![]() |
| BELUR MATH |
Sanctification OF SRI RAMAKRISHNA’S NEW TEMPLE AT BELUR MATH
- Rakhal Maharaj,
- Mahapurush Maharaj,
- Sarat Maharaj,
- Hari Maharaj,
- Gangadhar Maharaj,
SRI RAMAKRISHNA TODAY
![]() |
| BELUR MATH |
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
সুশীলা এবং পরমা সুন্দরী এই বধূ। শ্বশুরবাড়ীর সকলেই তাঁহার প্রতি স্নেহশীল ; কিন্তু পতির ছিল সন্দেহ-বাতিক, পত্নীকে তিনি মধ্যে মধ্যে বড়ই কটু কথা বলিতেন। এইজন্য পতিপত্নীতে সদ্ভাব ছিল না, সংসারেও শান্তি ছিল না। অবশেষে লাঞ্ছনার মাত্রা ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করিলে বধূটি অসহিষ্ণু হইয়া পিত্রালয়ে চলিয়া গেলেন।
পিতৃকুল বিপুল সম্পদের অধিকারী, কোনই অভাব নাই। তাঁহারা স্থির করিলেন, কন্যাকে আর লাঞ্ছনা সহিতে পতিগৃহে পাঠাইবেন না। কন্যাও অনেক মনস্তাপ পাইয়া স্থির করিয়াছেন, পতির নিকট আর ফিরিয়া যাইবেন না। এইভাবে উভয় পরিবারের মধ্যে ঘনাইয়া উঠে মনোমালিন্য এবং বিদ্বেষ। কন্যার পতি এবং শাশুড়ীর মানসিক অবস্থাও তখন এতই উত্তেজিত যে, তাঁহারা স্থির করিয়াছেন, বধূ যত ধনী পরিবারের কন্যাই হউক না কেন, তাহাকে আর গ্রহণ করিবেন না।
কন্যার শাশুড়ী এবং পিতামহী উভয়েই মাতাঠাকুরাণীর পরিচিত। কন্যা নিজেও ছিলেন মায়ের দীক্ষিতা, মা তাঁহাকে অতিশয় স্নেহ করিতেন। তাঁহার দুঃখে মায়ের প্রাণ বিচলিত হইল, তিনি কন্যাকে ডাকিয়া পাঠাইলেন।
কন্যা মাকে দর্শন করিতে আসিলে মা তাঁহাকে আদর করিয়া বলিলেন, — রাজার মেয়ে হ’য়েও গৌরী মহাদেবের সংসার করেন, সিদ্ধি ঘোঁটেন, স্বামীর ঘরে থাকতে তিনি আপত্তি করেন না। বাপ রাজা হ’লেও পতিই সতীর সর্বস্ব। মাগো, তুমি স্বামীর কাছে ফিরে যাও। সব দুঃখু স’য়ে পড়ে থাকো সেখানে। সৎসন্তান আসুক, মহতের বংশরক্ষে হোক, সাধুসেবা হবে। আমি প্রাণ খুলে আশীর্বাদ করছি, মা, তোমার শেষ ভাল হবে।
গুরুর নির্দেশে কন্যা পূর্বের সঙ্কল্প ত্যাগ করিলেন, পিতৃগৃহ ত্যাগ করিয়া পুনরায় গিয়া পতিসেবায় আত্মনিয়োগ করাই তিনি স্থির করিলেন। সকলে দেখিয়া বিস্মিত হইল, মান-অভিমান বিসর্জন দিয়া ধনীর কন্যা স্বেচ্ছায় পতিগৃহে ফিরিয়া আসিয়াছেন। পতিও তাঁহাকে এইবার সাদরে গ্রহণ করিলেন। মায়ের সুপরামর্শে দুই পরিবারে শান্তি ও সম্প্রীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হইল।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
read the mother, along with her eyes wide and voice deep.
Then, she created a tragic face and continued softly,
“So, the poor aristocrat waited and waited for her patrician to come–“
*”But, why was she anticipating the patrician, mumma?!”*
asked the insufficient woman, with impatience.
The mother side, “To return and save her, silly.”
“But, mumma, why did she want a patrician to save lots of her?” the woman asked once more.
“Uhh… hmm…” the mother was at a loss of words.
I would have reclaimed myself.”
She discarded the book and walked away,
“This aristocrat is stupid.”
The mother unvoiced with a broad smile,
“I guess it’s time to rewrite the fairy tales.”
