ব্রহ্মজ্ঞ_গুরুর_কৃপাশিষ_তাঁর_সন্ন্যাসী_সন্তানের_ওপর

#ব্রহ্মজ্ঞ_গুরুর_কৃপাশিষ_তাঁর_সন্ন্যাসী_সন্তানের_ওপর |
        
এইটি কোন নিছক গল্প কথা নয় আর নয় কোন মন গড়া ঘটনা এইটি একটি পরম সত্যের মতন উজ্জ্বল এক দিব্য জীবনের আলোর প্রারম্ভ যা এক সদ গুরুর আশীর্বাদে হয়ে ওঠে পবিত্রতায় ভরা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত | হয়তো কখনও কখনও আমাদের জীবনকেও কোথাও ছুঁয়ে গেছে এরকম দিব্য অনুভূতির স্পর্শ |
সালটি ১৯৬০-৭০ দশকের হবে, তখন শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্ঘগুরু ছিলেন শ্রীমৎ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজী মহারাজ |
একটি ছোট ছেলেকে হাতে ধরে এক মা নিয়ে এসেছেন বেলুর মঠের ঠাকুরের দিব্য দর্শনে | ঠাকুরের মন্দিরে ঠাকুরকে প্রণাম করার সময় ছোট ছেলেটি হঠাৎ ষাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে ফেলল, এতে মা-টিও বেশ চমক খেয়ে গেল এবং শুধু তাই নয় আশেপাশের ভক্তরা এমনকি কিছু মহারাজরাও তার এই বিনম্র চিত্তে প্রনাম দেখে বেশ খানিক অবাক হয়ে পড়ল | খুব সুন্দর এই দৃশ্য দেখে এক মহারাজ এগিয়ে এসে ছেলেটির মাথায় ঠাকুরের প্রসাদী ফুল ছুঁয়ে আর প্রসাদ দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন,
– তা হ্যাঁ বাবা, ঠাকুরের কাছে কি চাইলে তুমি ?
– ছেলেটির চট জলদি উত্তর দিল
” #আমাকে_তোমার_চরণে_রেখ “|
বেশ প্রাণ ছোঁয়া উত্তর শুনে মহারাজ হেসে মাকে জিজ্ঞাসা করলেন আপনার শিক্ষা অতি সুন্দর, ঠাকুর এমনই সব ছোট ছেলেদেরকে এই সৎ শিক্ষা দিতেন, যাতে কাঁচা মনেতেই ঠাকুর-মায়ের ছাপ পরে যায় | আর সংসারে থেকেও যাতে ঈশ্বরকে নিয়ে চলতে পারে | খুব আনন্দ পেলাম আপনার এই শিক্ষা দেখে |
     মা-টি সব শুনে বললেন, মহারাজ আমাকে ক্ষমা করবেন, আমি এসব আমি কিছুই শেখায় নি আর ওরই জেদাজেদিতে আমি বেলুড়ে এসেছি | সত্যি কথা বলতে কি আমি এত সব কিছুই জানি না | ও যা করেছে তা নিজে থেকেই করেছে |
   এই শুনে মহারাজ তো বেশ অবাক হল আর বললেন মা এই ছেলেকে ঠাকুরের চরণে নিবেদন করুন, এই শিশু যে ঠাকুরের কাজের উদ্দেশ্য এসেছে, এ ওর পূর্ব সংস্কার | এই সব বলে মহারাজ ঠাকুরের প্রসাদ দিয়ে অনেক আদর করে মা আর ছেলেকে বিদায় দিলেন |
ছেলেটি ঠাকুর মন্দির থেকে যেতে চাইছে না দেখে  মা ছেলের হাত ধরে টানতে টানতে ঠাকুরের মন্দির থেকে নিয়ে বেড়িয়ে যাচ্ছেন আর ছেলেটি ঠাকুরের মন্দিরের সমস্ত দিক এদিক-ওদিক চাইতে চাইতে কি যেন বিরবির করে বলতে বলতে যাচ্ছে | মা খেয়াল করে দাঁড়িয়ে পড়ে জিজ্ঞাসা করল, কি বলছিস?
– তাতে ছেলেটি উত্তর দিল, মা আমি বলছি – “#কোথাও_যদি_স্বর্গসুখ_থাকে_তো_এইখানেই_আছে |
মা তো কোন কিছু না বুঝে ছেলেকে বুঝিয়ে নিয়ে যাবার জন্য বলে ফেললেন, আচ্ছা তুই একটু বড় হয়ে যা তারপর তোকে এইখানেই স্বর্গসুখের জায়গায় দিয়ে যাব, এইবার তো খুশী!
হঠাৎ ছেলে দাঁড়িয়ে পড়ে মাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, মা তুমি কিন্তু ঠাকুরের সামনে কথা দিচ্ছ | মাও ছেলেকে শান্ত করতে বলেই ফেলল, হ্যাঁ, বাবা আমি তোমায় কথা দিচ্ছি , এখন চল বাড়ি |
  দুরে দাঁড়িয়ে মহারাজ মা ছেলের কথাপকথন শুনে হেসে মনে মনে বলতে থাকল, ঠাকুর একে খেয়ে নিয়েছে এখন শুধু অপেক্ষা |
ছেলেটি যখন স্কুলের গন্ডি পাস করে  কলেজে উত্তীর্ণ হল এবং কলেজের পড়া শেষ করে একদিন মাকে সেই ছোট্ট বেলার কথাটি মনে করিয়ে দিল, যে মা ঠাকুরের সামনে কথা দিয়েছিলেন যে ঠাকুরের চরণে নিবেদন করে দেবেন! তা সেই সত্য রক্ষার কি হলো? মা তো শুনেই অবাক হয়ে গেল, কোন সেই ছোটবেলার কথা আর তেমন গুরুত্ব দিয়েও বলে নি, আর সেই কথা তুলে মাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে| এটাতো তো সেইদিনকে এক খেলার ছলে বলেছিল, কোন গুরুত্ব তো তেমন ছিল না | কিন্তু ছেলে কোন অজুহাতই শুনল না, ঠাকুরের কাছে যে মিথ্যা হয়ে যাবে তা কখনই হতে পারে না | তাই মাকে সঙ্গে নিয়েই তৎকালীন সঙ্ঘাধখ্য শ্রীমৎ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজীর কাছে গিয়ে সব কথা বললেন | মায়ের খুব কষ্ট হচ্ছে দেখে মহারাজজী বুঝিয়ে মাকে বললেন , “আপনি_তো_মা_ঠাকুরকে_আপনার_সবচেয়ে_প্রিয়_বস্তুটি_উৎস্বর্গ_করছেন_কজন_পারে_এইভাবে_সর্বস্ব_তুলে_দিতে_ঠাকুরের_শ্রীচরণে” |
              যাইহোক মাকে বুঝিয়ে ঘড়ে পাঠিয়ে দিলেন আর ছেলেটিকে মঠে রেখে তার বেশ কিছু পরে স্বামীজীর জন্মতিথিতে ব্রহ্মচর্য্য আর আশীর্বাদ দিয়ে উদ্ভোধনে পাঠালেন | ছেলেটির এবার ব্রহ্মচর্য্য নিয়ে ঠাকুরের উদ্দেশ্যে কাজ শুরু হল |
  
