কিসে ? এরই নাম অহংকার l যত অনর্থের মূল ঐখানে l যদি সংসারে শান্তি পেতে চাস, তবে ছোট হতে শেখ l
সংসারই বল, আর ধর্মই বল, শ্রদ্ধা প্রীতি না হলে কিছুই হয় না l উপরোধে কি কোনো কাজ হয় ? প্রীতি থাকলে আর ছাড়তে ইচ্ছা হয় না, ক্রমশঃ ভগবানে মন বসে যায় l প্রীতিই হলো প্রধান l
আজকাল লোকে যে ধর্ম ধর্ম করছে, ও সব হুজুগে ধর্ম l ঠিক ঠিক লোক কত ? কজন ধর্ম চায় ? সকলেই হুজুগে ধর্ম করে, তবে ভালোর মন্দ তাও ভালো, এই পর্যন্ত l
সংস্কার যায় কিসে ? —ভগবানের নাম গুনগান, সাধুসঙ্গ, ধ্যানজপ ইত্যাদি করলে l
নিজেকে বড় বলে মনে হলেই যত গোল l যার ছোট বলে মনে ধারণা, তার আর কিসের গোল ?
ভগবান কি গাছের ফল যে তাঁকে ইচ্ছামাত্রই পাবে ?
তাঁকে পেতে হলে তাঁর কৃপা চাই, দয়া চাই l তাঁর কৃপালাভ করতে হলে সাধুদের ভালবাসা, আশীর্বাদ পেতে হয় l ভগবান আছেন বলে বিশ্বাস কর l বিশ্বাস করে যেখানে বসে ডাকবে, সেইখানেই পাবে l
ভগবান কাউকে অর্থ দেন, কিন্তু দান করবার ইচ্ছা দেন না l আবার যাকে দান করার ইচ্ছা দেন, তাকে অর্থ দেন না l আর যাকে দুইই দেন বুঝতে হবে তার উপর ভগবান এর দয়া আছে l
সাধন-ভজনের উপদেশ যার তার কাছ থেকে নিলে অনিষ্ট হতে পারে l গুরু—যিনি শিষ্যের ভাব জানেন বা জানতে পারেন, তাঁর কাছে উপদেশ নিলে কল্যাণ হয় l নচেত ভাব নষ্ট হতে পারে l
হাজার হাজার ধর্মকথা জানার চেয়ে, বলার চেয়ে, লোককে শিক্ষা দেওয়ার চেয়ে ভগবানকে ডাকা ভালো l
গুরুবাক্যে সংশয় করলে কখনও ধর্ম হয় না l একজনের উপর নির্ভর করা কি কম কথা ? সুখ আসুক, দুঃখ আসুক গুরুর আজ্ঞা পালন করে চলতে হবে—তবেই মঙ্গল l
তাঁর উপর মন থাকলে সব ভয় কেটে যায় l ভগবানে মন থাকাই হলো প্রধান l তিনি যে কোথা থেকে বুদ্ধি জুটিয়ে দেন, তা কি জীব বুঝবে ? তাঁর কাছে আন্তরিক প্রার্থনা করতে হয় l বাইরে লোক দেখানো না হয় l আন্তরিক প্রার্থনা হলে তিনি শোনেন l
পরের দোষ দেখতে দেখতে দোষই কেবল নজরে আসে l যাঁর কাছে উপকার পেয়েছ, তিনি যদি হঠাৎ কোন অন্যায় করে ফেলেন—তাঁর দোষ কখনও দেখা উচিত নয় l তখন তাঁর গুণটা সামনে ধরলে অনেক বাঁচোয়া ; তা না হলে পরে ভয়ানক অনুতাপ হয় l

পবিত্র থাকলে ধর্ম একদিন না একদিন বুঝতে পারবেই l সতের কাছে ভগবান প্রকাশিত হন, যেমন অর্জুনের কাছে শ্রীকৃষ্ণ হয়েছিলেন l

সৎসঙ্গকরলে কি হয় যেন ? সৎসঙ্গ করলে সদবুদ্ধি হয়, ভগবানে ভক্তি-বিশ্বাস হয় l হিংসা-দ্বেষ চলে যায় l পরস্পরে ভাবের আদান প্রদান হওয়ায় কু-ভাব চলে গিয়ে সু-ভাব আসে l জপ-ধ্যান করবার ইচ্ছা প্রবল হয় l সৎসঙ্গ—সৎ হবার উপায় l
রামকৃষ্ণ শরনম ………..

