![]() |
| Swami Turiyananda |
My life, my pain … .. Swami Vivekananda
আমার জীবন, আমার যন্ত্রণা….. স্বামী বিবেকানন্দ
**ভগবানকে ধন্যবাদ যে, তিনি আমাকেনিঃস্ব করেছেন। ………… বড়লোক ও ধনীদেরকাছে আমি ধর্ম প্রচারকরতে চাই না। আমিতত্ত্ব জিজ্ঞাসু নই, দার্শনিকও নই, না না , আমি সাধুওনই। আমি গরিব, গরিবদেরআমি ভালবাসি। যখন সন্ন্যাসী হই, তখন বুঝে সুঝেই এ– পথ বেছে নিয়েছিলাম। বুঝেছিলাম, অনাহারে মরতে হবে। তাতেকি হয়েছে ? আমি তো ভিখারি, আমার বন্ধুরা সব গরীব। গরিবদেরআমি ভালবাসি। দারিদ্রকে সাদরে বরণ করি।কখনো কখনো যে আমায়উপবাস করে কাটাতে হয়, তাতে আমি খুশী। ………………..
লোকে কি বলল—সেদিকে আমি ভ্রুক্ষেপ করিনা। আমার দেশ, দেশেরনিপীড়িত, অশিক্ষিত ও দীনহীনকে আমিভালবাসি। তাদের বেদনা অন্তরেঅন্তরে অনুভব করি। কততীব্রভাবে তা অনুভব করি, প্রভুই জানেন। তিনিই আমাকেপথ দেখাবেন। মানুষের স্তুতি – নিন্দায় আমি দৃকপাতও করিনা। তাদের অধিকাংশকেই কলরবকারীঅজ্ঞ শিশুর মতো মনেকরি। সহানুভূতি ও নিঃস্বার্থ ভালবাসারঠিক মর্ম কথাটি তারাবুঝতে পারেনি।
কাজটাকে গুছিয়ে নেবার জন্য সারাক্ষনকঠোর পরিশ্রম কোরে যাচ্ছি, যাতেআমি যখন রঙ্গমঞ্চ থেকেসরে যাব, তখনও যেনযন্ত্রটি সামনের দিকে এগিয়েচলে। বহুদিন আগে সন্ন্যাসনিয়ে যেদিন সংসারজীবনকে বিসর্জনদিয়েছি, সেদিনই আমি মৃত্যুকেজয় করেছি।
আমি জীবনে যত বাঁধাপেয়েছি, ততই আমার শক্তিরস্ফুরণ হয়েছে। এক টুকরো রুটিরজন্য আমি গৃহ থেকেগৃহান্তরে বিতাড়িত হয়েছি ; আবার রাজা–মহারাজাকর্তৃকও আমি বহুভাবে পূজিতহয়েছি । বিষয়ীলোক এবং পুরোহিতকুল সমভাবেআমার উপর নিন্দা বর্ষণকরেছে। কিন্তু তাতে আমারকি আসে যায় ?
সত্যই আমার ঈশ্বর, সমগ্রজগৎ আমার দেশ।
যতদিন না আমার দেহত্যাগহচ্ছে, অবিশ্রান্ত ভাবে কাজ ক’রে যাব। আরমৃত্যুর পরও জগতের কল্যানেরজন্য কাজ করতে থাকব।বহুজনের হিতের জন্য, বহুজনেরসুখের জন্য আমি নিজেরহাতে নিজের হৃদয়কে উৎপাটিতকরতে পারি। আমার এপ্রেমে উন্মত্ততা আছে, কিন্তু কোনওবন্ধন নেই।
দুঃখভার জর্জরিত যে যেখানে আছো, সব এসো, তোমাদের সববোঝা আমার উপর ফেলেদিয়ে চলে যাও। তোমরাসুখী হও। ভুলে যাওযে, আমি একজন কোনকালেছিলাম।। **
**এমন করে আমাদের কেআর কেউ বলেনি,
এমন করে আমাদের আরকেউ ভালবাসেনি,
এমন করে আর কেউআমাদের পথ দেখায় নি।
তাই তো তাকে হিন্দুসন্ন্যাসী বলে ছোট করিনা,
তাই তো তাকে দেবতাবলে দূরে সরিয়ে শুধুমন্দিরে রাখি না।
সে যে আমার বড্ডআপনজন, আমার বড় ভাই, আমার দাদা ।
তাই জীবনের সকল সমাধানেসে–ই আমার ভরসা!!!**
Mon _ Swami Bhuteshananda
মন
প্রশ্ন: আমার তো এইটুকু মন, কি করে নিজেকে বিশ্লেষণ করব?
