সন্ন্যাস আশ্রমের কথা হইতেছে। খুব কঠিন আশ্রম। দুর্গাপদ বলিতেছেন, ঠাকুর সন্ন্যাসের যে আদর্শ দিয়ে গেছেন সেরুপ সন্ন্যাসী দেখা যায় না প্রায়। আজকালের সন্ন্যাস-আশ্রম নেমে গেছে।

সন্ন্যাস আশ্রমের কথা হইতেছে। খুব কঠিন আশ্রম। দুর্গাপদ বলিতেছেন, ঠাকুর সন্ন্যাসের যে আদর্শ দিয়ে গেছেন সেরুপ সন্ন্যাসী দেখা যায় না প্রায়। আজকালের সন্ন্যাস-আশ্রম নেমে গেছে।

শ্রীম (বাধা দিয়ে) –সন্ন্যাস কত বড় আশ্রম। বললেই হলো কিচ্ছু না। দেখনা যেখান থেকে মানুষ পালাচ্ছে সেখানে সন্ন্যাসীরা যাচ্ছে। প্রাণের ভয় নাই। লাহোরে প্লেগ হয়েছে। রোজ পঞ্চাশজন লোক মরছে। মঠের সন্ন্যাসীরা সেখানে গেছেন সেবা করতে। মুখে বললে কি হয়? কাজ দেখ তাঁদের। পুলী বাইরে থেকে দেখতে সব সমান। কিন্তু কারো ভিতর ক্ষীরের পুর, কারো ভিতর কড়ার ডাল।

সন্ন্যাস মানে এই নয় সকলেই শুকদেব হয়ে যাবে। সন্ন্যাস মানে, সংসারের বাইরে চলে যাওয়া। বাপ মা পরিবারের বন্ধনের বাইরে যাওয়া। সেখান থেকে চেষ্টা করছে। রাস্তায় উঠেছে। ওখান থেকে ঈশ্বরের দিকে এগুতে বিঘ্ন কম। Vantage ground-এ (অনুকূল স্থানে) দাঁড়িয়ে আছে। মুড়ি মিছরীর একদর করলে চলবে কেন?

দুর্গাপদ – ঠাকুরের সন্ন্যাসের আদর্শ কি তা ছিল?

শ্রীম – না, তা নয়। তবে সন্ন্যাসীদের ঐরূপ। ঠাকুর কারোও formal (আনুষ্ঠানিক) সন্ন্যাস দেন নাই। তবে organization (সঙ্ঘ) রাখলে হলে একটা Institution (অনুষ্ঠান, প্রথা) চাই। তাই মঠে সন্ন্যাস সংস্কার দেওয়া হয়। তিনি ভিতর ফাঁক করে দিতেন। দেখতেই সব সাধারণ মানুষ; কিন্তু তাঁদের ভিতর ফাঁক – ভিতরে সন্ন্যাস। তিনি দেখতেন, কিসে ঈশ্বর লাভ হয়। সেটি আলাদা জিনিষ। ফার্স্ট ক্লাস। ফার্স্ট ক্লাশ সন্ন্যাস হলো না ব’লে সন্ন্যাস কিছু নয় বলা চলে না। সেকেন্ড ক্লাশ, থার্ড ক্লাশ আছে। তবুও সন্ন্যাসী। এঁরা প্রণম্য যারা ঘরে আছে তাদের। সন্ন্যাসী আর গৃহস্থের difference (পার্থক্য) যেমন সুমেরু পর্বত আর সরষে কণা, অথবা মহাসাগর আর গোষ্পদের জল। – শ্রীম দর্শন।।

Sargachi Smrite -swami suhitananda II *সারগাছির স্মৃতি* *–স্বামী সুহিতানন্দ*

*সারগাছির স্মৃতি* *–স্বামী সুহিতানন্দ*

৫.১২.৫৯ 
তিন -চার দিন আগে বেলুড়ের বি.টি . কলেজ থেকে আর্টের একজন অধ্যাপক আসেন চৈতন্যদেবের দুটি ছবি নিয়ে –ছাপানো হবে স্বামী সারদেশানন্দ লিখত পুস্তকে। মহারাজ দেখে খুব প্রশংসা করে বললেন ,  *”আমাদের দেশে ছবির কদর নেই। আমার এক বন্ধু ফ্রান্সে একটি ছবি আঁকবার জন্য ১৬,০০০ টাকা পেয়েছিল। আর আমাদের দেশে কেউ কদর জানে না!  তবে চৈতন্যদেব যেরকম গোছানো ছিলেন তাতে তাঁর চাদর এভাবে ঝুলে পরবে বলে মনে হয় না। আর পা -গুলো ছিল বড় বড়।”*
১৮•১২•৫৯
সেবক : আমরা ঘর-বাড়ি ছেড়েছি এজন্য যে,  এই জীবনেই আধ্যাত্মরস আস্বাদন করব।  যদি জীবমুক্ত না হওয়া যায়,  তবে কি জীবন ত্যাগ করা উচিত?
মহারাজ : *দেখ ,  জীবমুক্ত এখন নয়। দশ বছর পরে ওসব। এখন সব পড়ো। মহারাজদের জীবন সম্বন্ধে জানো ,  সঙ্ঘজীবন দেখো –পরে যা হয় হবে। উত্তরাখণ্ডে এক চল আছে –কোনো কোনো সাধক এ-জীবনে চরম প্রাপ্তি অসম্ভব দেখে স্বেচ্ছায়  দেহত্যাগ করে –ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে যেন পরজন্মে ভগবানকে ডাকার অনুকূল শরীর -মন পায়। এ-ও একরকম আত্মহত্যা।*
প্রশ্ন : যাঁদের  এটা শেষজন্ম ,   তাঁরা এ-জন্মে  যা করবেন,  তারও কি এ-জন্মে ভোগান্ত হবে।
মহারাজ :    *নিশ্চয়ই  ; এ-জন্মে যা করবে তার ঠিক ফল পেতে হবে –তবেই ছুটি!  সেই জন্যই তো বলি –প্রকৃতির নিয়ম লঙ্ঘন কোরো না। বাড়িতে আমার মা বলতেন, ‘দুঃখী হয় চন্ডালের শাপে / খণ্ডাতে নারে বিধাতার বাপে ।’  কাউকে কষ্ট দেবে না।*

*যারা বলে আমাদের হবে না -আমরা পাপী ,  তারা পলায়ন-মনোবৃত্তিসম্পন্ন কিছু করতে চায় না  ,  ফাঁকি দিতে চায়। আর যে যা করে সে তা-ই চায়,  অর্থাৎ তারা প্রয়োজনবোধ নেই।*

প্রশ্ন : মহারাজ  , যদি আমরা কিছু সাধন-ভজন না করে পড়ে থাকি ,  আমাদের কবে মুক্তি হবে ?
মহারাজ : *সকৃদাগামী । ১৯৩৪ সালে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ কলেজে পড়ত ( শ্রদ্ধানন্দ সানফ্রান্সিস্কোতে দেহত্যাগ করেন)। আমার কাছে বসে গল্প করত।  একদিন কথায় কথায় বললাম,  ‘বাঁদররা রামচন্দ্রের ব্রতকার্যে পাথর বয়ে মুক্ত হয়েছিল।’ এই কথাটা তাকে এত মুগ্ধ করেছিল যে ,  ফিরে গিয়ে একটা নাটক লিখে মঞ্চস্থ করেছিল।  তেমনি , যদি ঠাকুরের ব্রতকার্যে সাহায্য করে সেও মুক্ত হবে।*
সেবক : ঠাকুরের ব্রতকার্য কী ?
মহারাজ  : *ভালবাসা,  সকলের কল্যাণচিন্তা করা –কীভাবে তাদের সেবা করা যায়। ‘শিবজ্ঞানে জীবসেবা’। আর  , চার যোগ যে এক , সেটাও জানা। শুধু কর্ম করতে গিয়ে বহির্মুখ,  ধ্যান করতে করতে আধপাগলা  , জ্ঞানে পন্ডিত আর ভক্তিতে আবেগপ্রবণ –এই চারটের সমন্বয় প্রয়োজন। জ্ঞান না থাকলে এবং যোগ না থাকলে  ,  মানুষের শরীরের প্রতি আসক্তি এসে যায়। নারায়ণ বুদ্ধি দূরে পড়ে থাকে।*
মহারাজ দুপুরে বসে বসে ছবির বই দেখছেন। যেখানে ঠাকুর মাকে গহনা খুলতে নিষেধ করছেন ,  সেখানে ঠাকুরকে ছায়ার মতো এঁকেছে।
মহারাজ : *দেখ ,  এ-চেহারা তো খালি চোখে দেখা যায় না। এ ভাবতনু । প্রেমের চোখে দেখা যায় । এর ছায়া পড়ে না ,  যেখানে এঁকেছে  সে একথা জানে না।*

