Sangha janoni ma Sarada devi II সঙ্ঘজননী ও মা II সন্ন্যাসীরা অনাবশ্যক কঠোরতা করবেন ,মা তা চাইতেন না l কোয়ালপাড়া আশ্রমে খাওয়া-দাওয়ার অসুবিধে ছিল l

কামারপুকুরের পরম পূজনীয় ভবেশ মহারাজ।
সঙ্ঘজননী ও মা
————_————
সন্ন্যাসীরা অনাবশ্যক কঠোরতা করবেন ,মা তা চাইতেন না l কোয়ালপাড়া আশ্রমে খাওয়া-দাওয়ার অসুবিধে ছিল l ত্যাগী-সন্তানদের স্বাস্থ্যের কথা কথা মনে রেখে মা সেখানে মাছ খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন l স্বামী বিশুদ্ধানন্দ ,স্বামী শান্তানন্দ এবং স্বামী গিরিজানন্দের
বাসনা ছিল শ্রীমার কাছ থেকে সন্ন্যাস নিয়ে অবশিষ্ট জীবন পরিব্রাজক সন্ন্যাসী রূপে কাটিয়ে দেবেন l মা তাদের সন্ন্যাস দিলেন ,তবে পরিব্রাজক-জীবনের কঠোরতায় মায়ের মন সায় দিল না l তাঁদের সংকল্পের মর্যাদা রক্ষা করে মা তাঁদের কাশী পর্যন্ত পদব্রজে যাওয়ার অনুমতি দিলেন l
স্বামী ব্রজেশ্বরানন্দ  কাশী গিয়ে তপস্যা করার জন্য মার কাছে অনুমতি চাইলে মা বলেন –“কার্তিক মাস ,লোকে বলে যমের চার দোর খোলা l আমি মা ; আমি কি করে বলি ,বাবা ,তুমি যাও ?আবার বলছ , হাতে পয়সা নেই ,খিদে পেলে কে খেতে দেবে , বাবা ?”স্বামী ব্রজেশ্বরানন্দর আর যাওয়া   হল না l
ত্যাগী-সন্তানদের কারও স্বাস্থ্যহানি হলে মা যেমন চিন্তিতা  হতেন ,ততোধিক চিন্তিতা হতেন যদি কারও আচরণে ত্রুটি দেখতেন l
সাধুর কারও প্রতি শ্রদ্বা-ভক্তি থাকতে পারে l কিন্তু সেই শ্রদ্বা-ভক্তি হবে আদর্শ ভিত্তিক l মা তাই বলতেন —
“সাধু সব মায়া কাটাবে l সোনার শিকলও বন্ধন আবার লোহার শিকলও বন্ধন l সাধুর মায়ায় জড়াতে নেই l “
আগ্রহী সন্তানদের গৈরিক দিয়ে মা যেমন আনন্দ পেতেন ,তেমনি যাতে সেই সন্তান গৈরিকের মর্যাদা রক্ষা করতে পারে ,সেইজন্য যথাযথ উপদেশও দিতেন l একবার ঠাকুরের সময়ের কোন গৃহী ভক্তের সাথে স্বামী শান্তানন্দর কাশী যাওয়ার কথা হয় l মা সব শুনে বললেন :-“তুমি সাধু ,তোমার কি আর যাওয়ার ভাড়া জুটবে না ?ওরা গৃহস্থ ,ওদের সাথে কেন যাবে ? এক গাড়িতে যাবে ,হয়তো বললে ,এটা কর ,ওটা কর l তুমি সন্ন্যাসী ,তুমি কেন সেসব করতে যাবে ?”
পক্ষী-জননী যেমন নিজের পক্ষপুট দিয়ে শাবককে রক্ষা করে ,মা তেমনি ভাবে তাঁর সব সন্তানদের নিজের স্নেহের আঁচল তলে ঢেকে রাখতেন lস্বামী বিরজানন্দ খুবই অসুস্থ অবস্থায় মাকে জয়রামবাটিতে দর্শন করতে গেলে পর মা জিজ্ঞাসা করলেন : “ধ্যান কোথায় কর ? হৃদয়ে না সহস্রারে ?”স্বামী বিরজানন্দ উত্তর দিলেন :–
“সহস্রারে” l শুনে মা বললেন –“বাবা করেছ কি? ও যে শেষ অবস্থার কথা —পরমহংস অবস্থার কথা l একেবারেই কি অত উঁচুতে মনকে রাখতে পারা যায় ? প্রথমে একবার মনকে মস্তকে নিয়ে গিয়ে পরে হৃদয়ে নামিয়ে এনে সেখানে ইষ্টর ধ্যান করতে হয় l ” আসলে মা তাঁর আদরের সন্তানকে দেখেই বুঝতে পেরেছিলেন যে এই রোগ শরীরের নয় ,তাই সমস্ত চিকিৎসা ,নিয়ম-পালন , পথ্যাদি যা করতে পারেনি মায়ের সামান্য বিধানে তা সম্ভব হল l
যে ভুল করেছে ,মাতৃসুলভ স্নেহ দিয়ে তার ভুল দেখিয়ে দিয়েছেন ,ভুল সংশোধন করে নিতে উৎসাহ দিয়েছেন কিন্তু স্নেহান্ধ হয়ে দুর্বলতাকে প্রশ্রয় দেননি l একবার তাঁর এক ত্যাগী সন্তান সন্ন্যাসের পবিত্র ব্রত ভঙ্গ করে অনুতপ্ত হলে মা তাঁকে বলেছিলেন –“তোমার সব অপরাধ আমি ক্ষমা করছি ,তুমি আমার সন্তানই থাকবে ,কিন্তু ব্রত ভঙ্গকারীর কোন প্রায়শ্চিত্তেই সন্ন্যাসীসঙ্ঘে স্থান হতে পারে না l ” মাতৃহৃদয় ও ক্ষেত্রবিশেষে কত কঠিন হতে পারে ,এ ঘটনা তার উজ্বল দৃষ্টান্ত l
Ma Sarada Devi নিবেদিতা লিখেছেন —“যখন কঠোরতার প্রয়োজন হত তখন মা কোনরকম যুক্তিহীন ভাবালুতায় বিভ্রান্ত হতেন না l “শ্রীশ্রীমা বিশেষভাবে বিচলিত হতেন যখন দেখতেন তাঁর কোন সাধু সন্তান ভিক্ষা করে খেয়ে ইতস্তত ঘুরে বেড়াছে l তিনি চাইতেন সাধুরা সব একসাথে থাকুন ,আর সাধনভজন ও আর্ত-নারায়ণের সেবা করে জীবন কাটান l
জয় ঠাকুর-জয় মা-জয় স্বামীজী মহারাজ l  Radhe Radhe