  উদ্ভোধনে এসে সেই কোন ভোর থেকে উঠে ঠাকুরের ঘড় পরিস্কার করা, পূজোর জন্য সব গুছিয়ে রাখা আবার গুরুজন সন্ন্যাসীদের কাপড় কাচা , রান্নার তদারকী করা আরো সব অনেক কিছু কাজ তার দ্বায়িত্ব এসে পড়ল এবং যতদুর পর্যন্ত ঠিক ঠিক কাজ করার চেষ্টা করে চলেছিল | কিন্তু সবাই তো আর একরকম হয়ে ওঠে না তাই যে মহারাজজী ঠাকুরের পুজা করতেন সে বড় সামান্য কথায় রেগে যেতেন তাই বেশ রাগ করতেন ছেলেটির ওপর | সর্বদাই খেঁচ খেঁচ করতেন যে ঠাকুর ঘড় ঠিক মতন মোছা হয় নি, এটা ঠিক করে রাখনি, তোমার দ্বারা এ জীবন কিচ্ছু হবে না ইত্যাদি সব | ছেলেটির এত সব কাজ অভ্যেস ছিল না সে সচ্চল ঘড়ে বড় হয়ে উঠেছে | তাই সব কথা মুখ বুজে সহ্য করত | হাঁটু গেড়ে ঘড় মুছতে মুছতে তার হাঁটুতে ঘা হয়ে গেছিল তবুও ঠাকুরের কাজ মনে করে সব হাসি মুখে মেনে নিত |
   ঘটনা ঘটল এবার – একদিন প্রবীন মহারাজদের কাপড় কেচে ওপরের ছাদে দড়িতে শুকাতে দিতে গিয়ে নজরে পড়ল ঠিক ঐ সময় পাশের বাড়ির এক গৃহবধুও ছাদের কাপড় শুকোতে দিতে এসেছে | সেই বধুটির ভিজে কাপড়টি একটু কেমন অবিন্যস্ত ভাবে রয়েছে হঠাৎ চোখ তার বুকের ওপর পরতেই ভেতরের কাম যেন উঠলে উঠল আর শুরু হল ঠিক ওই সময়কেই বেছে নেওয়া যা কাপড়ের আড়াল থেকে ঐ দৃশ্য দেখার | অবশ্য ঐ বধুটি এর বিন্দু বিসর্গও জানে না | রাতে শুয়ে শুয়েও ঐ দৃশ্য মনের অন্তরালে ভেসে উঠছে | তখন আর ঠাকুরের কথা, কোথায় আছি সেইসব কথা আর খেয়াল থাকল না | বেশ কিছুদিন এইভাবে যাওয়ার পর একদিন মনে মনে বেশ অনুতপ্ত হল আর বিবেকের তাড়নায় ভাবতে থাকল এ কি করছি আমি! আমার বোধহয় এই সন্ন্যাসী জীবন আর গ্রহণ করা হবে না | তাই প্রেসিডেন্ট মহারাজের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে সব কিছু বলে ঘরে ফিরে যাব | পরের দিন ওখানকার অধ্যক্ষ মহারাজকে বলে বেলুড়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট মহারাজের সাথে দেখা করতে | প্রনাম করার সময় বীরেশ্বরানন্দজী একবার মাত্র দেখে নিয়ে বললেন তোমার মুখটি এমন কালো পরে গেছে কেন? সব কুশলে আছ তো? ছেলেটি বলল গুরুদেব আপনার সঙ্গে কিছু কথা আছে , মহারাজ হাত দেখিয়ে থাকতে বললেন তাই সে একপাশে দাঁড়িয়ে থাকল কিন্তু সামনে অনেকে থাকার জন্য কিছু বলা হয়ে উঠল না | মহারাজ শুধু বলে দিলেন এ আজকে রাতে আমার সঙ্গে থাকবে খবর পাঠিয়ে দাও |
   রাতে খাবার পর মহারাজ আর ছেলেটি শুতে গেল কিন্তু কোন কিছু কথা বলার অবকাশই যে হচ্ছে না | মহারাজ খাটে আর ছেলেটি মেঝেতে শুয়ে আছে |  ছেলেটির চোখে ঘুম নেই সে যে ফেরৎ দিতে এসেছে এই ব্রহ্মচর্যের জীবন | এই সব উল্টোপাল্টা ভাবছে হঠাৎ মহারাজ চোখ বুজে বলে উঠলেন ” হ্যাঁ গো তোমার ছোটবেলায় মায়ের দুধ খাবার সময় ওই দৃশ্য কি মনে পড়ে?”
   ব্যাস ছেলেটি আর যায় কোথায়, ছেলেটি হঠাৎ এই কথা শুনে ভাবতে থাকল, তিনি এই কথা জানলেন কি করে? যার জন্য এই কথা বলেন, ধরপর করে উঠে মহারাজের শ্রীচরণে এসে মাথা দিয়ে কাঁদতে থাকল, চোখের জলে মহারাজের পা ভিজে যেতে থাকল | মহারাজ পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, ওঠ আয় দেখি আমার কাছে , তোর মুখ দেখেই আমি বুঝতে পেরেছি কেন তোর মুখটি কালো পরে গেছে ! বলে ছেলেটির মাথা স্পর্শ করে জপ করে দিলেন আর বললেন ” এর পর যখন ঐ দৃশ্য দেখবি , মনে করবি ওটি তোর মা | ঠিক আছে , এখন যা শ্রীশ্রীমায়ের কথা চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড় |
  সকাল হল, ছেলেটির মনে হল যেন তার জীবনে এক নতুন প্রভাত হয়ে ফিরে এল | ব্রহ্মজ্ঞ গুরুর স্পর্শে আর কোন দিন সেই চিন্তা বা দৃশ্য মাথায় আসে নি বা স্বপ্নেও দেখেনি | পরবর্তীকালে সেই ছেলেটি এক উচ্চ মানের সাধু হয়ে ঠাকুর মায়ের ও গুরুদেবের শ্রীচরণে জীবন গড়ে উঠল |
এমন সদ গুরুর আশীর্বাদে যে জীবন জগদ্ধিতায়-চ হয়ে যায় এখনও আমরা পেয়ে থাকি | এ আমাদের কাছে এক আশীর্বাদের প্রেরণা যা আমাদের নীচু মনকে খুব সহজে উঁচু করে তোলে | এটি একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত আমাদের কাছে |
জয় মা, জয় ঠাকুর, জয় স্বামিজী, জয় শ্রীমৎ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজী, প্রনাম |
(কৃতজ্ঞতা – আমাদের আশ্রমের প্রবীন ও আমার পিতৃতুল্য শ্রীগোলক সেন মহাশয়ের থেকে প্রাপ্ত এই ঘটনা | যা উনি শুনেছিলেন শ্রীমৎ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজী মহারাজের ষ্মরণ সভায় | আর যে মহারাজজীর সম্বন্ধে এই ঘটনা তা আজও আমাদের কাছে তার পরিচয় গোপনই রয়ে গেছে )