Kolkata sweet name

১) অমৃত
দই খেতে খেতে ক্ষীরের কথা মনে পড়বে৷ ক্ষীর দই৷ একটাই সমস্যা, দুপুরে একটা সময় বন্ধ থাকে দীর্ঘক্ষণ৷ মিষ্টির দোকান মাঝে বন্ধ রাখা হয়েছে, এটা একমাত্র দেখেছি বালিগঞ্জ প্লেসের মুখার্জি সুইটসের৷ যেখানে অন্য রকম সরভাজা বা ভেজ-চপ বা মাংসের চপ খেতে প্রায়ই যেতে হয়৷
২) যাদব দাস
চিনি পাতা সাদা মিষ্টি দই খেতে চান? মনে হয় না, যাদবের কোনও বিকল্প রয়েছে৷ অসাধারণ খেতে৷ এমন সাদা মিষ্টি দই কলকাতায় বিরল৷ খুব বেশি মিষ্টি নয়, ধবধবে সাদা দই৷ শ্রীরামকৃষ্ণের কেন প্রিয় ছিল এখানকার মিষ্টি, তা বোঝা যায় দই দেখেই৷ উত্তরের ঝামাপুকুরের কেশব সেন স্ট্রিট, দক্ষিণের ট্র্যাঙ্গুলার পার্কে, দু’জায়গায় এই দোকান৷
৩) ভীম নাগ (বউবাজার)
মিষ্টি দই এদেরও সাদা৷ মিষ্টি একটু কম৷ তবে অন্য রকম খেতে৷ চামচ দিয়ে কেটে নিলে জল বেরোবে না৷ সমস্যা হল, লেডিকেনির আবিষ্কারকের দোকানে একশো গ্রামের ভাঁড়ে দই পাওয়া যায় না৷ কম করে আড়াইশোর ভাঁড় নিতে হবে৷ দাম অন্যদের থেকে বেশি৷ দুশো চল্লিশ টাকা কেজি৷
৪) কেসি দাস
মিষ্টি দইয়ের প্যাকেজিং সবচেয়ে ভালো৷ কাগজ দিয়ে ঢাকা৷ একশো গ্রাম প্লাস্টিকের কাপ৷ আড়াইশো গ্রাম হলে চমত্‍কার মাটির প্লেট৷ দইয়ের উপর রংটা অনেকটা হলদে৷ প্রথম দেখলে মনে হবে, আম দই বুঝি৷ আসলে উপরের সরের চাদর সরালে সাদাটে৷ একটু টক টক মিষ্টি দই পছন্দ করলে ভালো লাগবে এদের দই৷ দাম দুশো কুড়ি টাকা কেজি৷
৫) নিউ আশীর্বাদ সুইটস
বালিগঞ্জ স্টেশনের গায়ে এই দোকানে আম দইয়ের এক চমত্‍কার বিশেষত্ব রয়েছে৷ পুরো আম নিয়ে কাজ করা হয়৷ শুধু আমের পাল্প নয়৷ ফলে দইয়ের মধ্যে আমের আঁশ থেকে যায়৷ খাওয়ার সময় দইয়ে আঁশ পাবেন৷ একেবারে অন্য রকম লাগে৷ আম দইয়ের পাশে এখানে ভ্যানিলা বা স্ট্রবেরি দই খেয়ে দেখতে পারেন৷ অন্য রকম৷
৬) ভিআইপি সুইটস (চিংড়িহাটা)
একেবারে চাঁছির মতো দই৷ খাওয়ার সময় মনে হবে, দই খাচ্ছি না৷ অন্য কিছু খাচ্ছি৷ চাঁছি যেমন চামচে লেগে থাকে, এখানে মিষ্টি দইও তাই৷ তবে সব ভিআইপি সুইটসে এ জিনিস পাবেন না৷ ভিআইপি সুইটস এখন শরিকের মতো ভাগ হয়ে গিয়েছে গাঙ্গুরামের মতো৷ এক এক জায়গায় যেমন গাঙ্গুরামের ইন্দ্রাণীর এক এক রকম টেস্ট, ভিআইপির দইয়েরও তাই৷
৭) বলরাম-রাধারমন
বলরাম মল্লিকের কিছু মিষ্টির এত নাম, কিন্তু তাদের দইয়ের তেমন বিশেষত্ব নেই৷ সাধারণ৷ আম দই প্রথম হয়তো তারা গণহারে জনপ্রিয় করাতে শুরু করে৷ তাদের আম দইয়ের নীচে আমের পাল্প পড়ে থাকে৷ অন্য রকম খেতে৷ কিন্তু পারলে তাদের পয়োধি অবশ্যই খাবেন৷ দই এবং ক্ষীর মিশিয়ে এই অসামান্য পয়োধি৷ মনে হবে যেন পুরো ক্ষীর খাচ্ছি৷ মালদহে চাঁচলের কাছে কলিগ্রাম ক্ষীরের জন্য বিখ্যাত৷ চাঁছির মতো ক্ষীর৷ গোলা পাকিয়ে খাওয়া যায়৷ বলরামের পয়োধি অনেকটা ওই রকম৷ অবশ্যই খাবেন৷ এখন ওখানে ব্লু বেরির দই হচ্ছে৷ একটু অন্য রকম৷
৮) সেন মহাশয়
এখানকার দইয়েও ক্ষীর ক্ষীর একটা ব্যাপার রয়েছে অমৃতের মতো৷ ফড়েপুকুরে প্রধান দোকান৷ কিন্ত্ত শাখা অনেক৷ তবে একদিন গড়িয়াহাটের সেন মহাশয়ের এক বয়স্ক বিক্রেতাকে স্বীকার করতে শুনেছিলাম, অমৃতের মতো দই আমরা বানাতে পারব না৷
৯) মিঠাই
বেকবাগান বা তাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি গড়িয়াহাটে মিষ্টি দই খুঁজলে প্লাস্টিকের কৌটোয় পাঁচশো-এক কেজির দই পাবেন৷ জেসি দাস বা ভীম নাগের মতো সাদা মিষ্টি দই৷ ভালো খেতে৷ একটু অন্য রকম৷
১০) সুরেশ সুইটস (ঢাকুরিয়া)
একেবারে টিপিক্যাল মিষ্টি দই৷ শীতকালে এদের পাতক্ষীর বা ছানার পায়েসের যা স্বাদ, তার তুলনায় দইয়ের অত নাম নেই৷ তবে ভালো খেতে৷ চেটেপুটে খেতে হবে৷ সুরেশের মিষ্টি বলরামের মতোই নানা রকম৷ ছোট দোকান৷ কিন্ত্ত কমলাভোগ থেকে রসমালাই-পরীক্ষানিরীক্ষা চমত্‍কার৷
১১) নারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার (গড়িয়া)
গড়িয়া-বৈষ্ণবঘাটা থেকে বাঘাযতীন-গাঙ্গুলিবাগান, অনেক বাড়িতে বিয়ে বাড়ি হলে সেখানে নারায়ণের দই আনাটা বাধ্যতামূলক৷ ওই অঞ্চলের অন্যতম সেরা৷
১২) গাঙ্গুরাম
তিন চারটে ভাগ হয়ে গিয়েছে দোকান৷ গাঙ্গুরামস, গাঙ্গুরাম অ্যান্ড সন্স, গাঙ্গুরাম অ্যান্ড গ্র্যান্ড সন্স৷ এক এক জায়গায় এক এক রকম স্বাদ৷ এমনকী তাদের অসামান্য ট্রেডমার্ক ইন্দ্রাণী মিষ্টিও এক এক জায়গায় এক এক রকম৷ গাঙ্গুরামের দইও এক জায়গায় এক এক এক রকম৷ অনেক জায়গায় খুব সাধারণ৷ ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ চাঁদনি চক স্টেশনের গায়ে গাঙ্গুরামের দোকানের লাল দই৷ চমত্‍কার স্বাদ৷
১৩) বাঞ্ছারাম
ভাঁড় দেখলে খেতে ইচ্ছে করবে৷ বিশেষত্ব হল, জমাট দইয়ের নীচে তরল ব্যাপার রয়েছে৷ চাপ চাপ দই ভালো লাগবে যাদের, তাদের এটা ভালো নাও লাগতে পারে৷ দুশো কুড়ি টাকা কেজি৷
১৪) সন্তোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার
কলেজ স্ট্রিটে বহু পুরোনো দোকান৷ উত্তর কলকাতায় অনেক বাড়িতে বিয়েবাড়িতে সন্তোষের দই থাকা আভিজাত্যের প্রতীক৷ ক’দিন আগে গিয়ে দেখলাম, গোলাপি দইয়ে বিশেষত্ব কম৷ প্লাস্টিকের কাপে কেটে কেটে ১০০ গ্রাম করে দেওয়া হয়৷ দইয়ের সেই চাপ চাপ ব্যাপারটা থাকছে না৷ এই অঞ্চলে সবই দুশো টাকার কেজি দই হলেও এখানে এখনও ১৮০ টাকা কেজি৷ লাল দইয়ের পাশে ওই ভাবে কেটে বিক্রি হয় সাদা দই৷
১৫) পুঁটিরাম
সাদা দই৷ তবে একশো গ্রাম নিলে স্টিলের প্লেটে, স্টিলের চামচ দিয়ে দেওয়া হয়৷ জল কেটে বেরিয়ে যায়৷ যাদব বা ভীম নাগের সাদা দইয়ের কাছে পানশে৷
১৬) নবকৃষ্ণ গুঁই (বউবাজার)
লাল দই, তবে একটু বেশি টক টক ব্যাপার রয়েছে৷ তবে এখানেও বড় ভাঁড় থেকে কেটে কেটে দেওয়ায় চাপ ব্যাপারটা কম৷
১৭) মৌচাক
অনেক শরিকের ভাগ হয়ে গিয়েছে৷ ফলে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন জায়গায় টেস্ট৷ গোলপার্কের পুরোনো মৌচাক পাল্টে গিয়েছে৷ এদের দই খেতে গিয়ে হতাশ হতে হয়৷ তবে বেকবাগানে বিশ্বভারতীর গায়ে এদের মূল ও আদি দোকানে এখনও দই ভালো৷ তবে কলকাতার ভালো মিষ্টি দইয়ের মতো৷ বাড়তি বিশেষত্ব নেই৷
১৮) হিন্দুস্থান সুইটস
তুলসী থেকে গাজর-নানা রকম দই বানানোয় কলকাতায় সবচেয়ে আগে উদ্যোগ নেয় যাদবপুরের এই পরিচিত দোকান৷ সাধারণ মিষ্টি দই ভালো৷ কিন্ত্ত অন্য ভালো দোকানের মতোই৷ বাড়তি বিশেষত্ব কম৷
১৯) দ্বারিক ঘোষ
শরিকি ভাগের জের পড়েছে দোকানে৷ কিন্ত্ত দইয়ের স্বাদ অমলিন৷ সাদাটে মিষ্টি দইয়ে ক্ষীরের স্বাদ আছে অনেকটা৷ এদের সাদা টক দইও চমত্‍কার৷ শ্যামবাজার, এন্টালি, লালবাজারের মধ্যে কাদের দই ভালো বলা কঠিন৷
২০) কামধেনু
দক্ষিণ কলকাতায় বাঘাযতীন, সন্তোষপুর, গড়িয়ায় নবতম মিষ্টির ব্র্যান্ডের দিক দিয়ে পরিচিত৷ দই উপর থেকে একটু সাদাটে৷ ভিতরটা পুরোটা সাদা নয়৷ হালকা গোলাপি৷ ভালো, কিন্ত্ত বাড়তি কিছু নেই৷
২১) চিত্তরঞ্জন মিষ্টান্ন ভান্ডার
শ্যামপুকুরের চিত্তরঞ্জনের রসগোল্লা নিয়ে চার দিকে এত সুনাম, তুলনায় তাদের মিষ্টি দই নিয়ে এত চর্চা শোনা যায় না৷ তাদের মধুপর্কও অসামান্য৷ এর পাশে দই খেয়ে দেখতে পারেন৷ মনে হয়, রসগোল্লার মতো দইয়ের উপর নজর দিলে এদেরই সুনাম৷
২২) দুর্গা মিষ্টান্ন ভান্ডার
বেহালার লোকেদের কাছে এর কোনও বিকল্প নেই৷ মিষ্টি দই একটু বেশি মিষ্টিই৷ তবে চেঁছেপুঁছে খেতে হবে৷
২৩) যশোদা মিষ্টান্ন (তালতলা) ও শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার (সিঁথি)
তালতলা অঞ্চলে যশোদার নাম সবাই এক ডাকে চেনে৷ এদের দোকানের দইও ভালো৷ এক একটা দোকানে দই এত গোলাপি হয় যে দেখলে মনে হয়, না জানি কী খাব৷ সিঁথির মোড়ে এই দোকানে ঢুকলে দইয়ের বড় বড় হাঁড়ি দেখা যায়৷ সে গুলো গোলাপিই বেশি৷ তবে খেতে বেশ ভালো৷
২৪) মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ
ল্যান্সডাউনে সাদার্ন এভিনিউ ক্লাবের কাছে অতি ভাঙাচোরা দোকানে সেরা খাবার ভেজিটেবল চপ এবং রসমু্ন্ডির পায়েস৷ এখানে ঢুকলেই উত্তরের বিখ্যাত তেলেভাজা চপের দোকান ‘নিরঞ্জন আগার’কে মনে পড়বে৷ এখানেও মিষ্টি দই একটু অন্য রকম৷ সাদাটে বেশি৷
২৫) মাদার ডেয়ারি
দিল্লির পটপরগঞ্জের প্রধান দফতর যে লাল দই আসে, তা দারুণ খেতে৷ এমনি কৌটো না দেখে খেলে ভাববেন, কলকাতার কোনও বড় দোকানের দই৷ কিন্ত্ত বাংলার মাদার দেয়ারির দই একেবারেই ভালো নয় এর তুলনায়৷ দিল্লির মিষ্টি দই ১০০তে ৮০ পেলে কলকাতার মাদার ডেয়ারিকে ২০র বেশি দেওয়া যাবে না৷ এখানে এক চামচ দই নিলেই জল বেরিয়ে যায়৷ চাপ চাপ ব্যাপারটা নেই৷ মসৃণতা নেই৷ স্বাদের বিচারে দিল্লির তুলনায় এটা অনেক পানসে৷ দিল্লির মাদার ডেয়ারির দই কলকাতার যে কোনও ভালো দোকানের দইয়ের সঙ্গে পাল্লা দেবে৷ ওই মাদার ডেয়ারির সাফল্যে এ ধরনের মিষ্টি দই বের করছে অনেক কোম্পানি৷ তবু মাদার ডেয়ারির কাছে পারছে না কিছুতেই৷
এত দইয়ের দোকান ঘুরে, সব খেয়ে টেস্ট করে লিখতে বসা যে কী মারাত্মক বিপদ, সবাই জানেন৷ সুগার যে কত বাড়ল, কে জানে! কিন্ত্ত একটা কথা পরিষ্কার করে লিখে রাখা ভালো- দই এবং মিষ্টিতে সেরা বলে কিছু হয় না৷ আমার কাছে যে সেরা, আপনার কাছে তা খুব খারাপ হয়ে যেতে পারে৷ অনেক ভালো মিষ্টি দইয়ের দোকান ছড়িয়ে রয়েছে শহরের কোণে কোণে৷ রাসবিহারীর মোড়ে মেট্রো স্টেশনের গায়ে বছর কয়েক আগে একটা দোকান ছিল ছোট্ট-লক্ষ্মীনারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার৷ দোকান বিক্রি হয়ে গিয়েছে কবে৷ তবে স্বাদ লেগে রয়েছে এখনও৷ এ ভাবেই আপনার নিজের পাড়ায় ছোট্ট মিষ্টি দোকানে যে দই পাবেন, তা অনেক ভালো ভালো দোকানে পাওয়া যাবে না৷ সেই সব মিষ্টি দোকানের কৃতিত্ব অনেক বেশি৷ আপনারা নিজেই এমন ছোট ছোট ভালো দইয়ের দোকানের খোঁজ দিতে পারেন, যা আমার পক্ষে খুঁজে বের করা সম্ভব ছিল না৷ সেখানেই হয়তো পাওয়া যাবে সেরার সেরা মিষ্টি দইয়ের সন্ধান৷
দিন না, এমন কিছু অসাধারণ মিষ্টি দইয়ের দোকানের খোঁজ! আর একবার না হয় সুগারের ভয় উড়িয়ে বেরোন যাবে কলকাতার সেরা অমৃতের সন্ধানে! আরও এক বার এই এক বিষয় নিয়ে লিখতে বসব৷