WHAT IS AN E ..*Vry nice Message Received after Long Time. Please do read it *

*Vry nice Message Received after a Long Time. Please do read it *
*The …E… life !!!!!*
*In this world of E-mails, E-ticket, E-paper, E-recharge, E-transfer and the latest E-Governance…*
*Never Forget “E-shwar ( God )”*
*who makes e-verything e-asy for e-veryone e-veryday.*
*”E” is the most Eminent letter in the English alphabet.*
*Men or Women don’t exist without “E”.*
*House or Home can’t be made without “E”.*
*Bread or Butter can’t be found without “E”.*
*”E” is the beginning of “existence” and the end of “trouble.”*
*It’s not at all in ‘war’but twice in ‘peace’*
*It’s once in ‘hell’ but twice in ‘heaven’.*
*E” represented in ‘Emotions’*
*Hence*  *all emotional relations like Father, Mother, Brother, Sister, wife & friends have ‘e’ in them.*
*E” also represents ‘Effort’ & ‘Energy’*
*Hence to be ‘Better’ from good both “e” ‘s are added.*
*Without “e”, we would have no love, life, wife, friends or hope*
*& ‘see’, ‘hear’, ‘smell’, or ‘taste’ as ‘eye’ ‘ear’, ‘nose’ & ‘tongue’ are incomplete without “e”.*
*Hence GO with “E” but without E-GO.*

Swami Virajanada( bani ) paromartha prosongo II পরমার্থ প্রসঙ্গ II

Swami Virajanada

রামকৃষ্ণ-শরণম…….

বিষয়ের বা কারও প্রতি আসক্তি  বা    
       মমত্ববুদ্ধিই সমস্ত সংসারবন্ধনের মূল কারণ ।
জ্ঞানী লোক কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে ভালোবাসেন না এবং
অপরকেও তাঁর প্রতি  ব্যক্তিগতভাবে ভালোবাসতে বা আসক্ত হতে দিতে চান না । নিজে মুক্ত বলে তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার  বদ্ধ হতে দিতে চান না । তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার বদ্ধ হতে দিতে চান না । নিজে মুক্ত বলে তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার বদ্ধ হতে দিতে চান না ।
তিনি নিজের আত্মাকে, ভগবানকে সকলের মধ্যে দর্শন করেন বলে সর্বজীবে সমভাবে তাঁর ভালোবাসা বা প্রেম ।
তাঁর প্রেমে  দেহেন্দ্রিয়-সম্বন্ধ নেই, কামগন্ধ নেই,  রূপজ মোহ নেই ।
জ্ঞানীই প্রকৃত প্রেমিক,  প্রকৃত প্রেমিক ই জ্ঞানী ।
ত্যাগ, প্রেম ও পবিত্রতা ভগবান লাভের উপায় ।
এরা পরস্পর অঙ্গাঙ্গি ভাবে সম্বন্ধ, একটি হলে অপর দুটিও থাকে ।
✔✔সমস্ত বিষয় বাসনায় বিতৃষ্ণা,
✔✔সর্বজীবে ভালোবাসা, আপনবোধ,এবং
◆অন্তরে____পবিত্র____না____হলে_____প্রেমস্বরূপ, পবিত্রতাস্বরূপ______পরমেশ্বরকে লাভ করা যায় না ।
√√অন্তরে পবিত্র চিন্তার ধারা যাতে বয় সে বিষয়ে সর্বদা যত্ন করলে কুচিন্তা,  কুপ্রবৃত্তি সব পালায়, ◆চরিত্র, ◆মন এমনি গড়ে যায় যে, তার দ্বারা কোন ◆কুকর্ম,  ◆কুচিন্তা,  ◆দ্বেষ,  ◆হিংসা সম্ভব হয় না । এরকম লোকের ভেতর থেকে এমন তেজ বা শক্তির প্রকাশ হয় যে,  ________তাঁর  সংস্রবে এসে অসাধু সাধু হয়ে যায়, মহাপাপী ধার্মিক ও সত্যনিষ্ঠ হয়, নাস্তিকও ভগবদভক্ত হয়ে যায়, সংসার তাপে তাপিত ব্যক্তি শান্তির অধিকারী হয় ।
                                                                                          ~~~~~~~স্বামী বিরজানন্দ । (পরমার্থ প্রসঙ্গ)
.      ভগবান যখন তাঁর অসীম কৃপায় গুরুমুখে তাঁর সিদ্ধমন্ত্র দিয়েছেন, তাঁকে পাবার চাবিকাঠি দিয়েছেন – তখন জানবে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন | এখন তোমার সেইটি ধারণা হওয়া চাই | যদি সেই অমূল্য রত্নকে অযত্নে ও অবহেলায় হারাও তো জানবে তুমি তাঁর কৃপার অযোগ্য | তাঁর কদর করা মানে গুরুদত্ত মন্ত্র ও উপদেশ সর্বান্ত:করণে সাধন ও পালন করা, যতদিন না বস্তু লাভ হয় | তাহলে গুরুর ঋণের কথঞ্চিৎ প্রতিদান করা হবে | ভগবানকে যত আপনার হতে আপনার বলে জানবে, ততই তুমি তাঁর কৃপার অধিকারী হবে, তাঁর কৃপার এ জন্মেই জীবন্মুক্ত, নিত্যানন্দময় হবে | প্রেম, অনুরাগ যতদিন না আসে ততদিন সংসার কখনই অনিত্য ও অসার বলে বোধ হবে না | মন তো একটি বই দুটি নয়, আর মনকে ভিন্ন ভিন্ন কামরায় ভাগ করা যায় না যে, কতকটা ভগবানে দেবে আর কতকটা বিষয়-বাসনায় ভরে রাখবে | সব মন ভগবানে না দিলে তাঁকে লাভ করা যায় না, ফলে বারে বারে সংসারে আসা যাওয়া ও অশেষ দু:খ ভোগ করতে হয় | সংসার ত্যাগ করতে হলে যে সন্ন্যাসী হয়ে বনে যেতে হবে তা নয় | আসল ত্যাগ হচ্ছে মনে | মনে ত্যাগ করলে সংসারেই থাক আর বনেই থাক,একই কথা | মনে ত্যাগ না করে বনে গেলেও সংসার সঙ্গে সঙ্গে যাবে ও ভোগাবে, নিস্তার পাবে না. সংসারের সব সুখটুকুও চাই আবার ভগবানকেও পেতে চাই, তা হয় না গো হয় না |যদি ভগবান এসে বলেন, তুই আমাকে চাস, না স্ত্রীপুত্র, নাতিপুতি নিয়ে ঐশ্বর্যশালী হয়ে সুস্থ শরীরে শতাধিক বৎসর বেঁচে থাকতে চাস ? তা হলে দেখবে, কোটি লোকের মধ্যে জোর একজন ছাড়া বাকি সকলে শেষেরটিই চাইবে |ভগবানকে পেতে হলে ষোল আনা মনপ্রাণ দিতে হবে – এক পাই, এক কড়া-ক্রান্তি কম হলেও চলবে না | আমরা চাই , কিছু না খেটেখুটে সহজে ও সব দিক বজায় রেখে যদি তাঁকে পাওয়া যায় ! যদি কৃপা করে পাইয়ে দেন তো কথাই নেই ! তা কি হয় গো ? সে যে কড়ার কড়া তস্য কড়া আপন গন্ডা বুঝে লবে | যে তাঁকে চায় সে তাঁকে পায় ; যে তাঁকে না চায় তাকে পাঁচ ভুতে নাচায় | বিজ্ঞাপনে পড়ে আট আনা ভরি সোনা কিনতে অনেকে ছোটে, কিন্তু আসল সোনাই সোনা, অন্য সোনা সোনা নয় – মেকী, ভুয়ো, আট আনাই নষ্ট |  
                                                                                              ~~~~~~~~~~~~~~ (পরমার্থ প্রসঙ্গ)
ভগবান যখন তাঁর অসীম কৃপায় গুরুমুখে তাঁর সিদ্ধমন্ত্র দিয়েছেন, তাঁকে পাবার চাবিকাঠি দিয়েছেন – তখন জানবে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন | এখন তোমার সেইটি ধারণা হওয়া চাই | যদি সেই অমূল্য রত্নকে অযত্নে ও অবহেলায় হারাও তো জানবে তুমি তাঁর কৃপার অযোগ্য | তাঁর কদর করা মানে গুরুদত্ত মন্ত্র ও উপদেশ সর্বান্ত:করণে সাধন ও পালন করা, যতদিন না বস্তু লাভ হয় | তাহলে গুরুর ঋণের কথঞ্চিৎ প্রতিদান করা হবে | ভগবানকে যত আপনার হতে আপনার বলে জানবে, ততই তুমি তাঁর কৃপার অধিকারী হবে, তাঁর কৃপার এ জন্মেই জীবন্মুক্ত, নিত্যানন্দময় হবে |
প্রেম, অনুরাগ যতদিন না আসে ততদিন সংসার কখনই অনিত্য ও অসার বলে বোধ হবে না | মন তো একটি বই দুটি নয়, আর মনকে ভিন্ন ভিন্ন কামরায় ভাগ করা যায় না যে, কতকটা ভগবানে দেবে আর কতকটা বিষয়-বাসনায় ভরে রাখবে | সব মন ভগবানে না দিলে তাঁকে লাভ করা যায় না, ফলে বারে বারে সংসারে আসা যাওয়া ও অশেষ দু:খভোগ করতে হয় | সংসার ত্যাগ করতে হলে যে সন্ন্যাসী হয়ে বনে যেতে হবে তা নয় | আসল ত্যাগ হচ্ছে মনে | মনে ত্যাগ করলে সংসারেই থাক আর বনেই থাক, একই কথা | মনে ত্যাগ না করে বনে গেলেও সংসার সঙ্গে সঙ্গে যাবে ও ভোগাবে, নিস্তার পাবে না | সংসারের সব সুখটুকুও চাই  আবার ভগবানকেও পেতে চাই, তা হয় না গো হয় না |যদি ভগবান এসে বলেন, তুই আমাকে চাস, না স্ত্রীপুত্র, নাতিপুতি নিয়ে ঐশ্বর্যশালী হয়ে সুস্থ শরীরে শতাধিক বৎসর বেঁচে থাকতে চাস ? তা হলে দেখবে, কোটি লোকের মধ্যে জোর একজন ছাড়া বাকি সকলে শেষেরটিই চাইবে | ভগবানকে পেতে হলে ষোল আনা মনপ্রাণ দিতে হবে – এক পাই, এক কড়া-ক্রান্তি কম হলেও চলবে না | আমরা চাই , কিছু না খেটেখুটে সহজে ও সব দিক বজায় রেখে যদি তাঁকে পাওয়া যায় ! যদি কৃপা করে পাইয়ে দেন তো কথাই নেই                         !! তা কি হয় গো ? সে যে কড়ার কড়া তস্য কড়া আপন গন্ডা বুঝে লবে |
                                যে তাঁকে চায় সে তাঁকে পায় ; যে তাঁকে না চায় তাকে পাঁচ ভুতে নাচায় |!!
বিজ্ঞাপনে পড়ে আট আনা ভরি সোনা কিনতে অনেকে ছোটে, কিন্তু আসল সোনাই সোনা, অন্য সোনা সোনা নয় – মেকী, ভুয়ো, আট আনাই নষ্ট |~~~~~~~~~~~~~~~~~~~(পরমার্থ প্রসঙ্গ)

