সন্ন্যাসী গীতি

SRI RAMAKRISHNA
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

SRI RAMAKRISHNA

সন্ন্যাসী গীতি (১)

****************
উঠাও সন্ন্যাসি, উঠাও সে তান,
হিমাদ্রী-শিখরে উঠিল যে গান –
গভীর অরণ্যে, পর্বত-প্রদেশে,
সংসারের তাপ যথা নাহি পশে –
যে সঙ্গীত-ধ্বনি-প্রশান্ত-লহরী
সংসারের রোল উঠে ভেদ করি ;
কাঞ্চন কি কাম কিংবা যশ-আশ
যাইতে না পারে কভু যার পাশ,
যথা সত্য-জ্ঞান-আনন্দ-ত্রিবেণী –
সাধু যায় স্নান করে ধন্য মানি –
উঠাও সন্ন্যাসি, উঠাও সে তান,
গাও গাও গাও, গাও সেই গান –
                                    ওঁ তৎ সৎ ওঁ

কে এই আমি? ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য মানুষের পক্ষে এই বিরাট পাকা-আমিরুপী স্বামী বিবেকানন্দকে বোঝা অসম্ভব।

*বহুরূপে বিবেকানন্দ*

*—স্বামী চেতনানন্দ*
          
        [১]

   *’আমি অশরীরী বানী’*

*’আমি অশরীরী বানী’* কথাটি আনকোরা নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ। কে এই আমি ? কেনই বা তিনি অশরীরী ? আর কী-ই বা তাঁর বাণী? এই ত্রিবিধ প্রশ্নের উত্তর আমরা স্বামী বিবেকানন্দের মহান জীবননাটকের আলোকপাতে দেখতে চেষ্টা করব।
Swami Vivekananda
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

Swami Vivekananda

প্রাচীনকালে বৈদিক ঋষিদের মুখ থেকে নিঃসৃত হয়েছিল কতকগুলি আপ্তবাক্য : যেমন ঋগ্বেদে– *’প্রজ্ঞানং ব্রহ্ম’* (ঐঃ উপঃ) , যজুর্বেদে — *’অহং ব্রহ্মাম্মি’* (বৃঃ উপঃ) ,  সামবেদে — *’তত্ত্বমসি’*  (ছাঃ উপঃ ) এবং অথর্ববেদে — *’অয়মাত্মা ব্রহ্ম’* (মাঃ উপঃ )।