Now here’s one thing to massage our huge egos. Associate in Nursing example of however tiny we have a tendency to square measure within the larger theme of things.

Now here’s one thing to massage our huge egos. Associate in Nursing example of however tiny we have a tendency to square measure within the larger theme of things.

If you compress the time from the massive Bang to this in a very single year then:

January first -The detonation occurred.

January tenth -The 1st star was born.

January thirteenth – 1st tiny galaxy.

March fifteenth – The galaxy shapedhowever not the Sun.

August thirty first – The Sun was born (that’s about four.5 billion years ago).

The Earth was born from a disk of gas and dirt orbiting the newborn Sun. recurrent collisions created a glowing ball. the planet was quite unstable within the starting. But,

Sept twenty first – Life began (3.5 billion years ago)

November ninth – Life was respiration, moving, eating. we have a tendency to owe tons to those early microbes. They fictional amphimixis.

December seventeenth – Life came from water to land.

December twenty eighth – the primary flower blossomed.

6:24 am, Dec thirtieth – Associate in Nursing asteroid hit earth and tired dinosaurs that might endanger the survival of Homo sapiens on earth (60 million years ago)

For the primary time within the history of the universe, the conditions were simply adequate for humans.

11:59:46 pm Dec thirty first – All recorded history occupies these last fourteen seconds.

We learned a way to cultivate crops, tame animals, astronomy, arithmetic, and painting. concerning thirteenseconds agonewe have a tendency to fictional writing.

Moses was born seven seconds agone.

Buddha – half dozen seconds agone.

Jesus – five seconds agone.

Muhammad – three seconds agone.

A second agonewe have a tendency to discovered that the planet isn’t the centre of the universe.

And simply once that second was on the point of endwe have a tendency to reached the moon.

Every person you have got ever detected of, met, loved, hated, kissed, and reproduced with, lives in those fourteen seconds.

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

*"বাবা, আমার এই শেষ কালটায় আর আমাকে মুসলমানের ছোঁয়া-টোয়া খাইও না।"

*- :      শ্রী শ্রী মায়ের জীবনকথা      : -*

*”ওঁ যথাগ্নের্দাহিকা শক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা হি যা।*
*সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমাম্যহম।।”*
   জাতিবিচার সম্বন্ধে অনেক কথা আমরা পূর্বে উল্লেখ করিয়াছি। ঠাকুরের বাণী “ভক্তের জাত নাই” – তিনি আক্ষরিক অর্থেই গ্রহণ করিয়াছিলেন বলিয়া মনে হয়। তবে ধর্মজগতে এই সাম্য মানিয়া লইলেও তিনি সমাজবিপ্লবের পক্ষপাতী ছিলেন না, লৌকিক ব্যবহারে সমাজব্যবস্থাই মানিয়া চলিতেন।
   জনৈক দীক্ষার্থীর কুলগুরু আছেন জানিয়া তিনি মন্ত্রদানে অসম্মত হইয়া বলিয়াছিলেন, *”কুলধর্মানুযায়ী চলা উচিত; জাতিবিচার সংসারে থাকলে মেনে চলতে হয়।”*

   শ্রীমায়ের শেষ অসুখের সময় যখন তাঁহাকে পাঁউরুটি দিবার ব্যবস্থা হয়, তখন তিনি বলেন,