Tapkeshwar Templeat Dehradun (Uttarakhand, INDIA)

Tapkeshwar Temple
at Dehradun (Uttarakhand, INDIA)
One of the most famous temples that is thronged by many tourists around the world is the Tapkeshwar temple situated in the Garhi Cantonment area around 6.5 kms from the Dehradun city. It is a heavenly place along a seasonal rivulet in the dense forest valley where a large number of devotees throng mainly during the Shivratri.
The Tapkeswar Mahadev is the auspicious place where the guru Drona of Pandavas and Kauravas, meditated to gain further knowledge. The water or moisture collects from the hills and trees and flows down as droplets onto the shivling, hence the name. Thousands and thousands of people flock to this place to see the special marriage ceremony of Shiva and Parvati.

এমনকি আশু বিহিত না হোলে তারা শান্তিনিকেতন ছেড়ে চলে-ও যাবে ।

সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় –বড়ো মানুষ , ছোটো ঘটনা —

শান্তিনিকেতনের গোড়ার দিকের কথা । ছাত্রদের হোস্টেলে মাটির দেওয়াল , খড়ের চাল ।টানা বৃষ্টি হলে চাল থেকে জল পড়ত । একবার এমন হল যে সারা রাত ছাত্ররা ঘুমোতেই পারলো না । খাট সরিয়ে -ও বিশেষ লাভ হোলো না । ভোরের দিকে সবাই রাগে ফেটে পড়ার উপক্রম । ঠিক হোলো সক্কলে গিয়ে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ কে তারা ক্ষোভের কথা জানাবে। এমনকি আশু বিহিত না হোলে তারা শান্তিনিকেতন ছেড়ে চলে-ও যাবে ।
শান্তচিত্ত গুরুদেব শুনলেন সকলের কথা। তারপরে বললেন যে গতরাতে এক-ই কারণে তাঁর নিজের-ও সারারাত একটু-ও ঘুম হয়নি । এক-ই অবস্থা । উপর থেকে জল পড়ছে , শোওয়ার একটু-ও উপায় নেই । তা তিনি কি করলেন সারারাত ! যখন দেখলেন ঘুম সত্যি-ই হবে না , তখন খাতা -কলম নিয়ে বসলেন । প্রথমে লিখে ফেললেন একটি কবিতা । লেখা হয়ে গেলে তিনি ধীরে ধীরে তাতে সুর দেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলেন । শেষ পর্যন্ত একটি গান -ই হয়ে গেল , এদিকে রাত কেটে ভোর ।
–দেখ তো শুনে কেমন লাগে , বললেন তিনি –
” তাই তো আমায় জাগিয়ে রাখো ,
ওগো ঘুম ভাঙানিয়া , তোমায় গান শোনাব।”
বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা তো হতবাক । এমন মানুষ কে ছেড়ে তারা যাবেই বা কোথায় ! যে অবস্থায় তাদের হোলো বিষম ক্রোধ , রবীন্দ্রনাথ করলেন এক অমর সৃষ্টি । মাথা নত করে ফিরে গেল তারা । এই মানুষটিকে ছেড়ে যাওয়া যে অসম্ভব ।।