Sri ramakrishna kothamrita

sri Ramakrishna

“তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্‌ ৷

শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং, ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ ৷৷”

কাছাকাছি দিন থেকে-

পঞ্চম পরিচ্ছেদ

১৮৮১, ১০ই ডিসেম্বর

রাজেন্দ্রের বাড়ি

অনেকগুলি ব্রাহ্মভক্ত আসিয়াছেন দেখিয়া ঠাকুর বলিতেছেন —

“ব্রাহ্মসভা না শোভা? ব্রাহ্মসমাজে নিয়মিত উপাসনা হয়, সে খুব ভাল; কিন্তু ডুব দিতে হয়। শুধু উপাসনা, লেকচারে হয় না। তাঁকে প্রার্থনা করতে হয়, যাতে ভোগাসক্তি চলে গিয়ে তাঁর পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়।

“হাতির বাহিরের দাঁত আছে আবার ভিতরের দাঁতও আছে। বাহিরের দাঁতে শোভা, কিন্তু ভিতরের দাঁতে খায়। তেমনি ভিতরে কামিনী-কাঞ্চন ভোগ করলে ভক্তির হানি হয়।

“বাহিরে লেকচার ইত্যাদি দিলে কি হবে? শকুনি উপরে উঠে কিন্তু ভাগাড়ের দিকে নজর। হাওয়াই হুস করে প্রথমে আকাশে উঠে যায় কিন্তু পরক্ষণেই মাটিতে পড়ে যায়।