Sri Sarada Devi

Sri Sarada Devi

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }
*”বাবা, আমার এই শেষ কালটায় আর আমাকে মুসলমানের ছোঁয়া-টোয়া খাইও না।”* 
কাজেই তাঁহাকে ব্রাহ্মণের প্রস্তুত রুটি দেওয়া হইত। পরে কলের তৈয়ারি বলিয়া বুঝাইয়া মিল্ক রোল পাঁউরুটি দেওয়া হইয়াছিল।
   এই সময় তাঁহার খুব অরুচি – অল্প ভাত খান। একদিন খাইবার সময় ডাক্তার কাঞ্জিলাল আসিয়া দেখিলেন, ভাতের পরিমান একটু বেশি হইয়াছে। অমনি সেবিকাকে ভর্ৎসনা করিয়া বলিলেন যে, তাঁহার দ্বারা ঠিক সেবা হইবে না। সুতরাং পরদিন হইতে দুইজন নার্সের ব্যবস্থা করা হইবে।
   ডাক্তার চলিয়া গেলে মা সেবিকাকে বলিলেন, *”হ্যাঁ, আমি সেই জুতোপরা মেয়েগুলোর সেবা নেব ও মনে করেছে? তা আমি পারব না। তুমি কাজকর্ম যেমন করছ করবে।”* বস্তুত নার্স আর আসিল না।
   একদিকে এইরূপ জাতিবিচার এবং অপর দিকে আমজদ প্রভৃতির প্রতি সর্বপ্রকার আত্মীয়তা-প্রদর্শনের মধ্যে অসামঞ্জস্যের সমাধান করিতে হইলে আমাদিগকে ঐ বিষয়ক আরও কয়েকটি দৃষ্টান্তের অনুসরণ করিতে হইবে।
   শিক্ষিত, উচ্চপদস্থ এবং অন্য সর্বপ্রকারে প্রণম্য অব্রাহ্মণের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে শ্রীমা দ্বিধা বোধ করিতেন না।
   কবিরাজ শ্যামাদাস বাচস্পতি মহাশয় উদ্বোধনে রাধুকে দেখিতে আসিলে (১১ আশ্বিন, ১৩২৫) মায়ের আদেশে রাধু তাঁহাকে প্রণাম করিল।
   কবিরাজ মহাশয় চলিয়া গেলে কেহ কেহ বলিলেন, “উনি কি ব্রাহ্মণ?” মা বলিলেন, *”না, বৈদ্য।”* প্রশ্ন হইল, “তবে যে প্রণাম করতে বললেন?” মা উত্তর দিলেন, *”তা করবে না? কত বড় বিজ্ঞ; ওঁরা ব্রাহ্মণতুল্য। ওঁকে প্রণাম করবে না তো কাকে করবে?”*
   একজন কায়স্থ ভক্ত অপর চারিজন ভক্তসহ জয়রামবাটীতে গিয়াছিলেন; তখন মায়ের নূতন বাটী প্রস্তুত হইতেছে। শ্রীমা কায়স্থ ভক্তকে দেখাইয়া রাধুকে বলিলেন, *”রাধু, তোর দাদা এসেছে, প্রণাম কর।”*
   ভক্ত তখন ভাবিতেছেন, “সে কি? আমি যে কায়স্থ!” সঙ্গে সঙ্গে মনে সিদ্ধান্ত উদিত হইল, “মা তো আর আমার অমঙ্গল করবেন না।” পরে উভয়ে উভয়কে প্রণাম করিলেন।
   এক ভক্তিমতী মহিলা উদ্বোধনে আসিয়া শ্রীমাকে জানাইলেন যে, তিনি স্বপ্নে দীক্ষা পাইয়াছেন। শ্রীমা সব শুনিয়া ঐ মন্ত্রেরই অনুমোদন করিলেন।
   পরে তাঁহার পরিচয় লইয়া যখন জানিলেন যে, তিনি মায়েরই দীক্ষিত  ভক্তের পত্নী, তখন কহিলেন, *”এতক্ষণ বলনি কেন? ও রাধু, ও মাকু, ম্যানেজারবাবুর স্ত্রীকে এসে প্রমান কর।”*
   স্তম্ভিতা হইয়া মহিলা তখন বলিলেন, “মা, এ বলেন কি? আমি যে কায়স্থ-সন্তান, এরা ব্রাহ্মণ-সন্তান হয়ে কি করে আমাকে প্রণাম করবে?” মা কহিলেন, *”ওসব বলতে নেই। তুমি ভক্তমানুষ, ভক্তের জাত নেই; তোমাকে প্রণাম করলে ওদের কল্যাণ হবে।”*
   রাধু ও মাকু আসিলে ভক্ত স্ত্রীলোকটি তাহাদের পা জড়াইয়া ধরিতেই মা বলিলেন, *”থাক, থাক, দেবে না। ওরা ভক্ত কিনা, তাই সর্বভূতে ঠাকুরকে দেখছে।”*
   ঐ উচ্চ ভিত্তিতেই তিনি মানবীয় সম্বন্ধকে স্থাপন করিতে চাহিতেন; কিন্তু মানুষ তাহা না বুঝিয়া প্রতি কথাকে সামাজিক অর্থেই গ্রহণ করিত।
*”জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণং জগদ্‌গুরুম্।*
*পাদপদ্মে তয়ো শ্রিত্বা প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ।।”*

*সারগাছির স্মৃতি* *–স্বামী সুহিতানন্দ*

*সারগাছির স্মৃতি**–স্বামী সুহিতানন্দ*

[৬৭]
৫.১২.৫৯ 
তিন -চার দিন আগে বেলুড়ের বি.টি . কলেজ থেকে আর্টের একজন অধ্যাপক আসেন চৈতন্যদেবের দুটি ছবি নিয়ে –ছাপানো হবে স্বামী সারদেশানন্দ লিখত পুস্তকে। মহারাজ দেখে খুব প্রশংসা করে বললেন ,  *”আমাদের দেশে ছবির কদর নেই। আমার এক বন্ধু ফ্রান্সে একটি ছবি আঁকবার জন্য ১৬,০০০ টাকা পেয়েছিল। আর আমাদের দেশে কেউ কদর জানে না!  তবে চৈতন্যদেব যেরকম গোছানো ছিলেন তাতে তাঁর চাদর এভাবে ঝুলে পরবে বলে মনে হয় না। আর পা -গুলো ছিল বড় বড়।”*
১৮•১২•৫৯
সেবক : আমরা ঘর-বাড়ি ছেড়েছি এজন্য যে,  এই জীবনেই আধ্যাত্মরস আস্বাদন করব।  যদি জীবমুক্ত না হওয়া যায়,  তবে কি জীবন ত্যাগ করা উচিত?
মহারাজ : *দেখ ,  জীবমুক্ত এখন নয়। দশ বছর পরে ওসব। এখন সব পড়ো। মহারাজদের জীবন সম্বন্ধে জানো ,  সঙ্ঘজীবন দেখো –পরে যা হয় হবে। উত্তরাখণ্ডে এক চল আছে –কোনো কোনো সাধক এ-জীবনে চরম প্রাপ্তি অসম্ভব দেখে স্বেচ্ছায়  দেহত্যাগ করে –ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে যেন পরজন্মে ভগবানকে ডাকার অনুকূল শরীর -মন পায়। এ-ও একরকম আত্মহত্যা।*
প্রশ্ন : যাঁদের  এটা শেষজন্ম ,   তাঁরা এ-জন্মে  যা করবেন,  তারও কি এ-জন্মে ভোগান্ত হবে।
মহারাজ :    *নিশ্চয়ই  ; এ-জন্মে যা করবে তার ঠিক ফল পেতে হবে –তবেই ছুটি!  সেই জন্যই তো বলি –প্রকৃতির নিয়ম লঙ্ঘন কোরো না। বাড়িতে আমার মা বলতেন, ‘দুঃখী হয় চন্ডালের শাপে / খণ্ডাতে নারে বিধাতার বাপে ।’  কাউকে কষ্ট দেবে না।*
*যারা বলে আমাদের হবে না -আমরা পাপী ,  তারা পলায়ন-মনোবৃত্তিসম্পন্ন কিছু করতে চায় না  ,  ফাঁকি দিতে চায়। আর যে যা করে সে তা-ই চায়,  অর্থাৎ তারা প্রয়োজনবোধ নেই।*
প্রশ্ন : মহারাজ  , যদি আমরা কিছু সাধন-ভজন না করে পড়ে থাকি ,  আমাদের কবে মুক্তি হবে ?
মহারাজ : *সকৃদাগামী । ১৯৩৪ সালে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ কলেজে পড়ত ( স্বামী শ্রদ্ধানন্দ সানফ্রান্সিস্কোতে দেহত্যাগ করেন)। আমার কাছে বসে গল্প করত।  একদিন কথায় কথায় বললাম,  ‘বাঁদররা রামচন্দ্রের ব্রতকার্যে পাথর বয়ে মুক্ত হয়েছিল।’ এই কথাটা তাকে এত মুগ্ধ করেছিল যে ,  ফিরে গিয়ে একটা নাটক লিখে মঞ্চস্থ করেছিল।  তেমনি , যদি ঠাকুরের ব্রতকার্যে সাহায্য করে সেও মুক্ত হবে।*
সেবক : ঠাকুরের ব্রতকার্য কী ?
মহারাজ  : *ভালবাসা,  সকলের কল্যাণচিন্তা করা –কীভাবে তাদের সেবা করা যায়। ‘শিবজ্ঞানে জীবসেবা’। আর  , চার যোগ যে এক , সেটাও জানা। শুধু কর্ম করতে গিয়ে বহির্মুখ,  ধ্যান করতে করতে আধপাগলা  , জ্ঞানে পন্ডিত আর ভক্তিতে আবেগপ্রবণ –এই চারটের সমন্বয় প্রয়োজন। জ্ঞান না থাকলে এবং যোগ না থাকলে  ,  মানুষের শরীরের প্রতি আসক্তি এসে যায়। নারায়ণ বুদ্ধি দূরে পড়ে থাকে।*
মহারাজ দুপুরে বসে বসে ছবির বই দেখছেন। যেখানে ঠাকুর মাকে গহনা খুলতে নিষেধ করছেন ,  সেখানে ঠাকুরকে ছায়ার মতো এঁকেছে।
মহারাজ : *দেখ ,  এ-চেহারা তো খালি চোখে দেখা যায় না। এ ভাবতনু । প্রেমের চোখে দেখা যায় । এর ছায়া পড়ে না ,  যেখানে এঁকেছে  সে একথা জানে না।*

श्री गंगा चालीसा ॥दोहा॥॥चौपाई॥

श्री गंगा चालीसा॥दोहा॥

जय जय जय जग पावनी, जयति देवसरि गंग।
जय शिव जटा निवासिनी, अनुपम तुंग तरंग॥

समस्त जगत में पवित्र मानी जाने वाली, देवताओं के लिए भी पूजनीय हे गंगा मैया आपकी जय हो, जय हो। आपकी बहती और उछलती हुई तेज धाराएं अद्वीतीय नजारा बनाती हैं, भगवान शिव की जटाओं में निवास करने वाली हे गंगा मैया आपकी जय हो।

॥चौपाई॥

जय जय जननी हरण अघखानी। 
आनंद करनी गंगा महारानी।।
जय भगीरथी सुरसरि माता। 
कलिमल मूल दलिनी विख्याता।।
जय जय जहानु सुता अघ हननी। 
भीष्म की माता जग जननी।।
धवल कमल दल मम तनु साजे। 
लखी शत शरद चंद्र छवि लाजै।।
वाहन मकर विमल शुची सोहें। 
अमिया कलश कर लखी मन मोहें।।
जडित रत्न कंचन आभूषण। 
हिय मणि हार, हरानितम दूषण।।

जग पावनी त्रय ताप नसावनी। तरल तरंग तुंग मन भावनी ।

अपने भक्तों को पापों से मुक्ति दिलाकार, सुख प्रदान करने वाली, नदियों में महारानी हे गंगा मैया आपकी जय हो, महारानी माता आपकी जय हो। हे भागीरथी देवलोक में प्रवाहित होने वाली जगत का पालन करने वाली आपकी जय हो, आप ही इस कलयुग में समस्त पापों को धोने के लिए विख्यात हैं प्रसिद्ध हैं। हे जहानु पुत्री पापों का हरण करने वाली, भीष्म पितामह को जन्म देने वाली जग जननी माता आपकी जय हो, जय हो। हे गंगा मैया आप श्वेत कमल की पंखुड़ियों के समान सुंदर हैं, आपकी सुंदरता को देखकर तो शरद ऋतु के सैंकड़ों चंद्रमा भी शरमां जांए। आपका वाहन पवित्र मगरमच्छ भी आपकी शोभा को बढा रहा है, तो वहीं आपके हाथों में अमृत-कलश भी आकर्षित करता है। आपके सोने के आभूषणों में कीमती रत्न जुड़े हुए हैं व आपके वक्षस्थल पर मणियों का हार भी दाग व दोष रहित है। हे समस्त जगत में पवित्र व प्राणि मात्र के तीनों तापों (आधिभौतिक- सांसारिक वस्तुओं/जीवों से प्राप्त कष्ट, आधिदैविक- दैविक शक्तियों द्वारा दिया गया कष्ट या पूर्व जन्म में किए गये कर्मों से प्राप्त कष्ट, एवं आध्यात्मिक- अज्ञानजनित कष्ट) का नास करने वाली। आपकी उछलती हुई तेज प्रवाह से बहती लहरें भी मनभावनी हैं।