*CURRENT RELIGIOUS STATISTICS IN INDIA*

*CURRENT RELIGIOUS STATISTICS IN INDIA*
*Over all India*
Hindu 74.33%
Muslim 14.20&
Christian 5.84%
Sikh 1,86%
Ethmoreligionist 1.35%
Buddhist 0.82%
Non religious 0.48%
Other 0.47%
*Andhra Pradesh*
Hindu 89.0%
Muslim 9.2%
Christian 1.6%(3.0%)
Other 0.2%
*Arunachal Pradesh*
Hindu 34.6%
Ethnic religions 30.7%
Buddhist 13.0%
Christian 18.7%(25%)
Muslim 1.9%
*Assam*
Hindu 65‰
Muslim 30.9%
Christian 3.7% (7.0%)
Buddhist 0.2%
Other 0.2%
*Bihar*
Hindu 83.2%
Muslim 16.5%
Christian 0.1%(0.3%)
*Chattisgarh*
Hindu 94.7%
Muslim 2.0%
Christian 1.9%(².5%)
Other 1.5%
*Delhi*
Hindu 82%
Muslim 11.7%
Sikh 4.0%
Jain 1.1%
Christian 0.9%(1.86)
*Goa*
Hindu 65.8%
Christian 26.7%(41.5%) catholic
Muslim 6.8%
Other 0.2%
*Gujarat*
Hindu 89.1%
Muslim 9.1%
Jain 1,0%
Christian 0.6%(1.2%)
*Haryana*
Hindu 88.2%
Sikh 5.5 %
Muslim 5.8%
Jain 0.3%
Christian 0.1%(0.3%)
*Himachal Pradesh*
Hindu 95.4%
Muslim 2,0%
Buddhist 1.3%
Sikh 1.2%
Christian 0.1%(0.2%)
*Jammu Kashmir*
Muslim 67.0%
Hindu 29.6%
Sikh 2.0%
Buddhist 1.1%
Christian 0.2%(0.3%)
*Jharkhand*
Hindu 68.6%
Muslim 13.8%
Tribal religion 13.0%
Christian 4.1%(6.0%)
*Karnataka*
Hindu 83.9%
Muslim 12.2%
Christian 1,9%(4.0%)
Jain 0.8%
Buddhist 0.7%
*Kerala*
Hindu 56.2%
Muslim 24.7%
Christian 19.0%(35.5%)
*Madhya Pradesh*
Hindu 91.1%
Muslim 6.4%
Jain 0.9%
Christian 0.3%(2.2%)
Other 1.2%
*Maharashtra*
Hindu 80.4%
Muslim 10.6%
Buddhist 6.0%
Jain 1.3%
Christian 1.1%(2%)
Other 0.4%
*Manipur*
Hindu 46%
Christian 34%(41.8%)
Muslim 8.8%
Other 11.2%
*Mehalaya*
Christian 70.3%(76%)
Hindu 13.3%
Muslim 4.3%
Other 11.8%
*Mizoram*
Christian 87%(89.6%)
Buddhist 7.9%
Hindu 3.6%
Muslim 1.1%
*Nagaland*
Christian 90%(93.1%)
Hindu 7.7%
Muslim 1.8%
*Orissa*
Hindu 94.4%
Christian 2.4%(2.0%)
Muslim 2.1%
Other 1.1%
*Punjab*
Sikh 59.9%
Hindu 36.9%
Christian 1.2%(2.2%)
Muslim 1.6%
Othr 0.4%
*Rajasthan*
Hindu 88.8%
Muslim 8.5%
Sikh 1.4%
Jain 1.2%
Christian 0.1%(0.4%)
*Sikkim*
Hindu 60.9%
Buddhist 28.1%
Christian 6.7%(7.5%)
Muslim 1.4%
Other 2.6%
*Tamilnadu*
Hindu 88.1%
Christian 6.1%(19.0%)
Muslim 5.6%
Other 0.2%
*Tripura*
Hindu 85.6%
Muslim 8.0%
Buddhist 3.1%
Christian 3.2%(5.5%)
*Uttarpradesh*
Hindu 80.6%
Muslim 18,5%
Sikh 0.4%
Buddhist 0.2%
Christian 0.1%(0.3%)
Jain 0.1%
*Uttarkand*
Hindu 85%
Muslim 11.9%
Sikh 2,5%
Christian 0.3%(0.6%)
Buddhist 0.1%
Jain 0.1%
*West Bengal*
Hindu 72.5%
Muslim 25.2%
Christian 0.6%(1.2%)
Buddhist 0.3%
Other 1.3%
Aur phir bhi hum hindu mar khate hue iska matlab kya h…  *Jago hindu jago*PLEASE SEND ALL GROUPS IMMEDIATELY

গৌরী মার গর্ভধারিণী গিরিবালা দেবী কালী সাধিকা

গৌরী মার গর্ভধারিণী গিরিবালা দেবী কালী সাধিকা । শ্রী রামকৃষ্ণকে তিনি মা- কালীর শ্রেষ্ঠ সন্তান বলে মনে করতেন । 