বহুযুগ পরে ঊনবিংশ শতকের নরঋষি স্বামী বিবেকানন্দের মুখে আমরা শুনলাম,  বৈদিক ধাঁচের মহাবাক্য : *’আমি অশরীরী বাণী,’*  *’আমি জগতের নৈব্যক্তিক সত্তা।’*
কে এই আমি?   ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য মানুষের পক্ষে এই বিরাট পাকা-আমিরুপী স্বামী বিবেকানন্দকে বোঝা অসম্ভব। তাঁর  সমস্ত জীবন ছিল ইন্দ্রিয়াতীত দিব্য অনুভুতির দ্বারা ভরপুর ,  আর তার বাণী আত্মার মর্মবাণী। তাই স্বামী বিবেকানন্দের ‘আমি’কে বুঝতে গেলে হয় আমাদের এই বিষয়াসক্ত মনকে কমপক্ষে কয়েক ধাপ উপরে টেনে তুলতে হবে নতুবা কোনও অনুভুতিবান পুরুষের মুখ থেকে জেনে নিতে হবে কে এই আলোকসামান্য মহাপুরুষ।
প্রথমে আমরা শ্রীরামকৃষ্ণের মুখ থেকে শুনব কে এই নরেন্দ্রনাথ?  শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর এই প্রিয় শিষ্য সম্বন্ধে বলতেন : *’নরেন্দ্র ধ্যানসিদ্ধ, মহাপুরুষ। নরেন্দ্রের খুব উঁচু ঘর–নিরাকারের ঘর। পুরুষের সত্তা।’*
কখনও বলতেন, *’নররূপী নারায়ণ, জগৎ-কল্যানের জন্য ধরাধামে অবতীর্ণ ‘* জহুরী জহর  চেনে।  একমাত্র শ্রীরামকৃষ্ণই ঠিক ঠিক চিনেছিলেন স্বামীজীকে।  তাই আমরা দেখি ,  পরবর্তীকালে স্বামীজীর ভিতর তিনি তাঁর সমস্ত শক্তি উৎসারিত করে দিয়ে বলেছিলেন,  *’আজ যথাসর্বস্ব তোকে দিয়ে ফকির হলুম! তুই এই শক্তিতে জগতের অনেক কাজ করবি।’*
নাট্যসম্রাট গিরিশচন্দ্র ঘোষ তাঁর রসঘন নাটকীয়ভঙ্গীতে  স্বামীজীর মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেছেন — _’নরেনকে বাঁধতে গিয়ে স্বয়ং মহামায়া বড় বিপদে পড়েছেন। তিনি যত নরেনকে বাঁধতে যান ,  সে তত বড় হয়ে যায়,  ফলে মহামায়ার দড়ি আর কুলায় না।’_
আর একটি ছোট সুন্দর ঘটনার অবতারণা করছি। বেলুড় মঠ তখন সবে প্রস্তুত হয়েছে। সাধু নাগমহাশয় স্বামীজীর সঙ্গে মঠে দেখা করতে এসেছেন। স্বামীজীকে দেখে সেই অনুভূতিবান আদর্শগৃহীর কী সুন্দর অভিব্যক্তি : *’আপনাকে দর্শন করতে এলাম। জয় শংকর! জয় শংকর!  সাক্ষাৎ শিবদর্শন হলো।’* এই সেই বাল্যের বীরেশ্বর  (বিলে)  আর পরবর্তীকালে বিরাট ‘আমি ‘রূপী বিবেকানন্দের স্বরূপ।
স্বামীজীর গুরুভাইরা স্বামীজীকে দেখতেন তাঁদের প্রিয়তম গুরুর প্রতিনিধিরূপে।  পূজ্যপাদ হরি মহারাজ  (স্বামী তুরীয়ানন্দ) একদিন কথাপ্রসঙ্গে বলেছিলেন ,  *”স্বামীজী একবার আমাদের বললেন,তোমরা আগে আমাকে বোঝ, তারপর তাঁকে  (ঠাকুরকে) বোঝার চেষ্টা করবে।’  দেখ ,  স্বামীজী আর কিছু না হলেও একজন সম্পূর্ণ মানব (Perfect Man)। এইরূপ সম্পূর্ণ মানবের ধারণাই যদি না করা যায় তবে ভগবানের ধারণা করা কি সম্ভব?”*