जो गणपति अति पूज्य प्रधान। 

तिहूँ ते प्रथम गंगा अस्नाना।।
ब्रम्हा कमंडल वासिनी देवी। 
श्री प्रभु पद पंकज सुख सेवि।।
साठी सहस्त्र सागर सुत तारयो। 
गंगा सागर तीरथ धारयो।।
अगम तरंग उठ्यो मन भावन। 
लखी तीरथ हरिद्वार सुहावन।।
तीरथ राज प्रयाग अक्षयवट। 
धरयो मातु पुनि काशी करवट।।
धनी धनी सुरसरि स्वर्ग की सीढ़ी। 
तारनी अमित पितर पद पीढ़ी।।
जिस प्रकाश देवताओं में सबसे पहले भगवान श्री गणेश की पूजा होती है, उसी प्रकार हे गंगा मैया सारे तीर्थ स्थलों में सबसे पहले आपके स्नान की मान्यता है। हे देवी आप भगवान श्री ब्रह्मा के कमंडल में वास करने वाली हैं। ब्रह्मा जी ने भगवान विष्णु के पैर धोकर जो पानी एकत्र किया आप उसी का रुप हो। आपने ही राजा सगर के साठ हजार पुत्रों को मोक्ष प्रदान किया और गंगा सागर तीर्थ को अस्तित्व में लायीं आपकी आगे की और उठती हुई तरंगे मन को मोह लेती हैं। आपको देखकर ही हरिद्वार तीर्थ सुहावना लगता है। आपने ही प्रयाग को अक्षयवट (प्रयाग स्थित प्राचीन बरगद का पेड़ जिसके बारे में मान्यता है कि यह कभी नष्ट नहीं होगा) के समान अमर व तीर्थों का राजा होने के गौरव प्रदान किया, फिर आपने काशी की और रुख किया। कहने का अभिप्राय है गंगा जी के किनारे पर अनेक तीर्थ स्थलों का विकास हुआ। देवता भी आपको स्वर्ग की सीढ़ी मानते हैं, हे गंगा मैया आप धन्य हैं। आप पीढ़ियों से असंतुष्ट पितरों की आत्मा को शांत कर उन्हें मुक्ति दिलाती हैं।

भागीरथ तप कियो उपारा। 

दियो ब्रह्मा तव सुरसरि धारा।।
जब जग जननी चल्यो हहराई।
 शम्भु जटा महं रह्यो समाई।।
वर्ष पर्यंत गंगा महारानी।
 रहीं शम्भू के जटा भुलानी।।
मुनि भागीरथ शम्भुहीं ध्यायो। 
तब इक बूंद जटा से पायो।।
भागीरथ ने ब्रह्मा जी की कठोर तपस्या की तब जाकर उन्होंनें आपकी धारा को उनके साथ भेजा। हे जग जननी जब आप अपने वेग से चली तो आपके वेग को सहना पृथ्वी के बस का नहीं था, इसलिए भगवान शिव ने अपनी जटाओं में आपको समा लिया। चूंकि आपमें उस समय अहंकार भी आ गया था क्योंकि आप स्वर्ग को छोड़ना नहीं चाहती थी, इसलिए हे नदियों की महारानी गंगा आपको एक साल तक भगवान शिव की जटाओं में उलझे रहना पड़ा। भागीरथी ने फिर से भगवान शिव की स्तुति की जिसके बाद भोलेनाथ ने प्रसन्न होकर आपके वेग को कम करते हुए आपको अपनी जटाओं से मुक्त किया।

ताते मातु भई त्रय धारा। 

मृत्यु लोक नभ अरु पातारा।।
गईं पाताल प्रभावती नामा। 
मन्दाकिनी गई गगन ललामा।।
मृत्यु लोक जाह्नवी सुहावनी। 
कलिमल हरनी अगम जग पावनि।।
धनि मइया तब महिमा भारी। 
धर्मं धुरी कलि कलुष कुठारी।।
मातु प्रभवति धनि मन्दाकिनी। 
धनि सुर सरित सकल भयनासिनी।।
भगवान शिव की जटाओं से मुक्त होने के बाद गंगा माता वहां से तीन धारा में बह चली जो मृत्यु लोक, आकाश व पाताल लोक की ओर प्रवाहित हुई। पाताल लोक में आपका नाम प्रभावती तो आकाश में मंदाकिनी व मृत्यु लोक यानि पृथ्वी पर जाह्नवी के रुप में जानी गई, यहां आप कलयुग में विश्व को पापों से मुक्त कर पवित्र करती हो। हे मैया आपकी महिमा अपरमपार हैं, आप धन्य हैं जो इस कलियुग में धर्म की धुरी बनकर पापों का विनाश करती हो। हे पाताल में प्रवाहित होने वाली प्रभावती व आकाश में बहने वाली मंदाकिनी माता आप धन्य हैं। सारे डरों को नष्ट करने वाली देव नदी गंगा आप धन्य हैं।
पान करत निर्मल गंगा जल। 
पावत मन इच्छित अनंत फल।।
पुरव जन्म पुण्य जब जागत। 
तबहीं ध्यान गंगा महँ लागत।।
जई पगु सुरसरी हेतु उठावही। 
तई जगि अश्वमेघ फल पावहि।।
महा पतित जिन कहू न तारे। 
तिन तारे इक नाम तिहारे।।
शत योजन हूँ से जो ध्यावहिं। 
निशचाई विष्णु लोक पद पावहीं।।


आपके पवित्र जल का पान करते ही प्राणी मात्र की हर इच्छा पूरी होती है। यदि मनुष्य ने पूर्वजन्म में कोई पुण्य किया हो तो ही उसका ध्यान आपकी भक्ति में लगता है। हे माता आपकी और रखा गया एक एक कदम अश्वमेघ यज्ञ के समान फलदायक होता है। जिन महापापियों को कहीं से भी मुक्ति नहीं मिली ऐसे महापापी भी आपके नाम के सहारे अमरता को पा गए। सैंकड़ों योजन दूरी से भी जो आपका ध्यान लगाता है उसकी भगवान विष्णु के लोक में जगह निश्चित है अर्थात उसे स्वर्ग की प्राप्ति होती है, उसे मोक्ष मिलता है।
नाम भजत अगणित अघ नाशै। 
विमल ज्ञान बल बुद्धि प्रकाशे।।
जिमी धन मूल धर्मं अरु दाना। 
धर्मं मूल गँगाजल पाना।।
तब गुन गुणन करत दुःख भाजत।
 गृह गृह सम्पति सुमति विराजत।।
गंगहि नेम सहित नित ध्यावत। 
दुर्जनहूँ सज्जन पद पावत।।
बुद्धिहीन विद्या बल पावै। 
रोगी रोग मुक्तझ हो जावै।।
गंगा गंगा जो नर कहहीं। 
भूखा नंगा कबँहु न रहहि।।
निकसत ही मुख गंगा माई।
 श्रवण दाबी यम चलहिं पराई।।
हे गंगा मैया आपमें इतनी शक्ति है कि आपके नाम का भजन करने से, अनगिनत पापों का नाश हो जाता है। अज्ञानता का अंधेरा दूर होकर पवित्र ज्ञान व बल बुद्धि से मन प्रकाशित हो जाता है। जिसके लिए धर्म और दान ही धन संपत्ति हैं अर्थात जो धर्म व दान में आस्था रखते हैं, उनके लिए गंगाजल का पान भी धर्म के समान है। आपके पवित्र जल को ग्रहण करके जब आपका गुणगान किया जाता है तो सारे दुख दूर भागने लगते हैं, और घर-घर में संपत्ति व अच्छी बुद्धि विराजमान होती हैं। गंगा को नियम सहित जो ध्याता है अर्थात ध्यान लगाता है तो बूरे से बूरे आदमी को भी अच्छा पद मिलता है। बुद्धिहीन विद्या बल को पा लेते हैं, रोगी रोग से मुक्त हो जाते हैं, गंगा के नाम को जो लोग जपते रहते हैं वे कभी भी भूखे या वस्त्रहीन नहीं रहते। यदि अंतिम समय में भी यदि किसी के मुख से गंगा माई निकलता है तो यमराज भी अपने कान दबोच कर वहां से परे चला जाते है।


महं अघिन अधमन कहं तारे। 

भए नरका के बंद किवारें॥
जो नर जपी गंग शत नामा। 
सकल सिद्धि पूरण ह्वै कामा॥
सब सुख भोग परम पद पावहीं। 
आवागमन रहित ह्वै जावहीं॥
धनि मइया सुरसरि सुख दैनि। 
धनि धनि तीरथ राज त्रिवेणी॥
जिन अधम पापियों के लिए नरक तक के दरवाजे बंद थे ऐसे-ऐसे पापी भी आपके सहारे भवसागर से पार हो गए अर्थात मोक्ष पा गए। जिसने भी गंगा के सौ नामों को जपा, उसके सारे काम सारी सिद्धियां पूरी हुई हैं। उन्होंनें सारे सुख भोग कर परम पद को पाया व जीवन मृत्यु के चक्कर से उसका पिछा छूट जाता है वह आवागमन रहित हो जाता है। सुख दात्री गंगा मैया आप अन्य हैं हे तीरथ राज त्रिवेणी आप धन्य हैं।
ककरा ग्राम ऋषि दुर्वासा। 
सुन्दरदास गंगा कर दासा॥
जो यह पढ़े गंगा चालीसा। 
मिली भक्ति अविरल वागीसा॥
दुर्वासा ऋषि के ककरा ग्राम का निवासी सुंदर दास भी गंगा मैया आपका दास है। जो भी इस गंगा चालीसा का पाठ करता है उसे आपकी भक्ति प्राप्त होती है व निरंतर आपका आशीर्वचन मिलता रहता है।