*_ModernFairyTales_*
খণ্ডন ভব-বন্ধন জগ-বন্দন বন্দি তোমায়।’ রোজই সন্ধ্যারতির সময় বেলুড় মঠে, রামকৃষ্ণ সংঘের সব শাখা কেন্দ্রে ও শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্ত-সংঘ গুলিতে, সর্বত্র সন্ধ্যা সমাগমে এই গীত পরিবেশিত হয়।স্বামী বিবেকানন্দ নিজেই ধ্যানবুত্থিত চিত্তে এই স্তবটি রচনা ও সুরারোপ করেছেন। এই অনবদ্য আরাত্রিক ভজনটির একটি সুন্দর ইতিহাস আছে।—– স্বনামধন্য নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ স্বামীজিকে বারংবার অনুরোধ করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণের একটি প্রামাণ্য জীবনীগ্রন্থ লেখার জন্য। কিন্তু স্বামীজির ওপর ঠাকুর তো অন্য দায়ভার চাপিয়েছিলেন।স্বামীজি অবশ্য গিরিশের অনুরোধ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অন্য যুক্তি দেখিয়েছিলেন।বলেছিলেন–” তিনি(শ্রীরামকৃষ্ণ) এত মহান ছিলেন, এত বড় ছিলেন যে আমি তাঁকে কিছুই বুঝতে পারিনি।…. শেষে শিব গড়তে বানর গড়ে ফেলব? তা আমি পারব না।” বাক্যমনাতীত-কে শব্দের মধ্যে কি বাঁধা যায়? কিন্তু আক্ষরিক অর্থে স্বামীজি শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনী রচনা না করলেও সূত্রাকারে সেই অসীমকে সীমার মধ্যে বেঁধে ফেললেন যে!তত্ত্ব-সম্পৃক্ত স্তবগানের সুরের তরঙ্গে অনন্তকে করলেন ব্যক্ত মানবীয় ভাষায়। এ যেন ‘জগতে আনন্দ-যজ্ঞে’ স্বামীজির দিব্যাহুতি।——— আলমবাজার থেকে মঠ যখন উঠে এল বেলুড় নীলাম্বর মুখার্জীর বাগানবাড়িতে তখন সন্ধ্যারতির সময় মৃদঙ্গ-সহ শিবস্তুতি গীত হতো———— “ভজ শিব ওঙ্কার, জয় শিব ওঙ্কার~~ নাথ ভোলে মহাশম্ভো, হর হর মহাদেব।~~~~~ ব্রহ্মা বিষ্ণু সদাশিব,হর হর মহাদেব।।”——— কিছুদিন পর স্বামীজি রচনা করলেন মাত্র প্রথম দুটি পঙতি—“খণ্ডন ভব-বন্ধন জগ-বন্দন বন্দি তোমায়। নিরঞ্জন নররূপধর নির্গুণ গুণময়।।” ——এবং শেষাংশ– নমো নমো প্রভু বাক্যমনাতীত মনোবচনৈকাধার। জ্যোতির জ্যোতি উজল হৃদিকন্দর, তুমি তমোভঞ্জনহার।।~~ধে ধে ধে লঙ্গ রঙ্গ ভঙ্গ বাজে অঙ্গ সঙ্গ মৃদঙ্গ। ~~গাইছে ছন্দ ভকতবৃন্দ আরতি তোমার।~~জয় জয় আরতি তোমার/হর হর আরতি তোমার/শিব শিব আরতি তোমার।। সেটি ছিল ১৮৯৮ খ্রীষ্টাব্দ। কিন্তু শশী মহারাজ অর্থাৎ স্বামী রামকৃষ্ণানন্দজী দীর্ঘক্ষণব্যাপী দৃপ্তভঙ্গীতে নৃত্যসহ আরতি করতেন।এই সংক্ষিপ্ত ভজনটি পর্যাপ্ত বোধ না হওয়ায় স্বামীজি প্রথম শ্লোকের সঙ্গে আরও সাতটি শ্লোক জুড়ে একটি অষ্টপদী রচনা করলেন। একদিন শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথিপূজা উৎসবে স্বামীজী স্বয়ং মৃদঙ্গ বাজিয়ে এই আরাত্রিক ভজন গাইলেন। ~~~~~~~~~ আজ স্বামীজির জন্মদিন। এই শুভদিনটিতে আমরা সেই দৃশ্যটির ধ্যান করার চেষ্টা করি,— স্বামীজি মৃদঙ্গ বাজিয়ে গাইছেন—-খণ্ডণ ভব-বন্ধন জগ-বন্দন বন্দি তোমায়………..। আর শশী মহারাজ অপূর্ব নৃত্যের সঙ্গে প্রভু শ্রীরামকৃষ্ণের আরতি করছেন।——- জয় শ্রীরামকৃষ্ণ।জয় শ্রীশ্রী মা সারদাদেবী। জয় স্বামী বিবেকানন্দ।জয় শ্রীরামকৃষ্ণের সকল পার্ষদবৃন্দ।। ——(সংগৃহীত)।।—-