হিমালয়ে প্রব্রজ্যাকালে একজন মুসলমান স্বামীজীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেছিলেন, _’স্বামীজী,  যদি ভবিষ্যতে কেহ আপনাকে অবতার বলে দাবী করেন ,  স্মরণ রাখবেন যে ,  আমি মুসলমান হয়েও সকলের মধ্যে অগ্রণী।’_  পাশ্চাত্যের বহু মনীষীও স্বামীজীর আমিকে বুঝতে গিয়ে বলেছেন,  ইনি কোনও বিরাট সত্তার অবতার–হয়তো বুদ্ধের — হয়তো খ্রীস্টের!’
সূর্য যেমন স্বয়ংপ্রকাশ ,  সেইরূপ আত্মজ্ঞানী ব্যাক্তিই  নিজের স্বরূপ প্রকৃষ্টরূপে উপলব্ধি করে থাকেন। স্বামীজী জানতেন তিনি কে।  এমনকি তাঁর পূর্বজন্মের বিষয়ে অবগত ছিলেন।  আমেরিকায় একদিন ‘পুনজন্মবাদ’ -এর উপর বক্তৃতার পর প্রশ্নত্তরে বলেছিলেন, *’আমি বাল্যাবধিই আমার পূর্বজন্মের বিষয়ে অবগত আছি।’* আমেরিকায় আর এক বক্তৃতায় অনুভুতির  চরমতত্ত্ব বোঝাতে গিয়ে স্বামীজী বুকে হাত দিয়ে সজোরে বলেছিলেন ,  *”I am God”।*  এই বক্তৃতায় অনেকে বুঝেছিলেন যে স্বামীজী কী এক গুরুতর কথা বলে ফেলেছেন।  স্বামীজী ধরা পড়েছেন তাঁর নিজের কথায়।  কতবারই না তিনি বলেছেন : *’বুদ্ধ খ্রীস্টের ন্যায় আমিও সেই অনন্ত সোহহং  (ব্রহ্ম ) সমুদ্রের তরঙ্গ মাত্র।’* জীবনের শেষপ্রান্তে ক্যালিফোর্নিয়াতে এক পাশ্চাত্য নারীকে স্বামীজী বলেন ,  *’আমার মৃত্যুর ১০ বছরের মধ্যে আমি ভগবানরূপে পূজিত হব।’*
স্বামীজীর এইসব স্বকথিত আত্মপরিচয়ে গোঁড়া ব্যাক্তি মনে করবেন,  এই বুঝি বিধর্মীসূচক বাক্য ,  অল্পবুদ্ধ ব্যাক্তি হয়তো মনে করবেন,  এ বুঝি দাম্ভোক্তি।
এ প্রশ্নের উত্তর বহু বছর আগে মনীষী ব্যাক্তি তাঁর আটপৌরে ভাষায় দিয়ে গিয়েছেন : ” বিবেকানন্দের কর্মে ও চিন্তায় যদি কিছু আধ্যাত্মিকতা থাকে ,  তবে তা এই ‘অহংকারের’ মধ্যে ঢুঁড়তে হবে। অহংকারের এই দম্ভলে যে জীবনে নাই ,  সেই জীবনে বিবেকানন্দের প্রবেশ নাই। অহংকারের এই দম্ভলে –যে জীবন চাঙ্গা হয়েছে,  সেই জীবনেই বিবেকানন্দের লীলাক্ষত্র। লোকে বলবে,  ‘আরে ভায়া,  এই ব্যাক্তিত্বনিষ্ঠা,  এই পুরুষকার , এই পৌরুষপ্রতিষ্ঠা,  এই আত্মগৌরব ,  এই আত্মচৈতন্য ,  এই আত্মকর্তৃত্ব,  এই অহংকার –এই সবই যে বেদান্ত। ‘ বিবেকানন্দ উত্তর দিবেন না, : *”আরে বেদান্ত আর আমি কি আলাদা?”*
শরীর যাওয়ার আগে বেলুড় মঠে স্বামীজী বলেছিলেন  ,  *’আর একটা বিবেকানন্দ থাকলে বুঝত এ বিবেকানন্দ কি করে গেল।’* তাই স্বামীজীর ‘আমি’কে সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কত বড় অসম্ভব ব্যাপার। তবুও আমরা এই মহাজীবনের উপর শ্রবণ-মনন-নিদিধ্যাসন করব , কারণ পরশমণি স্পর্শে আমরা সোনা হব।