॥दोहा॥

नित नए सुख सम्पति लहैं। 
धरें गंगा का ध्यान।।
अंत समाई सुर पुर बसल। 
सदर बैठी विमान।।
सम्वत भुज नभ दिशि, राम जन्‍म दिन चैत्र।।
पुरण चालीसा किया, हरि भक्तन हित नैत्र।।
जो गंगा मैया का ध्यान धरते हैं उन्हें हर रोज नई खुशियां व संपत्ती प्राप्त होती है। वह अंतिम समय में आदरपूर्वक विमान में बैठकर देवलोक में निवास करता है। यह चालीसा को भक्तों के कल्याण के लिए संवत भुज नभ दिशि (इसका अर्थ यानि वर्ष सपष्ट नहीं है, लेकिन एक जगह पर विक्रमी संवत 2010 माना गया है) में चैत्र माह की शुक्ल पक्ष की नवमी को संपन्न हुआ इस दिन भगवान श्री राम का जन्मदिन मनाया जाता है इसलिए इसे राम नवमी भी कहा जाता है। अत: संवत का वर्ष जो भी रहा हो लेकिन माह चैत्र और तिथि शुक्ल पक्ष की नवमी को इस चालीसा के लिखने का कार्य पूरा हुआ यह निश्चित है।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

অমৃত. দই খেতে খেতে ক্ষীরের কথা মনে পড়বে৷ ক্ষীর দই৷

১) অমৃত
দই খেতে খেতে ক্ষীরের কথা মনে পড়বে৷ ক্ষীর দই৷ একটাই সমস্যা, দুপুরে একটা সময় বন্ধ থাকে দীর্ঘক্ষণ৷ মিষ্টির দোকান মাঝে বন্ধ রাখা হয়েছে, এটা একমাত্র দেখেছি বালিগঞ্জ প্লেসের মুখার্জি সুইটসের৷ যেখানে অন্য রকম সরভাজা বা ভেজ-চপ বা মাংসের চপ খেতে প্রায়ই যেতে হয়৷
২) যাদব দাস
চিনি পাতা সাদা মিষ্টি দই খেতে চান? মনে হয় না, যাদবের কোনও বিকল্প রয়েছে৷ অসাধারণ খেতে৷ এমন সাদা মিষ্টি দই কলকাতায় বিরল৷ খুব বেশি মিষ্টি নয়, ধবধবে সাদা দই৷ শ্রীরামকৃষ্ণের কেন প্রিয় ছিল এখানকার মিষ্টি, তা বোঝা যায় দই দেখেই৷ উত্তরের ঝামাপুকুরের কেশব সেন স্ট্রিট, দক্ষিণের ট্র্যাঙ্গুলার পার্কে, দু’জায়গায় এই দোকান৷
৩) ভীম নাগ (বউবাজার)
মিষ্টি দই এদেরও সাদা৷ মিষ্টি একটু কম৷ তবে অন্য রকম খেতে৷ চামচ দিয়ে কেটে নিলে জল বেরোবে না৷ সমস্যা হল, লেডিকেনির আবিষ্কারকের দোকানে একশো গ্রামের ভাঁড়ে দই পাওয়া যায় না৷ কম করে আড়াইশোর ভাঁড় নিতে হবে৷ দাম অন্যদের থেকে বেশি৷ দুশো চল্লিশ টাকা কেজি৷
৪) কেসি দাস
মিষ্টি দইয়ের প্যাকেজিং সবচেয়ে ভালো৷ কাগজ দিয়ে ঢাকা৷ একশো গ্রাম প্লাস্টিকের কাপ৷ আড়াইশো গ্রাম হলে চমত্‍কার মাটির প্লেট৷ দইয়ের উপর রংটা অনেকটা হলদে৷ প্রথম দেখলে মনে হবে, আম দই বুঝি৷ আসলে উপরের সরের চাদর সরালে সাদাটে৷ একটু টক টক মিষ্টি দই পছন্দ করলে ভালো লাগবে এদের দই৷ দাম দুশো কুড়ি টাকা কেজি৷
৫) নিউ আশীর্বাদ সুইটস
বালিগঞ্জ স্টেশনের গায়ে এই দোকানে আম দইয়ের এক চমত্‍কার বিশেষত্ব রয়েছে৷ পুরো আম নিয়ে কাজ করা হয়৷ শুধু আমের পাল্প নয়৷ ফলে দইয়ের মধ্যে আমের আঁশ থেকে যায়৷ খাওয়ার সময় দইয়ে আঁশ পাবেন৷ একেবারে অন্য রকম লাগে৷ আম দইয়ের পাশে এখানে ভ্যানিলা বা স্ট্রবেরি দই খেয়ে দেখতে পারেন৷ অন্য রকম৷
৬) ভিআইপি সুইটস (চিংড়িহাটা)
একেবারে চাঁছির মতো দই৷ খাওয়ার সময় মনে হবে, দই খাচ্ছি না৷ অন্য কিছু খাচ্ছি৷ চাঁছি যেমন চামচে লেগে থাকে, এখানে মিষ্টি দইও তাই৷ তবে সব ভিআইপি সুইটসে এ জিনিস পাবেন না৷ ভিআইপি সুইটস এখন শরিকের মতো ভাগ হয়ে গিয়েছে গাঙ্গুরামের মতো৷ এক এক জায়গায় যেমন গাঙ্গুরামের ইন্দ্রাণীর এক এক রকম টেস্ট, ভিআইপির দইয়েরও তাই৷
৭) বলরাম-রাধারমন
বলরাম মল্লিকের কিছু মিষ্টির এত নাম, কিন্তু তাদের দইয়ের তেমন বিশেষত্ব নেই৷ সাধারণ৷ আম দই প্রথম হয়তো তারা গণহারে জনপ্রিয় করাতে শুরু করে৷ তাদের আম দইয়ের নীচে আমের পাল্প পড়ে থাকে৷ অন্য রকম খেতে৷ কিন্তু পারলে তাদের পয়োধি অবশ্যই খাবেন৷ দই এবং ক্ষীর মিশিয়ে এই অসামান্য পয়োধি৷ মনে হবে যেন পুরো ক্ষীর খাচ্ছি৷ মালদহে চাঁচলের কাছে কলিগ্রাম ক্ষীরের জন্য বিখ্যাত৷ চাঁছির মতো ক্ষীর৷ গোলা পাকিয়ে খাওয়া যায়৷ বলরামের পয়োধি অনেকটা ওই রকম৷ অবশ্যই খাবেন৷ এখন ওখানে ব্লু বেরির দই হচ্ছে৷ একটু অন্য রকম৷
৮) সেন মহাশয়
এখানকার দইয়েও ক্ষীর ক্ষীর একটা ব্যাপার রয়েছে অমৃতের মতো৷ ফড়েপুকুরে প্রধান দোকান৷ কিন্ত্ত শাখা অনেক৷ তবে একদিন গড়িয়াহাটের সেন মহাশয়ের এক বয়স্ক বিক্রেতাকে স্বীকার করতে শুনেছিলাম, অমৃতের মতো দই আমরা বানাতে পারব না৷
৯) মিঠাই
বেকবাগান বা তাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি গড়িয়াহাটে মিষ্টি দই খুঁজলে প্লাস্টিকের কৌটোয় পাঁচশো-এক কেজির দই পাবেন৷ জেসি দাস বা ভীম নাগের মতো সাদা মিষ্টি দই৷ ভালো খেতে৷ একটু অন্য রকম৷
১০) সুরেশ সুইটস (ঢাকুরিয়া)
একেবারে টিপিক্যাল মিষ্টি দই৷ শীতকালে এদের পাতক্ষীর বা ছানার পায়েসের যা স্বাদ, তার তুলনায় দইয়ের অত নাম নেই৷ তবে ভালো খেতে৷ চেটেপুটে খেতে হবে৷ সুরেশের মিষ্টি বলরামের মতোই নানা রকম৷ ছোট দোকান৷ কিন্ত্ত কমলাভোগ থেকে রসমালাই-পরীক্ষানিরীক্ষা চমত্‍কার৷
১১) নারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার (গড়িয়া)
গড়িয়া-বৈষ্ণবঘাটা থেকে বাঘাযতীন-গাঙ্গুলিবাগান, অনেক বাড়িতে বিয়ে বাড়ি হলে সেখানে নারায়ণের দই আনাটা বাধ্যতামূলক৷ ওই অঞ্চলের অন্যতম সেরা৷
১২) গাঙ্গুরাম
তিন চারটে ভাগ হয়ে গিয়েছে দোকান৷ গাঙ্গুরামস, গাঙ্গুরাম অ্যান্ড সন্স, গাঙ্গুরাম অ্যান্ড গ্র্যান্ড সন্স৷ এক এক জায়গায় এক এক রকম স্বাদ৷ এমনকী তাদের অসামান্য ট্রেডমার্ক ইন্দ্রাণী মিষ্টিও এক এক জায়গায় এক এক রকম৷ গাঙ্গুরামের দইও এক জায়গায় এক এক এক রকম৷ অনেক জায়গায় খুব সাধারণ৷ ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ চাঁদনি চক স্টেশনের গায়ে গাঙ্গুরামের দোকানের লাল দই৷ চমত্‍কার স্বাদ৷