উত্তর: খুব হবে! তোমার এইটুকু মন দিয়ে অনেক চিন্তা করে চাকরি হলো, ছেলে হলো, নাতি হলো। তবে চিন্তা করতে পারবে না কেন?
জানামি ধর্মং ন চ মে প্রবৃত্তিঃ/ জানাম্যধর্মং ন চ মে নিবৃত্তিঃ।
আর তোমাদের হলো—হরি, তোমার নাম তুমি কর হে, আমরা কি করি! ‘একটু এই পথে চল’ বললে বলবে ‘আপনি নিয়ে চলুন!’ ‘এখানে আসো না কেন’। জিজ্ঞাসা করলে বলে, ‘আপনি নিয়ে আসুন’। মানে কিছু করব না!
প্রশ্ন: সময় করতে পারলে আপনার কাছে ছুটে আসি, নিজে কিছু করার সামর্থ্য আছে বলে বুঝি না। এই ছুটে আসা ব্যর্থ হবে না তো?
উত্তর: ছুটে আসা ব্যর্থ হবে কেন? সৎসঙ্গে আসা ব্যর্থ হবে কেন? কিন্তু নিজেকে তৈরি করতে হবে। শুধু কৌতূহলবশে ছুটে এলুম আর গল্প করে কাটিয়ে দিলুম তাহলে তো সৎসঙ্গ ঠিক হলো না। সৎসঙ্গ বলতে ভগবানের সঙ্গ, সেই সঙ্গ সম্বন্ধে চেতনা থাকা দরকার, তা না থাকলে সঙ্গ হয় না।
প্রশ্ন: ভগবান কাকেও অধোগামী আবার কাকেও ঊর্ধ্বগামী করেন। এটি কি ভগবান আধার বুঝে করেন?
উত্তর: তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী হয়। না, আধার বুঝে নয়! আধারকে আবার কে সৃষ্টি করলেন? আধারও তাঁরই সৃষ্টি!
যং যং কাময়ে তং তমুগ্রং কৃণোমি /তং ব্রহ্মাণং তমৃষিং তং সুমেধাম্।।
জগৎ জননী বলছেন—‘আমার যাকে ইচ্ছে তাকেই (আমার প্রিয়কে) আমি সর্বশ্রেষ্ঠ করি; আমি কাউকে ব্রহ্মা, কাউকে ঋষি এবং কাউকে অতি ব্রহ্মমেধাবান করি।’
প্রশ্ন: জগৎ সংসারে যা কিছু তা কি বিভিন্ন অনুভূতির ওপর নির্ভর করবে?
উত্তর: অনুভূতি মাত্রই সত্য হতে পারে না। সত্যের ভিতরে consistency আছে। সত্য বহুরূপী হয় না; যা আলো তা কখনও অন্ধকার নয়।
প্রশ্ন: প্রারব্ধ আর কর্মফলের পার্থক্য কি?
উত্তর: প্রারব্ধও এক রকমের কর্মফল। যেসব কর্ম পূর্বজন্মে করা ছিল এবং এ জন্মে ফল দিতে আরম্ভ করেছে, সেগুলি প্রারব্ধ। আর এখন যা ভোগ করছি এবং পরেও যা ভোগ করব তাও ব্যাপক অর্থে কর্মফল।
প্রশ্ন: ‘তন্মাত্রা’ কাকে বলে?
উত্তর: একটি বস্তুর সূক্ষ্মরূপকে তন্মাত্রা বলে। যেমন পঞ্চধাতু দিয়ে ধরিত্রী তৈরি, এই পঞ্চধাতু হলো তন্মাত্রা যা unmixed অথবা unalloyed.
প্রশ্ন: ভবরোগ মানে কি?
উত্তর: ভবরোগ মানে সংসার রোগ। দগ্ধে দগ্ধে মরছে তবু সংসারকে চায়। শুধু কর্তব্য করলে এত জ্বালা–পোড়া হতো না, ভাবত যে আমি কেবল কর্তব্য করছি। চণ্ডীতে আছে—কিমেতন্নাভিজানামি জানন্নপি মহামতে।/ যৎ প্রেমপ্রবণং চিত্তং বিগুণেষ্বপি বন্ধুষু।। ‘স্ত্রী–পুত্রাদি আমার প্রতি স্নেহহীন হলেও আমার চিত্ত কেন তাদের প্রতি মমতা পরায়ণ তা আমি বুঝেও বুঝতে পারছি না।’ অনেকেরই এই অবস্থা, ছেলে জ্বালাতন করছে, তবু ছেলে তো। কর্তব্য বলে নয় কর্তব্য করলে তো আর কল্যাণই হতো। এই–ই মায়া, দাসত্ব। আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে মারছে! মানুষ মুক্তি চায় না, মুক্তি দিতে এলে আঁতকে ওঠে। বুড়ি মাথায় কাঠের বোঝা নিয়ে চলেছে, আর পারছে না। যমকে সে অন্তরের সঙ্গে ডেকে বলছে, বাবা তুমি আমাকে নাও, আর পারি না। যম এসেছে তাকে নিতে তখন বুড়ি বলছে, বাবা এসেছ যখন কাঠের বোঝাটা মাথায় তুলে দাও।
প্রশ্ন: ভাব কাকে বলে?