শঠারি, মধুর কবি ও রাজা কুলশেখর আলোয়ার

|| শঠারি, মধুর কবি ও রাজা কুলশেখর আলোয়ার ||

এই পোষ্ট খানি করা হলো বিষ্ণুর অবতার এর উপরে । শুধুমাত্র বাংলায় নয় দক্ষিণ ভারতেও ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন শ্রীবিষ্ণুর অংশ । সে সম্পর্কে আমরা অনেকেই অজ্ঞাত ।

তাই এই লেখনী টি ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাবার ইচ্ছে রইলো ।

যিনি বৈশাখ মাসে বিশাখা নক্ষত্রে কলিযুগের প্রারম্ভে, পান্ড্যদেশস্থ কুরুকাপুরীতে, মহাত্মা কারির ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন, আমি সেই সেনাপতি বিম্বকসেনের অবতার শঠারির পূজা করি ।
……বিম্বকসেন নারায়ণের দ্বিতীয় মূর্তি । ইনি বৈষ্ণবী সেনার অধিনায়ক । ইনি চন্দ্রের ন্যায় শুভ্রকান্তি, চতুর্ভুজ এবং সর্ববিঘ্নের বিনাশকর্তা।
বৈষ্ণবগণ শ্রীশ্রীকার্তিকেয়ের পরিবর্তে বিম্বকসেনের পূজা করেন ।
বিম্বকসেন সর্ববিঘ্নবিনাশী ও নারায়ণের সেনানায়ক ।
একদা মহাত্মা কারি সস্ত্রীক পুত্রার্থ নারায়ণমন্দিরে গমন করিয়া ব্রতোপবাসাদি করেন ।
তাহাতে পরিতুষ্ট হইয়া বিষ্ণু স্বয়ংই তাঁহাদের পুত্ররূপে অবতীর্ণ হইবেন, এইরূপ প্রত্যাদেশ করেন ।
সেই প্রত্যাদেশ অনুসারে শঠরিপুর জন্ম হয়।
শঠরিপু, শঠারি ও শঠকোপা একই অর্থে প্রযুক্ত ।
তিনি এতদৃশ প্রেমিক ও মধুরস্বভাব ছিলেন যে, তাঁহার সহিত যিনিই আলাপ করিতেন, তিনিই তাঁহাকে পরম আত্মীয় বলে জ্ঞান করিতেন ।
সকলের আত্মীয় ছিলেন বলিয়া সকলে তাঁহাকে “”উনি আমাদের আলোয়ার”‘” বলিতেন বলিয়া,
~~~তাঁহার নাম নম্মা আলোয়ার হইয়াছে ।
নম্মা শব্দের অর্থ আমাদের ।
ইহার আর একটি নাম ‘পরাংকুশ’।
কারণ ইনি সর্বজনবৈরী মোহমাতঙ্গের অঙ্কুশস্বরূপ ছিলেন ।
ইনি নীচ কুলোদ্ভব।
ইহার পিতা মহাত্মা করি একজন সম্পত্তিশালী ভুমাধিকারী ছিলেন ।
নম্মা আলোয়ার  কলিযুগের প্রথম বৎসরে অর্থাৎ ৩১০২ খ্রীস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁহার এক অতি বৃদ্ধ ভক্ত ছিল । ঐ ভক্তটি মধুরভাষায় কবিতা লিখিতে পারিতেন বলিয়া উহার নাম মধুরকবি আলোয়ার ছিল ।
ইনি যুগসন্ধিতে জন্মগ্রহণ করেন । তামিল পন্ডিতগণ ইহার জন্মকাল ৩২২৪ খ্রীস্টপূর্বাব্দ স্থির করিয়াছেন ।
চৈত্র চিত্রাসমুদ্ভুতম পান্ড্যদেশে খগাংশকম্ ।
শ্রীপরাঙ্কুশসদ্ভক্তং  মধুরং কবিমাশ্রয়ে।।৭।।
চৈত্র মাসে চিত্রা নক্ষত্রে যিনি খগপতি গরুড়াংশে পান্ড্যদেশে জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন,
যিনি পরাঙ্কুশ শঠরিপুর অতিশয় ভক্ত ছিলেন, আমি তাঁহার শরণাগত হই ।
ইঁহার জন্মভূমি শঠরিপুর জন্মভূমির নিকট ছিল ।
কুম্ভে পুনর্বসুভবং কেরল চোলপট্টনে
কৌস্তুভাংশং ধরাধীশং কুলশেখরমাশ্রয়ে ।।
যিনি ফাল্গুনমাসের পুনর্বসু নক্ষত্রে শ্রীবিষ্ণুর কৌস্তুভাংশে কেরল বা মালাবার দেশস্থ চোলপট্টন বা  তিরুভঞ্জিক্কোলম্ নামক নগরে জন্মগ্রহণ করেন,
যিনি কেরলের অধিপতি ছিলেন,
আমি সেই রাজা কুলশেখরের শরণাগত হই ।
ইনি ‘মুকুন্দমালা’র রচয়িতা । ইহার ন্যায় ভক্ত অতি বিরল । বৃহস্পতিবার শুক্লা দ্বাদশীতে ৩১০২ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে ইঁহার জন্ম হয় ।
ইনি রাজর্ষির ন্যায় দীপ্তিশালী ছিলেন বলিয়া বৈষ্ণবরা ইঁহাকে নারায়ণের কৌস্তুমণির অংশবতার বলিয়া পূজা করেন ।।