কিন্তু ” পরমহংস মহাশয়ের পরিবার কে সাধারন মানবী বলিয়াই মনে করিতেন । এই হেতু গর্ভধারিণীর সহিত গৌরী মায়ের তর্ক বিতর্ক হইত ।
গৌরী মা বলিতেন ,—- তুমি সারাজীবন সাদন ভজন করে , কালী সিদ্ধা হয়েও ব্রহ্ম ময়ী কে চিনতে পারলেনা । তোমার এতে অপরাধ হচ্ছে ।
গিরিবালা বলিতেন , — তোদের এখনও অভাব রয়েছে । আমার অন্তরে স্বয়ং ত্রিপুরেশ্বরী বিরাজ কচ্ছেন , আমার আর কারো প্রয়োজন নেই ।
দুঃখিত হইয়া গৌরী মা বলিতেন, —- ভাগ্যে থাকলে তো হবে !
এইরূপ বাদানুবাদের পর কন্যা র একান্ত আগ্রহে গিরিবালা একদিন মাতা ঠাকুরানীর নিকট গেলেন । মা তখন নহবত এ গৃহ কর্মে ব্যাপৃত ছিলেন । বৃদ্ধাকে দেখিয়া অভ্যর্থনা জানাইলেন ।
মায়ের মুখের দিকে চাহিয়াই গিরিবালা বিস্মিত কণ্ঠে বলিলেন * এ মা তুমি ! তুমি ! এ -যে আমার সেই ———* বলিয়া পদপ্রান্তে লুটাইয়া পড়িয়া তাঁহার পদধূলি মাথায় মাখিতে লাগিলেন । ইহাতে মা হাসিয়া বলিলেন ,—– কি হয়েছে মা , অমন কচ্ছেন কেন ?
ভিতরে ভিতরে নিশ্চয়ই কিছু ঘটিয়াছে বুঝিয়া গৌরী মা বিজয় গর্বে বলেন ,—— হবে আবার কি ? যা হবার তাই হয়েছে । মাতা ঠাকুরানী এবং গৌরী মা খুব হাসিতে লাগিলেন । গিরিবালা নির্বাক ।
গিরিবালা দেবির আমন্ত্রনে ঠাকুর ও ঠাকুরানী ভবানী পুরে তাঁহার গৃহে পদার্পণ করেন । গিরিবালা ছিলেন বিদুষী এবং কবি , তিনি অনেক কালী সঙ্গিত রচনা করিয়াছিলেন । তাঁহার রচনা কালী সঙ্গীত – শ্রবণে ঠাকুর খুব আনন্দ পাইতেন ।

”গ্রণ্থ – সারদাা – রামকৃষ্ণ ( ” শ্রী দুর্গাপুরী দেবী ” )

What will happen if you find nature of Maya?

What will happen if you find nature of Maya?                                

“If you can find out the nature of Maya (the universe al illusion that deludes everyone) it will leave you just as a thief runs away when he is found out.”
…………….Sri Ramakrishna.                  Divine night 🌃

" যে দেশে বিবেকানন্দ জন্মেছেন সেই দেশ ধন্য ।"