The Following Is The History Of Jallikattu

The Following Is The History Of Jallikattu 

Extract from Sri Velukkudi Krishnan swami’s words on Jallikattu in Srimad Bhaagavatham:

Kumban was Yashoda’s brother and Nappinnai was his daughter. He organized Eruthazhuvudhal (Jallikattu) event with 7 Kayla is and announced that whoever tames the bulls, can marry his daughter. Everybody knows that Sri Krishna wins the event and marries Nappinnai!
Hidden meaning: Why 7 Kaalais?
Our life is actually of 7 parts: Gardam (Inside womb )
Jallikattu
Jallikattu
Sisu (As a child)
Baalyam (As a kid)
Koumaryam (As a Boy / Girl)
Youvanam (As a youth)
Vrudhan (As a middle-aged)
Maranam (Final stage)
In each part, we do paapam and punyam and that’s what the two horns of a Kaalai signifies (Kombu). We all have Ahamkaram (garvam) like Kaalai and our Aatman is Sri Krishnan who helps us control the Ego and makes us win. To showcase this, Jallikattu is performed.
Also, in Treta Yuga, Indra came as a Kaalai and sought the help of Kaakuthsa Chakravarthy (ancestor of Sri Rama) to help him win against asuraas. Sri Rama is also called as Kaakuthsa as he was born in the lineage of that great King!
In Srimad Bhaagavatham, the cow is compared to Bhooma Devi and Kaalai is considered to be Dharmam. Lord Shiva’s vehicle is also Nandi / Rishaba (Ox or Kaalai).
Eruthazhuvudhal (Jallikattu) is being played since time immemorial, as mentioned in our Puraanas and Ithihaasas ! 

When we ourselves do not know its significance, how will outsiders like PETA know !!!???