~~~~স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ ।

জয় রামকৃষ্ণ ।।

অন্ডাল ও তোণ্ডারাড়িপ্পোড়ি আলোয়ার

||◆◆ অন্ডাল ও তোণ্ডারাড়িপ্পোড়ি আলোয়ার ◆◆||

[[[দাক্ষিণাত্যের কাহিনী]]]
যিনি জ্যেষ্ঠ মাসে স্বাতী নক্ষত্রে শ্রীবিল্লিপুত্তুর নগরে বিষ্ণুর রথাংশে জন্মগ্রহণ করেন, (যাঁহার কন্যাকে স্বয়ং নারায়ণ বিবাহ করিয়াছিলেন বলিয়া)
যিনি বিষ্ণুর শশুর নামে খ্যাত,
যাঁহার চিত্ত সর্বদা বিষ্ণুময় হইয়া থাকিত,
আমি সেই সর্বজনশিরোমণি ভক্ত শেষ্ঠের শরণাগত হই ।
এই মহাপুরুষের নাম অন্ডাল ।তিনি বাল্যকাল হইতেই নারায়ণের সেবানিরতা থাকিতেন এবং বলিতেন যে, নারায়ণ ভিন্ন আর কাহাকে তিনি বিবাহ করিবেন না ।
ব্য়স্থা হইলে পিত তাঁহার বিবাহ দিবার জন্য ব্যস্ত হইলেন ।
কিন্তু তিনি বিষ্ণু ভিন্ন অন্য কোন বর কে বিবাহ করিবেন না বলিয়া কৃতসংকল্পা হওয়ায়, পিতা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইয়া নারায়ণের ধ্যান করিতে লাগিলেন ।
কথিত আছে সেই রজনীতে স্বয়ং বিষ্ণু স্বপ্নে তাঁহাকে অভয় দিয়া বলিয়াছিলেন, “”আমায় তোমার কন্যারত্ন দিতে কুণ্ঠিত হইয়ো না । উনি সাক্ষাৎ লক্ষ্মী ।””””’
সেই রজনীতে শ্রীবিষ্ণুমন্দিরের অর্চকও স্বপ্নে এইরূপ প্রত্যাদিষ্ট হন, ”’কল্য প্রাতঃকালে  তুমি যাবতীয় বিবাহোপযোগী দ্রব্য অন্ডালের পিতার আলয়ে লইয়া যাইও এবং অন্ডালকে সুন্দর বেশভুষায় সজ্জিত করিয়া শিবিকা দ্বারা আমার মন্দিরে লইয়া আসিও।”””
অর্চ্চক তাহাই করিলেন।
যখন অন্ডালের পিত এই শুভসংবাদ শুনিলেন, তখন তাঁহার আর আনন্দের সীমা রহিল না।
অন্ডাল শিবিকারোহণে শ্রীশ্রীপুরুষোত্তমকে বিবাহ করিতে চলিলেন । তাঁহার পশ্চাৎ পশ্চাৎ অসংখ্য লোক চলিল ।
যখন তিনি মন্দিরাভ্যন্তরে প্রবেআহ করিলেন, নারায়ণ তাঁহাকে কর প্রসারিত করিয়া গ্রহণ ও আলিঙ্গন করিলেন ।
(একটু ভাবুন বন্ধুরা কত ভক্তিমতী হলে ভগবান তাঁর পাণিগ্রহণ করেন)
সেই আলিঙ্গনে অন্ডাল দ্রবীভূতা ও শ্রীবিগ্রহে একীভূতা হইয়া গেলেন ।
তাঁহাকে আর কেহ দেখিতে পাইলো না ।
তাঁহার পিতা কে চিন্তিত দেখিয়া শ্রীশ্রীপুরুষোত্তম ঈষদ হাস্য করিয়া কহিলেন,
“””‘অদ্য হইতে আপনি আমার শ্বশুর হইলেন। আপনি গৃহে প্রত্যাগমন করুন ।
আপনার কন্যা সর্বদা অমতেই থাকিবেন ।”””'”
অন্ডাল-পিতা হর্ষোৎফুল্লচিত্তে রোমাঞ্চিতকলেবরে বার বার সর্বজীবের পালনকর্তা পরমপুরুষ বিষ্ণুকে সাষ্টাঙ্গে বন্দনা করিয়া গৃহে প্রত্যাগমন করিলেন ।
সেই দিন হইতে তাঁহার নাম “‘পেরিয়া আলোয়ার” অর্থাৎ “সর্বশেষ্ঠ ভক্ত” বলিয়া বিখ্যাত হইল। ৩০৫৬ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে ইঁহার জন্ম ।।
জয় রামকৃষ্ণ ।।
~~~স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ ।।

एक साधू शमशान में दो चिताओ की राख को बड़े ध्यान से देख रहा था।

एक साधू शमशान में दो चिताओ की राख को बड़े ध्यान से देख रहा था।

एक आदमी ने पूछा : बाबा एसे क्यू देख रहे हो राख को ।
साधू : ये एक अमीर की लाश की राख है जिसने ज़िंदगी भर काजू बादाम खाये और ये एक ग़रीब की लाश है जिसे दो वक़्त की रोटी भी बडी मुश्किल से मिलती थी , मगर इन दोनों की राख एक सी ही है फिर किस चीज़ पर आदमी को घमंड है वही देख रहा हूं।..

দেশকে ভালো না বাসলে পৃথিবীকে ভালোবাসবে কি করে ? নিজের মাকে যদি ভালো না বাসো, তার জন্য কিছু না কর, তবে বিশ্ব-জননীকে ভালোবাসবে কি করে ?