১৩) বাঞ্ছারাম
ভাঁড় দেখলে খেতে ইচ্ছে করবে৷ বিশেষত্ব হল, জমাট দইয়ের নীচে তরল ব্যাপার রয়েছে৷ চাপ চাপ দই ভালো লাগবে যাদের, তাদের এটা ভালো নাও লাগতে পারে৷ দুশো কুড়ি টাকা কেজি৷
১৪) সন্তোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার
কলেজ স্ট্রিটে বহু পুরোনো দোকান৷ উত্তর কলকাতায় অনেক বাড়িতে বিয়েবাড়িতে সন্তোষের দই থাকা আভিজাত্যের প্রতীক৷ ক’দিন আগে গিয়ে দেখলাম, গোলাপি দইয়ে বিশেষত্ব কম৷ প্লাস্টিকের কাপে কেটে কেটে ১০০ গ্রাম করে দেওয়া হয়৷ দইয়ের সেই চাপ চাপ ব্যাপারটা থাকছে না৷ এই অঞ্চলে সবই দুশো টাকার কেজি দই হলেও এখানে এখনও ১৮০ টাকা কেজি৷ লাল দইয়ের পাশে ওই ভাবে কেটে বিক্রি হয় সাদা দই৷
১৫) পুঁটিরাম
সাদা দই৷ তবে একশো গ্রাম নিলে স্টিলের প্লেটে, স্টিলের চামচ দিয়ে দেওয়া হয়৷ জল কেটে বেরিয়ে যায়৷ যাদব বা ভীম নাগের সাদা দইয়ের কাছে পানশে৷
১৬) নবকৃষ্ণ গুঁই (বউবাজার)
লাল দই, তবে একটু বেশি টক টক ব্যাপার রয়েছে৷ তবে এখানেও বড় ভাঁড় থেকে কেটে কেটে দেওয়ায় চাপ ব্যাপারটা কম৷
১৭) মৌচাক
অনেক শরিকের ভাগ হয়ে গিয়েছে৷ ফলে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন জায়গায় টেস্ট৷ গোলপার্কের পুরোনো মৌচাক পাল্টে গিয়েছে৷ এদের দই খেতে গিয়ে হতাশ হতে হয়৷ তবে বেকবাগানে বিশ্বভারতীর গায়ে এদের মূল ও আদি দোকানে এখনও দই ভালো৷ তবে কলকাতার ভালো মিষ্টি দইয়ের মতো৷ বাড়তি বিশেষত্ব নেই৷
১৮) হিন্দুস্থান সুইটস
তুলসী থেকে গাজর-নানা রকম দই বানানোয় কলকাতায় সবচেয়ে আগে উদ্যোগ নেয় যাদবপুরের এই পরিচিত দোকান৷ সাধারণ মিষ্টি দই ভালো৷ কিন্ত্ত অন্য ভালো দোকানের মতোই৷ বাড়তি বিশেষত্ব কম৷
১৯) দ্বারিক ঘোষ
শরিকি ভাগের জের পড়েছে দোকানে৷ কিন্ত্ত দইয়ের স্বাদ অমলিন৷ সাদাটে মিষ্টি দইয়ে ক্ষীরের স্বাদ আছে অনেকটা৷ এদের সাদা টক দইও চমত্‍কার৷ শ্যামবাজার, এন্টালি, লালবাজারের মধ্যে কাদের দই ভালো বলা কঠিন৷
২০) কামধেনু
দক্ষিণ কলকাতায় বাঘাযতীন, সন্তোষপুর, গড়িয়ায় নবতম মিষ্টির ব্র্যান্ডের দিক দিয়ে পরিচিত৷ দই উপর থেকে একটু সাদাটে৷ ভিতরটা পুরোটা সাদা নয়৷ হালকা গোলাপি৷ ভালো, কিন্ত্ত বাড়তি কিছু নেই৷
২১) চিত্তরঞ্জন মিষ্টান্ন ভান্ডার
শ্যামপুকুরের চিত্তরঞ্জনের রসগোল্লা নিয়ে চার দিকে এত সুনাম, তুলনায় তাদের মিষ্টি দই নিয়ে এত চর্চা শোনা যায় না৷ তাদের মধুপর্কও অসামান্য৷ এর পাশে দই খেয়ে দেখতে পারেন৷ মনে হয়, রসগোল্লার মতো দইয়ের উপর নজর দিলে এদেরই সুনাম৷
২২) দুর্গা মিষ্টান্ন ভান্ডার
বেহালার লোকেদের কাছে এর কোনও বিকল্প নেই৷ মিষ্টি দই একটু বেশি মিষ্টিই৷ তবে চেঁছেপুঁছে খেতে হবে৷
২৩) যশোদা মিষ্টান্ন (তালতলা) ও শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার (সিঁথি) তালতলা অঞ্চলে যশোদার নাম সবাই এক ডাকে চেনে৷ এদের দোকানের দইও ভালো৷ এক একটা দোকানে দই এত গোলাপি হয় যে দেখলে মনে হয়, না জানি কী খাব৷ সিঁথির মোড়ে এই দোকানে ঢুকলে দইয়ের বড় বড় হাঁড়ি দেখা যায়৷ সে গুলো গোলাপিই বেশি৷ তবে খেতে বেশ ভালো৷
২৪) মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ
ল্যান্সডাউনে সাদার্ন এভিনিউ ক্লাবের কাছে অতি ভাঙাচোরা দোকানে সেরা খাবার ভেজিটেবল চপ এবং রসমু্ন্ডির পায়েস৷ এখানে ঢুকলেই উত্তরের বিখ্যাত তেলেভাজা চপের দোকান ‘নিরঞ্জন আগার’কে মনে পড়বে৷ এখানেও মিষ্টি দই একটু অন্য রকম৷ সাদাটে বেশি৷
২৫) মাদার ডেয়ারি
দিল্লির পটপরগঞ্জের প্রধান দফতর যে লাল দই আসে, তা দারুণ খেতে৷ এমনি কৌটো না দেখে খেলে ভাববেন, কলকাতার কোনও বড় দোকানের দই৷ কিন্ত্ত বাংলার মাদার দেয়ারির দই একেবারেই ভালো নয় এর তুলনায়৷ দিল্লির মিষ্টি দই ১০০তে ৮০ পেলে কলকাতার মাদার ডেয়ারিকে ২০র বেশি দেওয়া যাবে না৷ এখানে এক চামচ দই নিলেই জল বেরিয়ে যায়৷ চাপ চাপ ব্যাপারটা নেই৷ মসৃণতা নেই৷ স্বাদের বিচারে দিল্লির তুলনায় এটা অনেক পানসে৷ দিল্লির মাদার ডেয়ারির দই কলকাতার যে কোনও ভালো দোকানের দইয়ের সঙ্গে পাল্লা দেবে৷ ওই মাদার ডেয়ারির সাফল্যে এ ধরনের মিষ্টি দই বের করছে অনেক কোম্পানি৷ তবু মাদার ডেয়ারির কাছে পারছে না কিছুতেই৷
এত দইয়ের দোকান ঘুরে, সব খেয়ে টেস্ট করে লিখতে বসা যে কী মারাত্মক বিপদ, সবাই জানেন৷ সুগার যে কত বাড়ল, কে জানে! কিন্ত্ত একটা কথা পরিষ্কার করে লিখে রাখা ভালো- দই এবং মিষ্টিতে সেরা বলে কিছু হয় না৷ আমার কাছে যে সেরা, আপনার কাছে তা খুব খারাপ হয়ে যেতে পারে৷ অনেক ভালো মিষ্টি দইয়ের দোকান ছড়িয়ে রয়েছে শহরের কোণে কোণে৷ রাসবিহারীর মোড়ে মেট্রো স্টেশনের গায়ে বছর কয়েক আগে একটা দোকান ছিল ছোট্ট-লক্ষ্মীনারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার৷ দোকান বিক্রি হয়ে গিয়েছে কবে৷ তবে স্বাদ লেগে রয়েছে এখনও৷ এ ভাবেই আপনার নিজের পাড়ায় ছোট্ট মিষ্টি দোকানে যে দই পাবেন, তা অনেক ভালো ভালো দোকানে পাওয়া যাবে না৷ সেই সব মিষ্টি দোকানের কৃতিত্ব অনেক বেশি৷ আপনারা নিজেই এমন ছোট ছোট ভালো দইয়ের দোকানের খোঁজ দিতে পারেন, যা আমার পক্ষে খুঁজে বের করা সম্ভব ছিল না৷ সেখানেই হয়তো পাওয়া যাবে সেরার সেরা মিষ্টি দইয়ের সন্ধান৷
দিন না, এমন কিছু অসাধারণ মিষ্টি দইয়ের দোকানের খোঁজ! আর একবার না হয় সুগারের ভয় উড়িয়ে বেরোন যাবে কলকাতার সেরা অমৃতের সন্ধানে! আরও এক বার এই এক বিষয় নিয়ে লিখতে বসব৷