উত্তর: ভাব মানে অস্তিত্ব বা থাকা। অভাব মানে না থাকা।
প্রশ্ন: ‘ভাবরাজ্যে চুরি’ কি?
উত্তর: মনে একরকম ভাবা, বাইরে অন্যরকম ব্যক্ত করা ‘ভাবরাজ্যে চুরি’।
প্রশ্ন: স্মৃতি আর অবচেতন মন কি একই? অবচেতন মনকে কি জানা যায়?
উত্তর: না, এক নয়। অবচেতন মনকে জানার উপায় নেই; এটি যখন ওপরে ভেসে ওঠে তখন জানা যায়, স্বপ্নে এ রকম হয়। Conscious, subconscious, unconscious—এগুলি মনের বিভিন্ন স্তর। যা Sub-conscious- থাকে, মাঝে মাঝে তাকে উদ্দীপকের সাহায্যে মনে পড়ে। যেমন ছেলেবেলার কোন ঘটনা যা ভুলে গিয়েছিলাম, তা উদ্দীপকের সাহায্যে মনে পড়ল।এ
স্বামী ভূতেশানন্দের ‘অমৃতকথা’ থেকে
GAYATRI MANTRA
The *GAYATRI MANTRA* the most powerful hymn in the world
Dr.Howard Steingeril, an American scientist … collected *Mantras Hymns* and invocations from all over the world and tested for their strength in his Physiology Laboratory …
*Hindu’s Gayatri Mantra* produced 110,000 sound waves /second…
This was the highest and was found to be the most powerful hymn in the world.
Through the combination of sound or sound waves of a particular frequency, this *Mantra* is claimed to be capable of developing specific spiritual potentialities.
The Hamburg university initiated research in
to the efficacy of the *Gayatri Mantra* both on the mental and physical plane of *CREATION …*
The *GAYATRI MANTRA* is broadcasted daily for 15 minutes from 7 P.M. onwards over Radio Paramaribo, Surinam, South America for the past two years, and in Amsterdam, Holland for the last six months.
*Om Bhoor Bhuwah Swah … Tat Savitur Varenyam … Bhargo Devasya Dheemahi, Dhiyo Yo Nah Pra-chodayaat* …
“It’s meaning ….
*GOD* is dear to me like my own breath… He is the dispeller of my pains … and giver of happiness … I meditate on the supremely adorable *Light* of the *Divine Creator*… that it may inspire my thought and understanding.”
The above information is worth circulating and sharing with one and all …!!!
*How rich and wonderful are our Vedas* …!!!
*I’m PROUD to SHARE*
An Earnest PRAYER II Once, a master and his young disciple, who had some confusion about God, asked his master about some clarifications about God.