‘স্বামীজীর চেতনা জীবনবেদের পথপ্রদর্শক II যে কোন কালেই এবং একালেও আছে মানুষের অতীতের অপূর্ণ আশা, পাওয়া ও হারানো।

‘স্বামীজীর চেতনা জীবনবেদের পথপ্রদর্শক’
==============================
      যে কোন কালেই এবং একালেও আছে মানুষের অতীতের অপূর্ণ আশা, পাওয়া ও হারানো।  আর আছে তার আজকের আকাঙ্ক্ষা।  আমাদের দেশকালের সীমায় আমরা এই হিসাবে কি পাই, দেখা যাক।  তারই পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে হবে স্বামী বিবেকানন্দ কি দিয়েছেন বা কি দিতে পারেন।
      অতীতের অনেক আশাই পূর্ণ হয়েছে।  তবু একটি যেন চিরকালের অপূর্ণতা আজও মানুষের মনকে নাড়া দেয়।  সে তার জীবন, সুখ ও আনন্দের চাহিদা।
      যে বাণী আজকের বাস্তব জীবনের উপযোগী, আজকের প্রয়োজন যা মেটাতে পারে—আজকের কালে বর্তমান না থেকে স্বামীজীর পক্ষে তা-ও দিতে পারা সম্ভব হয়েছিল দুটো কারণে—প্রথমত, ইতিহাস শুধু অতীতের অনুলিপি নয়, অনাগতের আভাসও তার মুকুরে প্রতিবিম্বিত হয়।  স্বামীজী তাঁর ইতিহাসচেতনার ফলে যে দূরদৃষ্টি বা ভবিষ্যৎজ্ঞানের অধিকারী ছিলেন, তাতে শুধু বর্তমানে দাঁড়িয়েই কর্তব্য নির্ণয় করেননি।  আগামী দিনের রূপও সে চেতনায় প্রত্যক্ষ করে সেদিনের কর্তব্যও নিঃসংশয়ে নির্দেশ করেছেন।  দ্বিতীয়ত, স্বামীজীর সময়ে যা তৎকালবর্তী বাস্তব ছিল, তার অনেক কিছুই আজকের কালেও বর্তমান।  কাজেই যুক্তি দিয়ে বোঝা যায়, স্বামীজীর কাছে আজকের পরিপ্রেক্ষিতেও পাবার মতো কিছু থাকা সম্ভব।
      চিরকালের মানুষের বিকাশের জন্য কতকগুলো চিরকালের তত্ত্ব আছে।  বিবেকানন্দ আজকের জন্য আবার তাদের সংগ্রহ করেছেন।  স্বামীজীর চিন্তায় কিছু তত্ত্ব আছে যা শুধু একালেই নয়—ভবিষ্যত কালেও অচল হয়ে যাবে না।  আজকের পরিপ্রেক্ষিতে স্বামীজীর মূল্য সেইজন্যই সবচেয়ে বেশী।
            ♣♣♣♦♦♣♣♣

*SIX LEADERSHIP PRINCIPLES TO LEARN FROM AN EAGLE.

1. *Eagles fly Alone and at High Altitudes.*
They don’t fly with sparrows, ravens, and other small birds.
*MEANING*; Stay away from narrow-minded people, those that bring you down. Eagle flies with Eagles. Keep good company.
2. *Eagles have an Accurate Vision.* They have the ability to focus on something as far as 5km away. No matter the obstacles, the eagle will not move his focus from the prey until he grabs it.
*MEANING*; Have a vision and remain focused no matter what the obstacles and you will succeed.
3. *Eagles do not Eat Dead things. They Feed only on Fresh Prey.*
*MEANING*; Do not rely on your past success, keep looking for new frontiers to conquer. Leave your past where it belongs, in the past.
4. *Eagles Love the Storm.*
When clouds gather, the eagle gets excited, the eagle uses the storm’s wind to lift itself higher. Once it finds the wind of the storm, the eagle uses the raging storm to lift itself above the clouds. This gives the eagle an opportunity to glide and rest its wings. In the meantime, all the other birds hide in the branches and leaves of the tree.
*MEANING*; Face your challenges head on knowing that these will make you emerge stronger and better than you were. We can use the storms of life to rise to greater heights. Achievers are not afraid to rise to greater heights. Achievers are not afraid of challenges, rather they relish them and use them profitably.
5. *Eagles Prepare for Training;*
They remove the feathers and soft grass in the nest so that the young ones get uncomfortable in preparation for flying and eventually flies/  when it becomes unbearable to stay in the nest./
*MEANING*; Leave your Comfort Zone, there is No Growth there.
6. *When the Eagle Grows Old,*
His feathers become weak and cannot take him as fast and as high as it should. This makes him weak and could make him die. So he retires to a place far away in the mountains. While there, he plucks out the weak feathers on his body and breaks its beaks and claws against the rocks until he is completely bare; a very bloody and painful process. Then he stays in this hiding place until he has grown new feathers, new beaks, and claws and then he comes out flying higher than before.
*MEANING*; We occasionally need to shed off old habit no matter how difficult, things that burden us or add no value to our lives should be let go of.
*NEVER GIVE UP,*
*, BE AN EAGLE*.

The Guru And Shishya

The Guru And; Shishya 

A young fellow in his mid-twenties thumps on the entryway of the prominent Guru. He stated:

  1. “I’ Have come to you since I wish to consider Vedas.” 
  2. “Do you know Sanskrit?” the Guru inquires. 
  3. “No,” answers the young fellow. 
  4. “Have you examined anything from Hindu logic?” 
  5. “No, Guru. Yet, don’t stress. I simply completed my doctoral paper at Harvard on the Socratic rationale. So now, I might simply want to round out my instruction with a little investigation of the Vedas.” 
  6. “I genuinely question,” the Guru says, “that you are prepared to contemplate Vedas. It is the most profound information at any point known. On the off chance that you wish, in any case, I will inspect you in rationale, and in the event that you breeze through that test I will show you Vedas.” 