“ভোগাসক্তি ত্যাগ হলে শরীর যাবার সময় ঈশ্বরকেই মনে পড়বে। তা না হলে এই সংসারের জিনিসই মনে পড়বে — স্ত্রী, পুত্র, গৃহ, ধন, মানসম্ভ্রম ইত্যাদি। পাখি অভ্যাস করে রাধাকৃষ্ণ বোল বলে। কিন্তু বেড়ালে ধরলে ক্যাঁ ক্যাঁ করে।

“তাই সর্বদা অভ্যাস করা দরকার। তাঁর নামগুণকীর্তন, তাঁর ধ্যান, চিন্তা, আর প্রার্থনা — যেন ভোগাসক্তি যায় আর তোমার পাদপদ্মে মন হয়।

“এরূপ সংসারী লোক, সংসারে দাসীর মতো থাকে, সব কর্ম কাজ করে, কিন্তু দেশে মন পড়ে থাকে। অর্থাৎ ঈশ্বরের উপর মন রেখে কর্মগুলি করে। সংসার করতে গেলেই গায়ে পাঁক লাগে। ঠিক ভক্ত সংসারী পাঁকাল মাছের মতো, পাঁকে থেকেও গা পাঁকশূন্য।

“ব্রহ্ম ও শক্তি অভেদ। তাঁকে মা বলে ডাকলে শীঘ্র ভক্তি হয়, ভালবাসা হয়।”

এই বলিয়া শ্রীরামকৃষ্ণ গান ধরিলেন:

শ্যামাপদ আকাশেতে মন ঘুড়িখানা উড়িতেছিল।

কলুষের কুবাতাস খেয়ে গোপ্তা খেয়ে পড়ে গেল।।

গান  —  যশোদা নাচাতো গো মা বলে নীলমণি

সে বেশ লুকালি কোথা করালবদনি।।

ঠাকুর উঠিয়া নৃত্য করিতেছেন ও গান গাহিতেছেন। ভক্তেরাও উঠিয়াছেন।

শ্রীরামকৃষ্ণ মুহুর্মুহু সমাধিস্থ হইতেছেন। সকলেই একদৃষ্টে দেখিতেছেন আর চিত্রপুত্তলিকার ন্যায় দাঁড়াইয়া আছেন।

ডাক্তার দুকড়ি সমাধি কিরূপ পরীক্ষা করিবার জন্য চক্ষে আঙুল দিতেছেন। তাহা দেখিয়া ভক্তেরা অতিশয় বিরক্ত হইলেন।

এ অদ্ভুত সংকীর্তন ও নৃত্যের পর সকলে আসন গ্রহণ করিলেন। এমন সময় কেশব আরও কয়েকটি ব্রাহ্মভক্ত লইয়া আসিয়া উপস্থিত। ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া আসন গ্রহণ করিলেন।

রাজেন্দ্র (কেশবের প্রতি) — চমৎকার নৃত্যগীত হল।

এই কথা বলিয়া শ্রীযুক্ত ত্রৈলোক্যকে আবার গান গাহিতে অনুরোধ করিলেন।

কেশব (রাজেন্দ্রের প্রতি) — যখন পরমহংস মশায় বসেছেন, তখন কোনমতে কীর্তন জমবে না।

গান হইতে লাগিল। ত্রৈলোক্য ও ব্রাহ্মভক্তেরা গান গাহিতে লাগিলেন:

মন একবার হরি বল হরি বল হরি বল।

হরি হরি হরি বলে ভবসিন্ধু পারে চল।।

জলে হরি, স্থলে হরি, চন্দ্রে হরি, সূর্যে হরি,

অনলে অনিলে হরি, হরিময় এ ভূমণ্ডল।।

শ্রীরামকৃষ্ণ ও ভক্তদের খাওয়ার জন্য দ্বিতলে উদ্যোগ হইতেছে। এখনও তিনি প্রাঙ্গনে বসিয়া কেশবের সহিত কথা বলিতেছেন। রাধাবাজারের ফটোগ্রাফারদের ওখানে গিয়াছিলেন — সেই সব কথা।

শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবের প্রতি সহাস্যে) — আজ বেশ কলে ছবি তোলা দেখে এলুম। একটি দেখলুম যে শুধু কাচের উপর ছবি থাকে না। কাচের পিঠে একটা কালি মাখিয়ে দেয়, তবে ছবি থাকে। তেমনি ঈশ্বরীয় কথা শুধু শুনে যাচ্ছি; তাতে কিছু হয় না, আবার তৎক্ষণাৎ ভুলে খায়; যদি ভিতরে অনুরাগ ভক্তিরূপ কালি মাখান থাকে তবে সে কথাগুলি ধারণা হয়। নচেৎ শুনে আর ভুলে যায়।

এইবার ঠাকুর দ্বিতলায় আসিয়াছেন। সুন্দর কার্পেটের আসনে তাঁহাকে বসান হইল।

মনোমোহনের মাতাঠাকুরানী শ্যামাসুন্দরী দেবী পরিবেশন করিতেছেন। মনোমোহন বলিয়াছেন — “আমার স্নেহময়ী জননী সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত করিলেন ও ঠাকুরকে খাওয়াইলেন।” রাম প্রভৃতি খাবার সময় উপস্থিত ছিলেন।

যে ঘরে ঠাকুর খাইতেছেন, সেই ঘরের সম্মুখের দালানে কেশব প্রভৃতি ভক্তরা খাইতে বসিয়াছেন।

ওই দিবসে বেচু চাটুজ্যের স্ট্রীটের ৺শ্যামসুন্দর বিগ্রহের সেবক শ্রীশৈলজাচরণ চাটুজ্যে উপস্থিত ছিলেন। ইনি কয়েকমাস হইল পরলোকগত হইয়াছেন।

“ওঁ নিরঞ্জনং নিত্যমনন্তরূপং ভক্তানুকম্পাধৃতবিগ্রহং বৈ।

ঈশাবতারং পরমেশমীড্যং তং রামকৃষ্ণং শিরসা নমামি।।”

: রামকৃষ্ণ-শরণম…….