মঠ থেকে কোন নিমন্ত্রন এল না। মা-ও লোক পাঠালেন না অন্যবারের মতো।

Sri Sarada Devi
একবার এক বিশেষ ঘটনা ঘটেছিল। মা কলকাতা থেকে দেশে এসেছেন। মায়ের জন্মতিথি পড়েছে। এদিকে সাধু, গৃহী ভক্ত সকলে মিলে মায়ের আবির্ভাব তিথিপূজার আয়োজন করছেন। আমি লোকমুখে সে-খবর পেলাম। কিন্তু 
মঠ থেকে কোন নিমন্ত্রন এল না। মা-ও লোক পাঠালেন না অন্যবারের মতো। মনে ভারী অভিমান হলো। ভাবলাম, থাকগে – এবার আর যাব না মাকে দর্শন করতে। অনেক বড় বড় ভক্ত পেয়ে মা নিশ্চয় ভুলে গেছেন আমার মতো সামান্য ভক্তকে।
তখন পৌষ মাস। দারুণ শীত পড়েছে। সেদিন একটু তাড়াতাড়ি খেয়ে শুয়ে পড়েছি। গভীর রাত্রে স্বপ্ন দেখলাম, মা এসে আমার সামনে দাঁড়িয়ে যেন বলছেনঃ “রাজন, তোর জ্ঞান না শুনলে আমার তৃপ্তি হয় না রে!” ব্যাস। এই কথা বলেই তিনি যেন কোথায় অন্তর্ধান করলেন। ঘুম ভেঙ্গে গেল। মনে হলো, মা স্বয়ং এসে নিমন্ত্রণ করে গেলেন। আমাকে যেতেই হবে জয়রামবাটীতে, মায়ের আবির্ভাব-তিথিতে তাঁকে প্রনাম করতে, তাঁকে গান শোনাতে। খুব ভোরে উঠেই রওনা দেওয়ার জন্য তৈরি হতে লাগলাম। একটু বেলা বাড়লে বাজারে গিয়ে দোক্তা কিনে আনলাম মায়ের জন্য। এগারোটার মধ্যে খাওয়াদাওয়া সেরে ষ্টেশনে রওনা হলাম গাড়ি ধরার জন্য। ঠিক বারোটায় ট্রেন। বেলা একটার সময় পৌঁছে গেলাম বিষ্ণুপুর ষ্টেশনে। বিষ্ণুপুর থেকে হাঁটতে শুরু করলাম জয়রামবাটী অভিমুখে। তখন বাস ছিল না, অন্য যানবাহনও ছিল না। আমি পায়ে হেঁটেই চলেছি মাতৃদর্শনে।
শীতকালের বেলা ছোট। জয়রামবাটী পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। হাড়কাঁপানো শীত পড়েছে। মাথায় মাঙ্কি ক্যাপ, গলায় কম্ফর্টার আর সর্বাঙ্গে শাল জড়িয়ে আমি যখন সন্ধ্যার অন্ধকারে জয়রামবাটীতে মায়ের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলাম, তখন হঠাৎ আমায় দেখে চেনার কোন উপায় ছিল না যে আমি রাজেন দত্ত। মা বসে আছেন একটি চৌকিতে পূর্বদিকে মুখ করে। সামনে-পিছনে, আশে-পাশে একদল ভক্ত মেয়ে-পুরুষ। আবার মঠে পৌঁছেই মাকে প্রণাম করলাম না, এমনকি মায়ের সামনে গিয়েও দাঁড়ালাম না। মাথায় এক দুর্বুদ্ধি এসেছিল – মাকে পরীক্ষা করব। শুধু তাই নয়, গত রাত্রে মাকে যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেটা নিছক আমার মনের বিকার কি-না, তাও পরীক্ষা করব। আরো দশজন লোকের সঙ্গে আমি মায়ের পিছনের দিকে বেশ খানিকটা দূরে গিয়ে বস্লাম। সেখান থেকে শুনতে পেলাম, একজন ভক্ত বলছেনঃ “একটা গান হলে ভাল হতো”। একজন সাধু বল্লেনঃ “কে আর গাইবে? রাজন দত্ত থাকলে গাইত”।
মা বলে উথলেনঃ “রাজন এসেছে। পিছনে বসে আছে। ডেকে নিয়ে এসো। গান গাইবে”। মায়ের কাটা কাটা কথাগুলো আমার কানে এক-একটা তীরের মতো এসে বিঁধতে লাগল। আমি একদিকে যেমন বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম, তেমনই আর একদিকে লজ্জায় মরে যেতে লাগলাম। কেউ আমাকে দাকার আগেই ছুটে গিয়ে দাঁড়ালাম মায়ের সামনে। দুটি পায়ে হাত বুলিয়ে প্রণাম করে হাত জোড় করে বল্লামঃ “আমায় ক্ষমা করো মা”। মায়ের সঙ্গে আমি তুমি করেই কথা বলতাম। আমার চিবুকে হাত দিয়ে মিষ্টি হাসি হেসে মা বল্লেনঃ “কই, দোক্তা দে”।
আবার মাথায় দুর্বুদ্ধি। বলে ফেল্লামঃ “এবার তাড়াতাড়িতে দোক্তা আনতে ভুলে গেছি”। কৌতুকভরা দুটি চোখে মা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বল্লেনঃ “তোর বাঁ দিকের পকেটে দোক্তা আছে, দে বাবা দে!”
আমার সর্বাঙ্গ তখন কাঁপছে। একবার মনে হচ্ছে, কী মূর্খ আমি! কার সঙ্গে ছলনা করছি? আবার মনে হচ্ছে, আমি ধন্য! স্বয়ং জগন্মাতা আমার সঙ্গে লীলা করছেন। বাঁ দিকের পকেট থেকে দোক্তার প্যাকেটগুলো কম্পিত হাতে বের করে মায়ের হাতে দিলাম। মা খুশি হয়ে বল্লেনঃ “বেঁচে থাক, বাবা। নে একটা গান শোনা দেখি!”
সেদিন একটার পর একটা গান গেয়েছিলাম। কতগুলো গান গেয়েছি, তা ঠিক মনে নেই। আমার গানেই যেন সেদিন মায়ের তিথিপূজা সম্পন্ন হয়েছিল। ধন্য আমার মনুষ্যজন্ম! ধন্য মা। – রাজেন্দ্রানাথ দত্ত।
(শ্রীশ্রীমায়ের পদপ্রান্তে)।।

History of Gangasagar Mela II गंगा सागर यात्रा जनवरी 2019

KOLKATA: At slightest six travelers were killed and 10 harmed in a charge on Sunday evening at the Kachuberia wharf in Sagar Island, South 24-Parganas, while attempting to board a vessel back to Kolkata from the Gangasagar reasonable Gangasagar Mela is popular worldwide and this meal is praised with incredible ceremony and magnificence in this state. This dinner is viewed as one of the fundamental fairs celebrated in West Bengal. The metal accumulates a great many aficionados from various parts of the nation. The reasonable is one of the fundamental attractions in the winter length of West Bengal.
Gangasagar Mela
Gangasagar Mela


History of Gangasagar Mela 

Ganga is the holiest waterway in Hindu folklore and gaga begins her campaign in Prayag and closures her long adventure at this blessed place and converges with the Bay of Bengal. This place is likewise viewed as a sacred goal like Prayag thus it is trusted that taking a blessed dunk in this place can purify every one of your transgressions. The meal investigated by different outside sightseers and traveler from the different religious foundation and therefore all societies, legacies messes to from a solitary one. The light and the holy environment makes and mysterious atmosphere that draws in visitor consistently. That can be demonstrated by the steady addition of vacationers consistently. In the wake of taking the blessed plunge, the enthusiasts visit the sanctuary of ‘Kapil Muni’ an outstanding sage of Indian folklore. 

Gangasagar Mela Dates 

The reasonable happens every year, in this manner the lovers pay their visit each year and wash up. The fabulous event happens upon the arrival of’ Makar Sankranti which falls amidst the long stretch of January. Bathing ceremonies are vital in all religions yet they have an extraordinary job in Hinduism where other than close to home purifying they are additionally connected with purging the spirit of sins submitted. Maha Kumbh held once every twelfth year and Kumbh Mela held like clockwork at exchange areas of India are greatest assemblies of humankind. Next position with a million people going to it goes to Ganga Sagar Snan. It is held yearly at Sagar Island in South 24 Parganas District of West Bengal and, 140 km from Kolkata. In 2019 it will be hung on 15 January, Sunday. 


Ganga Sagar Snan otherwise called Ganga Sagar Mela is the biggest reasonable celebrated in the province of West Bengal on the event of Makar Sankranti. A plunge in the sea, where the Ganga channels into the ocean are viewed as of extraordinary religious hugeness especially on the Makara Sankranti day when the sun makes a change to Capricorn from Sagittarius and this town winds up home to tremendous fairs, drawing guests and hermits from everywhere throughout the state. 


The reasonable is praised at Sagar island where the sacred stream Ganga channels into the Bay of Bengal. Sagara implies the sea, and the island is found where the waterway Ganga enters the sea. An all-around went to reasonable is held and individuals originate from long separations to bathe here. After the shower, Ganga Ma or the Goddess Ganga is adored. It is trusted that Ganga entered the sea now to wash the bones of the 60,000 children of Sagara, in whose memory the island is held hallowed. They were allegedly slaughtered by a revile from sage Kapila. A large number of lovers from all edges of India assemble here to take a heavenly plunge on this day. There is a typical conviction among local people that the young ladies who take the heavenly plunge get good looking grooms and the young men get delightful ladies. When they are finished with the ceremonial commitments, they head towards the Kapilmuni Temple arranged close-by, to venerate the divinity as a characteristic of regard. 


Ganga Sagar Snan Mela-the reasonable related with an goes on for seven days yet appropriate Snan (Bath) and it’s religious functions begin from multi-day preceding Makar Sankranti and end the following day. On Makar Sankranti day, enthusiasts keep quick and love Kapil Muni at his sanctuary at 3 AM in the morning with Maha Puja and Yagna and after that bathe vulnerable water of blessed Ganges River to wash away their transgressions. 


Hindus from all over India and abroad come to perform Ganga Sagar Snan. Be that as it may, it is more frequented by individuals from West Bengal, Bihar, east Uttar Pradesh, Jharkhand, and Odisha because of their vicinity to the place. 

Gangasagar Mela
Gangasagar Mela


Step by Step Instructions to Reach Sagar 

To reach Sagar Island you need to initially go from Kolkata to Kakdwip 135 km away by transport or taxi. There you need to move to a ship to cross the waterway and following 40 minutes reach Sagar Island.T he Island is 300 square km in the region and has 43 towns with the populace of two lakhs. Kapil Muni’s sanctuary is situated at its southern tip. There are a few little inns, youth inns, and ashrams of magnanimous associations which give straightforward hotel and boarding. 

West Bengal government sorts out the Snan under Ganga Sagar Mela Act 1976. Work is on forgiving extra offices to explorers at Sagar Island. Amitav Ghosh has depicted the celebration and the island in Sundarban mangrove timberlands perfectly in his book ‘The Hungry Tide’. A remote ocean port and a maritime base are additionally coming up here by 2019.

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }


ANGA SAGAR MELA JANUARY-2019 II GANGA SAGAR YATRA 2019

सागर मेला जनवरी ii गंगा सागर यात्रा जनवरी 2019 II Gangasagar Island – Where the sacrosanct Ganges achieves The Bay of Bengal. 

As per the legendary history, it was said that on this day of Makar Sankranti 60,000 spirits were discharged & got freedom with the dash of the sacred water of Ganges at Gangasagar. So to discharge possess spirits from torments and sins & to gain righteousness Tourists from all over come here to take a sacred plunge & win endowments from Kapil Muni – a symbol of Lord Vishnu “. 


Gangasagar Yatra” Gangasagar Tirtha Yatra is one of the “Punya Tirtha Yatra” (A sacred outing to the sanctum) for Hindus around the globe. Ganga Sagar is an Island on the stream Muriganga, around 106 km from the core of the city of Kolkata. One can reach here by the Luxury vehicle on Hire or can contract a Taxi or by Busses and Coaches. 


Travelers, Sadhus, and Saints visit Gangasagar amid the Hindu celebration of “Makar Sankranti” which is praised in the mid of January consistently. At this propitious time of Makar Sankranti, the Island of Gangasagar and the sanctuary of Kapil Muni is flawlessly improved with blooms and lightning. A great many individuals go to this reasonable broadly known as “Ganga Sagar Mela” a second biggest Holy reasonable for each Indian after “Kumbha Mela”. The most agreeable outing to Gangasagar Mela is sorted out by Hooghly Nadi Jalapath Paribahan Samabay Samity Limited by the dispatch from Howrah Station Jetty to Sagar Island. The explorers running with them are given VIP treatment. Their dispatch is secured at separate pier specifically R C Jetty at Kachuberai. Separate transport courses of action are 


accommodated the pioneers. An uncommon camp is set up for these travelers for the night stay…..Pilgrims come each year at the Ganga Sagar Mela which thought about the biggest reason of West Bengal. Almost 5 lakh travelers from all over India land here at the Sagar Island at the latest Makar Sankranti or Poush Sankranti (The most recent day of the Bengali month Poush which is mid of January) to take sacred washing at the conjunction of the Ganges River and Bay of Bengal. The reasonable really happens at the Sagar (Dweep implies Island) of North 24 Pargana, West Bengal, India. 


This video of Pilgrims Tourism at Gangasagar was recorded on fourteenth January 2019 at Ganga Sagar Mela, 2019.


Design a site like this with WordPress.com
Get started