The young fellow concurs. 


Master holds up two fingers. “Two men descend a fireplace. One tells the truth confront; alternate turns out with a filthy face. Which one washes his face?” 

The young fellow gazes at the Guru. “Is that the test in rationale?” 

The Guru gestures. 


  1. “The one with the messy face washes his face”- he answers tediously. 
  2. “Off-base. The one with the spotless face washes his face. Look at the basic rationale. The one with the filthy face takes a gander at the one with the perfect face and thinks his face is spotless. The one with the perfect face takes a gander at the one with the messy face and thinks his face is grimy. Along these lines, the one with the perfect face washes his face.” 
  3. “Exceptionally astute,” the young fellow says. “Give me another test.” 

The Guru again holds up two fingers. “Two men descend a smokestack. One confesses all face, alternate turns out with a filthy face. Which one washes his face?” 

“We have effectively settled that. The one with the perfect face washes his face.” 

“Off-base. Every one washes his face. Look at the basic rationale. The one with the grimy face takes a gander at the one with the perfect face and thinks his face is spotless. The one with the spotless face takes a gander at the one with the grimy face and thinks his face is messy. Thus, the one with the perfect face washes his face. At the point when the one with the messy face sees the one with the spotless face wash his face, he additionally washes his face. In this way, everyone washes his face.” 

“I didn’t think about that,” says the young fellow. It’s stunning to me that I could make a mistake in rationale. Test me once more.” 

The Guru holds up two fingers. 

“Two men descend a smokestack. One tells the truth confront; alternate turns out with a filthy face. Which one washes his face?” 

“Every one washes his face.” 


“Off-base. Neither one of the ones washes his face. Look at the straightforward rationale. The one with the messy face takes a gander at the one with the perfect face and thinks his face is spotless. The one with the perfect face takes a gander at the one with the messy face and thinks his face is grimy. Be that as it may, when the one with the perfect face sees the one with the filthy face doesn’t wash his face, he additionally doesn’t wash his face. In this way, neither one of the ones washes his face.” 

The young fellow is urgent. “I am met all requirements to consider Vedas. It would be ideal if you give me one more test.” 

He moans, however, when the Guru lifts two fingers. “Two men descend a smokestack. One tells the truth confront; alternate turns out with a filthy face. Which one washes his face?” 

“Neither one of the ones washes his face.” 


“Off-base. Do you presently observe why Socratic rationale is a deficient reason for considering Vedas? Let me know, how is it workable for two men to descend a similar fireplace, and for one to confess all face and the other with a filthy face? Don’t you see? The entire inquiry is gibberish, silliness, and on the off chance that you go through your entire time on earth endeavoring to answer stupid inquiries, every one of your answers will be silly, as well.” 

May we as a whole have the astuteness to ask, and reply the shrewd inquiries!

गीता में साफ़ शब्दो मे लिखा है

  1. _*गीता में साफ़ शब्दो मे लिखा है..*_
  2. _*निराश मत होना..*_
  3. _*कमजोर तेरा वक्त है..*_
  4. _*तू नही……..*_
  5. _*ये संसार “जरूरत” के नियम पर चलता है….*_
  6. _*सर्दियो में जिस “सूरज”*_
  7. _*का इंतजार होता है,*_
  8. _*उसी “सूरज” का गर्मियों में*_
  9. _*तिरस्कार भी होता है…..*_
  10. _*आप की कीमत तब तक होगी जब तक आपकी जरुरत है…!*_
  11. *”तालाब एक ही है..,*
  12. *उसी तालाब मे हंस मोती चुनता है और बगुला मछली…!*
  13. *सोच सोच का फर्क होता है…!*
  14. *आपकी सोच ही आपको बड़ा बनाती है…!!*
  15. *यदि हम गुलाब की तरह खिलना*
  16. *चाहते हो तो  काँटों के साथ*
  17. *तालमेल की कला सीखनी होगी*…

           
               ☀

*हँसते रहिये हंसाते रहिये*
        *सदा मुस्कुराते रहिये*
                    *☀*
                *स्नेह वंदन*
*सत्य को कहने के लिए किसी,*
          *शपथ की जरूरत नहीं होती।*
*नदियों को बहने के लिए किसी,*
          *पथ की जरूरत नहीं होती।*
*जो बढ़ते हैं जमाने में,*
          *अपने मजबूत इरादों के बल,*
*उन्हें अपनी मंजिल पाने के लिए,*
          *किसी रथ की जरूरत नहीं होती।*
*मँज़िले बड़ी ज़िद्दी होती हैँ , हासिल कहाँ नसीब से होती हैं !*
*मगर वहाँ तूफान भी हार जाते हैं , जहाँ कश्तियाँ ज़िद पर होती हैँ !*
*भरोसा ” ईश्वर ” पर है, तो जो लिखा है तकदीर में, वो ही पाओगे !*
*मगर , भरोसा अगर ” खुद ” पर है ,तो ईश्वर वही लिखेगा , जो आप चाहोगे !!!*
           
 
*काश*
*कोई ऐसा दर्जी मिल जाता*
*जो रिश्तों में*
*गलतफहमियों’ से हुए छेद को*
*सफाई से रफू कर देता*
” दर्पण ” जब चेहरे का*
*” दाग ” दिखाता है,*
*तब हम ” दर्पण ” नहीं तोडते,*
*बल्की ” दाग ” साफ करते हैं |*
                 *उसी प्रकार,  हमारी*
                 *” कमी ” बताने वाले*
                *पर ” क्रोध ” करने के*
                *बजाय अपनी ” कमी* “
                       *को दूर करना*
                       *”श्रेष्ठ ” हैं !!                            