বিষয়ের বা কারও প্রতি আসক্তি     

বা       

      

  মমত্ববুদ্ধিই সমস্ত সংসারবন্ধনের মূল কারণ ।

জ্ঞানী লোক কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে ভালোবাসেন না এবং

অপরকেও

তাঁর প্রতি ব্যক্তিগতভাবে ভালোবাসতে বা আসক্ত হতে দিতে চান না ।

নিজে মুক্ত বলে তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার বদ্ধ হতে দিতে চান না ।

তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার বদ্ধ হতে দিতে চান না ।

নিজে মুক্ত বলে তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার বদ্ধ হতে দিতে চান না ।

তিনি নিজের আত্মাকে,

ভগবানকে সকলের মধ্যে দর্শন করেন বলে সর্বজীবে সমভাবে তাঁর ভালোবাসা বা প্রেম ।

তাঁর প্রেমে ◆দেহেন্দ্রিয়-সম্বন্ধ নেই, ◆কামগন্ধ নেই, ◆রূপজ মোহ নেই ।

◆জ্ঞানীই প্রকৃত প্রেমিক, 

◆প্রকৃত প্রেমিক ই জ্ঞানী ।

ত্যাগ, প্রেম ও পবিত্রতা ভগবান লাভের উপায় ।

এরা পরস্পর অঙ্গাঙ্গি ভাবে সম্বন্ধ, একটি হলে অপর দুটিও থাকে ।

“তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্‌ ৷

শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং, ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ ৷৷”

কাছাকাছি দিন থেকে-

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ৯ই ডিসেম্বর

ঠাকুরের তপস্যা — ঠাকুরের আত্মীয়গণ ও ভবিষ্যৎ মহাতীর্থ

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নহবতের পার্শ্বে রাস্তায় দাঁড়াইয়া আছেন। দেখিতেছেন নহবতের বারান্দার একপার্শ্বে বসিয়া, বেড়ার আড়ালে মণি গভীর চিন্তামগ্ন। তিনি কি ঈশ্বরচিন্তা করিতেছেন? ঠাকুর ঝাউতলায় গিয়াছিলেন, মুখ ধুইয়া ওইখানে আসিয়া দাঁড়াইলেন।

শ্রীরামকৃষ্ণ — কিগো, এইখানে বসে! তোমার শীঘ্র হবে। একটু করলেই কেউ বলবে, এই এই!

চকিত হইয়া তিনি ঠাকুরের দিকে তাকাইয়া আছেন। এখনও আসন ত্যাগ করেন নাই।

শ্রীরামকৃষ্ণ — তোমার সময় হয়েছে। পাখি ডিম ফুটোবার সময় না হলে ডিম ফুটোয় না। যে ঘর বলেছি, তোমার সেই ঘরই বটে।

এই বলিয়া ঠাকুর মণির ‘ঘর’ আবার বলিয়া দিলেন।

“সকলেরই যে বেশি তপস্যা করতে হয়, তা নয়। আমার কিন্তু বড় কষ্ট করতে হয়েছিল। মাটির ঢিপি মাথায় দিয়ে পড়ে থাকতাম। কোথা দিয়ে দিন চলে যেত। কেবল মা মা বলে ডাকতাম, কাঁদতাম।

মণি ঠাকুরের কাছে প্রায় দুই বৎসার আসিতেছেন। তিনি ইংরেজী পড়েছেন। ঠাকুর তাঁহাকে কখন কখন ইংলিশম্যান বলতেন। কলেজে পড়াশুনা করেছেন। বিবাহ করেছেন।

তিনি কেশব ও অন্যান্য পণ্ডিতদের লেকচার শুনিতে, ইংরেজী দর্শন ও বিজ্ঞান পড়িতে ভালবাসেন। কিন্তু ঠাকুরের কাছে আসা অবধি, ইওরোপীয় পণ্ডিতদের গ্রন্থ ও ইংরেজী বা অন্য ভাষার লেকচার তাঁহার আলুনী বোধ হইয়াছে। এখন কেবল ঠাকুরকে রাতদিন দেখিতে ও তাঁহার শ্রীমুখের কথা শুনিতে ভালবাসেন।

আজকাল তিনি ঠাকুরের একটি কথা সর্বদা ভাবেন। ঠাকুর বলেছেন, “সাধন করলেই ঈশ্বরকে দেখা যায়,” আরও বলেছেন, “ঈশ্বরদর্শনই মানুষ জীবনের উদ্দেশ্য।”

শ্রীরামকৃষ্ণ — একটু কল্লেই কেউ বলবে, এই এই। তুমি একাদশী করো। তোমরা আপনার লোক, আত্মীয়। তা না হলে এত আসবে কেন? কীর্তন শুনতে শুনতে রাখালকে দেখেছিলাম ব্রজমণ্ডলের ভিতর রয়েছে। নরেন্দ্রের খুব উঁচুঘর। আর হীরানন্দ। তার কেমন বালকের ভাব। তার ভাবটি কেমন মধুর। তাকেও দেখবার ইচ্ছা করে।

[পূর্বকথা — গৌরাঙ্গের সাঙ্গোপাঙ্গ — তুলসী কানন — সেজোবাবুর সেবা ]

sri Ramakrishna  leather slippers

“গৌরাঙ্গের সাঙ্গোপাঙ্গ দেখেছিলাম। ভাবে নয়, এই চোখে! আগে এমন অবস্থা ছিল যে, সাদাচোখে সব দর্শন হত! এখন তো ভাবে হয়।

“সাদাচোখে গৌরাঙ্গের সাঙ্গোপাঙ্গ সব দেখেছিলাম। তারমধ্যে তোমায়ও যেন দেখেছিলাম। বলরামকেও যেন দেখেছিলাম।

“কারুকে দেখলে তড়াক করে উঠে দাঁড়াই কেন জান; আত্মীয়দের অনেক কাল পরে দেখলে ওইরূপ হয়।

“মাকে কেঁদে কেঁদে বলতাম, মা! ভক্তদের জন্যে আমার প্রাণ যায়, তাদের শীঘ্র আমায় এনে দে। যা যা মনে করতাম, তাই হত।

পঞ্চবটীতে তুলসী কানন করেছিলাম, জপ-ধ্যান করব বলে। ব্যাঁকারির বেড়া দেবার জন্য বড় ইচ্ছা হল। তারপরেই দেখি জোয়ারে কতকগুলি ব্যাঁকারির আঁটি, খানিকটা দড়ি, ঠিক পঞ্চবটীর সামনে এসে পড়েছে! ঠাকুরবাড়ির একজন ভারী ছিল, সে নাচতে নাচতে এসে খবর দিলে।

“যখন এই অবস্থা হল, পূজা আর করতে পারলাম না। বললাম, মা, আমায় কে দেখবে? মা! আমার এমন শক্তি নাই যে, নিজের ভার নিজে লই। আর তোমার কথা শুনতে ইচ্ছা করে; ভক্তদের খাওয়াতে ইচ্ছা করে; কারুকে সামনে পড়লে কিছু দিতে ইচ্ছা করে। এ-সব মা, কেমন করে হয়। মা, তুমি একজন বড়মানুষ পেছনে দাও! তাইতো সেজোবাবু এত সেবা করলে।

“আবার বলেছিলাম, মা! আমার তো আর সন্তান হবে না, কিন্তু ইচ্ছা করে, একটি শুদ্ধ-ভক্ত ছেলে, আমার সঙ্গে সর্বদা থাকে। সেইরূপ একটি ছেলে আমায় দাও। তাই তো রাখাল হল। যারা যারা আত্মীয়, তারা কেউ অংশ, কেউ কলা।”

ঠাকুর আবার পঞ্চবটীর দিকে যাইতেছেন। মাস্টার সঙ্গে আছেন, আর কেহ নাই। ঠাকুর সহাস্যে তাঁহার সহিত নানা কথা কহিতেছেন।

[পূর্বকথা — অদ্ভুত মূর্তি দর্শন — বটগাছের ডাল ]

শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — দেখ, একদিন দেখি — কালীঘর থেকে পঞ্চবটী পর্যন্ত এক অদ্ভুত মূর্তি। এ তোমার বিশ্বাস হয়?

