![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
- রাধু এক দিন ক্রুদ্ধ হইয়া মাকে বলিল, “তুই কি জানিস স্বামীর মর্ম। তুইকি বুঝিস।” মা ইহা শুনিয়া হাসিতে হাসিতে বলিলেন, “তাই তাে গাে! স্বামী তাে ছিলেন ন্যাংটা সন্ন্যাসী।”
- ভাবিনী দেবী নাম্নী মায়ের এক দূর সম্পর্কীয় বিধবা ভগিনীর বৃদ্ধা মাতা তখন অসুস্থ। তাই মা বুড়ীর জন্য দুটো বেদানা ভাবিনীর হাতে দিলেন। রাঁচির ফলগুলি আসিতে দেখিয়া ভগিনীর আরও পাইবার ইচ্ছা হইল। তাই দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন – আহা, পরমহংসদেবের সঙ্গে প্রথমে আমার বিয়ে হবার কথা হয়েছিল। বাবা তখন পাগল ভেবে তার সঙ্গে আমার বিয়ে দিলেন না। সেই বিয়ে হলে এসব জিনিস আমারই ঘরে আসত।
- রাধুর মা সুরবালাদেবী (মায়ের ছােট ভাই অভয়চরণের স্ত্রী) তখন বদ্ধ পাগল। তিনি কতকগুলি কাঁথা বগলে করিয়া টানিতে টানিতে চালিয়াছেন, আর রাধু হামা দিয়ে কাদিতে কাদিতে তাঁহার পিছনে যাইতেছে। ইহা দেখিয়া মায়ের বুকের ভিতরটা কেমন করিয়া উঠিল – তিনি ভাবিলেন, তাই তাে একে আমি না দেখলে আর কে দেখবে ? বাবা নেই, মা ঐ পাগল, তিনি (শ্রীমা) ছুটিয়া গিয়া রাধুকে কোলে তুলিয়া লইলেন। আর অমনি ঠাকুর সামনে দর্শন দিশা বলিলেন – এই সেই মেয়েটি, একে আশ্রয় করে থাক, এটি যােগমা।
- প্রসন্ন মামা শ্রীমাকে বলিয়াছিলেন, দিদি, শুনলুম তুমি নাকি কাকে স্বপ্নে দেখা দিয়েছ, তাকে মন্ত্র দিয়েছ আর বলেছ তার মুক্তি হবে। আমাদের তুমি কোলে করে মানুষ করেছ, আমরা কি চিরদিনই এমনি থাকব? মা প্রসন্নকে বলিলেনঠাকুর যা করবেন তাই হবে। আর দেখ শ্রীকৃষ্ণ রাখালবালকদের সঙ্গে কত খেলেছেন, হেসেছেন, বেড়িয়েছেন, তাদের। এঁটো খেয়েছেন; কিন্তু তারা কি জানতে পেরেছিল কৃষ্ণ কে?
- হৃদয় একদিন হাসি তামাসা করে মাকে বললেন – মামী একটিবার মামাকে বাবা বল। তাহলে তােমাকে পাঁচ টাকার সন্দেশ খাওয়াব। মা তক্ষুনি উত্তর করলেন, তােমার সন্দেশ খাওয়াতে হবে না বাবা। আমি অমনি বলছি ঠাকুর আমার বাবা, মা, ইষ্ট, গুরু, পতি, সখা সব তিনি। শ্রীম (৬/১৩৭)
- ওদের (ভাইদের) কিছুতেই নিবৃত্তি হবে না। শত দিলেও না। সংসারী লােকদের কি আর নিবৃত্তি হয়? ওরা শুধু টাকা, টাকা করে। ভুলেও জ্ঞান ভক্তি চায় না।
- মা মাকুকে (ভাই ঝি) বললেন সংসারে যে কি সুখ তা তাে দেখছিস। স্বামী – সুখও দেখলি। এখন লজ্জা হয় না, আবার স্বামীর কাছে যাস? এতদিন আমার কাছে থেকে কি। দেখলি। এত আকর্ষণ, পশুভাব কেন? কি সুখ পাচ্ছিস? ফের যদি স্বামীর কাছে যাবি তবে। দূর করে দেব। পবিত্রভাবটা কি স্বপ্নেও তােদের ধারণা হয় না? তােদের সংসারে জ্বালায় আমার হাড় জ্বলে গেল ! মার কথা শুনে লজ্জায় সকলে মাথা হেঁট করিয়া রইলেন।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});










