বিশ্বায়ন – বসুধৈব কুটুম্বকম্
=====================
আর্কিবল্ড স্টার্ক ও এলেনর স্টার্ক – আমেরিকাবাসী লেখক দম্পতি লিখেছেন, “কলম্বাস আবিষ্কার করেছিলেন আমেরিকার ভূখণ্ডটি, বিবেকানন্দ আবিষ্কার করেছিলেন আমেরিকার আত্মা।” স্বামীজীর আদর্শ হল প্রথমে দেশপ্রেম এবং দেশপ্রেমের হাত ধরে বিশ্বপ্রেম। দেশকে ভালো না বাসলে পৃথিবীকে ভালোবাসবে কি করে ? নিজের মাকে যদি ভালো না বাসো, তার জন্য কিছু না কর, তবে বিশ্ব-জননীকে ভালোবাসবে কি করে ?
বর্তমানে বিশ্বায়ন নিয়ে এমন হইচই হলেও ‘বিশ্বায়ন’ ব্যাপারটি অতি প্রাচীন। বিশ্বায়নের প্রথম অভিযাত্রা অতীত ভারত থেকে। সিন্ধু সভ্যতার যুগে সুমেরীয় সভ্যতার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিল। অবশ্য অনেক পরে বাণিজ্যের মুখোশে ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদের সূচনা। এ ব্যাপারে পর্তুগীজ, স্পেনীয়, ডাচ ও ব্রিটিশ বণিকদের মধ্যে ব্রিটিশরাই সকলকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যায়। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদই আধুনিক যুগে গোটা পৃথিবীকে বাহ্যিক দিক দিয়ে এক করতে শুরু করে। বিশ্বায়ন মূলত অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে হলেও এর প্রভাব জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও পড়ে। স্বামীজীর বিখ্যাত উক্তি এখানে স্মরণ করা যেতে পারে – বিস্তারই জীবন, সংকোচনই মৃত্যু। মুক্ত-অর্থনীতি, মুক্ত বাজার খচিত এই বিশ্বায়ন মানুষের কাছে বিস্তারের অভূতপূর্ব সুযোগ এনে দিয়েছে – যা স্বামীজীর কাছে জীবনের অপরিহার্য লক্ষণ। তবে তাঁর কাছে বিস্তার বলতে হৃদয়ের বিস্তার। যার বীজ নিহিত প্রাচীন ভারতের ‘বসুধৈব কুটুম্বকম্’ বাণীতে। যার সার্থকরূপ প্রতিফলিত হয় শ্রীমা সারদাদেবীর জীবনে এবং বাণীতে – ‘জগতকে আপনার করে নিতে শেখো। কেউ পর নয় মা, জগৎ তোমার।’

If you compress the time from the Big Bang to the present in a single year then

Presently here’s something to knead our monstrous inner selves. A case of how little we are in the more prominent plan of things. 


In the event that you pack the time from the Big Bang to the present in a solitary year at that point: 

January first – The Big Bang happened. 

January tenth – The primary star was conceived. 

January thirteenth – First little system. 

Walk fifteenth – The Milky Way shaped, however not the Sun. 

August 31st – The Sun was conceived (that is around 4.5 billion years prior). 

The Earth was conceived from a circle of gas and residue circling the infant Sun. Rehashed impacts delivered a shining ball. The Earth was very unsteady at the outset. Be that as it may, 

Sept 21st – Life started (3.5 billion years back) 

November ninth – Life was breathing, moving, eating. We owe a ton to those early organisms. They developed sexual propagation. 

December seventeenth – Life originated from water to arrive. 

December 28th – The main bloom bloomed. 

6:24 am, December 30th – A space rock hit earth and wiped out dinosaurs that could imperil the survival of Homo Sapiens on earth (60 million years back) 

