“তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্ ৷
কথামৃতে আজকের দিন–
SRI RAMAKRISHNA TODAY
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
![]() |
| SRI RAMAKRISHNA |
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
দ্বিতীয়, waste (অপব্যয়) না হয়। অনেকে জিনিস নষ্ট করে, তা দেখতে পারতেন না। একবার এক টুকরা লেবুর জায়গায় ছয় টুকরা কেটেছিল বলে তিরস্কার করেছিলেন কাশীপুরে। বলেছিলেন, ভক্তরা কত কষ্ট করে অর্থোপার্জন করে, সেই অর্থে সেবা হচ্ছে, তার অপব্যবহার! বলতেন, লক্ষ্মীছাড়া থেকে কৃপণ হওয়া ভাল। দু’টোই খারাপ, তবু তো যা তা নষ্ট না করে কৃপণ হওয়া ভাল। আহারের সময় অনেকে ভাতটাত কত নষ্ট করে। এসব পছন্দ করতেন না। কুকুরের জন্য দুটি রাখতে হয়। তাছাড়া যেমন আবশ্যক তেমনি নাও – নষ্ট না হয়।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
![]() |
| শ্রীরামকৃষ্ণ |
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জ্ঞানী ও ভক্তদের প্রভেদ
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
গঙ্গার কাছেই আমাদের বাড়ি। পশ্চিম পাড়ে সূর্য অস্ত যাচ্ছে। মনে মনে বললাম– ‘পরাধীন ভারতবর্ষের শেষ সূর্য তুমি অস্ত যাচ্ছ। কাল যখন তুমি পূর্ব আকাশে উদিত হবে, তখন ভারতবর্ষ স্বাধীন’।
* * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * *
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, অখিল ভারত বিবেকানন্দ যুব মহামণ্ডল।
৪০তম সর্বভারতীয় বার্ষিক যুব শিক্ষণ শিবিরে প্রশ্নোত্তরের কিছু অংশ (২০০৬)।
একজন সম্ভ্রান্ত অর্থ সম্পন্ন মহিলা শাড়ির দোকানে যায় এবং কাউন্টারের ছেলেটিকে বলে “ভাই, আমাকে কিছু সস্তা দামের শাড়ি দেখাও. আমার ছেলের বিয়ে, তাই বাড়ির কাজের মহিলাকে দিতে হবে.”
কিছুক্ষণ পর, বাড়ির কাজের মহিলাটি শাড়ির দোকানে এল এবং কাউন্টারের ছেলেটিকে বলল, “ভাই, কিছু দামি শাড়ি দেখাও তো, আমি আমার মালিকের ছেলের বিয়েতে উপহার দিতে চাই.”
দারিদ্রতা মানিব্যাগে না মনের মধ্যে থাকে ?
একদা, একটি মহিলা তার পরিবারের সাথে বিশেষ প্রয়োজনে একটি তিন ★★★ তারা হোটেলে গিয়েছিলেন।মহিলাটির সাথে তার ছয় মাসের একটি শিশু ছিল,
“আমি কী এক কাপ দুধ পেতে পারি ?” মহিলাটি তিনতারা ★★★ হোটেলের ম্যনেজারকে জিজ্ঞাসা করল.
“হ্যাঁ, ম্যাডাম “, তিনি উত্তর করলেন, “কিন্তু এর জন্য আপনাকে *দাম দিতে হবে.”
“ঠিক আছে “, মহিলাটি বলল।
যখন তারা গাড়ি করে হোটেল থেকে ফিরছিলো, ছেলেটির পুনরায় ক্ষিদে পেল। তারা রাস্তার ধারে একটি চায়ের দোকানের সামনে গাড়িটা দাঁড় করাল এবং চা বিক্রেতার কাছ থেকে দুধ নিল…
“কত দাম দেব ?” মহিলাটি চা বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করল।
তখন চা বিক্রেতা বললো, “মা, আমরা বাচ্চার জন্য দুধের দাম নিই না.”,
বৃদ্ধ চা বিক্রেতা মৃদু হেসে বলল, “রাস্তায় যদি প্রয়োজন হয় আরো এক কাপ দুধ রেখে দিন “।
ভদ্র মহিলা আরো এক কাপ দুধ নিয়ে চলে গেলেন। তিনি অবাক হয়ে ভাবলেন , “কে বেশী ধনী ??
হোটেল ম্যানেজার না বৃদ্ধ চা বিক্রেতা ?”
মাঝে – মাঝে, অর্থ রোজগারের ইঁদুর দৌড়ে আমরা ভুলে যাই যে আমরা
আসুন কোনকিছু ফেরত পাবার আশা না রেখে আমরা অন্যের প্রয়োজনে হাত বাড়িয়ে দিই।
এটা আমাদের মনে যে সন্তোষ প্রদান করবে, অনেক অর্থও সে সন্তোষ দিতে পারবে না।
দুধ :ও: চিনির সাথে পরিচয় না হলে কফি জানতেই পারত না তার স্বাদ এত সুন্দর ও সুস্বাদু হতে পারে।
আমরা ব্যক্তি হিসাবে নিঃসন্দেহে ভাল কিন্তুু, আরো ভাল হতে পারি যদি আমরা উপযুক্ত লোকের সংস্পর্শে আসতে পারি এবং, এমন লোকের সাথে মিলেমিশে কাজ করতে পারি….
সর্বদা সঠিক লোকের সংস্পর্শে থাকুন।
“পৃথিবী সুন্দর মানুষে পরিপূর্ণ….যদি এমন মানুষের খোঁজ না পান *….নিজে এমন মানুষ হন .”*