Mother, it is my desire that a boy with the sincere love for God should always remain with me. Give me such a boy. II Swami Brahmananda

Swami Brahmananda was conceived on 21st January 1863 

One day Sri Ramakrishna intensely petitioned the Divine Mother: “Mother, it is my craving that a kid with the true love for God ought to dependably stay with me. Give me such a kid.” A couple of days after the fact, sitting under the banyan tree at Dakshineshwar, he had a dream of a kid. Sri Ramakrishna had a second vision: “Only a couple of days before Rakhal’s coming I saw Mother putting a youngster into my lap and saying, ‘This is your child.’ I shivered at the idea and asked her in shock, ‘What do you mean? I also have a child?’ Then She clarified with a grin that it would be a profound kid, and I was helped. Soon after this vision, Rakhal came, and I on the double remembered him as the kid introduced by the Divine Mother.” 

(page.75, God Lived With Them)

Swami Brahmananda Temple
Swami Brahmananda Temple

भारत में बहुत से लोग है, जो कथित भांड पत्रकारों, और भ्रस्ट नेताओं की बातों में आकर नरेन्द्र मोदी का विरोध करते है, अच्छा है,

મેં ફોર્વર્ડ કરેલો આ મેસેજ તટસ્થ રહીને વાંચજો. તમે મોદીભક્ત થાવ કે ન થાવ એ તમારી મરજી, પણ મોદીવિરોધી થતાં પહેલા વિચારજો, બોસ.
भारत में बहुत से लोग है, जो कथित भांड पत्रकारों, और भ्रस्ट नेताओं की बातों में आकर नरेन्द्र मोदी का विरोध करते है, अच्छा है, लोकतंत्र है विरोध करें या समर्थन ये तो आपका अपना हक है, पर मोदी का विरोध करके आप समर्थन किसका कर रहे हो ???*
*क्या मुलायम, लालू, मायावती, सोनिया, पप्पू, केजरी, ममाता बनर्जी, वामपंथी..ये सब नरेन्द्र मोदी से बेहतर है, या इनका रिकॉर्ड बेहतर है??*
*क्या नरेन्द्र मोदी से बेहतर मुख्यमंत्री है ममता बनर्जी, बेहतर दिखती है तो कोल्कता में और गुजरात के किसी छोटे शहर भी जाकर 1 नजर मार लीजिये*
*लालू और मुलायम, दोनों के घर की ऐसी स्तिथि थी की, 1 के घर पर साइकिल और एक के घर पर लालटेन खरीदने तक के पैसे नहीं थे,*
जातिके नाम पर चलने वाले नेता, आज अरबपति है,
रामगोपाल चार्टर्ड प्लेन में घूमता है, तो शिवपाल महँगी ऑडी, ये लोग नरेन्द्र मोदी से
बेहतर है ?
*एक इटालियन और उसके  बेटा-बेटी और दामाद आज सभी अरबपति है, 10 साल तो इनका हाल में ही राज बीता है, क्या ये नरेन्द्र मोदी से बेहतर है??*
*35 साल बंगाल में राज करनेवाले वामपंथी, नरेन्द्र मोदी से बेहतर है ?*
*5 साल केजरीवाल, 5 साल केजरीका विज्ञापन चलाकर दिल्लीके लोगों को चुना लगाने वाला, 5 दिन भी दिल्लीमें नहीं रहता, WIFI, CCTV, 150 कॉलेज, 500 स्कुल क्या ये कुकुरमुत्ता नरेंद्र मोदी से बेहतर है ?*
* जब मायावती राजनीती करने निकली थी, और कांशीराम की साथी(!) थी, तब उसके घरमें दिया जलने का धन नहीं था, आज उसका सैंडल भी प्लेन से आता है, उसके भाई के पास 497 कंपनिया है, क्या मायावती नरेंद्र मोदी से बेहतर है ???
 
मोदीका विरोध करने वालो, विरोध करो, पर समर्थन किनका करते हो, तुम्हे कोई शर्म है ??
थोड़ा सोचो, देश को और कितने टुकड़े में देखना है, कितना बर्बाद करवाना है ? अब तो शर्म करो। कितना लूटना है ?
मान लो की मैं मूर्ख हूँ और

मुझे नहीं मालूम कि मैं मोदी जी को क्यों पसंद करता हु। लेकिन मेरे पास कोंग्रेस, सपा,आप  बसपा, को नापसंद करने बहुत कारण है।

मुझे नहीं मालूम कि अच्छे दिन आएंगे कि नहीं, पर मोदीके अतरिक्त और कोई राजनेता दूर दूर तक दिखाई नहीं देता जो भारत के अच्छे दिनों के लिए तन और मन से प्रयत्न करता हो !!