Without precedent for the historical backdrop of the universe, the conditions were sufficiently useful for people. 

11:59:46 pm December 31st – All written history involves these most recent 14 seconds. 

We figured out how to develop crops, tame creatures, space science, arithmetic, and painting. Around 13 seconds back, we imagined composing. 

Moses was conceived 7 seconds prior. 

Buddha – 6 seconds prior. 

Jesus – 5 seconds prior. 

Muhammad – 3 seconds prior. 

A second prior, we found that the Earth isn’t the focal point of the universe. 

Furthermore, exactly when that second was going to complete, we achieved the moon. 

Each individual you have ever known about, met, cherished, abhorred, kissed, and replicated with, lives in those 14 seconds.

Cockroach Theory II তেলাপোকা তত্ত্ব

Cockroach Theory
Cockroach Theory

Cockroach Theory 

  1. A delightful discourse by Sundar Pichai – an IIT-MIT Alumnus and Global Head Google Chrome:
  2. The cockroach hypothesis for self-advancement
  3. At an eatery, a cockroach all of a sudden flew from someplace and sat on a woman.
  4. She began shouting out of dread.
  5. With a terrified face and trembling voice, she began bouncing, with both her hands frantically attempting to dispose of the cockroach.
  6. Her reaction was irresistible, as everyone in her get-together also got panicky.
  7. The woman at long last figured out how to push the cockroach away yet …it arrived on another woman in the gathering.
  8. Presently, it was the turn of the other woman in the gathering to proceed with the show.
  9. The server hurried forward to their protection. 
  10. In the hand-off of tossing, the cockroach next fell upon the server.
  11. The server stood firm, pulled it together and watched the conduct of the cockroach on his shirt.
  12. When he was sufficiently sure, he got it with his fingers and tossed it out of the eatery.
  13. Tasting my espresso and viewing the diversion, the receiving wire of my psyche got a couple of contemplations and began pondering, was the cockroach in charge of their theatrical conduct?
  14. Assuming this is the case, at that point for what reason was the server not irritated?
  15. He took care of it close to flawlessness, with no confusion.
  16. It isn’t the cockroach, yet the failure of those individuals to deal with the aggravation caused by the cockroach, that bothered the women.
  17. I understood that it isn’t the yelling of my dad or my supervisor or my significant other that irritates me, yet it’s my failure to deal with the unsettling influences caused by their yelling that exasperates me.
  18. It’s not the automobile overloads out and about that bothers me, however my powerlessness to deal with the aggravation caused by the congested driving conditions that exasperate me.
