//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }
“সারদা” নামেই মুক্তি
🌺 🌻 🌹
আজ আপনাদের সবাইকে মায়ের এক অজানা গল্প শোনাব।
আমরা সবাই মায়ের দিক থেকেই মমতার আকার দেখেছি। তাঁর মমতা কিভাবে অপরকে আত্মসাৎ করে নিয়েছে তার একটি দৃষ্টান্ত দেব আপনাদের সকলকে আজ।
দৃষ্টান্তটি একটি অনন্য সাধারণ মুমূর্ষু বালকের। বালকের বয়স নয় কি দশ বছর। অনাথ এই বালক ‘ মায়ের বাড়ী ‘ তে থাকত। দুরারোগ্য ব্যাধিতে সে আক্রান্ত। তাকে বাঁচাবার সমস্ত চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। অবশেষে অন্তিম মুহূর্তটি ঘনিয়ে এল। কিন্তু তখনো তার জ্ঞান সম্পূর্ণ রয়েছে। মা তার বিদায়–মুহূর্তটি আসন্ন জেনে নির্দেশ দিলেন তাকে গঙ্গাতীরে নিয়ে যেতে,যাতে সেখানে সে সজ্ঞানে শেষনি:শ্বাস ত্যাগ করতে পারে। যখন সে–ব্যবস্থা হলো তখন নির্ভীক বালক জিজ্ঞাসা করল: ” তাহলে আমার মৃত্যু কি নিকটে?” “মায়ের আদেশ” বলে সকলে তার প্রশ্নকে এড়িয়ে গেলেন। ছেলেটি তৎক্ষণাৎ বলল:” নিশ্চয়ই। মাকে আমার প্রণাম। তাঁর কথা তো শুনতেই হবে। আপনারা আমাকে নিয়ে চলুন। “
তখন শয্যা–সহ তাকে সকলে বাইরে নিয়ে এলেন। মা বাইরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আতননেত্রে তার দিকে চেয়ে আছেন। চোখ দিয়ে অবিরল অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ বালকের সারা গায়ে গঙ্গামাটি দিয়ে প্রথমে শ্রীরামকৃষ্ণ, তারপর শ্রীকৃষ্ণ ও অন্যান্য দেবতার নাম লিখতে লাগলেন। বালক প্রশ্ন করল: ” তোমরা কি লিখছ আমার গায়ে?” স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ বললেন: ” দেবতার নাম লিখছি। প্রথমে লিখেছি শ্রীরামকৃষ্ণ, তারপর শ্রীকৃষ্ণ, তারপর অন্যান্য দেবতার নাম।” ছেলেটি শুয়ে শুয়ে নামগুলি দেখল।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
তারপর বলল: ” সব নাম মুছে শুধু একটি নাম লেখ– ‘সারদা‘। ঐ নামটি নিয়েই এতদিন বেঁচেছি – মরণের সময় ঐ নামটি নিয়েই আমি যাব।” তাই করা হলো। বালকের মুখ তখন অপূর্ব এক তৃপ্তিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। তার দৃষ্টি মায়ের দিকে– মায়ের কাছে সে শেষ বিদায় চাইছে। মা এতক্ষণ নীরবে কাঁদছিলেন,আর সামলাতে পারলেন না। ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন। সকলে বালককে কাঁধে নিয়ে গঙ্গাতীরে নিয়ে চললেন। সমস্ত পথ সে চমৎকার কথা বলছিল। নদীতীরে পৌঁছানোমাত্র তার কণ্ঠ নীরব হলো। শয্যা নামানো হলে সবাই দেখল, সে শেষনি:শ্বাস ত্যাগ করেছে।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
তারপর বলল: ” সব নাম মুছে শুধু একটি নাম লেখ– ‘সারদা‘। ঐ নামটি নিয়েই এতদিন বেঁচেছি – মরণের সময় ঐ নামটি নিয়েই আমি যাব।” তাই করা হলো। বালকের মুখ তখন অপূর্ব এক তৃপ্তিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। তার দৃষ্টি মায়ের দিকে– মায়ের কাছে সে শেষ বিদায় চাইছে। মা এতক্ষণ নীরবে কাঁদছিলেন,আর সামলাতে পারলেন না। ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন। সকলে বালককে কাঁধে নিয়ে গঙ্গাতীরে নিয়ে চললেন। সমস্ত পথ সে চমৎকার কথা বলছিল। নদীতীরে পৌঁছানোমাত্র তার কণ্ঠ নীরব হলো। শয্যা নামানো হলে সবাই দেখল, সে শেষনি:শ্বাস ত্যাগ করেছে।
বালক চলে গেল। পড়ে রইল তার নিস্পন্দ দেহখানি,যার ওপর অগ্নির অক্ষরে লেখা রয়েছে একটি নাম– “সারদা“। সে তার জীবন দিয়ে বুঝিয়ে দিল, যে – দেহটি সে নদীতীরে ফেলে গেল সেই দেহটি যাঁর কাছ থেকে সে পেয়েছিল তিনি তার এই জীবনের জননী, আর সেই দেহে যাঁর নাম বহন করে জীবননদীর পরপারে সে চলল তিনি তার জন্মজন্মান্তরের জননী, অনন্ত জীবন ধরে তার সঙ্গে তার সম্পর্ক।
জয় মা সারদা !!!
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