মাস্টার অবাক্‌ হইয়া রহিলেন।

তিনি পঞ্চবটীর শাখা হইতে ২/১টি পাতা পকেটে রাখিতেছেন।

শ্রীরামকৃষ্ণ — এই ডাল পড়ে গেছে, দেখেছ; এর নিচে বসতাম।

মাস্টার — আমি এর একটি কচি ডাল ভেঙে নিয়ে গেছি — বাড়িতে রেখে দিয়েছি।

শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — কেন?

মাস্টার — দেখলে আহ্লাদ হয়। সব চুকে গেলে এই স্থান মহাতীর্থ হবে।

শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — কিরকম তীর্থ? কি, পেনেটীর মতো?

পেনেটীতে মহাসমারোহ করিয়া রাঘব পণ্ডিতের মহোৎসব হয়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রায় প্রতি বৎসর এই মহোৎসব দেখিতে গিয়া থাকেন ও সংকীর্তন মধ্যে প্রেমানন্দে নৃত্য করেন, যেন শ্রীগৌরাঙ্গ ভক্তের কাছে ডাক শুনিয়া স্থির থাকিতে না পারিয়া, নিজে আসিয়া সংকীর্তন মধ্যে প্রেমমূর্তি দেখাইতেছেন।

“ওঁ নিরঞ্জনং নিত্যমনন্তরূপং ভক্তানুকম্পাধৃতবিগ্রহং বৈ।

ঈশাবতারং পরমেশমীড্যং তং রামকৃষ্ণং শিরসা নমামি।।”

My Childhood was Absolutely Delightful,

…. স্কুল বা ছোট বেলার দিনগুলো তে হুট করেই বন্ধুত্ব হয়ে যেতো…

যেই ছেলেটা লুকোচুরি খেলার সময় চোর হয়ে আমার পিছনে টানা ৫ মিনিট ছুটেছিল, সে আমার বন্ধু হয়ে গিয়েছিল …
ছোট্ট চুলের ঐ মেয়েটা একটা চুইংগাম দিয়েছিল ক্লাস টু তে, সেদিনই আমার বন্ধু হয়ে গেছিল…
পাশের বেঞ্চের ছেলেটা চুপচাপ বসে থাকতো সারাদিন, কারণ ছাড়াই সেও আমার বন্ধু হয়ে গেলো
আর মারামারি করা সেই গুন্ডা ছেলেটাও অদ্ভুত ভাবে পরের দিনেই বন্ধু
এই হুট করে হওয়া বন্ধুত্বটা হুট করেই ভেঙ্গে যেতো না … ৫ টাকা দিয়ে অনেকগুলা Sticker কিনে বন্ধুদের খাতায় লাগিয়ে দেওয়া … বাবল গাম খেয়ে Tattoo পেলে ছেলেটার হাতে বসিয়ে দেওয়া কিংবা Trump Card কার্ডগুলা নিয়ে একসাথে বসে যেতাম……..
কি সহজ, কি সুন্দর ছিল সেসব বন্ধুত্ব !!
সেই বন্ধুত্বে আড়ি ছিলো … রাগ ছিলো … মজা ছিল Jealousy ছিলো … খেলার মাঠে ল্যাং মেরে ফেলে দেয়া ছিল এক সাথে কান ধরে দাড়ান ছিল… চুইং গাম চিবিয়ে বেঞ্চে আটকে দেওয়া ছিল…..Tiffin নিয়ে মারামারি ছিল … সব ছিলো !!
এখনকার বন্ধুত্বেও সবই আছে … শুধু “সহজ” – নামক জিনিসটা নেই !!
এখন আর বন্ধুরা “আড়ি” করে না, কিন্তু বাইরে থেকে “ব্যস্ততা” নামক একটা অজুহাত দিয়ে ভুলে যেতেও সময় নেয়না
এখনো বন্ধুরা “রাগ” করে… কিন্তু “রাগ” দেখিয়ে দুটো কথা বলে না … “Ignore” করে … যেটা সব থেকে খারাপ লাগে
এখনো বন্ধুদের মাঝে “Jealousy” থাকে … কিন্তু আগের মত সামনে থেকে ল্যাং মেরে ফেলে দেওয়া হয় না … এখনের “jealously” মানে পেছন থেকে ছুরি মারা নীরবে নিঃশব্দে !!
এখন বন্ধুরা বন্ধুকে ভুলে যায় … “Girlfriend” বা “Boyfriend” নিয়ে জগত সাজিয়ে নীরবে জানিয়ে দেয় “এখন আর তোদের দরকার নেই “
এখনো “ঝগড়া” হয় … তবে নীরব ঝগড়া …যাকে ইংরেজিতে বলে “COLD WAR” … … এই ঝগড়ায় কোন কথা কাটাকাটি নেই … না আছে রাগের প্রকাশ, নীরবতার ছুরি দিয়ে একজন আরেকজনের ভেতরটাকে সহজেই কাটাকাটি করে ফেলে !!
কেউ এখন আর সরাসরি কিছু বলে না আগের মত … কপাল কুচকে বলে না….
“তুই আমার Sticker কেন নিলি ?”
“তুই আমার Tiffin টা কেন খেলি?”
সবাই বড্ড Mature … সবার বড্ড বেশিই Ego… সবাই সবাইকে “বুঝে নেয়” … বুঝে নিতে গিয়েই ভুল হয়ে যায় … ইংরেজিতে যাকে বলে “MISUNDERSTANDING”
সবকিছু বড্ড বেশিই জটিল হয়ে গেছে … চিন্তা, ভাবনা, কথা, কাজ … সব … আমরা কেউ কাউকে সরাসরি জিজ্ঞেস করি না “কেন এটা করলি ??”
আমরা মনে মনে ভেবে নিই –
“সে কেন এটা করলো ?? নিশ্চয়ই……”
আঙ্গুলের সাথে আঙ্গুল মিলিয়ে চোখের দিকে তাকিয়ে “আড়ি” নেয়ার দিনগুলোই বোধ হয় ভালো ছিল … At Least কারণটা তো জানতাম !!
ছোট্ট বেলাটার ছোট্ট জামাটাই বেশ ছিল গাল টিপে আদর খাওয়া টাই বেশ ছিল,
এখন হুট করে চোখের সামনে “ADD FRIEND” অথবা “UNFRIEND” বাটনটা যখন সামনে চলে আসে , কারণ খুঁজতে খুঁজতে মনে পড়ে যায়
ভুল করেই মনে হয় বড় হয়ে গেছি….