ভগিনী ক্রিষ্টিন একবার বলেছিলেন
” যে দেশে বিবেকানন্দ জন্মেছেন সেই দেশ ধন্য ।”
                ————————-
অন্য একটি ঘটনা বলি –
ইঙল‍্যান্ড থেকে ফেরার সময় জাহাজ ঘাটে বিখ্যাত বৃটিশ বিজ্ঞানী ডেভি কোথাও থেকে খবর পেয়ে বিবেকানন্দকে see-off করতে এসেছেন । পরিচয় পেয়ে তো বিবেকানন্দ অবাক । জিজ্ঞেস করলেন,
” আপনি মস্ত বড় বিজ্ঞানী, আপনি এসেছেন আমাকে see-off করতে ! কারণটা জানতে পারি ? ডেভি বললেন, ” আপনার গুরুদেব, কি যেন নাম – রামকৃষ্ট – ওনাকে আমার thousand Salute জানাবেন । “
স্বামীজী আরও অবাক হলেন । বললেন, ” আপনি ওনার সম্পর্কে কিছু জানেন ? “
ডেভি না সূচক মাথা নাড়লেন । স্বামীজী বললেন,  “যাকে আপনি চেনেন না তাকে salute কী জন্য? ” ডেভি বললেন,
” আমি আপনার lecture শুনেছি । আপনি যথার্থ ঞ্জানী পুরুষ । আপনার  পান্ডীত‍্য  আর আধ্যাত্মিক ভাব দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি । ভাবলাম এই মানুষটা  যার পায়ে মাথা ঠুকেছে তিনি তাহলে কোন স্তরের !! ওনাকে প্রনাম জানানোর সুযোগ তো আর কখনো আসবে না, তাই ! “
শঙ্করি প্রসাদ বসুর লেখা থেকে পড়া ।
সময় কাল – পরাধীন ভারত ।
                  —————————-
আমি ভাবি :
১) বিবেকানন্দর জন্মের কারণে যে দেশ ধন্য, সেই মানুষটির জন্ম-ভিটে কোন স্তরের তীরথ ভূমি !!
২) That great scientist ডেভি যদি কখনো শ্রী রামকৃষ্ণের সান্নিধ‍্য পেতেন, তবে কি বলতেন তিনি !?
৩) বিবেকানন্দকে যথার্থ বুঝতে আমাদের কতো বছর লাগবে জানি না, হয়তবা ৩৯০০ বছর ! ( আক্ষেপটা প্রখ্যাত গবেষক শঙ্করের ও )।
কিন্তু শ্রী রামকৃষ্ণকে বুঝতে চেষ্টা না করাই ভালো ।
তার করুণাই পরম পাওয়া । সেটা বুঝতে পারাই মস্ত ব‍্যাপার ।।
আজ সিমলায় গিয়ে পূন‍্যাত্মানন্দ মহারাজের সমাদর পেয়েছি ।
ঐ বাড়িতে বসে খাওয়া আমার কাছে শ্রেষ্ঠ চ‍রনামৃত; কারণ ওখানকার মাটিতে নরেনের পায়ের ধুলো মিশে আছে ।।

লাটু মহারাজ প্রতিদিন মায়ের কাছে কেন যেতেন না,এ-রহস্য অনেক ভক্তকেই সংশয়ান্বিত করে তুলত।

লাটু মহারাজ প্রতিদিন মায়ের কাছে কেন যেতেন না,এ-রহস্য অনেক ভক্তকেই সংশয়ান্বিত করে তুলত।

একদিন এক ভক্তকে তিনি এ সম্পর্কে বলেছিলেনঃ ‘দেখো ! মা বলরাম মন্দিরে মাঝে মাঝে আসতেন। হামনে বাহিরের ঘরে থাকতুম। হামাকে হামেশা লোকে জিজ্ঞেস করতো–“মশায় ! মা উপরে রয়েছেন,আপুনি এখানে কেনো ?” তাদের বলতুম–“তাতে কি হয়েছে ?” হামার মনের ভাব কেউ বুঝতো,কেউ বুঝতো না। কেউ কেউ আবার এ-কথা শুনে চটে যেত। গালাগালি করতো। হামনে ত একদিন তাদের তাড়া দিলুম–“শালারা কেউ কুছু করবে না কেবল মা-ঠাউন,মা-ঠাউন বলে হুজুগ করবে। হামনে মানে না তোদের এমন মা-ঠাউনকে।”‘
কিন্তু কী আশ্চর্যমধুর মাতৃভক্তি ! পরক্ষণেই আবেগ-জড়ানো কন্ঠে বলে চললেনঃ ‘মাকে মানা কি সহজ কথারে ! তাঁর (ঠাকুরের) পূজা তিনি গ্রহণ করেছেন,বুঝো ব্যেপার ! মা-ঠাউন যে কি, তা একমাত্র তিনি বুঝেছিলেন,আর কঞ্চিৎ [কিঞ্চিৎ বলতে পারতেন না] স্বামীজী বুঝেছিলো। তিনি যে স্বয়ং লক্ষ্মী। তাঁর দয়া বুঝতে গেলে বহুৎ তপস্যার দরকার।’
কথাগুলির মধ্যে মধ্যাহ্নসূর্যের জ্ঞানদীপ্তি যেমন, আবার ঊষাকালের শিশিরস্নিগ্ধ ভক্তির ব্যঞ্জনাও তেমনই।
( আগামী শুক্রবার লাটূ মহারাজের পুণ্য জন্মতিথি পালনের শুভ অবসরে)

‘অসহ্য মানসিক অশান্তিতে’ ভুগছেন, কোন পথ খুঁজে পাচ্ছেন না, তখন সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবেই তাঁর জীবনে বিবেকানন্দের নাটকীয় অনুপ্রবেশ ।I I am Existence Absolute, Knowledge Absolute, Bliss Absolute, I am He, I am He”.