मुझे ये भी नहीं मालूम कि मोदी जी भारत को हिन्दू राष्ट्र बना पायेगे या नहीं । लेकिन, इसका पूरा यकीन हैं, उनके खून का एक एक कतरा  भारत माता को पुन: विश्वगुरु का दर्जा दिलवाने प्रयासरत हैll

मुझे कोई फर्क नहीं पड़ता कि मोदी के पास 56का सीना हैं या नहीं। लेकिन ये पता हैं कि उनके सीने में ‘दम’ हैं ‘दमा ‘(कुकुखॉसी) नहीं।

मुझे कोई फर्क नहीं पड़ता अगर मोदी से देश के कुछ बुद्धि जीवी नाराज है क्यूंकि मुझे यकीन है, उनके आने के बाद युवा पीढ़ी खुश है l

मुझे ज्ञात नहीं कि मोदी देश का कितना विकास कर पाएंगे, लेकिन मुझे यकीं है वो अपनी जिम्मे वारियां उठाने में कोई कसर नहीं रखेंगे।

मुझे फर्क नहीं पड़ता कि मोदी के पास इतिहास की जानकारी हैं या नहीं। मुझे पक्का यकीन हैं उनके पास भविष्य की पूरी तैयारी है ll

हां, वाकई मुझे नहीं पता कि भविष्य में बीजेपी हारेगी या जीतेगी पर देश का सजग नागरिक विश्वास के साथ कहता है कि मेरा देश जीत गया ll

পুরাকালে চিত্রাকর্ষ নামে এক মুনি ছিলেন II পুরুষ-নারী, শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে প্রত্যেকেই সন্মোহিত হ​য়ে যেতেন সেই ছবির শিল্প কলায়, সেই ছবির রঙের খেলায়।

পুরাকালে চিত্রাকর্ষ নামে এক মুনি ছিলেন

পুরাকালে চিত্রাকর্ষ নামে এক মুনি ছিলেন​। কঠোর তপস্যা দ্বারা তিনি মা লক্ষীকে তুষ্ট করেন। তপস্যায় সন্তষ্ট হ​য়ে মা লক্ষী ওনাকে বর দেন যে চিত্রাকর্ষ একজন চিত্রকর হিসাবে খ্যাতি লাভ করবেন এবং ভূ-ভারতে চিত্রাকর্ষের ন্যায় ছবি আর কেউ আঁকতে পারবেন না।
তপস্যা থেকে ফিরে এসে চিত্রাকর্ষ মনঃস্থির করেন যে, সর্বপ্রথমে  তিনি তাঁর আরাধ্যা দেবী মা লক্ষ্মীর একটি  পরিপূর্ন  চিত্র অঙ্কন করবেন​। এমন একটি ছবি যা আগে কখনো সৃষ্টি হ​য়নি। সাত বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের পর তিনি মা লক্ষ্মী দেবীর অভূতপূর্ব একটি চিত্রপট অঙ্কন করেন​। ছবিটি এতটাই আশ্চর্য রকমের সুন্দর আঁকা হয়েছিল যে সেই ছবির দিকে একবার তাঁকালে চোখ ফিরিয়ে নেওয়া যেত না। 
পুরুষ-নারী, শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে প্রত্যেকেই সন্মোহিত হ​য়ে যেতেন সেই ছবির শিল্প কলায়, সেই ছবির রঙের খেলায়।
কিছুদিন পরে বয়োজ্যেষ্ঠ  প্রতিবেশীগন চিত্রাকর্ষকে পরামর্শ দেন যে শিল্পের সম্পূর্ণতা তার পৃষ্টপোষকদের সমাদরে। অত​এব এমন একটি শিল্প-কলা এমন একটি অখ্যাত গ্রামে পরে পরে নষ্ট করার কোন মানে হ​য় না। তাই এই ছবি রাজার প্রদর্শনশালাতেই রাখা উচিত যাতে দেশ বিদেশের পর্যটকরা এমন একটি ছবি চাক্ষুষ করে নিজেকে ধন্য করতে পারেন​ এবং দেশে-বিদেশে ছবির খ্যাতি ছ​ড়িয়ে পরে ।

সেই সম​য় চিত্রাকর্ষের রাজ্যের সম্রাট ছিলেন সুনন্দ সেন। অহংকারি ও কৃপন হিসাবে তাঁর জগতজোড়া খ্যাতি ছিল​।

ব​য়ঃজ্যেষ্ঠদের কথা শিরধার্য মেনে চিত্রাকর্ষ সেই ছবি নিয়ে সুনন্দ সেনের  রাজদরবারে প্রবেশ করলেন ও নিজের অভিলাস ব্যক্ত করলেন​।

শুনে রাজা বললেন “ছবি রাখতে চাও সে ভাল কথা, কিন্তু ছবির দাম হিসাবে তুমি আমার কাছ থেকে কি আশা কর​?”
শুনে চিত্রাকর্ষ উত্তর দেন​, “মহারাজ​, এই ছবির সমতুল্য জগতে আর কিছুই নেই। আপনার সমগ্র সাম্রাজ্যও এই ছবির দাম হিসাবে কিছুই নয়। কিন্তু আমি শিল্পী মানুষ। অত কিছু চাই না। আমাকে মাত্র একশত স্বর্নমুদ্রা প্রদান করুন এই শিল্পের দাম হিসাবে। যাতে আমি গ্রামে ফিরে মা লক্ষ্মীর একটি মন্দির তৈরী করতে পারি ও সারা জীবন মায়ের তপস্যা করে ও ছবি একে কাটিয়ে দিতে পারি।”
চিত্রাকর্ষের উত্তর শুনে সুনন্দ সেন বলেন​, ” তোমার এত ব​ড় সাহস তুমি আমার সাম্রাজ্যকে তোমার তুচ্ছ ছবির সাথে তুলনা করলে? ছবির দাম হিসাবে আমি তোমায় তিনটি টাকা দিতে পারি। তাই নিয়ে বিদেয় হও।”
একথা শুনে চিত্রাকর্ষ অত্যন্ত অপমানিত হন​। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে বলেন, “মহারাজ আপনার ধর্ম শিল্পের মর্যাদা দেওয়া। কিন্তু আপনি আমার এত পরিশ্রমের একটি সৃষ্টিকে অপমান করলেন শুধুমাত্র আপনার অহঙ্কারের বশে। সামান্য একশত স্বর্নমুদ্রাও প্রদান করলেন না ।আমি আপনাকে অভিশাপ দিচ্ছি, পরজন্মে আপনি একটি অত্যন্ত জঘন্য ছবি প্রচুর দাম দিয়ে কিনতে বাধ্য হবেন​। “
শোনা যায় সেই সুনন্দ সেনই পরবর্তি জন্মে সুদিপ্ত সেন হিসাবে জন্ম গ্রহন করেন ও এক কোটি আশি লক্ষ টাকা দিয়ে একটি ছবি কেনেন​।
পুনশ্চঃ এই গল্পের সব চরিত্র কাল্পনিক​। কোন জীবিত অথবা মৃত ব্যক্তির সাথে সামঞ্জস্য থেকে  থাকলে তা একেবারেই কাকতালীয় ।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