Raja maharaj is krishna sakha II রাজা মহারাজ

রাজা মহারাজ
অসুস্থতার সময় *শ্রী শ্রী রাজা মহারাজের* শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে চলল কিন্তু মন ছিল অত্যন্ত সবল। সব সময় মহারাজ ভাবস্থ হয়ে থাকতেন, আর মাঝে মাঝে উচ্চারণ করতেন – *”কমলে কৃষ্ণ, কমলে কৃষ্ণ!* এই কথাগুলোর পেছনে একটা ইতিহাস আছেঃ স্বামী সারদানন্দ একবার শ্রীরামকৃষ্ণকে বলতে শুনেছিলেন যে *রাখাল কৃষ্ণসখা।* পরে তাঁর বই ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণলীলাপ্রসঙ্গ’তে  মহারাজের সম্বন্ধে লিখতে গিয়ে তিনি এর উল্লেখ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্বামী প্রেমানন্দ তাঁকে বললেনঃ *”ঠাকুর যদিও বলেছেন মহারাজ ‘কৃষ্ণসখা’, তবুও তোমার এটা উল্লেখ করা উচিত নয়। মহারাজ এটা পড়লে তাঁর শরীর ছেড়ে দিতে পারেন।”* এই শুনে স্বামী সারদানন্দ তাঁর বইতে এটা আর ছাপালেন না। যোগীন-মা শরৎ মহারাজকে বলেছিলেনঃ “মহারাজ যদি একবার নিজের স্বরূপ চিনতে পারেন, তোমরা তাঁকে আর রাখতে পারবে না।”         এই কারণে মহারাজ কখনও গয়া যাননি। শ্রীরামকৃষ্ণ কখনও গয়া বা পুরী যাননি। যদি তাঁরা সেখানে যেতেন তবে শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁদের পুরনো পরিচয়ের স্মৃতি মনে পড়ে যেত এবং তাঁরা তাঁদের স্থূল শরীর ছেড়ে দিতেন। আমাদের কল্যাণের জন্যই তো তাঁদের শরীর ধারণ!      – স্বামী অশেষানন্দ

Anybody who is too much stressed or confused should read this again and again…..I got all my answers…Try this…

Anybody who is too much stressed or confused should read this again and again…..I got all my answers…Try this…A rare conversation between Krishna & Today’s Arjun.  Read it aloud to family,it’s one of the best messages I have come across…1. Arjun:- *_I can’t find free time. Life has become hectic._*Krishna:- *Activity gets you busy. But productivity gets you free.*2. Arjun:- *_Why has life become complicated now?_*Krishna:- *Stop analyzing life… It makes it complicated. Just live it.*3. Arjun:- *_Why are we then constantly unhappy?_*Krishna:- *Worrying has become your habit. That’s why you are not happy.*4. Arjun:- *_Why do good people always suffer?_*Krishna:- *Diamond cannot be polished without friction. Gold cannot be purified without fire. Good people go through trials, but don’t suffer.**With that experience, their life becomes better, not bitter.*5. Arjun:- *_You mean to say such experience is useful?_*Krishna:- *Yes. In every term, Experience is a hard teacher. It gives the test first and the lessons later.*6. Arjun:- *_Because of so many problems, we don’t know where we are heading…_*Krishna:- *If you look outside you will not know where you are heading. Look inside. Eyes provide sight. The heart provides the way.*7. Arjun:- *_Does failure hurt more than moving in the right direction?_**Krishna:- *Success is a measure as decided by others. Satisfaction is a measure as decided by you.*8. Arjun:- *_In tough times, how do you stay motivated?_*Krishna:- *Always look at how far you have come rather than how far you have to go. Always count your blessing, not what you are missing.*9. Arjun :- *_What surprises you about people?_*Krishna :- *When they suffer they ask, “why me?” When they prosper, they never ask “Why me?”*10. Arjun :- *_How can I get the best out of life?_*Krishna:- *Face your past without regret. Handle your present with confidence. Prepare for the future without fear.*11. Arjun :- *_One last question. Sometimes I feel my prayers are not answered._*Krishna:- *There are no unanswered prayers. Keep the faith and drop the fear. Life is a mystery to  solve not a problem to resolve. Trust me. Life is wonderful if you know how to live.

Best josk (G.k)