  19. More than the issue, it’s my response to the issue that makes bedlam in my life.

Exercises gained from the story: 

I comprehended I ought not to respond throughout everyday life.

I ought to dependably react.

The ladies responded through the server reacted.

Responses are constantly intuitive while reactions are in every case the good idea of.

An excellent method to understand…………LIFE. 

The individual who is cheerful isn’t on the grounds that Everything is RIGHT in his Life…

He is HAPPY in light of the fact that his Attitude towards Everything in his Life is Right..!!

kb’s accumulation

ইহা লাভ করিতে হইলে আমাদের এই-সকল ইন্দ্রিয় সুখ পরিত্যাগ করিতে হইবে । জীবনে ইহারই সর্বশ্রেষ্ঠ উপযোগিতা আছে। –স্বামীজী

Swami Vivekananda
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

Swami Vivekananda

শিশুগণ মনে করে, ইন্দ্রিয়সুখই হইল তাহাদের লভ্য সুখগুলির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ।

 আপনারা প্রায় সকলেই জানেন যে, মানবজীবনে ইন্দ্রিয়স্মভোগ  অপেক্ষা বুদ্ধিজ সম্ভোগ অধিকতর তৃপ্তিপ্রদ ।  আহার হইতে কুকুর বা শূকর যে আনন্দ পায়, আমি তাহার কথা বলিতেছি না । আহার গ্রহণ কালে তাহাকে হত্যা করিলেও সে গ্রাহ্য করিবে না । ঐ কালে শূকর টির আনন্দসম্ভোগ কত তীব্র । কোন মানুষেরই এই তীব্র সম্ভোগানুভূতি নাই । মানুষের সে অনুভূতি কোথায় গেল ? মানুষ ইহাকে বুদ্ধিজ ভোগে পরিণত করিয়াছে । শুকর ধর্ম সম্বন্ধীয় বক্তৃতা উপভোগ করিতে পারে না । বুদ্ধি সাহায্যে উপভোগ অপেক্ষাও উহা উচ্চতর ও তীব্রতর স্তরে ঘটিয়া থাকে ; ইহাই হইল আধ্যাত্মিক স্তর, ইহাই ঐশী বস্তুর আত্মিক সম্ভোগ, ইহা বুদ্ধি ও যুক্তির ঊর্দ্ধে অবস্থিত ।  ইহা লাভ করিতে হইলে আমাদের এই-সকল ইন্দ্রিয় সুখ পরিত্যাগ করিতে হইবে । জীবনে ইহারই সর্বশ্রেষ্ঠ উপযোগিতা আছে।

 –স্বামীজী

পুরুষ পায়রার ঠোঁট ধরলে ঠোঁট টেনে ছিনিয়ে লয়, — মাদী পায়রা চুপ করে থাকে।"……..!!

স্বামী বিবেকানন্দ –শ্রীরামকৃষ্ণের প্রানপ্রিয় “আদরের “নরেন ” সম্পর্কে শ্রীশ্রীঠাকুরের উক্তি

“নরেন্দ্রের খুব উঁচু ঘর — নিরাকারের ঘর। পুরুষের সত্তা।
“এতো ভক্ত আসছে, ওর মতো একটি নাই।
“এক-একবার বসে বসে খতাই। তা দেখি, অন্য পদ্ম কারু দশদল, কারু ষোড়শদল, কারু শতদল কিন্তু পদ্মমধ্যে নরেন্দ্র সহস্রদল!
“অন্যেরা কলসী, ঘটি এ-সব হতে পারে, — নরেন্দ্র জালা।
“ডোবা পুষ্করিণী মধ্যে নরেন্দ্র বড় দীঘি! যেমন হালদার-পুকুর।
“মাছের মধ্যে নরেন্দ্র রাঙাচক্ষু বড় রুই, আর সব নানারকম মাছ — পোনা, কাঠি বাটা, এই সব।
“খুব আধার, — অনেক জিনিস ধরে। বড় ফুটোওলা বাঁশ!
“নরেন্দ্র কিছুর বশ নয়। ও আসক্তি, ইন্দ্রিয়-সুখের বশ নয়। পুরুষ পায়রা। পুরুষ পায়রার ঠোঁট ধরলে ঠোঁট টেনে ছিনিয়ে লয়, — মাদী পায়রা চুপ করে থাকে।”……..!!
***যুগনায়ক   আচার্য পূজ্যপাদ  শ্রীমদ  স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৫ তম পুণ্য আবির্ভাব তিথি তে (১৯–০১–২০১৭) স্বামীজী মহারাজের শ্রীচরণে জানাই শতকোটি প্রণাম –!!

~~~জয় স্বামীজী মহারাজ জী কি জয়!!!

স্বামী বিবেকানন্দের
স্বামী বিবেকানন্দের
Design a site like this with WordPress.com
Get started