যৌবনের এক ক্রান্তিলগ্নে যখন কিশোর সুভাষের আন্তর্জগতে এক

 ‘বিষম ওলটপালট’ শুরু হয়েছে, তিনি এক ‘অসহ্য মানসিক অশান্তিতে’ ভুগছেন, কোন পথ খুঁজে পাচ্ছেন না, তখন সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবেই তাঁর জীবনে বিবেকানন্দের নাটকীয় অনুপ্রবেশ । আত্মজীবনীতে সুভাষ লিখেছেন ঃ ‘ Vivekananda entered my life’ .  ইতিপূর্বে স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বেণীমাধব দাস বালক সুভাষের মধ্যে প্রকৃতিপ্রেম, কাব্য ও সৌন্দর্যচেতনা, আদর্শবাদ এবং নীতিবোধকে জাগ্রত করে দিয়েছিলেন – জীবনে এক নতুন প্রেরণা এনে দিয়েছিলেন । কিন্তু তিনি এমন কোন আদর্শের সন্ধান দিতে পারেন নি যার উপর ভিত্তি করে সমস্ত জীবনটাকে  গড়ে তোলা যায়, যা সমগ্র সত্তাকে প্রভাবান্বিত করতে পারে । এদিকে মানসিক দ্বন্দ্বের যন্ত্রণাবিদ্ধ অভিজ্ঞতা ক্রমেই তাঁকে সংক্ষুব্ধ করে তুলছে । প্রকৃতি ও কাব্যের সৌন্দর্য তখন আর তাঁকে তৃপ্তি দিতে পারছিল না। জীবনের মৌল উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে এক গভীরতর জিজ্ঞাসা তখন তাঁর আন্তর্জগতে সূচনা করেছে এক তীব্রতম ঝটিকার । এই সময়ে হটাৎ একদিন তাঁর হাতে এল স্বামী বিবেকানন্দের রচনা । এবং ‘ কয়েক পাতা  উলটেই’ , আত্মজীবনীতে সুভাষচন্দ্র লিখছেন- ‘ বুজতে পারলাম এই জিনিসই আমি এওতদিন ধরে চাইছিলাম । বইগুলো বাড়ি নিয়ে এসে গোগ্রাসে গিলতে লাগলাম । পড়তে পড়তে আমার হৃদয়মন আচ্ছন্ন হয়ে যেতে লাগল । দিনের পর দিন কেটে যেতে লাগল, আমি তাঁর বই নিয়ে তন্ময় হয়ে রইলাম । বিবেকানন্দের প্রভাব আমার জীবনে আমূল পরিব্ররতন এনে দিল । তাঁর মধ্যে আমার মনের অসংখ্য জিজ্ঞাসার সহজ সমাধান খুঁজে পেয়েছিলাম!’ । যে আদর্শকে পাওয়ার নেশা যৌবনের প্রত্যুষে সুভাষ্কে উদ্‌ভ্রান্ত করে তুলেছিল সেই  আদর্শের সন্ধান দিলেন বিবেকানন্দ’ । এ এক পরম প্রাপ্তি – যেন এক বিরাট আবিষ্কার ! বিভ্রান্ত সুভাষের সামনে যেন গর্জে উঠল ভারতের ‘বিরাট প্রাণপুরুষের’ বজ্রবাণী  “ উত্তিষ্ঠিত জাগ্রত প্রাপ্য বরান নিবোধত – Arise ! Awake ! and stop not till the goal is reached. তারপর সেই দৃপ্ত, বলিষ্ঠ ঘোষনা ঃ  

I am Existence Absolute, Knowledge Absolute, Bliss Absolute, I am He, I am He”.

Design a site like this with WordPress.com
Get started