“সঙ্ঘজীবনে বিরল তপস্যাব্রত দৃষ্টান্তে অসাধারণ মহিমায় স্বামী তুরিয়ানন্দজী
“সঙ্ঘজীবনে বিরল তপস্যাব্রত দৃষ্টান্তে অসাধারণ মহিমায় স্বামী তুরিয়ানন্দজী”
===========================
ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণদেবের অন্তরঙ্গ ও বিশেষকৃপাপ্রাপ্ত ত্যাগী সন্ন্যাসী সন্তান স্বামী তুরীয়ানন্দজী মহারাজ। হরিলুটের সন্তান বলিয়া পিতা চন্দ্রনাথ নবজাতকের নাম রাখিয়াছিলেন হরিনাথ, যাঁর আজ শুভ জন্মতিথি। বাল্যকালে শরীরচর্চা ও ব্রহ্মচর্য পালনে হরিনাথের একটু মাত্রাধিক্য দেখা যাইত। গঙ্গাস্নানে তাঁহার বিশেষ প্রীতি ছিল। আচারনিষ্ঠ হইলেও হরিনাথ গুণগ্রাহী ছিলেন। হরিনাথের বয়স তখন তের কি চৌদ্দ বৎসর। দীননাথ বসুর বাটীতে প্রথম শ্রীশ্রীঠাকুরের সন্দর্শনের দুই-তিন বৎসর পরে [সম্ভবত ১৮৭৯ বা ১৮৮০ খ্রীঃ] হরিনাথের দক্ষিণেশ্বরে যাতায়াত আরম্ভ হয়।
হরিনাথ একদিন ঠাকুরকে প্রশ্ন করিলেন, “মশাই, কামটা একেবারে যায় কি করে ?” ঠাকুর উত্তর দিলেন, “যাবে কেন রে ? মোড় ফিরিয়ে দে না !” হরিনাথ জানিতেন, যুদ্ধ করিয়াই সমস্ত মনোবৃত্তিকে পরাজিত করিতে হয়। আবার অবাক হইলেন, যখন তিনি উহার প্রত্যক্ষ ফল দেখিতে পাইলেন।
হরি মহারাজকে সাধারণত শুষ্কজ্ঞানী বলিয়া মনে হইলেও বস্তুত শ্রীশ্রীঠাকুরের শিক্ষাগুণে তাঁহাতে জ্ঞান ও ভক্তির অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়াছিল। শাস্ত্রপাঠ শ্রবণেও তাঁহার বিশেষ রুচি ছিল। পাঠ শেষে হরি মহারাজ দীর্ঘকাল ধরিয়া পঠিত বিষয়ে নব আলোকপাত করিতেন কিংবা শ্রোতাদিগের সন্দেহাদি নিরাস করিতেন। তিনি সাধারণত প্রতিকার্য যথাসময়ে করিতে অভ্যস্ত ছিলেন এবং প্রাতঃকৃত্য, ধ্যান, ভ্রমণ, পাঠ, স্নান, আহার—এই ক্রম ঘড়ির মতো পালিত হইত।
হরিনাথ ঠাকুরকে অবতার বলিয়া জানিয়াছিলেন। প্রশ্ন করিলেন, “কেমন আছেন ?” ঠাকুর বলিলেন, “বড় কষ্ট হচ্ছে, খেতে পাচ্ছি না, অসহ্য জ্বালাযন্ত্রণা হচ্ছে।” আপনি যাহাই বলুন না কেন, আমি দেখছি আপনি অসীম আনন্দের সমুদ্র।” ইহা শুনিয়া ঠাকুর মৃদহাস্যে আপনমনে বলিলেন, “শালা ধরে ফেলেছে রে !”
মহাপ্রয়াণের দিনে করজোড়ে বলিলেন, “জয় গুরুদেব, জয় গুরুদেব,জয় রামকৃষ্ণ,জয় রামকৃষ্ণ ! বল, বল, তিনি সত্যস্বরূপ, জ্ঞানস্বরূপ।” হরি মহারাজ, আর বলিলেন, “ব্রহ্ম সত্য, জগৎ সত্য, সব সত্য—সত্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠিত।”
♣♣♣♦♦♣♣♣
He who fears and doubts cannot make any progress either in The Spiritual or Worldly sphere.
![]() |
| Swami Adbhutananda |
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
What is Renunciation
“हवाई जहाज होता तो इस ट्रैफिक का झंझट नही होता”
बहुत ही सुंदरपंक्तियां भेजी है, फारवर्ड करने सेखुद को रोकनहीं पाया ….
जब भी अपनीशख्शियत पर अहंकारहो,
एक फेरा शमशानका जरुर लगालेना।
और….
जब भी अपनेपरमात्मा से प्यारहो,
किसी भूखे कोअपने हाथों सेखिला देना।
जब भी अपनीताक़त पर गुरुरहो,
एक फेरा वृद्धाआश्रम का लगालेना।
और….
जब भी आपकासिर श्रद्धा सेझुका हो,
अपने माँ बापके पैर जरूरदबा देना।
जीभ जन्म सेहोती है औरमृत्यु तक रहतीहै क्योकि वोकोमल होती है.
दाँत जन्म केबाद में आतेहै और मृत्युसे पहले चलेजाते हैं…
क्योकि वो कठोरहोते है।
छोटा बनके रहोगेतो मिलेगी हर
बड़ी रहमत…
बड़ा होने परतो माँ भीगोद से उतार
देती है..