*"বুড়ো হতে চললুম, কাকে প্রস্রাব করে কখনও শুনিনি। বহু পাপ, মহাপাপ না হলে কি মন অশুদ্ধ হয়?

*- :      শ্রী শ্রী মায়ের জীবনকথা      : -*

*”ওঁ যথাগ্নের্দাহিকা শক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা হি যা।*
*সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমাম্যহম।।”*
   ১৩১৯ সালের বড়দিনের সময় শ্রীমা কাশীতে ছিলেন; সঙ্গে ভানুপিসিও ছিলেন; শ্রীমায়ের জন্মতিথিতে দুইজন ব্রাহ্মণকন্যা ভানুপিসিকে প্রণাম করিয়াছেন শুনিয়াই  গোলাপ-মা চটিয়া গেলেন, যেহেতু তাঁহার মতে ব্রাহ্মণরা গোয়ালার মেয়েকে প্রণাম করিলে ছোটজাতের অহঙ্কার বৃদ্ধি হয়, তাহারা ধরাকে সরা মনে করে।

   মা কিন্তু সব শুনিয়া গোলাপ-মাকেই দোষী সাব্যস্ত করিয়া বলিলেন, *”গোলাপের কান্ড দেখ। উৎসবের দিন সকলে আনন্দ করবে, আর ও কিনা এদের মনে কষ্ট দিচ্ছে। তোমরা কিছু মনে করো না, মা! ভক্তভাবে সকলকেই প্রণাম করা চলে।”*

Sri Sarada Devi
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Sarada Devi

   
শুচিবায়ুর সমাধানকল্পেও মা এই অন্তর্দৃষ্টির সাহায্য লইতেন। নলিনীদিদি ভিজা-কাপড়ে আসিয়া বলিলেন (৩০ আষাঢ়, ১৩২০), কাকে তাঁহার কাপড়ে প্রস্রাব করিয়াছে, তাই আবার স্নান করিয়া আসিয়াছেন।
   মা বলিলেন,
 *”বুড়ো হতে চললুম, কাকে প্রস্রাব করে কখনও শুনিনি। বহু পাপ, মহাপাপ না হলে কি মন অশুদ্ধ হয়? 
শুচিবাই! মন আর কিছুতেই শুদ্ধ হচ্ছে না।… আর শুচিবাই যত বাড়াবে তত বাড়বে। সবই যত বাড়াবে তত বাড়বে।”*
   আর একবার (জুলাই, ১৯১২) তিনি নলিনীদিদিকে বলিয়াছিলেন, *”আমি তো দেশে কত শুকনো বিষ্ঠা মাড়িয়ে চলেছি। দু’বার ‘গোবিন্দ, গোবিন্দ’ বললুম, ব্যস, সব শুদ্ধ হয়ে গেল। মনেতেই সব – মনেই শুদ্ধ, মনেই অশুদ্ধ।”*
   এইরূপ বহু সমস্যা তাঁহার নিকট উপস্থিত হইত। সচল সমাজে বহু অটল প্রাচীন দেশাচার পদে পদে জীবন দুর্বিষহ করিয়া তোলে; ধর্মের সুদৃঢ় ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত অথচ ভবিষ্যৎ দৃষ্টিযুক্ত ও সহানুভূতিপূর্ণ প্রগতিশীল মনই সব সঙ্কট-মুহূর্তে পথ প্রদর্শন করিতে সমর্থ হয়।
   শ্রীমা বলিতেন, *”দেশাচার মানতে হয়”*; কিন্তু তাঁহার মতে তাই বলিয়া দেশাচারের নামে মানুষকে পিষিয়া মারা চলে না।
   বঙ্গের কোন কোন অংশে বিধবা মেয়েরা আহারাদি সম্বন্ধে খুব কঠোরতা করেন। এক বিধবার ঐরূপ কঠোরতার সংবাদ পাইয়া মা তাঁহাকে বলিয়াছিলেন, *”তুমি রাত্রে রুটি পরটা ইত্যাদি খেও, ঠাকুরকে নিবেদন করে খেও।”* অর্থাৎ দেশাচার মানিয়া অন্ন গ্রহণ না করিলেও শরীররক্ষার অনুরূপ যুক্তিপূর্ণ ব্যবস্থা করা উচিৎ।
*”জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণং জগদ্‌গুরুম্।*
*পাদপদ্মে তয়ো শ্রিত্বা প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ।।”*
Design a site like this with WordPress.com
Get started