       টোকাটুকি একটা আর্ট । কথাটা নতুন নয়, সবাই জানে । পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটরের নাকের ডগা থেকে চোখ না সরিয়ে অল্প শুনে কিছুটা আড়চোখ বুলিয়ে বাকিটা বুঝে নিয়ে পুরোটা নামিয়ে দেওয়া সবার কম্মো নয় । যারা পারে তারা মহাবিদ্যার অধিকারী । যারা পারে না ,  তাদের মধ্যে একজন অরুনাংশু । অরুনাংশু বাড়ি থেকে হাজার পড়েটড়ে এলেও নিজে থেকে লেখার সাহস পেত না !! হাত পা কাঁপতো !! পেট গুড়্গুড় করতো ! ওকে কারো না কারো খাতা দেখতেই হবে !!  দেখতেই হবে , শুনলেও হবে না , শুনেও ছড়াবে !! 😎😎
একবার G.K.- র ক্লাস টেস্টে প্রশ্ন এল :”মোনালিসা ছবিটি কার আঁকা ? “😊অনেকেই জানত, তবুও ফাস্ট বেঞ্চ থেকে ফার্স্টবয় আশাদুল উত্তরটা পেছনদিকে রিলে করে দিল । মুখে মুখে কানে কানে উত্তর পৌঁছে গেল লাস্ট বেঞ্চ অবধি !! 🙂 🙂
ক্লাসশুদ্দু আমরা সবাই লিখলাম ” লিওনার্দো দা ভিঞ্চি । ” ☺ ☺একমাত্র অরুনাংশু !! ব্যাটাচ্ছেলে কি শুনেছিল কে জানে !! লিখল “প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সী “।😎😎আরেকবার ইংরেজী পরীক্ষার দিন। বিধূবাবু ইনসমনিয়াক। এসেই বললেন :” তোরা তো জানিস আমি দিনে ঘুমোই !!  তাই যে যা পারিস করে নে ! শুধু গোল করিস না, আমার ঘুম চটকালে কিন্তু কারো রক্ষে নেই। সোজা ২০ মার্ক কেটে নেব। আমরা নিশ্চিন্তে এর ওর খাতা খুলে দেখেটেখে লিখে নিলাম। সেবার আমার পেছনে বসেছিল অরুনাংশু। তাড়াতাড়ি শেষ করে ওকে খাতা দিয়ে দিলাম । “নে ভাই, জি লে আপনি জিন্দেগি।” ওর হাসি আর ধরে না !! 🤓🤓খাতা বেরোনোর আগের দিন আমাকে হেডমাস্টার কল করলেন : ” পার্থসারথি সাহা !! তোমার নামে দু’টো খাতা কি করে এল ?” 🙄 🤔 😕 😠 😡খাতা দু’টো হাতে নিয়েই বুঝলাম …  অরুনাংশু আবেগের আতিশয্যে সোজা নাম থেকে টোকা শুরু করেছিল । এরপর দু’হপ্তা আমি আর অরুনাংশু … রোজ টিফিন পিরিয়ডে টিচার্স রুমের বাইরে নিলডাউন থাকতাম । স্যাররা দয়া করে মাঝে মাঝে এটাসেটা খেতে দিতেন !!😒 😒পরে আমি, পরান আর আশাদুল মিলে ওকে বুঝিয়েছিলাম, দ্যাখ ভাই !! টুকবি টোক !! কিন্তু এইভাবে মগজ বন্ধ করে টুকলে চলে ? 😳😳 মাঝে মাঝে একটা দু’টো জায়গায় বদলে দিবি !!  কোন বরাহনন্দন ধরতে পারবে না । পরেরবার ইতিহাস পরীক্ষায় আকবরের সাম্রাজ্যবিস্তার বর্ণনা করোয় আশাদুল লিখল – ” আকবর সুশাসকের পাশাপাশি অত্যন্ত বিচক্ষন ও সাহসী যোদ্ধা ছিলেন । কঠিন বিপদের সময় ভাঙিয়া পড়িতেন না। “অরুনাংশু সম্ভবত আমাদের উপদেশ শুনেছিল । শব্দ পালটে দিয়ে লিখেছিল :” আকবর কঠিন বিপদের সময় জাঙিয়া পড়িতেন না ।”😀😃😄😆😂😜😝

Swamiji consecrated the Belur Math on 9 December 1898 by worshipping the relics of Sri Ramakrishna.

December 9Swamiji consecrated the Belur Math on 9 December 1898 by worshipping the relics of Sri Ramakrishna. During the auspicious occasion, Swamiji had said to a disciple: “The master once told me, ‘I will go and live wherever it will be your pleasure to take me, carrying me on your shoulders – be it under a tree or in the humblest cottage.”(p.612, God Lived With Them)Swamiji reached Belur Math after his second visit to the West Late in the evening of December 9, 1900, the Swami arrived at the Belur Monastery. His brother-monks and the brahmacharis were taking their meal when the gardener, out of breath, came running in to tell them, “A sahib has come!” Immediately there was much excitement and speculation as to who the sahib might be, who had come at that late hour and what his business with them could be. Then to their great surprise, the sahib rushed into their midst, and, when they saw who he was they all cried out excitedly, “Oh, Swamiji has come! Swamiji has come!” They could not believe their eyes. At once an Asana (seat) was spread for him and he was served with a large helping of the Khichuri which was the food prepared for that night. He partook of it with great zest, as it was many months since he had tasted it. Later, the monks enjoyed several delightful hours while the Swami chatted with them about his varied experiences in the West. There was no sleeping that night. They were happy beyond measure; he had come back to them, altogether unexpectedly. No words can describe their feeling. And now, though they knew it not, he was to be with them till the end.(p.558-9, V-2, Life of Swami Vivekananda)It is the nature of the mind unless it is purged of its bad habits by constant prayer and meditation, to drag a man down to lower pleasures. You and everybody shall have to infuse in it good ideas and good habits by present acts. Then it will not trouble you. This is the reason when a man wants to be spiritual, he has to remain always on the guard so that the mind goes not back again to its unnatural habits. During this period constant struggle takes place. You are passing through that. If you have faith in yourself and in the grace of Sri Ramakrishna you are sure to come out victorious. He helps him who struggles – that is His nature. Know it always that His helping hand is always guiding you. Otherwise, you would have been vanquished long ago and would have become an ordinary man. Through His blessings, the character of the mind will change and it will be a helping maid by your side. But you shall have to keep a constant watch on the mind till He comes and resides permanently within it. You shall feel it yourself.(p.170, Mahapurush Maharaj As We Saw Him, Swami Shivananda’s letter to Swami Ranganathananda at 9 December 1927)

Vivekananda Bani Rachona II স্বামীজীর বাণী ও রচনা – ৬ষ্ঠ খণ্ড 7

মান্দ্রাজ ও কলিকাতা হইতে অনেক বিবরণ সংগ্রহ করিয়া অধ্যাপক * ‘নাইন্টিন্থ সেঞ্চুরি’-নামক ইংরাজী ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ মাসিক পত্রিকায় শ্রীরামকৃষ্ণের জীবন ও উপদেশ সম্বন্ধে কিঞ্চিৎ আলোচনা করেন। তাহাতে ব্যক্ত করিয়াছেন যে, বহু শতাব্দী যাবৎ পূর্বমনীষিগণের ও আধুনিক কালে পাশ্চাত্য বিদ্বদ্বর্গের প্রতিধ্বনিমাত্রকারী ভারতবর্ষে নূতন ভাষায় নূতন মহাশক্তি পরিপূরিত করিয়া নূতন ভাবসম্পাতকারী নূতন মহাপুরুষ সহজেই তাঁহার চিত্তাকর্ষণ করিলেন। পূর্বতন ঋষি-মুনি-মহাপুরুষদিগের কথা তিনি শাস্ত্রপাঠে বিলক্ষণই অবগত ছিলেন ; তবে এ যুগে এ ভারতে —- আবার তাহা হওয়া কি সম্ভব? রামকৃষ্ণ-জীবনী এ প্রশ্নের যে মীমাংসা করিয়া দিল। আর ভারতগতপ্রাণ মহাত্মার ভারতের ভাবী মঙ্গলের, ভাবী উন্নতির আশালতার মূলে বারিসেচন করিয়া নূতন প্রাণ সঞ্চার করিল। – স্বামীজীর বাণী ও রচনা – ৬ষ্ঠ খণ্ড – ৭।* অধ্যাপক ম্যাক্সমূলার

Design a site like this with WordPress.com
Get started