किस्मत और पत्नी
भले ही परेशानकरती है लेकिन
जब साथ देतीहैं तो
ज़िन्दगी बदल देतीहैं.।।
“प्रेम चाहिये तो समर्पणखर्च करना होगा।
विश्वास चाहिये तो निष्ठाखर्च करनी होगी।
साथ चाहिये तो समयखर्च करना होगा।
किसने कहा रिश्तेमुफ्त मिलते हैं।
मुफ्त तो हवाभी नहीं मिलती।
एक साँस भीतब आती है,
जब एक साँसछोड़ी जाती है!!”?.:
नंगे पाँव चलते“इन्सान” को लगताहै
कि “चप्पल होतेतो क अच्छाहोता”
बाद मेँ……….
“साइकिल होती तोकितना अच्छा होता”
उसके बाद में………
“मोपेड होता तोथकान नही लगती”
बाद में………
“मोटर साइकिल होतीतो बातो–बातोमेँ
रास्ता कट जाता”
फिर ऐसा लगाकी………
“कार होती तोधूप नही लगती”
फिर लगा कि,
“हवाई जहाज होतातो इस ट्रैफिकका झंझट
नही होता”
जब हवाई जहाजमें बैठकर नीचेहरे–भरे घासके मैदान
देखता है तोसोचता है,
कि “नंगे पावघास में चलतातो दिल
को कितनी “तसल्ली” मिलती”…..
” जरुरत के मुताबिक“जिंदगी” जिओ – “ख्वाहिश”….. के
मुताबिक नहीं………
क्योंकि ‘जरुरत’
तो ‘फकीरों’ कीभी ‘पूरी’ होजाती है, और
‘ख्वाहिशें’….. ‘बादशाहों ‘ की भी“अधूरी” रह जातीहै”…..
“जीत” किसके लिए, ‘हार’ किसके लिए
‘ज़िंदगी भर’ ये‘तकरार’ किसके लिए…
जो भी ‘आया’ है वो ‘जायेगा’ एक दिन
फिर ये इतना“अहंकार” किसके लिए…
ए बुरे वक़्त!
ज़रा “अदब” सेपेश आ !!
“वक़्त” ही कितनालगता है
“वक़्त” बदलने में………
मिली थी ‘जिन्दगी’ , किसी के
‘काम’ आने के लिए…..
पर ‘वक्त’ बीतरहा है , “कागज” के “टुकड़े” “कमाने” के लिए………
This House is old Sri Ramakrishna Math I यह घर पुराना श्री रामकृष्ण मठ है
The Old Math: The place originally belonged to one Nilambar Mukherjee and was known as Nilambar Mukherjee’s garden-h
ouse. It stands further south on the bank of the Ganga. Holy Mother Sri Sarada Devi stayed here several times before the Belur Math came into existence. On the first floor terrace of the house, she performed panchatapa, ‘five-fire austerity’ in 1893. Since the Ramakrishna Math was located in this house from 13th February 1888 to 1st January 1899 before it was permanently shifted to the present premises, it is known as the Old Math.
প্রাচীন মঠ: জায়গা মূলত এক নীলাম্বর মুখোপাধ্যায় থেকে belonged এবং নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ির নামে পরিচিত ছিল. এটা গঙ্গার তীরে আরও দক্ষিণে দাঁড়িয়েছে. পবিত্র মাতার শ্রী শ্রীমা এখানে বেশ কয়েকবার থাকলেন সামনে বেলুড় মঠ অস্তিত্বে এসেছে. বাড়ির দ্বিতল ছাদের উপর, তিনি 1893 সালে panchatapa, ‘পাঁচ-আগুন কঠোরতা‘ সঞ্চালিত যেহেতু রামকৃষ্ণ মঠ জানুয়ারি 1899 13 ফেব্রুয়ারি 1888 থেকে এই বাড়িতে 1st মধ্যে অবস্থিত ছিল আগে এটি স্থায়ীভাবে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়, এটা প্রাচীন মঠ নামে পরিচিত.
पुराने गणित: जगह मूल रूप से एक Nilambar मुखर्जी के थे और Nilambar मुखर्जी के बगीचे घर के रूप में जाना जाता था। यह गंगा के तट पर आगे दक्षिण खड़ा है। पवित्र माँ श्री शारदा देवी यहां कई बार रुके पहले बेलूर मठ के अस्तित्व में आया था। घर की पहली मंजिल छत पर, वह 1893 में panchatapa, ‘पांच आग तपस्या’ प्रदर्शन के बाद रामकृष्ण मठ जनवरी 1899 13 वीं फरवरी 1888 से इस घर को 1 में स्थित था इससे पहले कि यह स्थायी रूप से वर्तमान परिसर में स्थानांतरित कर दिया गया था, यह पुराने गणित के रूप में जाना जाता है।













